ആദ്യത്തെ 181 വരികൾ.
Episode -1 Teesri Larai(তৃতীয় যুদ্ধ)…
"নিরাময় করেন যিনি হৃদয়ের ক্ষত পতিত উদ্ধার যার জীবনের ব্রত,"
"সন্ত বলিয়া তাঁরে চিনিও সবাই, ঈশ্বর প্রতিভূ তিনি,জেনে রেখো ভাই।"
"নমস্কার, আমার নাম গৌরী।"
"হ্যাঁ, আপনাদের অতি প্রিয় গৌরী সাওয়ান্ত।"
"কিছু লোক আমাকে "হিজড়া" বলে উল্লেখ করে,
যখন অন্যরা আমাকে একজন সমাজকর্মী হিসেবে দেখে।"
"কেউ কেউ আমাকে নাটুকে বলে।
আবার কেউ কেউ আমাকে গেম চেঞ্জার বলে মনে করেন।"
"তবে, এই পৃথিবীতে এমন কিছু লোক আছে যারা আমাকে মা বলে ডাকে।"
"এই আমার যাত্রার আখ্যান।"
"এটা একটি রূপান্তরের গল্প, গালি থেকে তালি পর্যন্ত।"
"আমার সাথে এই যাত্রায় তোমাদের নিয়ে যাবার অনুমতি দাও।"
"এই গৌরী একসময় গণেশ নামে পরিচিত ছিল,
"এবং তার জীবনের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল।"
পেশাগত যোগ্যতা পরীক্ষা কাকে বলে?
এর মানে, যখন তুমি বড় হবে,তখন কি হতে চাও।
তারই পরীক্ষা। বুঝেছো?
হ্যাঁ।
গনিয়া, ওঠ। তুই বড় হয়ে কি হতে চাস?
তুই তোর বাবার মত ইন্সপেক্টর হতে চাস, তাই না?
না-না ম্যাডাম। আমি পুলিশ হতে চাই না। আমি মা হতে চাই।
আমি গোল রুটি বানাতে চাই,
ঘরের কাজ করতে, এবং সবার যত্ন নিতে চাই।
আপনি কি জানেন?
- আমি একটা বাচ্চাও দত্তক নিতে চাই। - গনিয়া, থাম। বস। বসে পড়।
পুরুষ কখনো মা হতে পারে না। গাধা!
দিদি!
- দিদি! - চুপ কর।
গনিয়া, বসে পড়।
সবাই চুপ কর।
তোরা ভীষণ আওয়াজ করছিস।
চুপ করো। শচীন।
শচীন। বসে পড়। তোর কি হয়েছে?
এত কথা বলছিস।
এটা পাগলামি।
গনিয়া, বাইরে গিয়ে দাঁড়া।
ছয় এক্কে ছয়।
ছয় দুকুনে বারো।
তিন ছয়ে আঠারো।
চার ছয়ে চব্বিশ।
পাঁচ ছয়ে ত্রিশ।
আমি কেন মা হতে পারবো না?
মা হতে গেলে, তোর একটি সন্তান থাকা দরকার।
আর পুরুষরা সন্তান ধারণ করতে পারে না।
তাই তারা মা হতে পারে না।
আচ্ছা, তাহলে আমি ছেলে হতেই চাই না। সহজ কথা।
গণু।
সাবটাইটেল পরিবেশনায়: :.:.: THE GHOST SQUAD :.:.:
তোর চুল কত বেড়ে গেছে, গণু।
তোকে মুগলির মত লাগছে।
আমি চাই, আরো বাড়ুক, আমার কোমর পর্যন্ত।
বাবার সামনে এসব কথা বলিস না।
কেন?
তিনি কি আমাকে খেয়ে ফেলবেন?
"আমি আমার হৃদয় কার কাছে উজাড় করে দিতে পারি? কে বুঝবে আমায়?"
"উদ্বেগ ভিতরে ভিতরে কুরে খায়, ফলতঃ আমার হৃদয় আবর্তিত হয়।"
"কি সেই রহস্যময় শব্দ? চারপাশের মিষ্টি সুবাসের মতো।"
"এটি আমার নরম কব্জিতে চুড়ির রিণঝিন শব্দের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।"
"আয়নার প্রতিবিম্বে, আমি একটি নতুন পরিচয় দেখতে পাচ্ছি।"
"আমার কি নিজের লাবন্যে বিস্মিত হওয়া উচিত নাকি নতুন আলিঙ্গনে অলঙ্কৃত করবো নিজেকে ?"
"আমাকে বিভ্রান্ত করে, চেতনা পালিয়ে যায়।"
"আমাকে বিভ্রান্ত করে, চেতনা পালিয়ে যায়।"
"আমি আমার হৃদয় কার কাছে উজাড় করে দিতে পারি? কে বুঝবে আমায়?"
"উদ্বেগ ভিতরে ভিতরে কুরে খায়, ফলতঃ আমার হৃদয় আবর্তিত হয়।"
গনু।
আমি তার সাথে কথা বলেছি। আমাকে ভালো দাম দেবেন।
কাকে, ভিকি বাবাকে?
না রে, প্রভু সাঁইকে।
আমি সঞ্জু বাবার কথা জানি, কিন্তু এই ভিকি বাবা কে?
তিনি মালিকের ছেলে।
- কার মালিক? - আমাদের।
আমার শুধু একজনই মালিক আছে। সর্বশক্তিমান।
- এটা ৪০ গ্রাম। - আপনি আমাকে সেরা দাম দিচ্ছেন তো, তাই না?
এটাই সেরা দাম।
পুরো ১,১০,০০০/-।
- এই নকশা অত্যন্ত বিরল। - আমি জানি।
আমি বলতে চাইছি, এটি একটি দুর্লভ সম্পদ।
তুমি এটা আবার কিনতে সক্ষম হবে না।
কেন বিক্রি করছো?
কারণ মায়ের কাছে, তার সন্তানরাই সবচেয়ে বড় সম্পদ।
এবং আমার বারোজন সন্তান আছে।
আমার পেটের দিকে তাকিয়ে আছো কেন?
দেবকী না হতে পারি, অন্তত যশোদা তো হতে পারি।
দুজনেই তো মা,তাই না?
প্রকৃতপক্ষে,এই দেশের আরও পালিকা মায়ের প্রয়োজন।
আমি এখন আসছি।
- ভিকি বাবাকে আমার নমস্কার জানিও। - অবশ্যই।
বিদায়।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সুদীপ চক্রবর্তী
এখানে আয়।
বাচ্চারা, আমি তোদের সবার জন্য কোলা নিয়ে এসেছি।
সবাই তাড়াতাড়ি নিয়ে নে। এই তো।
- প্লেনটা সুন্দর, তাই না? - এটা চমৎকার, মা।
- নে, রাজু। - ধন্যবাদ।
নে, মা। এবার তুইও খেয়ে নে।
না, আমার উপোস আজ।
- কবে পর্যন্ত? - আমি কাল সন্ধ্যায় ছাড়বো।
তাহলে, আমরা আগামীকাল উদযাপন করতে পারতাম।
না, আমি আজই উদযাপন করতে চেয়েছিলাম।
সঠিকভাবে পান কর।
- হ্যাঁ মা। এটা খুবই সুস্বাদু। - তোরটাও এক।
লড়াইয়ের আগে উদযাপন একমাত্র তুই-ই করিস।
তোর লড়াই মনে হয়, মুন্না।
কিন্তু আমি ফলাফল দেখি।
কাল যদি, উপর থেকে এই আদেশ আসে
যে আমরা কখনোই এই দেশের নাগরিক হতে পারবো না,
তখন কি করবি?
আমি কখন এদের সাথে দেখা করবো?
- এটা সুন্দর। - উকিল কি বললেন?
তিনি বললেন, এই আদেশের ফলে হয় আমাদের দেশ চার পা এগোবে,
নয়তো দশ পা পিছিয়ে যাবে।
আমি তাকে সংক্ষেপে প্রশ্ন করলে তিনি দীর্ঘ উত্তর দেন। এটা পাগলামি।
আমি তো তাকে আমার সবকিছু দিয়ে দিয়েছি।
এখন দেখা যাক বিনিময়ে আমরা কি পাই।
মা।
ওহো!
কি রে? এখন কি আমাকে মিস ইউনিভার্স বানাতে চাস?
আচ্ছা,মা। তুই যদি সত্যিই মিস ইউনিভার্স হয়ে যাস,
তুই প্রথমে কি করবি?
অস্ত্রোপচার।
আরে!
শয়তান, তুই আদালতে যেতে চাস? মামলা করবি?
তুই মা হতে চাস?
তাকে মার।
পিছিয়ে যা।
চলো বাচ্চারা। পিছিয়ে যাও।
তুই আদালতে যেতে চাস এবং আমাদের মূল্যবোধ ধ্বংস করতে চাস?
কে ওখানে? আমি আসছি।
কে ওখানে?
তোদের দেখতে দে।
- হারামি কোথাকার। - চলে আয়। চল। চল।
আমি আসছি। থামো। আমি তোদের দেখাচ্ছি।
- হারামি শালা। এখানে আয়। - তুই নরকে পচবি।
কাপুরুষ।
তুই ঠিক আছিস, মা?
না।
তুই আমাদের লোকদের জন্য লড়াই করছিস।
এবং তারা তোরই জীবন নেবার চেষ্টা করছে।
হারামি !
তুই কী ভেবেছিলি?
আমাদের লড়াই শুধু বহির্বিশ্বের বিরুদ্ধে নয়।
ভিতর থেকে আগে পরিস্কার করা শুরু করতে হবে।
বাচ্চারা ঠিক আছে তো?
হ্যাঁ, মা।
ঐতিহাসিক রায়ের চার ঘন্টা আগে
দেশবাসী, মোটামুটি ৩ ঘন্টার মধ্যে আমরা জানতে পারবো...
যে আমাদের দেশ রূপান্তরকামীদের এই অনৈতিক দাবি মেনে নিচ্ছে না প্রত্যাখ্যান করছে।
যারা এতদিন সীমাবদ্ধ ছিল ট্রেন, গলি এবং বাজারের মধ্যে
আমাদের মূলধারার সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিণতি কি হবে?
অপরাধ,তোলাবাজি ও মধুচক্রের সাথে জড়িত এই সম্প্রদায়কে
স্বীকৃতি দেওয়া কতটা ন্যায়সঙ্গত হবে?
এটা কি শিশু পতিতাবৃত্তি, শিশু পাচার
এবং মাদক ব্যবহারকে উৎসাহিত করবে?
ভোট দিতে ৫৫৫৫-তে 'হ্যাঁ' বা 'না' লিখে পাঠান।
আপাতত এই পর্যন্ত। ক্যামেরাম্যান রবীন্দ্রের সাথে আমি সুমন।
বি নিউজ।
দিল্লি বিমানবন্দর তো স্থানীয় বাস স্টেশনের মতই জনবহুল।
সর।
এই শহরের সমস্যা কি?
- টাকা দাও দিদি। - এই নাও।
টাকা চাইলে নোট নাও আর চাকরি চাইলে কার্ড রাখো।
টাকাই দাও, দিদি।
তোর নাম কি?
- করিশমা। - বাড়ি?
- গুয়াহাটির কাছে। - আচ্ছা।
- ঘরাণা? - মনকল্যাণ।
- দলের নাম? - টোটাল ধামাল।
- স্ত্রীর নাম? - পায়েল।
এবার সন্তানের নামও বলে ফেল।
হায়,হায়! তুই আমার বাচ্ছার নাম জানতে চাস?
রেখে দে। অভাগা কোথাকার!
চলো যাওয়া যাক। জঘন্য মহিলা।
ঐটা কি ছিল?
সে একজন পুরুষ ছিলেন। সে আমাদের একজন নয়।
সে একজন পুরুষ।
আমি এখন এখানে ৪ বছর ধরে আছি, গৌরী।
আমার জন্য আপনাকে অনুবাদ করার দরকার নেই। আমি হিন্দি জানি।
ঠিক আছে, তাহলে শোনো।
ভেবেছিলাম, এর অধিক আর হবো না বদনাম
কিন্তু তারা মারছে মানুষ নিচ্ছে কিন্তু আমার নাম ।
No comments yet. Be the first to leave one.