ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
EPISODE 5 Bangla Subtitle By Ayaan Sohan
দোদং-রির দশডা নাওয়ের মধ্যে ছয়ডাই বু পরিবার দখল কইরা রাখছে।
এহনকার দশজনের মধ্যে আটজনেরই ওদের লগে সম্পর্ক আছে।
তহন গওন-শিকরে কে কামে নিবো?
ওর দিয়া কিছু হইবো না,
কিন্তু ওর বড় ভাই, মাছ ধরা সমিতির মাথা,
সে তো আরো বেশি বাড়াবাড়ি করতেছে।
এই দ্বীপের মানুষ বাইরের লোকডারে সহজে নেয় না। ও তো কপাল পোড়া!
এইডা আবার কী? Bangla Subtitle By Ayaan Sohan
কি হইলো?
আবার ফিরাইয়া দিল নাকি?
নাকি বাজার খারাপ?
কি, মানুষ এহন মাছও খাইবো না শুধু বাজার খারাপ বইলা?
বাড়ি যাও!
শোনো।
শুনছি, হল্লাসানের চারপাশে নতুন রাস্তা হইতেছে।
ওরে কও, ওইখানে কাম খুঁজতে।
ট্যাকা তো ট্যাকা, সাগর থাইকাই হউক আর মাটি খুঁড়ে হউক।
এই যে, একদম নতুন শামুক! এক্কেবারে টাটকা!
আজ শামুকের মান একদম দারুণ! সমুদ্র লিলিও টাটকা!
শুনছি, ও প্রতিদিন সবচেয়ে আগে আইসা পড়ে,
কামের লাইনে দাঁড়ায়।
গওন-শিক সবসময় সবার আগে লাইনে থাকে।
বিরক্তিকর!
ও এত পরিশ্রমী হতে গেল কেন?
তার কাজ কেমন চলছে?
এখন কি মাটিতে কাজ করতে অভ্যস্ত?
ও তো কিছুই বলে না।
অবশ্যই পছন্দ করে না।
একজন মাঝি সবসময় সমুদ্রকেই চাইবে।
ওহ আল্লাহ।
এই কী অবস্থা? এবার কী হলো?
তোমার হাতে কী হয়েছে?
সব কিছুরই একটা কৌশল থাকে।
ওরা কি বলেছে আর না আসতে?
আহা রে!
ভালো ছাদ ঠিকঠাক থাকতে ও আবার সেটাই সারালো কেন?
কিছুক্ষণ বিশ্রাম নাও।
ও যেন শুকিয়ে যাচ্ছিল।
একটা পরিশ্রমী গরুর মতো, যে কাজ করতে না পারলে ক্লান্ত হয়ে যায়।
হায় আল্লাহ! সব কাজ ও একাই করে ফেলেছে।
আমার তো তিনদিনের কাজ বাকি!
মা বলেছিল, মাঠে পড়ে থাকা বাঁধাকপি
ওই সময় বাবার মাথার চুলের চেয়ে কম শুকনো লাগছিল।
দোদং-রি বৈচিত্র্যময় দোকান
আরো ঘুমাও। ভাত বসিয়ে দিয়েছি।
আরাম করো। নিজেকে একটু বিশ্রাম দাও।
তুমি কি গরু নাকি?
নয় বছর বয়স থেকে মাছ বিক্রি করছো।
একটু বিশ্রাম নিলেই বা কী হবে?
একটা স্কুলের ছুটির মতো ভাবো, ব্যস।
আমি তো কখনো বিরতি নিইনি।
আলাদা লাগছে।
অদ্ভুত লাগছে।
আরে, উপভোগ করো তো!
তুমিও একটু বিশ্রাম নেওয়ার যোগ্য।
কিন্তু আমি আরামে থাকলে, আমাদের চারজনের চলবে কীভাবে?
একদিন কাজ করলে আরেকদিনের খাবার জুটবে।
কিন্তু সারাদিন খেটে…
সবকিছু এত অন্যায় কেন?
ক্ষুধার চিন্তা বাদ দাও।
পয়সা যদি লাগে, আমি জোগাড় করব।
সেই সাহিত্যপ্রেমী মেয়েটা, যে বলতে পারত না— "এই বাঁধাকপি খুব মিষ্টি!"
নির্দয় চালের হাঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে,
মা হঠাৎ নিজের মায়ের হাসিমুখ মনে করল।
মনে পড়ল, কীভাবে তার মা
একটা হাসি ফুটিয়ে তুলতেন, আরও একটা শামুক বিক্রি করার জন্য।
আমি ভাবছিলাম…
মানে…
একটু চাল--
তুমি কী বলছ, আমি বুঝতে পারছি না।
এত কান্নাকাটি কোরো না।
তোমার চেয়েও খারাপ অবস্থায় আছে অনেকে।
যেভাবে আমি কখনো ভুলিনি ওর সেই অসহায় মুখ,
যেখানে একটা হাসি আঁকতে হয়েছিল জোর করে।
তোমার বাবা যেখানেই যান, ঠকেই যান।
আমরা প্রতি বাক্সে ১,০০০ ওন বাঁচিয়েছি।
বাজারে দর কষাকষি করেছ? তুমি তো পুরো মায়ের মতো!
তুমি খুশি?
মজার লাগছে।
ছোটবেলায় আমি তো বলতে পারতাম না, "এই বাঁধাকপি খুব মিষ্টি!"
তুমিই? সত্যি?
আমি ছিলাম লাজুক এক সাহিত্যপ্রেমী মেয়ে।
স্কুল ইউনিফর্ম পরে বাঁধাকপি বিক্রি করা আমার কাছে এত লজ্জার ছিল,
আমি বইয়ের পেছনে মুখ লুকিয়ে থাকতাম।
তাহলে এত বদলে গেলে কীভাবে?
সময় গড়াতে গড়াতে শিখেছি, আসল অপমান কী জিনিস।
একটা ছোট্ট ঘরে গাদাগাদি করে থাকা,
আর রাতে খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করার শব্দ শুনেও চুপ থাকা—
এটাই ছিল আসল লজ্জা।
সেই সময় সবকিছুই ছিল নতুন।
কেন জানি তখন সব কিছুই অপমানজনক আর কষ্টদায়ক লাগত।
এমন অনেক মুহূর্ত এসেছে, যখন মনে হয়েছে, আর পারব না।
কিছু বলবে না?
নীরব থাকলে কী হবে?
ঋণ চাইতে এসে এত অহংকার কিসের?
একটা কথাও বলছ না, তবে এসেছ কেন?
কি হলো?
কী ভাবছ?
অ্যা-সুন,
এখন তোমার নিজের পরিবার আছে, ওদের দিকেই নজর দাও।
ওদের কাছেই সাহায্য চাও।
এখানে এসে এত ঝামেলা কেন?
ভাবতাম, তুমি মায়ের মতো বুদ্ধিমান,
কিন্তু আসলে বাবার মতোই কাঁচা!
আর কোনো উপায় নেই?
উপায় না থাকলে? বিক্রির জন্য এখনো কিছু জমি আছে?
তুমি এত অসহায় না হলে আসতে না, কিন্তু আমরাও তো দেনার বোঝায় ডুবে আছি!
হায়রে অ্যা-সুন, তোমার ভালো থাকা এত কঠিন কেন?
তুমি চাইলে তোমার আংটিটা দিয়ে দাও।
চালের হাঁড়ি খালি, ছেলেকে খাওয়ানোর কিছু নেই, তবুও মুখ ফুটে কিছু বলছ না?
তুমি এখনো সেই ছোট্ট মেয়েটাই রয়ে গেছ।
সোনা।
হ্যাঁ?
আমি শুধু চাই…
তারাতারি বুড়িয়ে যেতে।
কেন?
এমনই।
আমি ভেবেছিলাম, বড় হলে সবাই…
খালি হাতে গরম বাটিও ধরতে পারবে, যেমন মা পারে।
আমি ভেবেছিলাম, তারা কিয়ং-জার মতো হয়ে যাবে, যে চিন্তা না করেই খেতে বসে,
যতই দেনাদার বাসায় আসুক না কেন।
আমি ভেবেছিলাম, বড় হলেই...
হাত আর মন আপনাতেই শক্ত হয়ে যাবে।
কিন্তু আমার জন্য সবকিছু এখনো খুব গরম।
প্রতিদিন পুড়ে যাই,
প্রতিবারই কষ্ট লাগে।
আমি কি একাই বোকার মতো রয়ে গেছি?
সবাই কি
সফলভাবে বড় হয়ে যাচ্ছে?
তারা সবাই শুধু বড় হওয়ার অভিনয় করে,
কারণ সবাই বলে, তারা বড় হয়ে গেছে।
আমি দ্রুত বুড়িয়ে যেতে চাই।
হয়তো কারণ...
এটাই আমার প্রথমবার মা হওয়া, স্ত্রী হওয়া, বড় হওয়া।
আমি জানি না কেন...
সবকিছু এত কঠিন আর দুর্বোধ্য লাগছে।
আমাকে জড়িয়ে ধরো।
পিঠে হাত বুলিয়ে দাও।
ঘুম ঘুম, দোল দিয়ে ঘুমাও
ঘুম ঘুম, দোল দিয়ে ঘুমাও
আমার সোনামণি শান্ত ঘুমায়
ঘুম ঘুম, দোল দিয়ে ঘুমাও
ঘুম ঘুম …
সূর্য।
অে-সুন।
তুমি কি সারারাত না ঘুমিয়ে ছিলে আমাকে আংটিটা না দেওয়ার জন্য?
এত গভীরভাবে চিন্তা কোরো না।
আমার স্বামী ঠিক পাশেই আছেন।
এটা বের করোও না।
তুমি যদি তোমার লুকিয়ে রাখা টাকা দাও, আমার ঘুম হারাম হয়ে যাবে।
- একটা নৌকা কিনে নাও। - কী বললে?
একটা নৌকা কিনো, কাউকে কিছু বোলো না।
যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, বলবে লটারি জিতেছো।
- এটা তুমি চুরি করেছো? - এটা আমার টাকা।
যুদ্ধের আগের দিনগুলোতে গুকবাপ বিক্রি করে আমি এটা জমিয়েছিলাম।
তুমি তাহলে এতদিন এটা লুকিয়ে রেখেছিলে?
জং-গু টাকা খেয়ে ফেলবে। ও নিশ্চয়ই জুয়ায় উড়িয়ে দিত।
তাই তুমি এটা আমার জন্য জমিয়ে রেখেছিলে?
তোমার মা আমাকে হুমকি দিয়েছিল। বলেছিল, এটা দিলেই আমরা সমান হয়ে যাবো।
কি?
হে ঈশ্বর, উনাকে বাঁচিয়ে রাখুন।
আপনি কীভাবে ওনার সন্তানদের থেকে তাঁকে ছিনিয়ে নিতে পারেন?
মা।
মা।
আপনি কি দয়া করে আমার সঙ্গে যাবেন?
আমি একা যেতে ভয় পাচ্ছি।
ফরএভার ইয়াং স্টুডিও
তোমার বিয়ের সময় এটা কি আমি কিনে দিইনি?
এটাই আমার সেরা পোশাক।
হয়তো জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করি বলে
আমরা হেনিয়ো -রা এত কুসংস্কারে বিশ্বাস করি।
লোকজন বলে, ছবি তুললে
শিগগিরই তা শেষকৃত্যের কাজে লাগে।
আমার সারা জীবন যেন কাঁধে কফিন বয়ে বেড়িয়েছি,
তবুও আমি মৃত্যু ভয় পাই।
এ কারণেই কোনো দিন ছবি তোলার সাহস করিনি।
আমার দিকে তাকাও।
তোমার সন্তানেরা তোমাকে এই ছবির মাধ্যমে মনে রাখবে।
তোমার গায়ে গোলাপি রং দারুণ মানাবে।
চলো, একটা ছবি তুলি তোমার বিদায়ের জন্য
আর একটা আমার জন্য।
তুমি আরও অনেকদিন বেঁচে থাকবে।
আমার সাথে থেকো।
আমি আমার সন্তানের চেয়ে অনেক বেশি দিন বেঁচে আছি।
অতিরিক্ত অনেকদিন।
আমার সবচেয়ে প্রিয় সন্তানকে হারিয়েও,
জীবন থেমে থাকেনি, আমি এখনো দিনে তিন বেলা খাচ্ছি।
আমি প্রতিজ্ঞা করছি…
তোমার প্রিয় ছেলেকে খুঁজে বের করব।
আমি তার পাশেই থাকব ওপারে,
নতুন কাউকে খোঁজার বদলে।
যদি হান-গ্যুকে তুমি আগে দেখো…
তাহলে বলো, আমি দুঃখিত।
বলবে, "মা দুঃখিত"।
অনুগ্রহ করে তাকে বোলো।
অনুগ্রহ করে…
আমি নিশ্চিত করব, সে এই বার্তাটা পায়।
তাই অনুগ্রহ করে থেকো,
হান-গ্যুর সন্তানকে আগলে রেখো।
No comments yet. Be the first to leave one.