ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
দ্যা প্যাসিফিক (পর্ব ৯)
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - আলাউদ্দীন রাসেল। --
কিছু খাওয়া দরকার আমার!
মনে হচ্ছে যেন গুয়ের মধ্যে হাটছি।
আজীবন আর্মিদেরকে সাহায্যই করে গেলাম।
স্মিটী, বার্ক, তাড়াতাড়ি চলো।
- খানকির পোলা! - চলো, চলো!
ওরা কি জাপানী বন্দী?
- না! - কারণ আমরা কাউকে বন্দী করি না।
হেই, শান্ত হও!
ওটা চলে যাচ্ছে!
- ওরা ওকিনাওয়ার লোক। - দেখেতো জাপানি মনে হচ্ছে।
চুপ থাকো মিয়াঁ!
কানে শোনো না নাকি?
- ওরা ওকিনাওয়ার লোক। - মুড়ি খাও!
- ওই ছ্যাম্রা, কি বললি তুই? - আমার নাম প্যাক... টনি প্যাক!
হেই, পেকার! তোমার জানু ক্যাথির ছবিটা আবার দেখাও তো আমাকে।
- সে অনেক সুন্দর! - ধন্যবাদ!
হাত মারার জন্য কিছু একটা দরকার আমার।
ওকে দেখলেই দাঁড়াবে! "ওহ, ক্যাথি"!
ওহ, ক্যাথি!
আরো জোরে, আরো জোরে!
- ধুরো বাল! - নতুন পঞ্চোগুলোতে কেমিক্যালে ভর্তি। ।
- কেমিক্যাল? - কি ধরণের কেমিক্যাল?
তারা এগুলোতে সব ধরণের কেমিক্যাল মিশায়।
এগুলো পড়লে অসুস্থ হয়ে পড়বে।
- এরকম আগে কখনও শুনিনি। - ওরা তোমাকে এসব বলবে নাকি?
আমারটা নাও!
আচ্ছা, ধন্যবাদ!
প্রয়োজনে পাশে পাবে!
দেখো, কারা বসে আছে!
আমি ভেবেছিলাম, তোমরা কাউকে বন্দী করো না।
আরে ব্যাটা, ওদেরকে আর্মিরা বন্দী করেছে।
বান্দরের বাচ্চারা!
শূয়ারের বাচ্চা!
সামনে থেকে সর, হিরোহিতো!
চাকমার বাচ্চা, সর কইলাম।
- গুলি কইরা দে! - বসো!
- সর বলছি! - বসো!
মার খানকির পোলারে, মার!
গুলি কর কুত্তার বাচ্চারে!
- সর কুত্তার বাচ্চা! - বসতে বলছি না, মাদারচোদ?
- চুপচাপ বসে পড়! - তোমরা ওদের সাথে এরকম করতে পারো না।
ওরা জেনেভা কোড অনুযায়ী আশ্রিত।
- জেনেভা কোডের মায়রে বাপ! - হেই, হেই!
- কি হয়েছে এখানে? - ওরা আমার বন্দীদের উপর হামলা করেছে।
আমি ওর র্যাংক আর সিরিয়াল নাম্বার চাই।
- শরীর থেকে হাত নামাও! - শাউয়্যার বাল!
আমি ওদের কমান্ডার! আমি ওদেরকে সামলাচ্ছি।
জাপানী ভাষা পারো?
আমি একজন ইন্টেলিজেন্স অফিসার।
আচ্ছা, ঠিক আছে! এখন তুমি নিজের ক্ষমতা দিয়ে...
ওদেরকে রাস্তা থেকে সরাও।
আরেকটা জাপানীর গায়ে হাত তুললে আমি তোমার কোর্ট মার্শালের ব্যাবস্থা করব।
কাভার! সবাই কাভার নাও!
জলদি করো!
সাবধানে পা ফেলো!
যেতে থাকো! যেতে থাকো!
রেডিও সেট করো।
এক্ষুনি ওখানে যাও!!
মর্টার নিয়ে ওখানে যাও! জলদি যাও!
মাথা নিচু রাখো!
মাথা নিচু রাখো!
- মেশিনগান বসাও! - আপনি আমাদের দায়িত্ব নিচ্ছেন?
আমি কে কোম্পানীর কমান্ডিং অফিসার,
- তৃতীয় ব্যাটালিয়ন, ৫ম ম্যারিন! - নিচু হয়ে থাকো!
আমরা ওদেরকে দমিয়ে রাখতে পারব না। ওরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা ওখানে অনেক লোক হারিয়েছি।
- আপনার কোম্পানির বাকিরা কোথায়? - এরাই আছে!
আপনার আরো বেশি লোক লাগবে!
যেটা বলেছিলাম, এরাই বেঁচে আছে!
ঠিক আছে, ম্যাক, ওদেরকে নিয়ে পাহাড়ের উপরে যাও।
যাও! যাও! যাও!
যাও! যাও!
যাও, ভায়েরা! উপরে উঠো!
চলো, চলো!
- সোজা যেতে থাকো! - পাহাড়ে উঠো! যাও!
যাও! উপরে উঠো!
সবাই উঠো! যেতে থাকো!
ফার্স্ট এবং সেকেন্ড স্কোয়াড!
সেকেন্ড স্কোয়াড এখানে থাকো! হ্যামম! হ্যামম!
- হ্যামম, এদিকে আসো! - আসো!
আমার সাথে থাকো! নিচু হও!
মর্টার বসাও! বেসপ্লেট সহ!
ফার্স্ট স্কোয়াড... ফার্স্ট স্কোয়াড এখানে!
মাথা নিচু রাখো!,
- প্রস্তুত! - ফায়ার!
- চলো, চলো! - বাল! চলো!
এখানে লক করো! খেয়াল রাখবে এটা যেন সোজা থাকে।
- জলদি করো! - দ্রুত, ভায়েরা, দ্রুত!
আমরা এখনও নিচে যেতে পারি নি, চালু করো।
- প্রস্তুত! - ফায়ার!
দৌড়ানোর সময় এই গর্তে পড়ে ডুবে মরবে।
হুহ?
নিচের দিকে একটা গর্ত করো। এটা পানি নিষ্কাশনে সাহায্য করবে।
তুমি এত মাথা ঘামাচ্ছ কেন বুঝতে পারছি না। ওরা এমনিতেই কয়েকদিনের মধ্যে মারা যাবে।
আমি ওদের নামও জানতে চাই না।
আমার নাম হ্যামম... হ আকার হা, দুইটা ম!
আমার মনযোগ আকর্ষনের জন্য এই নাম ধরে ডাকলেই চলবে।
দুইটা ম'ওয়ালা হ্যামম!
এবার এই নামটাও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।
লম্বা এবং পাতলা একটা দরকার।
- এটা হয় কিনা দেখো! - আমি একটা পেয়েছি!
হেই, কেথী! ওগুলো আমাকে দাও! আরো কিছু বের করে রাখো।
- খোদার গজব! - হে ঈশ্বর!
এত দুর্গন্ধ কিসের?
বাল!
অবিশ্বাস্য!
খুঁড়তে থাকো!
- বালছাল! - ভাই রে!
প্রাইভেট, কী করছ তুমি?
পাঁচ গজ দূরে দূরে গর্ত খুঁড়তে হবে।
স্যার, ওখানে একটা লাশ পড়ে আছে।
পুরো দ্বীপটাই একটা কবরস্থান।
এখানে এসে আবার খুঁড়া শুরু করো।
ওকে আরো ১৫ গজ নিচের দিকে খুঁড়তে বলো।
জাপানীদের মাটিচাপা হয়ে যায় কিন্তু আমাদের সৈন্যদের হয় না কেন?
ফায়ার মিশন সিক্সটিন! ফায়ার মিশন!
- ফায়ার মিশন! - গান ওয়ান, ফায়ার!
গান থ্রি, প্রি-প্লটের সুবিধার জন্য এইচই থেকে ফায়ার করো।
প্রস্তুত!
ফায়ার!
- শর্ট রাউন্ড! - শর্ট রাউন্ড!
শর্ট রাউন্ড! শর্ট রাউন্ড!
বাল!
আবার চেষ্টা করা যাক!
প্রস্তুত!
- বাল! - মিস-ফায়ার!
মিস-ফায়ার!
- এটা গরম হয়ে আছে! - ওটা বের করো!
সাবধানে!
পেয়েছি!
আবার চেষ্টা করব?
না, সবগুলা বারুদ ভিজে গেছে।
আরে বাল, ফায়ার করতে থাকো। তাড়াতাড়ি করো!
বারুদগুলা ভিজে গেছে।
তাহলে আরো নিয়ে আসো! ওখানে আরো গোলাবারুদ আছে।
- যাও! - প্রস্তুত!
- ফায়ার! - চলো!
ডাইস, হ্যামম, আমার সাথে আসো।
তুমি এখানে থাকো!
গুলি করতে থাকো! থামবে না!
চলো!
চলো!
- কী লাগবে তোমাদের? - ৬০ এমএম এর বারুদ!
সিভিলিয়ানরা আসছে!
গুলি থামাও! গুলি থামাও!
- হেই! বাচ্চাটা এখনও বেঁচে আছে! - নিচু হও!
- নিচু হও! - বাচ্চাটা এখনও বেঁচে আছে।
- কাভার ফায়ার! - চলো!
- ডাইস! - ও মারা গেছে! যেতে থাকো!
- প্রস্তুত! - ফায়ার!
- আবার! - ফায়ার!
- আবার! - ফায়ার!
আমরা ওদেরকে নিরাপদে যেতে দেই না কেন?
কাদের কথা বলছিস তুই?
সিভিলিয়ানদের কথা বলছি।
আমাদের ওদেরকে নিরাপদে যেতে দেয়া উচিত।
ওদের মধ্যে অনেকেই জাপানিদেরকে সাহায্য করে, হ্যামম।
ঐ পরিবারটা তো আর করে নি।
এখানে শুধু আমাদের একটাই কাজ, আর সেটা হলো জাপানী মারা।
সরঞ্জামগুলা এদিকে আনো, গাভানফ!
চোখের সামনে প্রথমবার কাউকে মরতে দেখলে...
...এরকমই লাগে।
তোমার অভ্যাস হয়ে যাবে।
তখন আমার বয়স ছিল ১৫।
ব্রুকলিনের রাস্তায় আমি আর আমার এক বন্ধু খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলাম...
আমরা ছোট্ট একটা টানেলের মধ্যে ঢুকে পড়ি।
আমার মাথা ফেটে যায়। কিন্তু, তার...
তার মগজ আর হাড়গোড় আমার মুখ...
এবং বুকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
এরকম একটা ঘটনা তুমি জীবনেও ভুলতে পারবে না।
ভাল কথা হচ্ছে, তোমার মাথাটা গরুর হাড্ডির মত শক্ত।
তোমার মিয়াঁ কৈ মাছের প্রাণ, বিল লেইডেন।
কী হয়েছে, ক্যাথী?
একদিন যুদ্ধ করেই টাল হয়ে গেছো?
সামনে আরো অনেক কিছু অপেক্ষা করছে, জাদুসোনা।
জাপানীরা এখন নিজেদের ভূমির জন্য লড়াই করছে।
No comments yet. Be the first to leave one.