ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বাংলা অনুবাদেঃ হাবীব উন নবী সিয়াম | আশিকুর রহমান সৌরভ ফাহাদ আহমদ | রেদওয়ান তাসকির | তানজিদ আহমেদ মিনহাজ আল ইসলাম | সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক
বাংলা অনুবাদেঃ হাবীব উন নবী সিয়াম | আশিকুর রহমান সৌরভ ফাহাদ আহমদ | রেদওয়ান তাসকির | তানজিদ আহমেদ মিনহাজ আল ইসলাম | সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক
সম্পাদনায়: ফাহাদ আহমদ
জলদি যা...জলদি!
এই!
টাকা রেখে কেটে পড়!
সর!
গুনে হিসাব রাখ।
জলদি শেষ করে যা!
এই, কতবার বলেছি খুচরা নিয়ে আসবি।
সর...সর সামন থেকে।
আয়, তাড়াতাড়ি, যদি...
এই! এই! ভাগ!
এই! সর তো!
এই, ওয়াসিম!
কীভাবে চিনতে পারলাম...অবাক হচ্ছিস?
শরীরের গন্ধ শুঁকি আমি, সেন্টের গন্ধ না।
এই, না...
ডিও লাগিয়েছি...
সকালে গোসলও করেছি।
যার সত্যিকারের বন্ধু আছে...
তার আয়নাও লাগে না...
চোখও লাগে না।
তাই সত্যিটা বলছি।
হয়েছে! হয়েছে!
ওখানে ওরা খেলছে এটা তোর গন্ধ শোঁকার ক্ষমতার কারণে না...
আমার বলার কারণে দেখতে পাচ্ছিস, তাই না কি?
যদি পুলিশ আসে, তাহলে আমিই তোকে এখান থেকে পালাতে সাহায্য করব।
হালা কানাসোদা!
বাম দিক থেকে ঘুষি মারছে।
পাল্টা লড়ছে এখন...
উফ!
মার!
কে মার খেলো?
আকবর!
এই! তুই আকবরের নামে বাজি রেখেছিস, না?
- হ্যাঁ, অবশ্যই। - আকবর উদুম কেলানি খাচ্ছে।
ফাইনাল রাউন্ড শুরু হয়নি,
তাতেই মন খারাপ করছিস!
কেবল তো ফার্স্ট রাউন্ড শুরু হলো।
ভাই!
এই, ওয়াসিম...
কত কল করব তোকে?
আমার কথাটা তো শোন!
ব্যবসাটা ভালো।
এই ব্যবসার দরকার নেই, ভাই।
ফার্মেসি লাইসেন্স রেখেও...
বেআইনি ড্রাগ বানাবো?
ঈমানদার কারও জন্য এই ব্যবসা ঠিক না।
তাই নাকি!
কী ভেবেছিস, এই জুয়া খেলা আল্লাহর কাছে খুব ভালো?
কোথায় যাচ্ছিস জানি আমি।
যাই বলেন না কেন, আমি রাজি হবো না!
লাইসেন্সটা আমার নামেও আছে।
ভাই!
এতো আকাম করে...
প্রতি বছর হজ্ব করলে কাজের কাজ কিছুই হবে না।
বোঝার চেষ্টা করেন, ভাই!
ওয়াসিম!
ওয়াসিম!
তোর ভাইয়ের সাথে কী সমস্যা হয়েছে?
উনি আর্থিক টানাপোড়েনে আছেন...
আর?
আর একটু গুরুতর ব্যাপারটা।
তা থেকে বাঁচতে,
অবৈধ ব্যাপারীদের সাথে জড়িয়েছে।
মাদক ব্যাপারী?
হ্যাঁ...
কাউকে বলেনি!
চালানের জন্য...
আমাদের ফার্মেসি লাইসেন্স ব্যবহার করছে ওরা।
কোম্পানিটা কি আমারও নয়?
আমি বলেছি হবে না ওসব!
ছোট থেকেই এসব করে বেড়াচ্ছেন উনি।
কখনো শোধরাবে না।
শোন! এসব নিয়ে মাথা ঘামাস না।
প্লিজ!
ওয়াসিম!
ওয়াসিম!
ওয়াসিম!
স্যার, ও সার্জিও পর্বো পিউরো পারফিউম ব্যবহার করত।
ওদের পদচারণা...
কোনো টেনশন ছাড়াই আমাদের দিকে এগিয়ে আসছিল।
অনেক শান্ত প্রকৃতির ছিল সে।
খুন করা ওদের বাঁ হাতের খেল।
আর অবশেষে...
ডিফেন্ডার গাড়িতে করে আসলো সে!
ডিফেন্ডার ছিল সেটা কীভাবে জানতে পারলে?
স্পর্শ করে।
আমার ভাইয়েরও ডিফেন্ডার আছে।
স্যার, এই অন্ধের সাথে তামাশা করে লাভ হবে বলে মনে হয় না।
না, বাড়া!
ব্রিলিয়ান্ট একটা!
ফ্যাক্টরিটা দেখেছ?
ওটা নামকরা সাবেক এমপি,
ভিনসেন্ট জে. জেরমের।
যদি সে ওখানে ১০০ লোককেও পুড়িয়ে মারে...
সে না চাওয়া অবধি আমরা জানতেও পারব না।
ভিক্টরের বিবৃতিই আমাদেরকে...
ওয়াসিমের খুনী পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
ও একদম বদলে গিয়েছিল,
আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।
ভুলভাল মানুষের সাথে ঘুরত...
অনলাইন গেমিং...
জুয়া...
এসবে লাখো টাকা খরচ করত।
ওয়াসিমের শেষ কল...
তোমাকেই করা হয়েছিল, তারিক।
কী নিয়ে কথা হয়েছিল?
সেটাও টাকার জন্যই ছিল।
ওয়াসিম আর তারিক সব ব্যবসায় পার্টনার ছিল না?
আপনার প্রশ্নের পেছনে উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছি।
খুন হওয়ার কয়েকদিন হয়ে গেছে...
আর আপনারা কিছুই বের করতে পারেননি।
তাই তো?
খুঁজে পাইনি...
সেটা কে বললো তোমাকে?
শীঘ্রই দেখা হবে!
হ্যালো ইশা!
হ্যাঁ, ভিক্টর!
তোমার সাথে দেখা করতে হবে।
আচ্ছা, এখন কোথায় আছ?
ওয়াসিমের কুলখানিতে এসেছি।
এখানে...
জলদি এসে আমার সাথে দেখা করো!
তোর বন্ধু ওয়াসিম যখন আমার ব্যবসায় বাগড়া দিতে থাকলো...
ওর ভাই...
আমার পার্টনার তারিক, ওকে মেরে ফেলতে বললো।
ভালো পরিমাণ লাভের পরেও...
ও না করে দিচ্ছিলো!
যতই বলি না কেন, বদলাবে না ও।
রাসেল...
মেরে ফেল ওকে!
ওর পরিবার ওর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করবে।
ওর শেষ কথা ছিল তারিককে বাঁচানোর ব্যাপারে।
এতোটাই ভালবাসতো ওর ভাইকে।
হৃদসপন্দন শুনতে পারে সে...
তোমার স্রষ্টা।
ওকে কী বলব?
তুই অন্ধ বলে তোকে ছেড়ে দিয়েছিলাম।
কীভাবে চিনলি আমাকে?
পারফিউম দিয়ে?
আমার শরীরে তো মৃত্যুর গন্ধ!
সেন্ট অফ ডেথ!
আমি ভালো করেই জানি এই মাদক ব্যবসায় তুইও জড়িত।
সবাইকে শেষ করব।
আর তোর গন্ধ...
মৃতদেহের গন্ধ...
এক পঁচে যাওয়া, পোকা খাওয়া মৃতদেহের দুর্গন্ধ আছে তোর শরীরে!
এদিকে আয়!
ভিডিও কর!
স্যার!
ত্রিশুর থেকে হামলা করেছে আমাদের ওপর।
মাল উদ্ধার করলেও...
শান্তি কায়েম করতে পারব না।
টনি ভাই...
এদের সাথে জড়িয়ে কোনো লাভ হবে না।
আমরা কখনোই নিবো না, স্যার!
টনি ভাইয়ের সোনা চুরি করতে চাইলে...
অনেক আগেই করতাম।
টনি ভাই... প্লিজ।
হাঁটু গেড়ে সামনে আয়।
হাঁটু গেড়ে বস।
তোর জন্য স্পেশাল কিছু আছে।
ভালোভাবে কাজ কর।
বিদায়!
এটা ইঁদুর বিড়ালের খেলা নয় যে, কাউকে এভাবে তুলে নেবে।
ওই কানাচোদা আমাদের ধরে ফেলেছে।
শরম করছে না?
এখন তুমি কেমন অনুভব করছো?
ভালো!
ছোটরা বিভ্রান্ত হলে, তোমার কাজ তাকে বুঝানো।
এখন কোনো যুদ্ধ বা জরুরী অবস্থা নেই যে, ওদের লাশের হিসাব মিলবে না।
দেহের একটা অংশও যেন ওরা না পয়...
...নাহলে পুলিশ আমাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
আমরা তাকে এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছি...
...যে ওকে জন্ম দিয়েছে...
...সেও চিনতে পারবে না।
তোর ভাইয়ের রাস্তায় চলিস না।
সাইরাস একটা পাগল!
শুধুমাত্র শক্তি দিয়ে জেতা যায় না।
ব্রেইনের ব্যবহার কর।
তোর কোনো সমস্যা হলে, আমার কাছে আসবি।
আমি সবসময় তোর সাথে আছি।
আপনি কি বলেন?
বডিটা কোনো পুরুষের।
২০ বা ২৫ বছর বয়সের হবে।
জামাকাপড়, বেল্ট, অর্নামেন্টগুলো বাজেভাবে ঝলসে গেছে!
কোন এসিড হতে পারে?
হাইড্রোফ্লোরিক এসিডের লক্ষণ এরকমই।
হাইড্রোজেন ফ্লোরাইডকে পানিতে মেশালে হাইড্রোফ্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয়।
অন্যসব এসিডের মতো এটাকে গ্লাস কন্টেইনারে রাখা যায় না।
এটাকে শুধুমাত্র উচ্চ প্রতিরোধী পলিথিন কন্টেইনারে রাখা যায়।
এটা অনেক বিষাক্ত এবং ক্ষয়কারী, এর দ্বারা সবকিছু পুড়ে যেতে পারে।
ওইদিন সকাল ১০ টায় ওর শেষ কল এসেছিলো।
আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছিলো।
তারপর আর আমি ওকে ফোনে পাইনি।
ও বাড়িতেও যায়নি।
তুমি বলেছো ওর নাম ভিক্টর, রাইট?
তোমাদের সম্পর্ক কি?
No comments yet. Be the first to leave one.