ആദ്യത്തെ 110 വരികൾ.
ব
বঙ্গা
বঙ্গানু
বঙ্গানুবা
বঙ্গানুবাদে
বঙ্গানুবাদে -
বঙ্গানুবাদে - মা
বঙ্গানুবাদে - মারি
বঙ্গানুবাদে - মারিব
বঙ্গানুবাদে - মারিব সি
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরা
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
শীত
আরও কিছু লাগবে ম্যাডাম?
হ্যাঁ। মধু-কাঠ বাদাম ফ্লেভারের একটা ডাবল স্কুপ দেবেন প্লিজ।
ঠিক আছে।
আহ... না না।
আসলে, ওটা পাল্টে বরং উপরে চকলেট দেওয়া বাটারস্কচ দিন।
ঠিক আছে!
আহ... স্যরি স্যরি স্যরি।
ওটা না দিয়ে, উপরে বাদাম কুঁচি দিয়ে ভ্যানিলা ফ্লেভারেরটা দিতে পারবেন?
তাহলে এটাই, ম্যাডাম?
-হ্যাঁ, এটাই। -ঠিক আছে।
হুম... আপনি কি জানেন এই মেয়েদের সমস্যাটা কী?
তারা চায় সবকিছু তাদের ইচ্ছায় ঘটুক।
কিন্তু, এখানে টুইস্টটা হলো...
...তারা নিজেরা আসলে কী চায় তা নিজেরাই জানে না।
বসন্ত
হাই!
৬টায় আমার নাচের ক্লাস, তোমাকে বলেছিলাম না?
হ্যাঁ... আমি একটু দেরি করে ফেলেছি!
আমি বলেছিলাম ৬টা। এখন বাজে ৬টা ১০।
হ্যালো!
কী! আমি বললাম ৬টায় আসতে আর তুমি সাড়ে ৫টায় চলে আসলে?
আমি এখনো রেডিই হইনি।
সে রেগে কথা বলছে মানে, সে ক্ষুধার্ত।
এখন বলো, আমরা আজ রাতে ডিনারে কোথায় যাচ্ছি?
এক জায়গায় গেলেই হলো। তোমার যেখানে ইচ্ছা। আমার সমস্যা নেই।
হুম... ঠিক আছে, অলিভ বিস্ট্রো?
আমরা গত পরশু তো সেখানেই গিয়েছিলাম, তাই না?
হুম... তাহলে তালপাকাট্টি চলো?
না না! বিরিয়ানি খেয়ে খেয়ে আমার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। না।
আহ... তাহলে, তুমিই বলো কোথায় যাওয়া যায়।
হুম... তোমার ইচ্ছা। তুমি ঠিক করো।
হাই চৈত্র!
আমার বাবা-মা এখানে বেড়াতে এসেছে। আমি ৩ দিন তোমার সাথে কথা বলতে পারবো না, ঠিক আছে?
আচ্ছা! ঠিক আছে। সমস্যা নেই।
তা তো ঠিক থাকবেই।
কথা না বললেই তো বেঁচে যাও। আমাকে তো তোমার একটা ঝামেলা মনে হয়।
আমার ফিলিংসটা বুঝবে সেই আশা করাই তো আমার ভুল।
তুমি এখন কেমন আছো?
এখনও অসুস্থ লাগছে!
হুম...তাহলে নিজের যত্ন নাও। বাই!
- কলটা কাটো। - ওকে, বাই।
- আরে দোস্ত, বল কর... - ভাব খানা এমন, যেন টেন্ডুলকার!
এই, ওর কাছে গিয়ে দাঁড়া। ও সবসময়ই ক্যাচ তুলে দেয়।
এই এই, একটু দাঁড়া।
তুই খেলতে আসিস কেন ভাই?
যত্তসব! আমি গেলাম।
ভাব খানা এমন যে দুনিয়াতে সে একাই প্রেম করে!
মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনতে হবে। সাউথ ইন্ডিয়া শপিং মলে চলো। সোজা যাও।
সাউথ ইন্ডিয়া শপিং মলই কেন? সারভানা স্টোর তো কাছেই...
আচ্ছা, আচ্ছা। আমরা সাউথ ইন্ডিয়া শপিং মলেই যাব।
আরে এদিকে... ডানে ডানে। ডান দিকে!
ওটা তো বাম। ডান নয়।
শুনুন... আগে ফালতু লিফটটা ঠিক করাবেন।
সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা অনেক কঠিন!
ধুর... আইডি কার্ড আনতে ভুলে গেছি।
-হ্যাঁ সুরিয়া, বলো। -হ্যাঁ, চৈতু...
আমি আইডি কার্ড নিতে ভুলে গেছি। তুমি ওটা উপর থেকে ফেলবে? লিফট নষ্ট।
- কোথায় আছে বলো। আমি ফেলছি। - আচ্ছা।
আমার ঘরে ঢুকে হাতের বামে ঘুরবে...
তারপর ডান পাশের আলমারির উপরের তাকে পাবে।
ওহ আচ্ছা? আমি কিন্তু আবার ডান-বাম চিনি না। তাই না, সুরিয়া?
তুমি নিজে এসেই নিয়ে যাও।
তখনই বুঝলাম, সে 'বাম' বলুক বা 'ডান' বলুক...
'ঠিক' বলুক বা 'ভুল' বলুক... তার কথাই শিরোধার্য।
শাড়ি পরে হাঁটতে কত কষ্ট হয় জানো!
হ্যাঁ, তা তো বটেই।
- সুরিয়া... - হ্যাঁ?
এই চাকরিটা আমার আর ভালো লাগছে না। আমি সব ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকতে চাই।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
এই...বিজয়ের বয়স যেন দিন দিন কমছে, তাই না?
হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
ধুর! আমার মত বোকা মেয়ে এই পৃথিবীতে আর একটাও নেই।
হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
ভালো বা মন্দ, সব কিছুরই তো একটা শুরু থাকে, তাই না?
সেটা আপনারই হোক, আমার কিংবা ঐ ছোট্ট মেয়েটার...
আমরা সবাই জীবনে কিছু না কিছু অর্জন করতে চাই।
কিন্তু আমরা কখনই জানি না আমাদের জীবন কীভাবে বদলে যায়।
তবে আমাদের জীবন তছনছ হতে ঠিক একটা মুহূর্তেই যথেষ্ট।
যতক্ষণ না ঘটছে ততক্ষণ কেউ জানতেও পারে না।
কিন্তু একবার এটা হয়ে গেলে... এটা বদলানো আমাদের হৃদয়ের সামর্থ্যের বাইরে।
যাই হোক...
লোকে বলে, বর্তমান তিক্ততায় পূর্ণ আর ভবিষ্যত ভীতিকর।
কিন্তু একমাত্র জিনিস যা সবসময়ই মিষ্টি... তা হলো আমাদের অতীত!
আপনি কি জানেন, আমি তাকে কতটা ভালোবাসতাম?
ঐ মেয়েটা যতটা লিপস্টিক লাগিয়েছে তার চেয়েও বেশি।
ঐ লেইস চিপসের প্যাকেটের বাতাসের চেয়েও বেশি।
মহেন্দ্র বাহুবলীর প্রতিশোধ স্পৃহার চেয়েও বেশি।
তাস দিয়ে বানানো ঘরও শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে...
কিন্তু প্রেম সাম্রাজ্যের দেয়াল কখন বা কীভাবে ভেঙে পড়বে তা কেউ জানে না।
যদি তুমি আমাকে বকতে, মারতে, নয়তো বলতে আমাকে তোমার প্রয়োজন নেই...
আমি তারপরও তোমার পিছু নিতে চাইতাম।
এই মূর্খতার কারণে...
...আমার জীবনের পুরো গল্পটাই বদলে গেছে।
যাই হোক, ওকে আর দোষ দিয়ে কী লাভ?
যে সুতো ছেঁড়ার তা...
ছোট বৃষ্টি হোক বা প্রবল ঘূর্ণিঝড়... একসময় ছিঁড়ে যাবেই।
জেনে বুঝে ভুল করা সবসময়ই অন্যায়...
No comments yet. Be the first to leave one.