ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদেঃ Funds Of Bangla Subtitle
গাংচিওরি আদতে ছিল এক ড্রাগন,
যে স্বর্গে আরোহনের পথে ছিলো,
হাজার বছর ধরে সে হৃদের গভীরে নির্বিঘ্ন ধ্যানে নিমগ্ন ছিলো!
কিন্তু...
দুর্ভাগ্য এক মুহূর্তও তাকে রেহাই দেয়নি
আরোহনরত ড্রাগন...
মানুষের চোখে পড়লে সে অভিশপ্ত হয়!
আর তখনই সে পুনরায় হয়ে পড়ে এক সাধারণ ইমুগি
স্বর্গীয় বিধানের কাছে কোনও দয়ামায়া ছিল না
হাজার বছরের সাধনা নিমেষেই বিফলে রূপ নিল!
সে মাটিতে পড়ে গেল।
নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে এক শিশু তার আরোহন দেখে ফেলেছিল
এই কারণেই
গাংচিওরি মানব জাতিকে
সে গভীরভাবে ঘৃণা করে!
লোকমুখে শোনা যায়, গাংচিওরি যেখান দিয়ে যায়
ফসলের মৌসুমেও সেখানে খরা দেখা দেয়!
গাংচিওরি এক ভয়ংকর অশুভ দেবতা!
ওর ভাগ্যটাই খারাপ ছিলো,
তবু নিরীহ মানুষদের এই শাস্তি দিচ্ছে কেন?
আমি যখন একজন মহান শামান হবো,
তখন ওকে শিক্ষা দিয়ে ছাড়বো!
আর আমাদের গ্রামে আর আসতে দেবো না।
শশশ!
তুমি এমন কিছু করবে না।
ওকে এভাবে সামলানো যায় না।
তোমার যদি ওর সাথে দেখা হয়ে যায়,
তবে পেছন না ফিরে দৌড়ে পালাবে।
গাংচিওরি বিশেষ করে টার্গেট করে মহান চরিত্রের...
আর তোমার মতো নির্মল আত্মার শামানদের!
তাই, পালাতে হবে!
আমায় প্রতিশ্রুতি দাও,
বলো, পালাবে!
১৩ বছর পর
দূরে যাও…
আমার কাছ থেকে দূরে যাও!
– এমন করবেন না, রাজকুমারী – অনুগ্রহ করে থামুন, রাজকুমারী
হায় ঈশ্বর…
আপনি কি বলতে চাইছেন আমি প্রাসাদে এক শামান ডাকিয়ে অনুষ্ঠান করাই?
অশুভ আত্মা তাড়াতে?
আমার ধৃষ্টতার জন্য ক্ষমা চাই,
তবে এটি রাজকীয় দায়িত্বের অংশ,
রাজ চিকিৎসক সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।
তারা গোপনে, নিরলসভাবে রোগের প্রতিকার খুঁজে চলেছেন
দেশের প্রধান চিকিৎসক পর্যন্ত...
মাসের পর মাস চেষ্টা করেও সমাধান পাননি।
তা হলে বাকি থাকে,
আত্মার দ্বারা সৃষ্ট কোনো ব্যাধি!
আত্মা তো ইন আর ইয়াং-এর ঘটনের বাইরে কিছু নয়!
মহারাজ!
তুমি কিসের দিকে তাকিয়ে আছো?
ওখানে কি কিছু আছে?
আমি তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না! তোমার কী হয়েছে?
মহামহিম অপেক্ষা করছেন, আমার সঙ্গে এসো।
এই অক্ষরটা পড়তে পারছেন?
ধোঁয়াটে লাগছে, বোঝা যাচ্ছে না!
এই চশমা দিয়ে দেখতে পারেন কি না দেখুন তো।
এটা তো “হুয়ান”— মানে আলোকজ্জ্বল!
আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, একদম স্পষ্ট!
দেখি তো…
আমি অনেক দিন ধরে এটা পড়তে চাচ্ছিলাম
কিন্তু চোখে ঝাপসা দেখার কারণে রেখে দিয়েছিলাম!
কিন্তু এখন…
আমি নিজেই এটা পড়তে পারব
এই মেয়েটি তার চশমার জন্য এই এলাকায় খুব পরিচিত
আমি ভালোমন্দ কত চশমা ব্যবহার করলাম!
কিন্তু এইটার তুলনায় ওগুলো কিছুই না
এক ঝাপসা জীবনে নতুন করে ফিরে এলো স্বচ্ছতা!
তোমার সত্যিই দারুণ প্রতিভা আছে!
আপনার পরিবারে কি কোন বাচ্চা আছে?
কেউ কি অসুস্থ?
আমার সোনা!
আরো একটু সহ্য করো
তুমি কিছু দেখছো?
ওর কোনো চিকিৎসা সম্ভব?
তুমি কী বলছো?
ইন-সনের চিকিৎসা?
মহামহিম,
এই মেয়ে নিওপ-দকের বংশধর।
নিওপ-দক? কে সে?
সে-ই শামান, অনেক আগে যে বাড়ির বধূকে...
চিকিৎসা করে সুস্থ করেছিল!
তার মানে তুমি কি শামান?
আমি আত্মিক চর্চার অনুশীলক নই...
আমি কেবল অনুভব করেছি—
এই বাড়িতে ভেষজ ওষুধ রান্নার গন্ধ!
এই চিঠিটা গোপনে গ্যংগি প্রদেশের গভর্নর লর্ড সঙকে পৌঁছে দাও।
আর লর্ড চোই উন-উ’র কাছেও যাও,
তাঁকে আমাদের পক্ষে রাজি করাও।
এইসব কিছুই থাকতে হবে
পুরোপুরি গোপন, বাইরের জগতের অজানা।
জো হুকুম, মহারাজ।
আমি শুধু নিজের গ্রামে যাচ্ছি একটা ব্যক্তিগত কাজ সারতে,
আমার দাদা-দাদীর কবর দেখভাল করতে।
মন্দ হোক বা দুর্বল,
এটা যে প্রতিশোধপরায়ণ আত্মা, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
এই আত্মাটাই দায়ী, এই বাড়ির কন্যার অদ্ভুত অসুস্থতার জন্য।
যার কারণে কষ্ট পাচ্ছে মেয়েটি।
ওরে সোনামণি… না…
হায় ঈশ্বর! ইন-সন!
না, এমন হতেই পারে না।
বেচারি মেয়েটা, শেষমেশ প্রাণটাই হারাবে।
ও আমার সোনা…
পুরোনো পাপের ফল এটা।
মানুষ যদি জানত, জীবনের পাপের পরিণতি
মৃত্যুর পরেও থেমে থাকে না, বরং উত্তরসূরিদের উপরেও পড়ে—
এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে চলে পাপ আর প্রতিশোধের চক্র,
তাহলে কি পৃথিবীটা একটু হলেও বদলে যেত?
এখন কী করব? এখন তো রক্তবমি করছে ও!
হাকিম কোথায়?
আমায় একটু—
পানি দাও।
পানি?
তুমি কষ্ট করে দাঁড়াও, আমি এখনই আসছি।
ওর কাছ থেকে সরে যাও এখনই।
যাব না।
ওর বাবাই আমার পা ভেঙেছিল,
আর আমার প্রাণও কেড়ে নিয়েছিল।
এই মেয়েটাকে অন্তত আমি সাথে করে
পরলোকে নিয়ে যাবই!
তুমি তো এই মোটা দানা খেতেও দ্বিধা করো না।
তুমি তো একেবারে গরিব ভূত!
তুমি কে?
তোমার জন্য খারাপ লাগছে।
আত্মা,
তোমার কষ্টের প্রতি রইল আমার সমবেদনা, আমার আন্তরিক সহানুভূতি।
তুমি তো কোনো শামান না, তবু আমায় করুণা করতে এসেছ?
বুঝতে পারছো না?
আমি এই ধনী পরিবারের কন্যাকে বাঁচাতে আসিনি,
যে সারা জীবন সিল্কে মোড়ানো থেকেছে।
আমি তোমাকেই...
বাঁচাতে চাই।
কি বললে?
আরও পাপ জমতে থাকলে,
তুমি এক সময় নিতান্তই অশুভ আত্মায় পরিণত হবে।
পাপ লেগে থাকবে জোঁকের মতো, আরও পাপ করতে বাধ্য করবে।
তোমায় ঠেলে দেবে অন্ধকারে,
এমনকি তুমি পরলোকে যেতে পারবে না,
চিরকাল ঘুরে বেড়াবে ন'আকাশের পথে।
এটাই কি
তোমার সত্যিকারের চাওয়া?
বলো!
এখনো সময় আছে।
আমি তোমার পাশে থাকব।
আমায় সুযোগ দাও।
আমার সঙ্গে ছলনা করো না।
তুমি তো শামান হওয়ার পথটাই ছেড়ে দিয়েছ। তুমি আমাকে কী সাহায্য করবে?
এক মুহূর্তেই ওকে বশ করে নিল!
এত দুর্বল আত্মা হয়েও এত তাড়াতাড়ি এটা কীভাবে সম্ভব?
না, এটা তো…
আমি এই মেয়েটাকে মেরে ফেলব,
আর তাকে নিয়ে নরকে চলে যাব!
দাঁড়াও বলছি!
ওটা কী?
ওরকম ভয়ংকর জিনিসটা… ওটা কী হতে পারে?
আমার কাছ থেকে দূরে যাও! দূরে যাও!
ওটাকে পুড়তে হবে।
এই দেহ ছেড়ে বেরিয়ে এসো, এখনই।
আমাকে আর রাগিয়ে দিও না।
বেরিয়ে এসো এখনই!
এখানে কী হচ্ছে?
আমার মন কেঁদে উঠছে তোমার জন্য।
তুমি কি আমার সাহায্য চাও?
খালি বলেই দেখো!
সাহায্য করতে পারলে খুশি হব।
হ্যাঁ।
শুধু বলো, একটুখানি বলো।
বলো না, একবার বলেই ফেলো।
দূরে যাইয়া মর।
আরো একটু হলেই…
পেটটা আজ এত খারাপ হলো কেন!
কী অদ্ভুত…
এখানে কী হয়েছে?
হায় ঈশ্বর! এটা...
এই মেয়ে কে?
মাফ করবেন।
হায় ঈশ্বর।
এ তো লেডি চোই ইন-সন ছাড়া আর কেউ নন!
মহামতি, দয়া করে জেগে উঠুন।
আর আপনি এমন পোশাকে কেন? মহামতি!
মাই লেডি!
আপনি ঠিক আছেন তো?
আপনি কী বলছেন এসব?
ও তো ঠিকভাবে হাঁটতেও পারছে না।
কোথায় যেতে পারে?
এভাবে দাঁড়িয়ে থেকো না।
লোকজন পাঠাও, চারপাশটা খুঁজে দেখো। এখনই!
জি, প্রভু।
মাই লেডি…
প্রভু,
-মাই লেডি! -ইন সন!
কী হয়েছিল?
ইন-সনকে ফিরিয়ে আনছো কেন?
এই প্রভুই আমাকে সাহায্য করেছিলেন।
আপনি আমার মেয়েকে সাহায্য করেছেন?
আমি নয়।
যিনি ওকে বাঁচিয়েছেন…
আমি শুধু অজ্ঞান অবস্থায় ওকে খুঁজে পেয়ে ফিরিয়ে এনেছি।
ইও-রি।
No comments yet. Be the first to leave one.