ആദ്യത്തെ 94 വരികൾ.
আমি রাতে কখনও লুকোচুরি খেলি না, এমনকি টোকিওর আলো ঝলমল ব্যস্ত রাস্তাতেও না।
যদি তুমি খেলো, তোমাকে রাক্ষসেরা ধরে নিয়ে যাবে।
যারা কুনিও ইয়ানাগিদার "ইয়ামা নো জিনসেই (পর্বতের বাসিন্দা)"
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
এই, তুমি কি ও-তো-কো-য়ো খেলার নিয়ম জানো?
তুমি কি সেই খেলাটার কথা বলছো, যেটা সেই অন্ধকার শহরে খেলা হয়?
আমি শুনেছি খেলাটা দারুণ।
হ্যাঁ, কিন্তু আমি এটাও শুনেছি যে, খেলাটা অনেক বিপদজনক।
আর সবাই সেই শহরের আশেপাশে যেতেও নিষেধ করে।
এজন্যই তো এটা এতটা দারুণ।
যদি এমনটা হয়, যে তারা এই আনন্দ একা ভোগ করতেই আমাদের যেতে নিষেধ করে?
হ্যাঁ...
কিন্তু আমি শুনেছি... সেই এলাকায় রাক্ষসেরা থাকে।
রাক্ষস?
আরে, হ্যাঁ...সেখানে রাক্ষস থাকে!
ওরা বাচ্চাদের গন্ধ শুঁকে চলে আসে, আর তাদের ধরে নিয়ে যায়।
আমি শুনেছি, অনেক বাচ্চা সেই শহরে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।
যত্তসব ফালতু বানোয়াট গল্প।
আমি বানিয়ে বলছি না!
আমার এক বন্ধু বলেছে, সে নাকি সেই শহরের কাছে অনেক বিশাল এক শয়তানের ছায়া দেখেছে।
তাহলে...আমরা নিজেরাই কেন সেখানে গিয়ে দেখে আসছি না?
কী? প্রশ্নই আসে না!
তুমি হাসছো কেন?
সেই ও-তো-কো-য়ো খেলার কথা শুনে...
তুমি এই খেলার ব্যাপারে জানো?
সত্যি বলছো?
এই, এটা নিয়ে বানিয়ে বলবে না!
আরে, খেলাটার ব্যাপারে বলো!
শান্ত হও। শোনো...
আমরা অন্য কাউকে এ ব্যাপারে বলবো না, প্রমিস...
আমাদের বলো।
ও-তো-কো-য়ো সেই শহরের অতি গোপনীয় লুকোচুরি খেলা।
কাকুরেনবো
মাঝে মাঝে যখন শহরের আলোগুলো এক ভৌতিক আবহ তৈরি করে...
তখন গোটা শহর এক গোলকধাঁধায় পরিণত হয়।
ও
কিন্তু সেখানে কিছু সংকেত থাকে...
তো
সেই নিয়ন আলোয় আলোকিত সংকেত "ও", "তো", "কো" এবং "য়ো" অনুসরণ করলে তুমি রাস্তা পেয়ে যাবে।
কো
বস, খুঁজে পেয়েছি!
যখন তুমি শেষ সংকেতটা খুঁজে পাবে, তখন তুমি ও-তো-কো-য়ো চত্বরে পৌঁছে যাবে।
য়ো
আর সেখানে ৭ জন ছেলে মেয়ে পৌঁছে গেলেই খেলা শুরু হয়।
সবাইকে অবশ্যই শিয়ালের মুখোশ পরে খেলতে হবে।
ও-তো-কো-য়ো কোনো সাধারণ লুকোচুরি খেলা নয়।
এটা খুবই...বিপদজনক।
লোকে বলে, যারাই এই খেলা খেলতে আসে, তারা সবাই নিখোঁজ হয়ে যায়।
আর হ্যাঁ, এই ও-তো-কো-য়ো খেলায়...
সত্যিই রাক্ষস এসে বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যায়।
মনেহচ্ছে আমাদের আগেই কেউ এখানে এসে পৌঁছেছে।
আচ্ছা, খেলায় তো ৮ জন এসেছিল।
কিন্তু এটা তো সাতজনের খেলা, তাই না?
আরে, তাতে আমাদের কী?!
আমি এইসব ভন্ড রাক্ষসের গোমড় ফাঁস করে দেবো!
তাহলে, এটা শুরু হয়ে গেছে।
হিকোরা, তুমি কি সত্যিই খেলবে?
হ্যাঁ।
মনে হচ্ছে, খেলা শুরু হয়ে গেছে।
আরে, চল তো!
ঐ দরজাটা...ভূতুড়ে...
চলো, ভেতরে যাওয়া যাক।
চলো।
রাক্ষসের শহর
আরে, বস, শব্দ কম করলে হয় না?
রাক্ষসরা তো আমাদের খোঁজ পেয়ে যাবে।
বোকা! এখানে কোনো রাক্ষস টাক্ষস নেই।
তুই কি আসলেই বিশ্বাস করিস, এখানে রাক্ষস আছে, হ্যাঁ?
ওটা কীসের শব্দ?
কোনো ফুডকার্ট ঠেলে নিয়ে যাওয়ার শব্দ হবে হয়তো।
এরকম জায়গায় ফুডকার্ট? আপনি নিশ্চিত তো?
নিশ্চয়তার কী দরকার?
কী হলো, বস?
ওহ, এটা দেখতে ভাষ্কর্যের মতো।
বস, ভয়-টয় পেলেন নাকি...
এসব বাল-ছাল এখানে কে রাখছে?
বেশ করেছি...
বস, কাজটা ঠিক হলো না। যদি কোনো বিপদ হয়!
হিকোরা, তোমার বোন...
সোরিনচা...
হ্যাঁ, সোরিনচা... সে কি সত্যিই ও-তো-কো-য়ো খেলতে এসেছিল?
যেদিন ওরা এই খেলাটা খেলতে এসেছিল... সেদিন থেকেই ও নিখোঁজ।
ও-তো-কো-য়ো খেলা শেষে বাচ্চারা নিখোঁজ হয়ে যায়?
তুমি তাহলে সোরিনচাকে খুঁজতে এই খেলা খেলতে এসেছো?
হ্যাঁ...
জানো তো...আমিও সবসময় চেয়েছি সেই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বাচ্চাগুলোকে খুঁজে বের করতে।
যে মেয়েটাকে আমরা কিছুক্ষণ আগে দেখলাম...
সে দেখতে অনেকটা সোরিনচার মতো।
কিছু একটা আসছে!
আরে... ঐতো সে...
এই...দাঁড়াও...
এই...
আমার তো ক্ষুধা লাগছে, তোদের কাছে কি খাওয়ার কিছু আছে?
না।
No comments yet. Be the first to leave one.