ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
এলিয়াম্মার স্বামী চাক্কালা বিল্ডার্সদের জন্য আজীবন কাজ করে গেছে।
নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পড়ে গিয়ে সে মারা যায়।
কিন্তু তারা কোনোপ্রকার সাহায্যের হাত বাড়ায়নি।
তারা এমনকি এটাও স্বীকার করছে না যে সে তাদের জন্য কাজ করত।
এই বিল্ডারটা কি আইনত নিবন্ধিত?
হুম..আসলে..?
চিন্তার কিছু নেই, আমরা দেখছি বিষয়টা।
আসলে ওর কাছে কেস চালানোর মতো, অতো টাকাপয়সা নেই।
যেখানে আইনি লড়াইয়ের প্রয়োজন সেখানে শুধু প্রার্থনায় কাজ হয় না, তাই না?
তখনই আমি তোমার কথা ভাবলাম।
আপনি চিন্তা করবেন না দিদি, আমরা নিষ্ঠার সাথে মামলা লড়ব।
আমি তোমায় পরে ডাকব, এখন তুমি যাও।
- হ্যালো। - বাবা, আমি ঐশ্বরিয়া।
বল, ঐশ্বরিয়া।
কোনো স্টোরি আইডিয়া দিতে পারবে? যা দিয়ে কড়া খবর বানানো যাবে!
গতবার বিশপের বিরুদ্ধে যে খবরটা দিয়েছিলাম, ওটার কী হলো?
ওকে কি পদত্যাগ করতে বলা হয়নি!
এবার তা হবে না।
- তুই নিশ্চিত! - শতভাগ।
আচ্ছা, তাহলে তোকে খনন নিয়ে একটা স্টোরি দেবো।
- সন্ধ্যায় আমাকে কল দিস। - আচ্ছা।
বন আইন লঙ্ঘন করে যে খনন কাজ চালানো হচ্ছে,
তা চমনকুন্নু গ্রামের পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক প্রমাণিত হচ্ছে।
এর মালিক, জনা কংগ্রেস দলের নেতা বাবুজি।
আমার ভয়েসটা এই ভয়েসের মতন করেই এডিট করো।
- হ্যালো। - হ্যালো, আমি কোট্টায়ামের ঐশ্বরিয়া।
ত্রিবন্দরাম থেকে মন্ত্রীর বক্তব্য স্টোরিতে ঢুকাতে হবে।
- আমি এখানে ট্রেইনি। - তাহলে সিনিয়র কাউকে দাও।
ঐশ্বরিয়া কল দিয়েছে।
- কী হয়েছে? - জর্জ দাদা..
খননের স্টোরিটা রেডি হয়ে গেছে, ত্রিবন্দরাম থেকে মন্ত্রীর বক্তব্য নেওয়া হবে।
- তুমি সম্প্রচারের ব্যবস্থা কর। - আচ্ছা, ঠিক আছে।
অটোমান (সম্রাজ্য) না... অটো-ম্যান (ট্যাক্সিওয়ালা)..
সরি, স্যার..সরি।
যদি কেউ রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে আইন লঙ্ঘন করে...
সে যতই শক্তিশালী হোক না কেন কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
তাহলে সারাদিন আজ এই সংবাদই চলবে টিভিতে!
আমার ঘুম নষ্ট হয়ে যাবে।
সত্যিই? বাবুজি কি নাটক করবে?
নিঃসন্দেহে, আমরা তো সেই দল যারা ভাঙতে ভাঙতে গড়ে উঠি।
যাওয়ার আগে চা খেয়ে যেও।
বিকেল ৪টার আগে আমাকে চালাক্কুডিতে যেতে হবে।
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি, আমাদের শো, "নিউজ ট্র্যাকে"..
'কেরালা - খনন মাফিয়াদের দ্বারা শাসিত একটি রাজ্য।'
হ্যাঁ, হ্যাঁ, এখনই চালু করছি।
বাবা, ফাদার পুরমপোক্কিল এই আলোচনায় একজন প্যানেলিস্ট।
আপনি কেবল একটি খনির মালিকই নন, আপনি একজন এম.এল.এ ও।
তাতে কি? এই ফাদার তো বিদেশি যারা ফান্ড দেয় তাদের পাছা চাটা পাব্লিক।
- দয়া করে অশালীন ভাষা ব্যবহার করবেন না। - মনে হচ্ছে ফাদারকে টার্গেট করেছে।
বাবা, তাড়াতাড়ি আসো।
হায় ঈশ্বর, কারেন্ট চলে গেল। এখন এটা ব্লেন্ড করব কীভাবে?
এই ফাদার পুরমপোক্কিল, আসলে কোনো ধার্মিক না...
সে হলো শয়তানের বাচ্চা।
থামুন তো মশাই, অনেকক্ষণ ধরে আপনার বকবক শুনে যাচ্ছি।
দেখুন, পাদ্রীর মুখ থেকে গালি বের করবেন না।
সমস্ত নিয়মকানুন লঙ্ঘন করে খনি চালানোর কর্তাধর্তা তো আপনিই, তাই না?
এটা এভাবে চলতে থাকলে বিক্ষোভ আরো তীব্র হবে।
এভাবে টিভিতে সবার সামনে আপনি আমাকে অপমান করে রেহাই পাবেন না।
কী করবেন আপনি? মিছিল করবেন?
আমার সাথে বন্দুকওয়ালারা আছে, গুলি করে খুলি উড়িয়ে দেবে।
যাইহোক, মিনিস্টার থম্মি কী বলেছিল যেন?
তিনি আমাকে পার্টি থেকে বহিষ্কার করবে, না? এর ফল তো ভোগ করতেই হবে।
- মিনিস্টার এমন কিছুই বলেনি। - সে বলেছে।
- না, তিনি বলেননি। - বলেছেন।
দর্শকদের বিভ্রান্ত না করে চলুন, আরেকবার উনার কথাগুলো শুনে আসি।
জেলা কালেক্টর অবৈধ খনির মালিকদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছেন।
যদি কেউ রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে আইন লঙ্ঘন করে।
সে যতই শক্তিশালী হোক না কেন কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
শুনলেন, শুনলেন, শুনলেন? তিনি বের করার কথাই বুঝালো।
বাবুজি, উনার কথাটাই বুঝতে পারেননি।
তার জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পেয়েছে, নিশ্চয়ই এটা শয়তানের কাজ।
হ্যালো, কুরু। তোমার মন্ত্রী থম্মি কি আশেপাশে আছে?
- না, উনি তো মিটিংয়ে। - কি, ম্যাটিংয়ে?
এসব ম্যাটিং আমি ওর পেছনে ভরে দেব বলবে, বুঝলে?
বলে দিও, যেন আমার সাথে আর কোনো ভেজাল না করে।
গান পাউডার দিয়ে আমি ওর পাছা ঝাজরা দেবো।
বুঝেছ! হ্যাঁ।
আজকের জন্য নিউজ ট্র্যাক এখানেই শেষ। পরবর্তী শো পি.ভি রাজেশের "ক্রাইম স্টপার"।
সরুন একটু।
হাহ্..
- হ্যালো। - ভাই, আমি চলে এসেছি।
প্রদীপের বাইকটা গ্যারেজে আছে আমি নিয়ে ক্লাবে আসছি।
- ওকে। - ওকে।
ভাই, প্রস্রাবের করার টাইমে দরজা বন্ধ করো না কেন?
শুনতে বিচ্ছিরি লাগে।
তুই আছিস কান নিয়ে, এদিকে আমার মূত্রাশয় ফাটার উপক্রম হয়েছিল।
- এই.. তোমার কিস্তি বকেয়া আছে। - পরে পরিশোধ করে দেবো।
আজ কি তুমি গোলা চালিয়েছ?
কীসের?
"রিয়ালের গোল পোস্টে বার্সার ৩ দফা গোলাবর্ষণ।"
মঞ্জরী, ফুটবল কোনো লড়াইয়ের নাম নয়। এখানে যুদ্ধসম্পর্কিত কথাবার্তা লিখেছো কেন?
মাঝে মাঝে আমাদের নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করলে ক্ষতি হবে না।
হ্যাঁ আসছি।
তোমার ইংরেজি পত্রিকা একবারে বারোজনকে বরখাস্ত করেছে।
এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছো?
তা না করে তোমরা ফেসবুকে বিদ্রোহী সাজো।
জবাব দাও, কিছু বলবে না?
কী বলব ভাই?
সবাই বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে।
কারও বয়স পঞ্চাশ হয়েছে। অন্য চাকরি পাবে কোথ্থেকে?
জবাব দাও।
- আমি কী বলব? - তোমার কোনো মত নেই!
চলে গেলো?
হুম..এই যে।
আপনার কী মত?
- হ্যালো -ফ্রী আছো?
মিটিংয়ে আছি, পরে কল করছি।
ইউনিয়নে অহেতুক কথা বলবে না!
ওহ, আপনারা বেছে বেছে জবাব দেন!
জসগণ হয়তো জানে না কিন্তু বিবেকওয়ালা সংবাদিকেরা জানে।
মনে হয় আপনি অনেক বিবেকবান।
আমি একদম বিবেকবান। তাই তো আপনার বিবেককে প্রশ্ন করছি।
পিল্লাচেট্টানের আজকের সমস্যা কী? - তেমন কিছু না
উনি বলছেন ইউনিয়নের লোকেরা কোনো কাজের না।
- সিগারেট নেই? - না, ভেবেছিলাম তোমার কাছে আছে।
- সমস্যা নেই। কুট্টেট্টানের কাছ থেকে নিতে পারব। - ওহ, ভিক্ষে করতে হবে তাহলে।
ওখানে রাখো।
গিফটের জন্য কনফারেন্সে যাওয়া লোকেদের একজন তুমি।
ছিহ!
নির্লজ্জকে তো আবার লজ্জা পাওয়ানো কঠিন।
হতচ্ছাড়া!
অনেকক্ষণ থেকে উসকিয়ে যাচ্ছেন।
- এই, আমরা গেলে আরও সমস্যা হবে। - মেরে নাক ফাটিয়ে দিব।
- মারো তবে। পেছালে কেন? - আসো মারো।
- আরে মারো। - মারতে বাধ্য কোরো না।
পিল্লাই দাদা, ছাড়ুন ওনাকে। - উনি কখনও বোঝে না।
পিল্লাই দাদা। - ওখানে আমি আমার আত্মার স্মৃতি রেখে দিয়েছি।
মানু ভাই। গ্লাসটা নিয়ে এসো। প্রতিদিন বোতল শেষ করছেন ভাই।
তুমি কখন এলে? - এখনই।
ম্যাথিউ এক পেগ দাও তো।
নিউজ চ্যানেলটার সুপারস্টার তো তুমিই না? নিজের চ্যানেলের ফেস।
চাকরিহারা সাংবাদিকদের নিয়ে একটা তর্কের আয়োজন করছো না কেন?
কখনও কি নিউজ স্টোরি বানিয়েছো?
করেছি ভাই। - তোমার চ্যানেল কে দেখে?
জনাব নিন্দুক, তাকে নিয়ে সমালোচনা করার অধিকার আপনার নেই।
তোমাদের হলুদ সাংবাদিকতা পুরো মালায়ালী কমিউনিটির জন্য লজ্জার।
অন্যের সাথে যেভাবে ঝামেলা পাকিয়ে বেড়ান সেভাবে আমার সাথেও না পাকানোই ভালো।
বাদ দাও, পরিবারের মতোই তো। - উনি আমার পরিবার হলো কবে থেকে?
এভাবেই তো হয়, তাই না? - বাহ!
প্যাট্রোস ভাই, বাসা যাবেন না?
প্লিজ যেতে বোলো না। আমি ভারতে ফিরছি না।
ওভাবে বইলেন না। আপনার প্রাইম মিনিস্টার বন্ধুর সাথে এসে দেখা করে যান।
দেখো হুসেইন, আমি বলছি,
এমটি বাসুদেব নায়ের, কেজি শংকর পিল্লাই, পি গোবিন্দ পিল্লাই।
.. এম পি নারায়ণ পিল্লাই থাকাড়ি শিব শংকর পিল্লাই
- বুঝেছো? - ঈশ্বর,, বুঝছি।
কারাযোগাম জাতীয় কিছুর ব্যাপারে বলছো না কি?
চন্দ্রন, একটা গুজব ভেসে বেড়াচ্ছে যে,....
..প্রধান সম্পাদক পদে কুরুপের জায়গায় তুমি বসছো।
ভাই আমার, আজগুবি কথা বইলেন না।
মিডিয়া হাউসের উপরমহল তো তরুণদের তোপকে অনেক ভয় পায়।
ইতিহাস তাই বলে।
সে জানে তোমার মাঝে সেই তোপ আছে। - ভাই, ছাড়েন তো আমায়।
- আমি সম্পাদক বা কিছু হতে চাই না। - কীসের ব্যাপারে কথা হচ্ছে?
ওর প্রধান সম্পাদক, কুরুপের একটা সম্পর্ক আছে।
আচ্ছা, ঝাড়ু দেয়া মহিলাটা হবে হয়তো।
একদম তার টেস্টের সাথে মিলে যায়।
আরে মজা করলাম। গল্প বানানোর দরকার নেই।
একটা কথা বলি, এটা সত্য, অর্ধেক অর্ধেক।
- অর্ধেক গল্পই চালিয়ে দিবে? - কেন নয়?
এই চন্দ্রন...
আমার শালাকে তর্কের জন্য ডেকে একটু ধমকে দিতে পারবে?
- একটা বড়সড় ধাক্কা হবে তার জন্য। - চেষ্টা করব।
বেশ তাহলে।
এই চন্দ্র, তোমার প্রথম আলোচনা ভালো ছিল।
বাবুজিকে ছেড়ে দেয়া উচিত ছিল তোমার। বাধা দিলে কেন?
দারুণ ফর্মে ছিল সে। - পরেরবার দেখব।
হ্যালো? - পাশে নেই সে?
হ্যাঁ আছে। - ফোনটা দিতে পারবেন?
আচ্ছা।
আপনার ফোন।
আথিরা।
- বলেছিলে আমি এখানে আছি? - হ্যাঁ।
হ্যালো।
- এই সময়ে এখানে কেন এসেছ? - আমি অনেকবার আসার চেষ্টা করেছি।
আজ একটু ব্যস্ত ছিলাম।
কী ব্যাপার?
তুমি আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে পারবে?
স্যরি ভুলে গেছি, আজ তো ১৫ তারিখ!
আজ ১৫ নয়, ১৬ তারিখ।
শুভ জন্মদিন।
রাইডে যাবার মতো ফ্রি আছো?
না...
হাতে ঘাম...
যাচ্ছি।
পুলারমঞ্জুতে স্বাগতম।
এই সুন্দর সকালে আমরা এখানে কিছু ভালো কথা বলতে এসেছি।
ভেবেচিন্তে কথা বললে অনেক ঝগড়াই এড়ানো যায়।
কোনো ওষুধই কড়া কথার ক্ষত সারাতে পারে না।
- কী মনে হয়, ধন্যা? - একদম ঠিক বলেছ।
কথাগুলো যদি মধুর মতো মিষ্টি হয়...
তাহলে সেটা বৃষ্টির ফোঁটার মতো আপনার মন চাঙ্গা করে দিবে।
ঠিক,..আসুন এই বিষয়ে প্রফেসর আনন্দকুট্টান কী বলে শুনি।
প্রদীপ, লাইভ শো'তে আমাকে বাঁধা দেয়া তোমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
এসব বন্ধ কর।
মর্ণিং শো'তে এমন শব্দ ব্যবহার করতে তোমার লজ্জা করে না?
এমনকি মধ্যযুগীয় কবিরাও এমন শব্দ ব্যবহার করতেন না।
ভাগো, আমার যা খুশী আমি বলব।
এই.. ১০ সেকেন্ড
ইদুক্কি থেকে "তিন হাত কলা গাছের গল্প" এখনও আসেনি.।
No comments yet. Be the first to leave one.