ആദ്യത്തെ 145 വരികൾ.
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
নয়জন প্রতিযোগী:
গন, কিলুয়া, কুরাপিকা,
লিওরিও, পোকল, বদোরো।
গিত্তারাকুর, হানজো আর হিসোকা।
তারা যাবে ফাইনাল ধাপে, এক্সামের চতুর্থ ধাপ পেরিয়ে।
সবাই শোনো,
ঠিকমতো বিশ্রাম হয়েছে সবার?
এই হোটেলের মালিক হান্টার এক্সাম কমিটি।
পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই জায়গার মালিক তোমরা।
চতুর্থ ধাপের জন্য আমরা মুখোমুখি লড়াইয়ের আয়োজন করব।
শেষে যে একজন টিকে থাকবে, সে জিতবে?
না।
পাশ করার জন্য একটা জয়ই যথেষ্ট।
একটা জয়?
তারমানে, এই টুর্নামেন্টে...
জয়ীদেরকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেয়া হবে,
বিজেতারা লড়তে থাকবে,
অন্য কথায়, যে এক নম্বরে থাকবে, তাকে বাদ দেয়া হবে।
সবাই বুঝেছ?
তারমানে বলছ, মাত্র একজন ফেইল করবে।
ঠিক তাই।
আর এই হলো মুখোমুখি লড়াইয়ের ছক।
দারুণ, না?
সবাই জেতার অন্তত দুইটা করে সুযোগ পাবে।
কিন্তু #294 আর #405 এর মতো কেউ কেউ, পাঁচটা করে সুযোগ পাবে।
"তোমাদের এই পরীক্ষায় ন্যায্যতা নেই কেন?"
এই প্রশ্নটা নিশ্চয়ই সবার মনে ঘুরছে।
পুরো এক্সামে তোমাদের পারফরম্যান্স মিলিয়ে
এই ছক বানানো হয়েছে।
যারা ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তারা বেশি সুযোগ পাবে।
শুনে কেমন গড়বড় লাগছে।
আমাদের পারফরম্যান্সের নম্বর দিয়েছ কীভাবে, বলবে?
না!
কেন? না!
কেন?
সেটা গোপন তথ্য।
তাই আমি তোমাদের সবকিছু বলতে পারব না।
তবে নম্বর দেয়ার নিয়মগুলো বলতে পারি।
আমরা তিনটা মূল বিষয় বিবেচনা করি:
শারীরিক শক্তি, মানসিক শক্তি,
আর সর্বোপরি এ মিলিয়ে মোট শক্তি।
শারীরিক শক্তির জন্য আমরা গতি, নমনীয়তা, সহ্যক্ষমতা
এবং উপলব্ধি করার ক্ষমতার সমষ্টিকে বিবেচনা করি।
মানসিক শক্তির ক্ষেত্রে আমরা সহ্যক্ষমতা, অভিযোজন ক্ষমতা, বিচার-বিবেচনা
এবং সৃষ্টিশীলতার সমষ্টিকে বিবেচনা করি।
তবে এই তথ্যটা কেবল শুরুর দিকে ব্যবহৃত হয়।
যত যাই হোক, তোমরা সবাই তো
চূড়ান্ত ধাপে আসার যোগ্যতা রাখো।
আমরা অবশ্য তোমাদের সর্বমোট ক্ষমতার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী।
এটা দিয়ে আগে না বলা বৈশিষ্ট্যকে বোঝাচ্ছে।
হান্টার হিসেবে তোমরা কতোটা সম্ভাবনাময়, তার মাপকাঠিও ধরে নিতে পারো এটাকে।
সেই সাথে আমরা তোমাদের সঙ্গীদের মতামতও বিবেচনা করছি।
এটাই আমাদের প্রক্রিয়া।
পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে আমার অবস্থান আরো উপরে হবার কথা...
আমার প্রতিভা কি গনের চেয়ে কম?
লড়াইয়ের নিয়মগুলো সোজাসাপ্টা।
অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে।
ঠগবাজি চলবে না।
প্রতিপক্ষ হার স্বীকার করলে তুমি জিতে যাবে।
যাহোক!
তুমি তোমার প্রতিপক্ষকে মেরে ফেললে,
সাথে সাথে তোমাকে বাদ দেয়া হবে।
বাদবাকি সবাই পাশ করে যাবে, আর এক্সাম শেষ হয়ে যাবে।
কথা বোঝা গেছে?
তাহলে আমরা এক্সামের চূড়ান্ত ধাপ শুরু করি।
প্রথম ম্যাচ হবে হানজো আর গনের মধ্যে।
সামনে এগিয়ে এসো।
আমি রেফারি হিসেবে কাজ করব।
আমার নাম মাস্তা।
শুভকামনা রইল।
হেই, দেখা হয়ে ভালো লাগল।
তুমি চতুর্থ ধাপে আমার পিছু নিয়েছিলে।
খেয়াল করেছিলে?
স্বাভাবিকভাবেই...
ধরে নিচ্ছি, প্রত্যেক প্রতিপক্ষকে চতুর্থ ধাপে একজন এক্সামিনার দেয়া হয়।
আমি নিশ্চিত বাকি সবাইও খেয়াল করেছে।
আমি তো বুঝিইনি।
আমি খেয়াল করেছিলাম।
ভেবেছিলাম এটা বলার মতো কিছু না।
হ্যাঁ...
এসব কীভাবে খেয়াল করা সম্ভব?
আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।
তুমি আমার প্রতিভার ব্যাপায়ে নিখুঁত রিপোর্ট দেয়ায় আমার স্থান উপরে উঠেছে।
অবশ্য এই ফলাফল নিয়ে কখনোই সন্দেহ ছিল না!
হ্যাঁ...
এরপর,
তোমার জন্য একটা প্রশ্ন আছে।
কী?
আমাদের প্রতিপক্ষ আত্মসমর্পণ করলেই কেবল আমরা জিতব, তাই না?
আমরা তাদের অজ্ঞান করে দিলে কাজ হবে না।
লড়াই শেষ করার অনুমতি নেই।
হ্যাঁ, তা ঠিক।
আচ্ছা।
এই কাজটা কঠিন হবে...
ওকে শক্তপোক্ত লাগছে কিন্তু শক্তি আর গতির দিক দিয়ে
আমাদের সমান হবার কথা।
ওকে মারার সুযোগ না পাওয়া পর্যন্ত নিজের গতিকে কাজে লাগিয়ে সরে যেতে থাকব আমি।
তাহলে এখন শুরু করার পালা।
ওকে হারাও, গন!
ও হানজোর বিরুদ্ধে কতোটা ভালো করতে পারবে?
শুরু করো!
দুইজনের মাঝে কিছুটা ব্যবধান রাখব...
নিজের পায়ের গতি নিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসী মনে হয়।
তোমার প্রতি শ্রদ্ধা এসে যাচ্ছে।
বাচ্চা হিসেবে দারুণ দেখিয়েছ।
আমি চাইলেই ঐ আক্রমণ ঠেকাতে পারতাম।
এটা সাধারণ লড়াই হলে এতক্ষণে শেষ হয়ে যেত...
অ্যাই, জেগে ওঠো।
খুব খারাপ লাগছে নিশ্চয়ই।
তোমাকে এত জোরে মেরেছি যে তোমার মগজ নড়ে যাওয়ার কথা।
বুঝেছ? আমার বিরুদ্ধে জেতার কোনো সম্ভাবনাই নেই তোমার।
এখন তোমার হাল ছেড়ে দেয়া উচিত...
মোটেই না...
ভেবে দ্যাখো।
এখন আত্মসমর্পণ করলে মোটামুটি সুস্থ অবস্থায় পরের লড়াইয়ে যোগ দিতে পারবে।
একগুঁয়েমি কোরো না।
আত্মসমর্পণ করে ফেলো।
মোটেই না!
আত্মসমর্পণ করে ফেলো।
গন! ছেলেমানুষি কোরো না!
তোমার এখনো একটা সুযোগ আছে!
তোমার উচিত...
লিওরিও!
তুমি গনের জায়গায় থাকলে কি আত্মসমর্পণ করতে?
মোটেই না!
এই লোকের নিজের সম্পর্কে খুব উঁচু ধারণা...
গনও সেটা জানে!
জানি! আমি জানি সেটা...
কিন্তু অন্য কোনো উপায় ছিল না!
তুমি নিজের কথার উল্টো বলছ এখন,
কিন্তু তোমার মনের ভাব বুঝতে পারছি!
আত্মসমর্পণ করে ফেলো, গন!
লড়াই করাটা আত্মহত্যার সমান!
সত্যি বলতে, চেয়ারম্যানের এই খেলাগুলোর নির্মমতা একেবারে অন্য লেভেলের।
কী বলতে চাও?
যে প্রতিযোগীরা এই পর্যন্ত এসেছে,
তারা কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ করতে চাইবে না।
তা ঠিক।
এটা এখন আর "অদ্ভুত লড়াই" এর পর্যায়ে নেই।
এই সিস্টেমটা পুরোই পাগুলে।
ছেলেটা আসলেই বিপদে আছে।
তিন ঘণ্টা হয়ে গেছে। সেরেছে!
ওর আর বমি করার মতো কিছু বাকি নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.