ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ওহ খোদা!
এটা... পলিকার্বোনেট কাঁচ। ভাঙতে পারবে না।
ঈশ্বর রক্ষা করো আমাদেরকে!
সত্যিই ভাঙতে পারবে না?
কী হলো?
- দেরি হয়ে গেছে। - মানে?
দেরি হয়ে গেছে!
হচ্ছেটা কী?
আমাদেরকে আক্রমণ করতে আসছে।
কী হচ্ছে ওখানে? কেউ শুনছেন?
তাড়াতাড়ি!
সিঁড়ি এদিকে!
উইলকে ঘুম পাড়িয়ে দিতে হবে।
- মানে? - ও একটা স্পাই। আমরা কোথায় আছি এটা ও জানলে,
- শ্যাডো মনস্টারও জেনে যাবে। - মিথ্যে কথা!
ও ঐ সৈন্যদেরকে খুন করেছে। আমাদেরকেও করবে!
মিথ্যে কথা! মিথ্যে কথা! মিথ্যে কথা! মিথ্যে কথা! মিথ্যে কথা!
বাপরে!
গুলির আওয়াজ শুনলাম!
মিথ্যে কথা! মিথ্যে কথা!
ওকে, উইল, উইল, শোনো, শোনো। আমাকে চেনো তুমি?
বলো তো আমি কে?
তুমি...
তুমি... তুমি আমার মম।
চেপে ধরো ওকে।
না! না! ছেড়ে দাও! না! না! ছেড়ে দাও আমাকে! ছেড়ে দাও!
- না! ছেড়ে দাও আমাকে! - সরি।
- সরি, আর কোনো উপায় নেই। - ছেড়ে দাও আমাকে! ছেড়ে দাও! ছেড়ে দাও আমাকে!
না! ছেড়ে দাও! ছেড়ে দাও আমাকে! ছেড়ে দাও!
আমাদের যাওয়া দরকার। যাওয়া দরকার।
এসো এসো!
ওহ, মাই গড!
ওহ, মাই গড!
Translated By HASIBUJJAMAN HASIB ; MOHAMMAD YOUSUF SARAH IQBAL ; KAMRUL HASAN SHIMUL ; RUBAYED HASAN FUAD ANAS AHMED
Edited By F U A D A N A S A H M E D
CHAPTER EIGHT THE MIND FLAYER
হেই, বাচ্চারা, আমরা এসে গেছি।
বাচ্চারা?
হ্যালো?
ম্যাক্স?
বিলি?
হ্যাঁ, আমি একটু ব্যস্ত আছি, সুজান।
দরজা খোলো। এক্ষুনি।
কী সমস্যা?
সেটা তুমিই বলছো না কেন?
কারণ আমার কোনো সমস্যা নেই।
- ম্যাক্সিনকে খুঁজে পাচ্ছি না। - ওর ঘরের জানালাটাও খোলা।
- ও কোথায়? - আমি জানি না।
তুমি জানো না?
দেখো, ও নিশ্চয়ই, কে জানে... ঐ আর্কেড-টার্কেড কোথাও গেছে হয়তো!
কোনো সমস্যা হয়নি ওর।
ওকে দেখে রাখার দায়িত্ব ছিল তোমার।
জানি, ড্যাড। দেখেই রেখেছি আমি।
কথা হচ্ছে, তোমরা ৩ ঘণ্টা দেরি করেছো আর আমারও একটা ডেট আছে।
সরি, কিছু করার নেই।
এজন্যই বুঝি, তোমার বোনের খেয়াল না রেখে
গাধার মতো আয়নার সামনে সময় নষ্ট করছিলে?
সারাটা সপ্তাহ ধরে ওর দেখাশোনা করেছি, ড্যাড।
ও নিজেই যদি পালিয়ে যেতে চায়, তাহলে আমার তো কিছু করার নেই,তাই না?
১৩ বছর বয়স ওর। বেবিসিটারের প্রয়োজন ফুরিয়েছে অনেক আগেই।
আর ও আমার বোনও না!
তোমাকে কী বলেছিলাম আমি?
তোমাকে...কী... বলেছিলাম... আমি?
সম্মান আর দায়িত্ববোধ শিখতে।
ঠিক বলেছো।
এখন, সুজানের কাছে ক্ষমা চাও।
সরি, সুজান।
ঠিক আছে, নিল, আসলে..
না, ঠিক নেই। ওর আচরণ একদমই ঠিক নেই।
কিন্তু, প্রায়শ্চিত্তটা ওকেই করতে হবে।
ও এখন ওর সেই রাস্তার মেয়েটাকে কল দিয়ে
ডেট ক্যান্সেল করবে।
তারপর ও ওর বোনকে খুঁজতে যাবে।
ঠিক একজন নম্র, ভদ্র, সত্যিকারের ভাইয়ের মতো।
ঠিক বলেছি না, বিলি?
ঠিক বলেছি কি না?
ইয়েস, স্যার।
সরি, কী বললে? ঠিক শুনতে পাইনি।
ইয়েস, স্যার।
ম্যাক্সকে খুঁজে বের করো।
তুমি শিওর যে ওটা ডার্ট ছিল?
হ্যাঁ, ওর পেছনে একদম একই রকম একটা হলদে ফোঁটা ছিল।
- দু'দিন আগেও তো ওটা এতটুকু ছিল। - এর মাঝে অলরেডি তিনবার খোলস পাল্টে ফেলেছে।
- খোলস পাল্টেছে? - খোলস পাল্টেছে।
শুঁয়োপোকার মতো বেড়ে ওঠার জন্য গায়ের চামড়া খসিয়ে ফেলে।
- তাহলে আবার কখন খোলস পাল্টাবে? - খুব শীঘ্রই।
যখন পাল্টাবে , তখন ওটা পুরোপুরি বা প্রায় পুরোপুরি বেড়ে উঠবে।
সাথে ওর বন্ধুরাও।
হুম, শুধু বিড়াল খেয়ে আর পেট ভরবে না ওদের।
বিড়াল, মানে?
- ডার্ট কোনো বিড়াল খেয়ে ফেলেছে? - না, কী? না।
কী বলছো তুমি? ও মিউসকে খেয়ে ফেলেছে।
মিউস? মিউস আবার কে?
- ডাস্টিনের বিড়াল। - স্টিভ।
জানতাম, ওকে তুমিই লুকিয়ে রেখেছিলে।
না
না
না, আমি...না, আমি...
ওটা আমাকে মিস করছিল। তাই বাড়ি ফিরে আসতে চাচ্ছিল।
- মিথ্যে কথা! - আমি কী আর জানতাম যে, ওটা ডেমোগর্গন?
- ওহ, এখন স্বীকার করছো তাহলে? - আচ্ছা, তাতে কী? এখন যাওয়া দরকার। .
তাতে অনেক কিছু! তুমি পার্টিকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছো। পার্টির নিয়ম ভেঙেছো তুমি!
- তুমিও তো ভেঙেছো! - কী?
অপরিচিত একটা মেয়েকে তুমি সব বলে দিয়েছো।
অপরিচিত একটা মেয়ে?
তুমিও তো বলতে চেয়েছিলে।
কিন্তু, আমি বলিনি, লুকাস, বুঝেছো?
কিচ্ছু বলিনি আমি!
আমরা দুজনেই নিয়ম ভেঙেছি, ওকে? তো, সমান সমান। সমান সমান।
না, না! মোটেও সমান না। বাজে কথা বলবে না।
তোমার পোষা জানোয়ারটা চাইলে আমাদেরকে দিয়ে ডিনারটাও সেরে ফেলতে পারতো!
- ওটা আমার দোষ না! - গাইস?
ও আমাদের কিছুই করতো না।
তাহলে বুঝি নাচতে নাচতে এসে "হ্যালো" বলতো?
শোনো সবাই!
না, না, না, এই! শব্দের দিকেই যাচ্ছো কেন তোমরা?
হ্যালো?
হ্যালো?
ওকে তো দেখছি না।
ল্যাব।
বাড়ির দিকে গেছে ওরা।
দেখুন, আমরা এই এখানে, আর এটা হলো বের হবার সবচেয়ে কাছের পথ।
কিন্তু সেখানে কোনভাবে পৌঁছুতে পারলেও, বের হওয়া যাবে না।
- মানে কী? - লক গুলো সব ফেইল সিকিউর?
ফেইল সিকিউর?
কোনো কারণে পাওয়া সাপ্লাই বন্ধ হলে, পুরো বিল্ডিং লকডাউন হয়ে যায়।
কোনোভাবে আনলক করা যায় না?
একটা কম্পিউটার দিয়ে, অবশ্যই। কিন্তু, কাউকে তো ব্রেকারগুলো রিসেট করতে হবে।
-ব্রেকারগুলো কোথায়? -ব্রেকারগুলো বেজমেন্টে।
তিন টা ফ্লোর নিচে।
হেই, যাচ্ছো কোথায়?
ব্রেকারগুলো রিসেট করতে।
তাহলে কী হবে?
- তাহলে আমরা এখান থেকে বের হতে পারবো। - না, তাহলে বিদ্যুৎ চলে আসবে।
কিন্তু, দরজাগুলো আনলক করতে চাইলে, পুরো কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করে,
তারপর, ম্যানুয়াল ইনপুটের সাহায্যে সিকিউরিটি কোড গুলো ওভাররাইড করতে হবে।
বুঝলাম, কিন্তু ওটা কীভাবে করবো?
পারবে না তো। অন্তত বেসিক (BASIC) জানা থাকতে হবে।
এইটা আবার কী?
- এটা একটা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। - আচ্ছা, শেখাও আমাকে।
পাশাপাশি তাহলে, ফ্রেঞ্চটাও শিখে নেয়া যাক, জিম?
একটু জার্মান হলেও মন্দ হয় না, কী বলো?
আপনার কী অবস্থা, ডক্টর? বেসিক (BASIC) জানেন?
না।
আচ্ছা, আমি দেখছি তাহলে।
আমি সামলাচ্ছি ব্যাপারটা।
না, বব।
সমস্যা নেই।
কোনো সমস্যা নেই। মনে রেখো, আমি বব নিউবি, সুপারহিরো।
আচ্ছা, ওর ওয়াকিটা নাও।
আচ্ছা, এগুলো চালাতে জানো?
না।
সেফটি অন, সেফটি অফ, টার্গেট করে, ট্রিগারে চাপ দেবে।
টার্গেট করে ট্রিগার চাপবো। আচ্ছা। একদম সহজ।
যদি ওখানে কোনো সমস্যা হলে, সরাসরি এখানে চলে আসবে।
সরাসরি এখানে আসবো। শোনো।
আমার জন্য অপেক্ষা করবে না। আমি দরজা খুলে দেয়ার সাথে সাথে...
- ওদেরকে বাইরে নিয়ে যাবো। - ঠিক আছে?
প্রমিজ।
আচ্ছা, তাহলে... কাজ শুরু করা যাক।
সবখানে অন্ধকার কেন?
বন্ধ নাকি?
সিকিউরিটির লোকজনও কি ছুটি নিলো নাকি?
মনে হয় না।
কাজ করছে না?
না! পাওয়ার অফ।
- জোনাথান? - কী?
মনে হচ্ছে, বনের ওদিকে কিছু আছে।
ন্যান্সি, দাড়াও।
হ্যালো?
কে ওখানে?
কে ওখানে?
স্টিভ?
- ন্যান্সি? - জোনাথান।
তোমরা এখানে কী করছো?
তোমরা এখানে কী করছো?
আমরা মাইক আর উইলকে খুঁজছি।
তারা এখানেও নেই, তাই না? - ঠিক জানি না।
কেন?
ভয় পেয়ো না, বব।
ওহ, খোদা।
আচ্ছা, পেয়ে গিয়েছি।
পেরেছেন উনি।
- উইলকে তো আর একবারও... - আমি ওকে দেখিনি প্রায়...
পাওয়ার চলে এসেছে।
- আমি ট্রাই করে দেখি। - থামো...
আমাকে ট্রাই করতে দাও, জোনাথান!
ধুর, শালা! এটা আসলে...
ওকে, বব, শুনতে পাচ্ছো?
পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছি, ডাক্তার। আপনি শুনতে পাচ্ছেন?
হ্যাঁ, পাচ্ছি।
আচ্ছা, এক মিনিট লাগবে।
খুল যা সিম সিম!
খুলেছে।
ওকে।
হেই! পেরেছি!
পেরেছি আমি!
খুবই সহজ।
ব্যাটা কাজ সেরে ফেলেছে।
ঠিক আছে, বাইরে দেখা হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.