ആദ്യത്തെ 169 വരികൾ.
প্রত্যেক উপাসকের ইচ্ছা পূরণ হবে।
সিরিজের নামঃ Breathe Into The Shadows (2020) সিজন ০১, এপিসোড ০১।
অনুবাদে ও সম্পাদনায়ঃ এফ আর সজীব।
[ইংরেজি বাক্যগুলোর কোনো ইংরেজি সাব ছিল না, তবে অধিকাংশ জায়গায় নিজ দায়িত্বে বসিয়েছি]
[সাবে সিনক্রোনাইজ না হলে, +10s স্লো করে নিতে হবে।]
প্রত্যেকেরই আশা পূরণ হবে।
জেগে যাও মাতা, সবাই তার নামে কীর্তন করো।
মনপ্রাণ উজাড় করে পূজা করতে হবে।
আজকালকার প্রজন্মের মনোযোগ উল্টাপাল্টা জিনিসের উপরেই থাকে।
প্রভু মায়ের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
জয় মাতা জি!
সবাই একসাথে বলো, জয় মাতা জি!
একমাত্র তিনিই সব আশা পূরণ করেন।
দিদি, তোমার মনোযোগ কোনদিকে?
মা, বইটা আমার না! পাঠাগারের।
কিছু হবে না, রং ই তো। ভেবে নে, মাতা রাণী তোর বইকে আশির্বাদ করে দিয়েছে।
দেখিস, এই পৃষ্ঠার প্রশ্নই তোর পরীক্ষায় আসবে।
আগে থেকেই যদি জানতাম, মাতা রাণী জাগ্রতের নামে প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে,
-তাহলে বন্ধুদেরকেও সাথে নিয়ে আসতাম! -পাগল কোথাকার!
আচ্ছা, মা। শোনো তো...
দুইদিন পরই আমার পরীক্ষা,
আর কাল সকালে ক্লাসও আছে।
তো, যদি তুমি আর মাতা রাণী কিছু মনে না করো, আমি যাবো ঘুমাতে?
আচ্ছা, ঠিক আছে, যা।
হাতজোড় করে, হাততালি থামানো যাবে না।
নইডার সেক্টর-১৪ এর, একুশ বছরের এক মেয়ে চাঁদনী রাওয়াত,
নিজের বাবা, চাচা আর চাচিকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে।
একজন সাইকো কিলার।
যারজন্য মৃত্যুর সাজাও কম।
কিন্তু, সত্যিটা কী, সেটা আমি আপনাদেরকে বলবো।
গত ১৫ বছর ধরে, চাচার দ্বারা যৌন অসদাচরণ,
প্রতিদিন চাচির নির্যাতন...
পিতার ক্যান্সার রোগ বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে উনার চুপ থাকা আর অসহায়ত্ব।
ওর ধৈর্যের বাঁধ তখন ভেঙ্গেছিল, মহামান্য আদালত,
যখন এসব লোক জোর করে ওর বিয়ে করাতে চাইলো।
ওইদিন থেকে, চাঁদনী রাওয়াতের মানসিক অবস্থা দিনদিন খারাপ হতে লাগলো,
নিজের সাথেই কথা বলা, বিড়বিড় করা,
কোনো ব্যাপারে কারণ ছাড়াই কান্না শুরু করা,
মানসিক অবস্থা বিপর্যয়ে যাওয়ায়, সে চরম স্কিযোফেনিয়ার কারণে ঘুমাতে শুরু করে।
আর তারপর, ১৪ সেপ্টেম্বর এর সন্ধ্যায়,
চাঁদনী রাওয়াত, চাকু দিয়ে ওই তিনজনকে নিষ্ঠুরভাবে মেরে ফেলে।
কিন্তু, এই ব্যাপারটার কোনো স্মৃতিও ওর মস্তিষ্কে নেই, মহামান্য আদালত।
মহামান্য আদালত, চাঁদনী রাওয়াতের চিকিৎসকের সাহায্য দরকার, শাস্তি না।
এই আমার বক্তব্য, মহামান্য আদালত।
প্রসিকিউটর জনাব, কোনো শেষ বক্তব্য?
জ্বী, মহামান্য আদালত।
চাঁদনী রাওয়াতের মানসিক অবস্থা অধিগত করার জন্যে,
বিবাদী উকিল একজন পেশাগত সাইকিয়াট্রিস্ট এর সাহায্য নেয়।
আমি চাই, উনি উনার তথ্য আদাললের সামনে পেশ করেন।
ডাক্তার অভিনাষ সাভারওয়াল।
ম্যাম।
ডাক্তার সাভারওয়াল, চাঁদনী রাওয়াত কি আসলেই স্কিযোফেনিয়ায় আক্রান্ত?
হ্যাঁ, স্যার।
আচরণগত উপসর্গগুলোর মতো সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, জমাটবদ্ধ কিছু ভীতিকর অবস্থা যেমন...
চিন্তাশক্তির সমস্যা, সমব্যথা সমস্যা, রাগ, দুশ্চিন্তা, অসন্তোষ, কথা-বার্তায় সমস্যা...সব কিছুর সমন্বিত প্রভাব।
সব কিছুই আছে তার।
স্যার, আমার প্রাথমিক মূল্যায়ন ছিল যে, চাঁদনী রাওয়াত...
মাননিসভাবে মোহমুক্ত ও বিচলিত ছিল।
কিন্তু, আমাদের এক অধিবেশন চলাকালে, আমার নজর ওর ক্যাবিনের মধ্যে রাখা এক সংবাদপত্রের উপর যায়।
যেখানে চাঁদনী, উদাসীন না হয়ে, একটা সুডুকু সমাধান করেছিল।
নির্ভুলভাবে।
স্যার, এক রোগী যে মানসিকভাবে মোহমুক্ত আর বিচলিত,
তার সফলভাবে এতটা জটিল ধাঁধা সমাধান করা প্রায় অসম্ভব।
সেখান থেকেই আমার সন্দেহ শুরু হয়,
যেগুলো আমি পরবর্তী অধিবেশনগুলোতে যাচাই করেছি।
আর সে বললো, "মেরে ফেলো। সবাইকে।"
-কে বলেছে? -একটা আওয়াজ। ওটা এখান থেকে আসতো।
আওয়াজটা পুরুষের ছিল নাকি মহিলার?
সেটা আমি জানি না। কিন্ত এটা বলেছিল, "মেরে ফেলো"।
ম্যাম, একজন সত্যিকারের স্কিযোফেনিয়াক রোগীর হ্যালুসিনেশন খুব স্পষ্ট হয়।
তার মাথায় আসা আওয়াজ সম্পর্কে সে জানে।
তারা পরিষ্কারভাবে বলতে পারে যে, আওয়াজটা কোনো পুরুষ নাকি মহিলার,
নাকি কোনো বাচ্চার, বয়সও বলতে পারে।
আর আমাদের অধিবেশন চলাকালে, মিস রাওয়াত বারবার এক উক্তি/পরিভাষা ব্যবহার করছিল।
আমি এসব অসহ্যকর আচরণ আর নিতে পারছি না, স্যার।
অসহ্যকর?
এর দ্বারা কী বুঝাতে চাইছো?
বিভ্রান্ত...বিভ্রান্তিকর আচরণ।
অসহ্যকর আচরণ।
যে পরিভাষটা চাঁদনী ইন্টারনেটে খুঁজেছিল,
কিন্তু সেটার মানে ভুলে গিয়েছিল।
একজিন স্কিযোফেনিয়াক কখনো উপলব্ধি করতে পারবে না যে, সে বিভ্রান্তে আছে।
আর চাঁদনী খুবই স্পষ্ট ছিল যে, সে বিভ্রান্তে ছিল।
আর যে পরিভাষা চাঁদনী ব্যবহার করছিল,
সেটা তার কম্পিউটারের খোঁজার ইতিবৃত্তেও ছিল।
তো, আপনার সর্বশেষ নিরীক্ষণ কী, ডাক্তার?
আমার নিরীক্ষণ হচ্ছে, চাঁদনী রাওয়াত কোনোভাবেই স্কিযোফেনিয়ায় আক্রান্ত ছিল না।
-ডাক্তার সাভারওয়াল, আপনি এখন যেতে পারেন। -ধন্যবাদ, ম্যাম।
মহামান্য আদালত, চাঁদনীর উদ্দেশ্য ছিল ওর প্রেমিক ভিনয়,
যাকে চাঁদনী বিয়ে করতে চেয়েছিল।
কিন্তু, পরিবার মানা করে দিয়েছে।
তাই তার প্রেম আর পরিবারের সম্পত্তি পাবার জন্যে,
চাঁদনী এই পরিকল্পনাটা করে।
পরিকল্পনাটা সহজই ছিল।
পাগলা গারদে কিছু বছরের জন্যে,
আর তারপর নিজের প্রেমিকের সাথে আনন্দের জীবন।
এই আমার বক্তব্য, মহামান্য আদালত।
সিয়া নিচে আসলে, উপরে গিয়ে ওর ঘর পরিষ্কার করে দেবে।
আর দেখো, ওকে আবার ঠান্ডা জুস দিও না, সুনেত্রা।
ঠিক আছে, দিদি।
ওহ, ওয়া, আমি তোমাকে গৃণা করি।
এখানে আমি ক্ষুধায় মরে যাচ্ছি, আর তুমি ওখানে গিয়ে এসব বানাচ্ছো।
আরও করো, রান্নাওয়ালীকে বিয়ে!!
দাঁড়াও, দাঁড়াও....।
হাসি...।
তুমি এটা খেতে পারো, আর আজকে তুমি উঠাও ওকে।
দিদি, আমি বাজারে গেলাম এখন।
তোমার ঠোঁটের সুগন্ধি/উপশম। মানে, সে তার পালঙ্কে, তাইনা?
আভা!
-আভা, জলদি উপরে আসো। -এখন আমি ব্যস্ত আছি।
দেখো, এখানে কী আছে।
-কী? -এই যে দেখো। এটা কী?
এক বাচ্চা আমাদের ঘরে কীভাবে ঢুকলো?
জানি না। আমি তো দরজা জানালা বন্ধ-ই রাখি।
এটার কী করবো আমরা?
আমি জানি না। তুমি বলো।
আমার মনে হয় আমাদের এটাকে রান্না করে খেয়ে ফেলা উচিত।
-সিয়া স্যুপ! -সিয়া স্যুপ...
না, আমি সুস্বাদু না।
আমি তো কাঁচাই খেয়ে ফেলবো।
-বাবার সাহসী রাজকুমারী! -আমি রাজকুমারী হতে চাই না।
-কেন? -কারণ, রাজকুমারীরা খুবই দুর্বল হয়।
সবসময় ওদেরকে উদ্ধার করতে হয়।
ভালো যুক্তি।
আভি, আমার গাড়ি ঠিক করাতে দিচ্ছো তো, না?
হাহ। কাল দিয়ে দিবো।
যদি কালকে না হয় না, আমি তোমার গাড়ি নেবো।
তুমি যেও, ডিটিসি বাসে করে, ঝুলে।
এই, দেখো! আবার টমেটো সরিয়ে দিয়েছো?
আমার টমেটো ভালো লাগে না।
সারা বলেছে টমেটোর বীজ পটির সাথে বের হয়।
পাপা, আমার কাজ চেয়েছিলে তুমি, না?
এখন বলো ওকে।
দেখো, সে কীভাবে অমলেটকে না ছিড়ে, অস্ত্রোপচারের মতো সব টমেটোকে সরিয়েছে।
-এই অটল হাতের সহিত সে ব্রিলিয়ান্ট এক ডাক্তা... -ডান্সার।
কী! সেটাও হতে পারো।
আমাকে শেষ করতে হবে। হোটেল যেতে হবে।
তাহলে সারার জন্মদিনের পার্টিতে, আমাকে কে নিয়ে যাবে?
চিন্তা করো না। আমি নিয়ে যাবো।
এটা হচ্ছে আমন্ত্রণ পত্র। কাপুরের খামার বাড়িতে।
উপহার আমাদের শোবার ঘরে আছে, আর ওর সাজনপাতিও।
বাবা, আমি একটা বিড়াল পেতে পারি?
মা, এটা তো মায়ের ব্যাপার, ওকে?
যদি আমার কাছে বিড়াল না থাকে, তাহলে স্কুলের বাড়ির কাজ কীভাবে করবো?
বিড়াল আর বাড়ির কাজের সাথে কী সম্পর্ক?
ম্যাম বলেছেন, আমার প্রিয় পোষা প্রাণী সম্পর্কে পাঁচ লাইন লিখতে।
জানো তুমি? যখন আমি স্কুলে ছিলাম, আমাকেও বলা হয়েছিল এরকম কিছু লিখতে।
জানো তো, আমি লিখেছিলাম!
-কী? -একদা এক সময়, অনেক অনেক আগে...
-এক ছেলে বাস করতো...তার নাম... -অভিনাষ, পাপা।
আর প্রতিদিন সন্ধ্যায়, ওই ছেলে তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে যেতো।
আর ওই কুকুরছানার নাম কী ছিল?
গুফি!
-বাবা, আমি কুকুরছানা পেতে পারি? -না, না, না। -প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ।
আমি তাকে ঘরে লুকিয়ে রাখবো, আর আমিও ওকে গুফি বলে ডাকবো।
যদি তোমার মা জেনে যায়, কী হতে পারে জানো?
আমরা দুজনই...ঘরের বাইরে।
এটা ঠিক না। আপনার কাছে কুকুর ছিল তো।
-আরে, ছিল না। -তাহলে গুফির কী হয়েছিল?
গুফির? ঠিক আছে...
ওহ, ভগবান! পরে বলছি। আগে এখান থেকে বের হই।
-হাই সিয়া, কেমন আছো? -ভালো আছি।
সিয়া, চল।
ওদের খুব ভালো লেগেছে, পার্টি শেষ হতেই আমি গ্রুপে মেসেজ করে দেবো।
-তুমি তো গ্রুপে আছো না? -আমার বউ লিভ নিতে দেয় না।
-হাহ হাহ। -ওকে।
-তুমি একা থাকতে পারবে তো, সিমবা? -হ্যাঁ, মুফাসা। -তাহলে আমি পরে আসবো, ওকে?
সিয়া, জলদি আয়।
-হাই, গাইজ। মনে হচ্ছে ভালোভাবেই সব শেষ করেছেন!! -হ্যাঁ, তুমি মজাটা মিস করলে।
No comments yet. Be the first to leave one.