ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বাবা, লেজ দিয়ে কী করছো?
মাথার নীচে রাখছি...
তাহলে পরের জন্মে সে মানুষ হয়ে জন্মাবে, যার মাথায় ঝুঁটি থাকবে।
সত্যি?
সবাই সাময়িক মৃত্যুবরণ করে, প্রকৃতপক্ষে কেউ-ই মরে না।
বাড়ি চলো।
" THE CAVE OF THE YELLOW DOG "
অনুবাদে: • • • মোহাম্মদ সায়েম • • •
আরেহ, হাতাটাও ভেঙ্গে গেল।
চলুনা, আসো!
নামো, বাড়িতে এসে গেছি।
মা...!
দেখি আমার মেয়েকে,
কত্ত বড়ো হয়ে গেছে।
বাবা!
আমার বড়ো মা! ভালোভাবে এসেছো?
- হ্যাঁ। - এখানে কিভাবে আসলে?
- গাড়িতে করে। - ওহ!
- আমাদের মিস করেছিলে? - হ্যাঁ, অনেক বেশী।
- পড়ালেখা ভালো চলছে? - হ্যাঁ।
এই কাপড়ে সুন্দর মানিয়েছে।
হ্যাঁ, তাই তো!
হুম, তবে কলার অনেক টাইট।
ব্যাপার না এটা।
দাঁড়াও, তোমার জামা দিচ্ছি।
বাবা?
- বলো সোনা! - বাইরে কী করছিলে?
ওহ, ভেড়াগুলোর দেখাশোনা করছিলাম।
নেকড়ে আবার এসেছিল?
হ্যাঁ।
নতুন কোনো গান শিখেছ?
হ্যাঁ।
বোনকে শেখাবে, কেমন?
দেখি, এটা পরিয়ে দেই।
বাবা! আমার স্কুলের বইগুলো দেখবে?
দেখাও।
অনেক বড়ো হয়ে গেছো।
বইগুলো দেখাও।
দেখি...
এটা অংক খাতা?
তোমার লেখা অনেক সুন্দর।
দেখ, এই পেজে স্টার পেয়েছি।
তাই নাকি? দেখি তো...
দারুণ।
আরো একটা স্টার!
মা, কিছু ?
হুম, কয়েকটা নাও।
এদিকে আয়, এগুলো নিয়ে খেলি!
এগুলো একটার উপরে আরেকটা বসিয়ে শহরের মতো বাড়ি বানাবো।
আচ্ছা।
আমরা শহরে থাকলে, তখন সবচেয়ে উঁচু ঘরে থাকবো।
কারণ, নীচু বাড়িগুলো বেশী অন্ধকার।
এভাবে, একটার উপরে আরেকটা, কেমন?
এখানে!
নান্সাল!
জি!
খেলা বাদ দিয়ে; কিছু গোবর সংগ্রহ করো, গোশত রান্নায় লাগবে।
কিন্তু মা, আগে তো কখনো করিনি! কোথায় খুঁজবো জানিও না।
চেষ্টা করে দেখ, কেমন?
উঠো। ঝুড়িটা লাগবে।
- নান্সাল! - জি।
- বেশী দূরে যেও না। - আচ্ছা।
- শকুন দুটো এখনো চক্কর কাটছে। - হুম।
- কেমন আছো, ভাই-লোক! - এই, কেমন আছো?
- পশুপালন কেমন চলছে? - ভালো।
এই ঋতু ভালো যাচ্ছে?
- হ্যাঁ, তোমাদের? - ভালোই।
- তো শিকার কেমন চলছে? - চলছে।
- খারাপ না। - হুম।
- আগে কোথায় থাকতে? - বারুনে ছিলাম!
ধন্যবাদ।
সেখানে গিয়ে নেকড়ে শিকার করেছিলাম।
এসময়ে সেখানে অনেক নেকড়ে আসে।
তা, এখানে সব ভালো?
ভালো যাচ্ছে না। টেনশনে আছি।
এখানেও অনেক নেকড়ে আছে।
প্রতিবছরে সংখ্যা বেড়েই চলছে।
ঠিক।
উপস, পড়েই যাচ্ছিলাম।
কে এখানে?
সবাই তাদের পাল বিক্রি করে দিচ্ছে।
-তা ঠিক। -তারপর শহরে চলে যাচ্ছে।
আসলে এখন সময়ের অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
- হ্যাঁ। - আর অনেক কুকুর দলচ্যুত হচ্ছে।
দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ওরাও নেকড়েদের দলে ভিড়ছে।
জানেন, কাল রাতে আমার ২টা ভেড়াকে জখম করেছে।
আহ! সাংঘাতিক।
- প্রায় সব জায়গাতেই এই অবস্থা। - হ্যাঁ।
শীঘ্রই কিছু করতে হবে, নাহলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে।
- ঠিক। - আমিও একমত।
যখন আমি ছোট ছিলাম, সবাই এক হয়ে নেকড়ের মোকাবেলা করতাম।
কিন্তু এখন, দুর্ভাগ্যবশত এখানে অল্পকিছু লোক থাকে,
তাই সমস্যা বেড়ে নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
সত্য কথা।
আমার গিয়ে ভেড়াগুলো দেখা উচিত।
- আচ্ছা। - প্রায়ই শহরে যাও নাকি?
ওহ, না না। তবে আগামীকাল ভেড়ার চামড়া বিক্রি করতে যাবো।
ও, আমার কিছু বাদাম আর টোটা(বারুদ) দরকার ছিল।
আনতে পারবে?
আচ্ছা।
- কৃতজ্ঞ থাকব। - কি যে বলো!
আমি তোমাকে বাসায় নিয়ে যাচ্ছি।
থামো! থামো! থামো! চলো এখন!
তুমি খুবই নরম, ভালো লাগছে!
এখানে আসো! আসো! সাথে চলো!
ওই! এখানে ফিরে আসো! ফিরে আসো! আসো! আসো!
এইতো এসেছে! ধরেছি!
তোমার মা কই, হুহ?
জানো কই আছে? কোথায় থাকে, হুহ?
নান্সাল, এটা কী নিয়ে এসেছ? এই কুকুর কোথায় পেলে?
গুহায় পেয়েছি। এটার সাথে খেলতে চাই।
শোনো, তোমাকে গোবর খুড়াতে বলেছি, তা না করে কুকুরের সাথে খেলতে চাচ্ছো।
যখন মালিক এসে নিয়ে যাবে, তখন কী হবে?
নিতে দিবো না!
এটা কি ঠিক হবে? ওহ, কি সুন্দর দেখতে!
মনে হচ্ছে, এটা ঘুরতে এসে পথ হারিয়েছে, অথবা অন্যকিছু নিয়ে এসেছে।
চলো যাই।
আচ্ছা, কেউ হয়তো চলে যাওয়ার সময় ভুলে ফেলে গেছে।
একে ক্ষুধার্ত মনে হচ্ছে।
-তোমার বেল্ট দাও। -আমি একে দিবো।
আমি এর নাম দিবো যাহর, কারণ এটার রং আছে, দেখো?
নান্সাল!
- এই কুকুর বিদেয় করো। - উ...হু!
এর অর্থ কি, "না"? একে দূর করো, আর বলবো না কিন্তু।
না।
সে সম্ভবত নেকড়ের সাথে থাকে।
যেখানে তাকে পেয়েছি, সেখানে নেকড়ে ছিল না।
- ওহ, তাই? - হুম।
গুহাতে শুধু নেকড়ে থাকে।
কিন্তু আমি তাকে পেয়েছি।
তাই এটা আমার।
তুমি ওকে বোঝাচ্ছো না কেন?
তুমি মানা করলে, ব্যপারটা সহজ হবে।
এটা নিয়তির খেলা হতে পারে,
তাই কুকুরটা আমাদের কাছে এসেছে।
সর এখান থেকে!
সরে যা! ভাগ!
তুমি ফেরার পরে এই স্থান পরিত্যাগের প্রস্তুতি শুরু করবো।
আচ্ছা।
শহর থেকে কিছু আনতে হবে? আটা বা চাল?
যাওয়ার আগ পর্যন্ত চলবে, কিন্তু একটা হাতা খুব জরুরী দরকার।
আচ্ছা।
এই কুকুর তাড়ানোর ব্যবস্থা করো।
- বিদায়! নিজেদের খেয়াল রেখো! -সাবধানে যেও!
খুব লেগেছে।
নান্সাল, পনির কাটতে সাহায্য করো?
আমি উপরে তুলছি, তুমি টেনে বের করো।
বের করো।
তাড়াতাড়ি।
ভালো করেছো।
কাঠের বোর্ডটা নিয়ে আসো।
সাবধানে, ফেলিও না।
এখানে রাখো।
এখানে একটু ধরো।
এভাবে ধরে থাকো। হুম, এভাবেই।
- অর্ধেক করে কেটে নিবে কি? - এখন না।
- এটা অনেক ভালো হয়েছে। - ভালোই।
মা জানো, যাহরকে পালে লুকিয়ে রেখেছিলাম; যেন বাবা যাওয়ার আগে না দেখে।
মনে হয় না এসব করা যথেষ্ট হবে।
বাবা আসার আগেই তাকে রেখে আসবে।
তুমিও তাকে রাখতে দিচ্ছ না কেন? এমন করছো কেন?
ও অনেক সুন্দর। আমার ওকে চাই।
ব্যাপারটা এখানে রাখার না।
- এখনকার মতো হয়েছে, রাখো। - আচ্ছা।
হাত টান করে ধরো, এভাবে।
এখন হাতের তালুতে কামড় দাও দেখি। এখানে।
পারছি না তো।
পারছো না? সত্যিই কি পারছো না? আবার চেষ্টা করো।
এবার? পারছো না?
হচ্ছে না তো।
এটা সহজ মনে হলেও, কিন্তু সাধ্যের বাইরে।
সত্যিটা হচ্ছে, তুমি চাইলেও সব করতে পারবে না।
পারছি না কেন!
- নান্সাল! - জি।
বাচ্চাগুলোকে পিছে ফেলিও না।
আর ঐ পর্বত যেন সামনে থাকে।
অন্যকাজে সময় নষ্ট করিও না, বুঝেছ?
- হুম। - বুঝতে পারছো?
- হুহ? - বাবা আমাকে এসব আগেই শিখিয়েছে।
পর্বতের চুড়া দেখে দিক ঠিক রাখতে হবে।
ওহ! ভালো, বুদ্ধিমতি মেয়ে, তাই না?
সাবধানে যেও।
যাহর, আসো! যাহর! এখানে, এদিকে আসো! আসো!
- মা? - হুহ?
আমাকে আগে ডেকে দাও না কেন?
আচ্ছা, আগে উঠে কী করতে চাও?
- আমি চাই... - হুম?
আমি... বাবার সাথে শহরে যেতে চাই।
আচ্ছা, কেন যেতে চাও?
সেখানে বাড়ি দেখবো।
ওহ! তাই নাকি? কেন দেখতে চাও?
ওখানকার লোকেরা না কি ঘরেই হিসু করে।
এটা কি ঠিক? ওরা ঘরেই হিসু করতে যাবে কেন?
নান্সাল বলেছিল।
ওহ, আচ্ছা।
হাতের তালুতে কামড় দিতে পারবা? দেখি, চেষ্টা করো।
যাহর, চেষ্টা করো।
আসো! চেষ্টা করেই দেখ না?
আসো! একবার চেষ্টা করো।
তুমিও পারবে না, যাহর; পারবে কি?
No comments yet. Be the first to leave one.