ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
দোস্ত!
আমি যাইতেছি।
এতো আগেই বের হয়ে যাইতেছিস?
সামনেই নবান্ন উৎসব। তাই বস জলদি দোকান খুলতে কইছেন।
তোর এই সস্তা মিথ্যা আমার লগে খাটবো না।
তুই ঐ ছেমড়ির কাছে যাইতেছিস!
চুপ কর তো। তুই গতরাত্রের সমস্যার কথা কিছুই জানোস না।
এটা তোর আদি শহর না... তোকে ধরতে পারলে মাইরে তক্তা বানাবে।
আমারও বের হতে হইবো। পাঁচ মিনিট দাঁড়াতে পারবি?
না, আমার এমনি প্রচুর দেরি হইয়া গেছে!
দাড়োয়ানের কাছ থেকে দূরে থাইকোস।
ঐ হালা টাকা চাইতে পারে।
দাঁড়া! তুই এই সপ্তাহে টাকা দিসনি। - সন্ধ্যায় দিয়ে দেব।
আমার মদের কথাও ভুলিস না। - অবশ্যই!
তুই একটা তামিলিয়ান খচ্চর! তেলুগু শিখবি। এক বছর ধরে এখানে আছিস!
শুভ সকাল!
শুভ সকাল, বস! - বোকাচণ্ডী!
এখন দোকান খুলার সময় নাকি?
তুই আমার ব্যবসার বারোটা বাজাবি।
চিন্তা কইরেন না, বস। খুলবো আর খদ্দের আসতে থাকবে!
ঐ অসহায় ছেলের সাথে ক্যাচাল বাঁধিও না, ডার্লিং।
এইসময় খাবারদাবার লাগবে! একটা বিস্কুট দিচ্ছি।
ঐ...
এক প্যাকেট সিগারেট দে।
বলতে পারবি বৃন্দাবন কলোনির ৩য় গলি কোথায়?
তো, আপনি কি তামিলিয়ান?
অ্যাঁ?
আমি কইতেছিলাম...
তামিল খবরেরকাগজ দেখলাম... - ঐ!
খবরেরকাগজ ভেতরে ঢুকাও, বলদ!
আমি এখানে একজনও তামিলিয়ান দেখিনি। তাই উত্তেজিত হয়ে গেছিলাম।
আমি তামিলনাড়ুর লোক!
বৃন্দাবন কলোনির ৩য় গলি কোথায়?
আমি জানি না। দোকানের সামনে ভিড় কইরেন না!
ব্যবসা করতে ঝামেলা হইবো।
ঐ গাধার পিস্তল বের হয়ে আছে।
এদের সাথে কাজ করি ভাবতেই অবাক লাগে।
তামিল খবরেরকাগজ আর পিস্তল গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে বেরাচ্ছে...
ম্যাচের কাঠিটা, দাও তো।
তোমার তেলুগুর যদি উন্নতি না হয়, তাহলে...
ঐ পোলা...
কি লাগবে, স্যার?
তোর নাম কি?
স্যার?
নাম।
পাণ্ডি।
কি দরকার?
তোকে দরকার!
হাত সরান!
করছেন কি? ছাড়ুন কইতেছি!
দোস্ত, ছাইড়া দে...!
তিনি পুলিশের লোক।
ব্যাপারটা কি?
তারা পার্কে এসে আমাকে জাগিয়ে জিগাইলো আমার নাম মুরুগান কিনা।
আমি কইলাম হ্যাঁ, তারপর আমাদের তুলে নিয়ে চলে আইলো!
এছাড়া কিছু বলে নাই।
নেমে আয়!
নাম...
ভাড়া দেবেন না, স্যার? - ভাড়া চাইতেছিস? তোরে এরেস্ট করলে কেমন হবে?
যা।
রাগ দেখাইতেছিস?
ভেতরে ঢুক, সবাই!
সেন্ট্রি! ৮ জন লক আপে আছে, এখানে ৩। উপরতলায় এক পোলা আছে, মোটমাট, ১২।
তাদের সকালের নাস্তা দিয়ে দিও। - ঠিক আছে, স্যার।
স্যান্ডেল খুলে রাখ।
হাবিলদার! - স্যার?
তাদের উল্লম্ফন করো। - আচ্ছা, স্যার।
তারা নিশ্চয় কিছু না কিছু বহন করছে...
- কোথায় ছিলাম আমি? - পুরানো গুদামঘর...
তারা দালানটাকে পরিবেষ্টিত করে রেখেছে, তাই তো?
আমাদের ইন্সপেক্টর তখন সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন।
তিনি মৃত্যুকে খুব ভয় পেতেন। - সত্যি?
একদম!
আমি পেতাম না। আমি একাই তাদের সঙ্গে লড়াই করেছি।
তুমি যদি তা দেখতে, সিন্ধু!
যখন প্রমোশনের ব্যাপার সামনে আসে তখন দক্ষতার চেয়ে প্রতিপত্তি বেশি কাজে লাগে!
হাবিলদার, আমাদের সঙ্গ দিতে চাও? চাও না?
জয়কে একটা দেও।
দাঁড়াও!
আমাকে গোলাপিটা দেও।
এটা আমার সবচেয়ে পছন্দের লাঠি। তাদের একটু দেখভাল করে আসি।
স্যার, বাইরে অপেক্ষা করবো?
পালাইতেছে! আটকাও।
স্যার...
মইরা গেলে কি হইবো? ঈশ্বরই জানেন!
কুমার!
কুমার!
উঠ, কুমার!
কুমার!
চোখ খুল...
কুমার?
কুমার!
কুমার...?
আমি তোমাকে আটকাতে বলেছিলাম! বালতি দিয়ে মুখে আঘাত করতে না।
সে খুব ভালো অভিনেতা।
ভেবেছে এরকম করলে তারে আর মারমু না... - দয়া করুন! ব্যথা লাগছে...
সিন্ধু : স্যার, চা চলে এসেছে! এস.আই : এক মিনিট।
চা খেয়ে আবার আসা যাবে! - আচ্ছা।
কুমার : ব্যথা পাচ্ছি! তাদের বলুন না মারতে...
মুরুগান...
তারা আমাদের কিচ্ছু ছিঁড়তে পারবে না। ওরে তুলতে সাহায্য কর।
অনেক ব্যথা পাইছি রে...
তোর কিছু হবে না। ভালো করে বস...
অসহ্য ব্যথা হয়তেছে।
কিল্লাই আমাদের এহানে আনছে? হুদাই মারতেছে কেন?
দারুণ তীর্থযাত্রা ছিল! সকলের কাছে প্রসাদ বিলিয়ে দেও।
ইন্সপেক্টর আইছে রে।
পাণ্ডি : এদিকে আসবে?
মন বরে দেবতা দর্শন করেছি।
সিন্ধু, তোমার নাগরের কাজের ইন্টার্ভিউ কেমন হলো? - এখনো উত্তর আসেনি, স্যার।
মুরুগান : তিনি এদিকেই আসতেছেন।
আমি চাকরির ব্যাপারে কোম্পানির প্রধানের সাথে কথা বলে দেখবো। - ধন্যবাদ, স্যার।
উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ দেও। আমি তো শুধু একটু সাহায্য করছি।
তাদেরও, দেও!
এখানে।
তুলে নেও, বাবা।
দোস্তরা, আয়!
সিন্ধু : এখানে। রাও : খেয়ে নে!
ভালো করে খাও।
স্যার... - অ্যাঁ?
তারা আমাদের খুব পিটাইছে, স্যার।
জানি না কেন।
ব্যথায় শেষ হয়ে গেলাম, স্যার!
সব পুলিশ, স্যার।
সবাই মারছে, স্যার।
খুব ব্যথা, স্যার।
ঐ, ওগুরু! - হ্যাঁ, স্যার?
তারা এখনো জামাকাপড় পড়ে আছে কেন?
উলঙ্গ করে তাদের নিচের দিকে মারো।
তারা এখনো বলেনি কেন আমাদের মারা হচ্ছে!
এখন তাদের আটকে রাখো।
তামিলিয়ান? - হ্যাঁ।
কি দোষে আইছিস? - কিছুই জানি না!
রাতারাতি কিভাবে আমি কেস বন্ধ করে দেব? আমার অবস্থাটা বোঝা উচিত।
ঠিক বললাম?
আমি কিছু তামিল পোলাপান এখানে এনেছি। শীঘ্রই কেস বন্ধ করবো।
কিন্তু আমার একাউন্টের প্রয়োজন চোরাই মালের জন্য।
তোমার বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাকে দেও।
বড়সড় অপরাধ করেছিস, তাই না? - কিছুই করিনি।
আমার ভুল, ম্যান।
তুই কিছু ঝামেলার কথা বলিতেছিলি সকালে। সেটা কি?
আমি ঐ মাইয়ার লগে কথা কইছি গত রাতে।
দোকানের পাশে থাকে যে? - হ।
গাড়িতে বসে থাকা মাইয়াটা পুরোপুরি... - আমারে দেখতেছিল?
সেজন্যই আমি আর তাকাইনি।
গাড়িটা অনেক দামী!
তোমার দিকে তাকানোর মানে কি?
তুই এখানে নূতন। বকবক না করে নিজের চরকায় তেল দে।
সে প্রতিদিন এইসময় আমাকে দেখতে আসতো।
যখনই সে আমার ঘণ্টার আওয়াজ শুনে, ছুটে বাইরে আসে। দেখবি?
তুই তার কাজে ব্যাঘাত দিস! তার বস কিছু বলে না?
সে কি এখানকার কাজের বুয়া, বড় ভাই?
হ্যাঁ, তুই কি ভাবছিলি?
আমি ভাবছিলাম সে ঐ ঘরের মাইয়া।
আফসাল, মাইয়ারা আমাদের মতো লাফাঙ্গাদের দিকে ফিরেও তাকাই না।
কিন্তু মনে হয় ঐ মাইয়া পটে গেছে।
তার ধারণা সে আমার লগে সুখে থাকবে।
এটাই আমার অর্জন।
সে গতরাত্রে দোকানে আইছিল...
ঘাবড়াচ্ছেন কেন?
চেষ্টা করতে থাকুন।
আম্মা?
কয়েন আছে?
ফোনটা কাজ করে তো?
অবশ্যই।
তাকে দেখে সত্যি খুব চিন্তিত মনে হচ্ছিল।
আমার মনে হলো সে হয়তো আরাম পাবে আমি তার হাতটা ধরলে।
কিন্তু সে রাগ দেখিয়ে চলে যায়।
তোর মনে রাখা উচিত আমরা রাস্তার পোলাপান। তোর নিজেকে সামলানো উচিত ছিল।
মাইয়াদের বিরক্ত করলে এরকমই হইবো।
তোরা যা ভাবছিস সেরকম কিছুই হয়নি।
আমি দোকান বন্ধ করে তার খোঁজ করতে যাই।
আমি এহানে!
সে আমার জন্য অপেক্ষা করছিল, জানিস।
আমি ভেবেছিলাম তোমার ভালো লাগবে... হাত ধরলে।
আমারে ভুল বুইঝো না।
কেঁদো না।
তোমার নাম কিতা?
আমার নাম পাণ্ডি।
আমি শান্তি...
তুমি আমারে একটা কাম খুঁজে দিবার পারবা?
একটা কাম...
মাত্র একটা!
কুমার : কিবে? আফসাল : তারা সুখদুঃখের আলাপ করতাছে...
পাণ্ডি : কার জন্য? শান্তি : আমার।
তোমার বস তোমারে বেতন দিতাছে না?
দিতাছে। তবে...
আমার মা আদি শহরে থাকে।
মাঝেমধ্যে আমার বাসনা হয় বাড়িতে যাবার...
তারা যাইতে দেয় না।
তাই...
শান্তি, কেঁদো না! শুনো...
আমরা তো সমস্যার সমাধান করমুই, যেভাবেই হোক।
বসের পত্নী...
প্রায়ই বাইরে থাকে।
তখন রাত্রে আমারে বসের রুমে থাকা লাগে।
আমি এখান থেকে পালাবার চাই।
নিজেকে শক্ত করো! আমরা সব ঠিকঠাক করে দেব।
আমি তোমার জন্য কাম খুঁজে দিমু।
আর কোন ঝামেলা হয়লে, দৌড়াইয়া দোকানে চলে আইসো।
No comments yet. Be the first to leave one.