ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
পৃথিবীতে এখন নানা ধরণের গবেষণা হয়।
কিন্তু কেউ এমন কোনো যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারেনি যেটা অতীতের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে।
একটা টাইম ট্রাভেল ফোন।
হ্যাঁ।
আমি কয়েক বছর ধরে একটা টাইম ট্রাভেলিং ফোন
আবিষ্কার করার চেষ্টা করে আসছি।
একটা ফোন যাতে বর্তমান থেকে অতীতে যোগাযোগ করা যাবে।
নিউটনের তৃতীয় সুত্র।
প্রতিটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে।
আমাদের বর্তমান আমাদের অতীতের ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়াস্বরূপ কাজ করে।
এই ফোন তৈরি করতে পারলে,,
খুব সহজে আমি অতীতকে পরিবর্তন করতে পারবো।
ভুলগুলো সংশোধন করা যাবে আর ইতিহাস পুনরায় লেখা যাবে
এসব করতে হবে না তোমাকে।
এই আবিষ্কারের পেছনে আর কত সময় নষ্ট করবে?
আর কয়েকটা দিন।
হয়েই গেছে প্রায়।
সেদিনও এই কথাই বলেছিলে।
এই ফোন যদি সেদিন ল্যাবে রেখে.
আমাকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে যেতে তাহলে আর আমাকে পা হারাতে হতো না।
এতোদিনে পরীক্ষায় পাশ করে শিক্ষকও হয়ে যেতাম।
পোড়া কপাল আমার।
জানু...
তিন মাস পর।
হ্যালো?
- জানু! - জানু?
আমার এই নাম জানলেন কী করে?
আরও অনেক কিছু জানি আমি। তোমার প্রিয় রং সবুজ।
প্রিয় মুভি চন্দ্রলেখা।
প্রিয় অভিনেতা পি.ইউ. চিন্নাপ্পা।
- পছন্দের খাবার আটার সন্দেশ। - হ্যাঁ!
আপনি এসব কী করে জানলেন?
- কে আপনি? - আমি তোমার স্বামী।
স্বামী?! ওগো!
কী? স্বামী?
এই!
- কে রে তুই? - এ চিরঞ্জীবি।
একটা ব্যাপার যেটা বিজ্ঞানীরা কখনোই জানতে পারে না।
তার গবেষণার ফলাফল।
তোকে এখন তোর গবেষণার ফলাফল শোনাবো।
তুই যে টাইম ট্রাভেল ফোন নিয়ে কাজ করছিস, তা সফল হয়েছে।
কী বলছিস?
হ্যাঁ চিরঞ্জীবি।
আমরা অবশেষে টাইম ট্রাভেল করতে পারে এমন ফোন আবিষ্কার করতে পেরেছি।
সেই ফোন দিয়েই তোর সাথে এখন কথা বলছি।
তুইই আমি।
আর আমিই তুই।
যদি তুই আমি হোস, আর আমি তুই হই,
- আমি কি তাহলে তোর অতীত? - আমি তোর ভবিষ্যত।
আর জানকিকে আজ পরীক্ষায় একা যেতে দিবি না।
গাড়িতে করে নামিয়ে দিয়ে আসবি।
ওর ইচ্ছানুযায়ী ওকে শিক্ষিকা হতে দিবি।
চলো!
কী হয়েছে?
পায়ের দিকে তাকিয়ে আছো কেন?
কোনোকিছু নিয়ে চিন্তা করবে ন
আমি নিশ্চিত তুমি এই কাজে সফল হবে।
তারপর দেখো কী হয়। পুরো পৃথিবী তোমার প্রশংসায় মেতে উঠবে।
আচ্ছা, কফি খেয়ে নাও একটু।
আমার টিউশনের সময় হয়ে গেছে। বাচ্চারা এসেছে। আমি নিচে যাচ্ছি।
ইয়েস!
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার এখন আমার হাতে।
রুল নম্বর-০১
আপনি শুধু অতীতেই যোগাযোগ করতে পারবেন।
ভবিষ্যতে না।
রুল নম্বর-০২
অতীতের যেকোনো নম্বরে কল করতে পারবেন।
কিন্তু কোনো একটা দিনে একবারই কল করতে পারবেন।
যদি আবার সেই নম্বরে কল দিতে চান,
তাহলে তার আগের কিংবা পরের দিনে কল করতে পারবেন।
রুল নম্বর- ০৩
যেহেতু সাউন্ড ওয়েভ সময়ের নিয়মকে ভঙ্গ করে,
তাই বজ্রপাতের কারণে কল কেটে যেতে পারে।
রুল নম্বর-০৪
নতুন ব্যবহারকারীরা মহাকর্ষ বলের কারণে উপরে ভাসতে শুরু করবে।
কল কেটে দিলেই আবার ভূমিতে ফিরে আসবে।
রুল নম্বর-০৫
কল যিনি করবে তারই কেবল কলে করা আলাপচারিতার কথা মনে থাকবে।
আর কারোরই কিছু মনে থাকবে না।
এতো বছরের ল্যাবে কাটানোর পর,
এখন পৃথিবীতে চষে বেড়াবো আমি।
হ্যালো, আমি থাঙ্গারাসু বলছি।
একাম্বারামের লোকেদের ক্লাবে দেখলাম আমি।
- হ্যাঁ, জ্যাকিকে এ ব্যাপারে জানাস। - থাঙ্গারাসু, এই থাঙ্গারাসু!
কার সাথে কথা বলছিস?
আরে...বউয়ের সাথে কথা বলছিলাম।
ভেবেছিলাম তোর মায়ের সাথে কথা বলছিস।
পারলে তো ভালোই হতো। কিন্তু উনি তো অনেক আগেই মারা গেছেন।
তো কী হয়েছে?
তবুও পারবি কথা বলতে।
আমার ফোন ব্যবহার করে কথা বলতে পারবি।
- আমি করে দেখাবো। - বলছে আমি আমার মায়ের সাথে কথা বলতে পারবো।
এতোগুলো বছর ল্যাবে থেকে কি ওর মাথা গেছে না কি?
এই!
এতোদিন ওকে বাঁচতে দেয়াটাই ভুল ছিল।
ও আজ এই ক্লাবে আসবেই।
আর আমরা প্ল্যান অনুযায়ী,
ওকে মেরে ফেলবো।
একাম্বারাম...
এই, গৌরিশঙ্কর! তোর তো আজরাইলের ডাক পড়ে গেছে।
বিয়ে করে সংসার করবি কবে?
মেয়ে কোথাকার?
মেয়ে নয়।
- ছেলে। - ছেলে?
আমার বোনের স্বামী।
কী?! জ্যাকি পান্ডিয়ান?
অভিনন্দন চিরঞ্জীবী!
যখন জীবন অনেক সুন্দর হয়ে যায়,
এর মানে উপরওয়ালা তাকে ডাকার সময় পেয়ে গেছেন।
তুই এমন ফোন আবিষ্কার করেছিস যেটা টাইম ট্রাভেল করতে পারে।
ফোনটা যদি আমাকে দিস,
দেশের সবচেয়ে ধনী মানুষ বানিয়ে দিবো তোকে।
এই, চায়না!
দেশের জন্য যারা মারা গেছে তাঁদেরকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারবো আমি।
তখন আর টাকার চিন্তা কেন করবো আমি?
আমার দেশই ধনী হয়ে যাবে।
বানচোত, ব্লুপ্রিন্টটা দে, নয়তো মারা খা।
বিজ্ঞানীরা কীভাবে আবিষ্কার করে জানিস?
সন্তান যেমন কষ্ট করে তার মায়ের খোঁজ করে সেভাবে।
তাকে খুঁজতে কতটা কষ্ট করে জানিস?
আমার মাকে কেড়ে নেয়ার সাহস হয় কী করে?
আমার ফোনকে কেউ আমার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না!
অ্যান্টনি?
একাম্বারাম!
ল্যাব নম্বর...
- হ্যালো? - বিশ্ব! চিরঞ্জীবীকে ক্লাবে যেতে মানা কর।
কে বলছেন?
আমি কে তাতে কী আসে যায়?
ক্লাবে যেতে মানা কর।
কেউ একটা তড়িঘড়ি করে ফোন করে আপনাকে ক্লাবে যেতে মানা করলো।
আমার শালাটা হবে!
আমার মদ খাওয়া দেখতে পারে না ও।
আমি ক্লাবে গিয়ে মদ খাবোই খাবো।
সর!সর!
আমি বলার পরেও উনি ক্লাবে গিয়েছেন।
চিরঞ্জীবী!
একটা তারিখে কেবল একবারই কল করতে পারবো, ধুর!
হয় আগের দিন নয়তো পরেরদিন কল করা যাবে।
ল্যাবে ১১টার সময় কল করেছিলাম।
গুলি খেয়েছি সাড়ে ১২টায়।
গুলি... গুলি করাটা থামানো যেতে পারে!
হ্যালো, বলুন স্যার।
লাল চশমা পরা ঝাঁকড়া চুলওয়ালা একটা লোক আছে।
ওকে এখনই ক্লাব থেকে বের হতে বলুন।
- আপনি কে, স্যার? - পাঁঠা, বল যে আমি চিরঞ্জীবী!
আচ্ছা বলছি।
আপনাকে এখান থেকে যেতে বলেছে স্যার।
আপনার জীবনের ঝুঁকি আছে স্যার।
- কে বলেছে? - শিবরঞ্জনী নামে কেউ একজন।
শিবরঞ্জনী? কোথায় সে?
- কোথায়? - এখানে না। ফোনে বলেছে স্যার।
ফোনে?
এই, আমি ঠিক করবো কে কার সাথে...
কখন কথা বলবে।
বহুদিন পর একটু আনন্দ উপভোগ করছি।
শিবরঞ্জনীকে বল পরে আসতে। আর এখন আমার জন্য মদ নিয়ে আয়।
মদ? আরে গান্ডু!
- উনি তো কথা শুনছেই না, স্যার। - শিবরঞ্জনী না রে।
চিরঞ্জীবী।
ঐদিন আর তার আগের দিন কথা বলেছি।
কেমনে বাঁচাই নিজেকে?
চিরঞ্জীবী!
সময় আর বাস্তবতাকে বদলে দেয়ার ক্ষমতা আবিষ্কার করেছিলাম আমি।
কিন্তু নিজেকেই মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে পারলাম না।
মৃত্যুকে কেউ ধোঁকা দিতে পারে না।
: . : . : M A R K A N T O N Y : . : . :
Translated by: KN Hassan | Shuhan Ahmed Habib Siam
এই, রেডি?
রেকর্ডিং শুরু কর।
মার্ক অ্যান্টনির জগতে স্বাগতম ভায়া।
শহরে অনেক গ্যাংস্টার থাকার পরেও দুজন ছিল ডনদেরও ডন।
অ্যান্টনি আর জ্যাকি।
জিগরি দোস্ত ছিল ওরা।
এক নম্বরে আসার জন্য মরিয়া হয়ে থাকা...
একাম্বারাম নামে এক গ্যাংস্টার তাদেরকে বারবার মারার চেষ্টা করতো।
শুরু হয় ক্ষমতার লড়াই।
একাম্বারামের ভাই এই লড়াইয়ে প্রাণ হারায়।
প্রতিশোধের আগুন তার মনে দাউদাউ করতে থাকে।
ভাইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকা একাম্বারাম...
অ্যান্টনি আর জ্যাকি পান্ডিয়ানকে মারার সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
অ্যান্টনি আর জ্যাকি একসাথে থাকলে ওরা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায়।
একদিন জ্যাকি ব্যবসার কাজে ভেল্লোরে গিয়েছিল।
একাম্বারাম অ্যান্টনিকে মারার পরিকল্পনা করলো।
জ্যাকি ছেড়ে দিবে ভেবেছিস?
পুরো প্রদেশে ও একাম্বারামকে খুঁজলো।
একাম্বারামও পালাতে থাকলো।
প্রতিহিংসায় জ্যাকি জানোয়ারে পরিণত হয়ে গেলো।
৪৮টি এলাকায় রাজত্ব করা ডন হয়ে যায় সে।
গডফাদার হয়ে যায়।
৬০ বছর বয়সে যদি সে এমন হয়,
তাহলে ৩০ বছর বয়সে কেমন ছিল ভাব তো?
পুলিশ, পুলিশ।
শহরের গডফাদার, যিনি কি না রাজার মতো চলতো সে-ও একটা কমতি অনুভব করতো।
তার বন্ধুর খুনী একাম্বারাম এখনও মারা যায়নি।
বল।
বল!
বাঁচতে চাইলে বলে দে একাম্বারাম কোথায় আছে?
বল।
একাম্বারাম কোথায় আছে?
জানি না
No comments yet. Be the first to leave one.