ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
যখন কেউ প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে থাকে,
তখন তারা রাক্ষসে পরিণত হয়।
এটা কী ছিল?
-কথাটা আবার বলো... -আসলে...
ডকওয়ার্কার্স ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট'কে বলেছি,
এতদিন ধরে আমরাই তোমার দেখাশুনা করছি, তুমি এটা বোঝ না?
ও হঠাৎ বলে উঠলো, আমি তোমাদের আর কোন আদেশ মানতে পারবো না।
আমি বললাম, এসবের মানে কী?
এরপর?
তখন ও বললো,
আপনি যদি আমাদের আদেশ দিতে থাকেন, পুরো সিটির লোকজন,
"প্রতিষ্ঠানগুলি, এমনকি পুরো ইতিহাস আমাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াঁবে।
শিনজো সিটি।
"প্রতিষ্ঠান"?
হ্যাঁ, এবং এর "লোক" আর "ইতিহাস"।
আমাদের বিরুদ্ধে দাড়াঁবে?
হ্যাঁ।
এসবের মানে কী?
সত্যিই, আমি নিজেও জানি না।
-নিচু হও। -জি, স্যার।
হঠাৎ ওর কথার ধরণ বদলে গেল কেন?
উম....?
কী হলো?
আমি ... জানি না।
মাথা খাটিয়ে কাজ করবি।
চলো।
চলুন! চলুন।
- বের হ! - জি!
দ্বিতীয় তলায়!
যত্তসব বাল-ছাল!
-সরো! -এদিকে বস! দ্রুত।
চালাও।
চালাও জলদি।
ধ্যাত!
-কী হচ্ছে? - চলো।
এইদিকে।
••TRANSLATED AND EDITED BY•• SAJIM RAJ Fahad Ahmed </
না!
দাড়াঁ।
প্লিজ!
সাব্বাস!
হেই, সাকাতা।
এই সবকিছু ছেড়ে চলে যাচ্ছো?
তোমার পরিবার না থাকলেই ভালো হতো।
তোমার সাথে কাজ করে ভালো লাগলো।
আব্বু!
বাবা চলে এসেছে।
আরে, তুমি পুরো ভিজে গেছো।
রিও, তুমিও ভিজে যাবে।
আরে, ছাড়ো!
বৃষ্টি হলে মানুষ ছাতা ব্যবহার করে।
চলো, আসো।
-গোসল সেরে নাও। -হুম।
একটু দাড়াঁও।
রিও ম্যাডাম,
লম্বা হয়ে গেছেন নাকি?
ঠিক বলেছেন, আমার কাছেও সেটাই মনে হচ্ছে।
তাই? পরে মেপে দেখবো?
-হুম। -ঠিক আছে।
চলো, এদিক দিয়ে আসো।
চলো, আমরা গিয়ে অপেক্ষা করি।
কাল থেকে নতুন কোন চাকরি খুজঁব।
চলো আজকের দিনটা উদযাপন করি।
হুম।
ঠিক আছে।
না!
না!
বাবা।
বাড়িতে স্বাগতম।
তোমার মতো মানুষের,
এমন সুন্দর একটা পরিবার আছে।
কে তুমি?
আজ থেকে আমরা পুরো শহর রাজত্ব করবো।
পোর্ট এরিয়া নিয়ন্ত্রণ করা ইয়াকুজা গ্রুপ আমাদের পথের কাঁটা ছিল।
তুমি তাদের সরিয়ে, আমাদের অটুট করে দিয়েছ।
ব্যাপার হলো, তুমি তোমার পরিবারের জন্য ব্যবসা ছাড়ছো।
সর, খানকির বাচ্চা।
মারলে সুইসাইড গল্প সাজানো যাবে?
হাল্কা-পাতলা মারলে সমস্যা নেই। সামলে নেয়া যাবে!
তাইলে চালিয়ে যাও।
আমার বাবা'কে মারবেন না।
রিও।
প্লিজ, রিও'কে ছেড়ে দিন।
আপনাদের কাছে ভিক্ষা চাইছি।
দয়া করুণ!
-চুপ কর, শালী। -প্লিজ...প্লি...
আম্মু?
প্লিজ।
এমন করো না।
হাত জোর করছি।
বাবা।
রিও, পালাও!
সাকাতা।
লোকে বলে, শিনজো'তে একটা রাক্ষস আছে।
আর, এটা প্রতি পঞ্চাশ বছরে কেবল একজনের উপর ভর করে।
এবং পুরো শহরকে শ্মশান বানিয়ে দেয়।
ওই রাক্ষসের হাত থেকে এই শহরকে রক্ষা করতে হবে।
দয়া করে বুঝার চেষ্টা করো, সাকাতা।
আমি তোদের সবক'টাকে মারবো।
একদিন হলেও...
তোদের সবক'টাকে খুঁজে খুঁজে মারবো।
তাই নাকি?
আমি অপেক্ষা করব।
গতকাল রাতে, রাত প্রায় ১১টার দিকে,
শিনজো শহরের একটা বাড়িতে গোলা-গুলির ঘটনা ঘটেছে।
সন্দেহভাজন হিসেবে শুহে সাকাতা'কে চিহৃিত করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, ও তার স্ত্রীকে প্রথমে গুলি করে।
এবং নিজের মাথায় গুলির করার আগে, তার পাঁচ বছরের মেয়েকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে।
গুলির শব্দ শোনার পর প্রতিবেশীরা স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়।
তোমাকে পরে ফোন করে সব বলবো।
টাকা পাওয়া মাত্রই পাঠিয়ে দিব।
আমাকে এখন যেতে হবে।
আমি ফোন করব। বাই।
হেই, চলো।
প্রায় এক দশক আগ পর্যন্ত, শিনজো সিটি কেবল একটি প্রাদেশিক শহর ছিল।
অর্থনৈতিক লড়াই এবং জনসংখ্যা হ্রাস করতে অক্ষম ছিল।
মেয়র সুনোহারা, এখন পর্যন্ত কী কী বদলেছে?
শিনজো সিটি এখন একটা ঐতিহাসিক পর্যায়ে দাড়িঁয়ে আছে।
এমন আগে কখনো ঘটেনি।
এটুকু অর্জন হয়েছে কেবল কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায়,
এবং গত দশক ধরে সাধারণ জনগণের সাহসের জোরে।
যাইহোক, আপনি শিনজো সিটির দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই এতকিছু বদলেছে।
আমার এমনই মনে হয়।
বেশী বেশী বলে ফেলছেন।
এখন আমরা পুরো জাপান জুড়ে এবং পৃথিবীজুড়ে পর্যটকদের শিনজো সিটি'তে,
জড়ো হওয়ার প্রত্যাশা করছি , ঠিক?
হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন।
প্রেসের সম্মানিত সদস্যরা,
আগামী ছয় মাসের মধ্যে আমাদের মাহোরোবা ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্ট চালু হবে।
থিয়েটার, মার্কেট , রেস্তোঁরা,
হোটেল এবং আন্তর্জাতিক সম্মেলন সুবিধা থাকবে।
সাথে থাকবে, জাপানের প্রথম খোলা ক্যাসিনো।
আমাদের জীবনের সকল প্রয়োজন সাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা রয়েছে।
এটাই হচ্ছে মাহোরোবা।
আর কোন প্রশ্ন?
প্লিজ, বলুন।
আমার নাম কামিয়ামা, পেশায় সাংবাদিক।
গত কয়েক বছরে শিনজো সিটি'তে নিঁখোজের সংখ্যা ১৫% বেড়েছে।
মহোরোবা কন্সট্রাকশনের বিরোধী গ্রুপের নেতা নিখোঁজ,
এবং বিষয়টি স্থানচ্যুতি বাসিন্দাদের মধ্যে....
মাফ করবেন, দয়া করে আপনার প্রশ্ন সংক্ষিপ্ত রাখুন।
আহ, ক্ষমা চাইছি।
আপনারা শিনজো সিটির ভালো দিক তুলে ধরেছেন,
কিন্তু উচ্চ হারে ঘটে যাওয়া অমিমাংসিত ঘটনাগুলোর কী হবে?
এ ব্যাপারে কিছু বলবেন, মেয়র?
আপনি বলছেন নিঁখোজ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে,
এবং বিরোধী নেতা হাওয়া হয়ে গেছে।
আর এগুলো কি সত্য?
পুলিশ কখনো এমন বিবৃতি দিয়েছে?
- আমার তদন্তের ভিত্তিতে- -কামিয়ামা সাহেব....
তদন্তের ভিত্তিতে না বলে, সত্যের ভিত্তিতে কথা বলুন।
আপনি যদি এই শহরের খ্যাতি কলুষিত করতে চান,
আমি বলবো, দয়া করে এব্যাপারে আরেকবার ভেবে দেখবেন।
কিন্তু...
মানহানির পরিণতি কি হবে,
তা ভালো করেই জানেন।
ঠিক আছে, পরবর্তীজন।
শহর'টা অনেক বদলে গেছে।
এই কয়েক বছরের মধ্যেই, না?
এমন নোংরা জায়গার জন্য দুঃখিত।
নিরাপদ জায়গা খোঁজা পর্যন্ত, একটু সহ্য করো।
তার খেয়াল রেখো।
জ্বি, স্যার।
হয়ে গেছে।
খাওয়ার সময় হয়ে গেছে, মিঃ সাকাতা।
হা করুণ!
-মাঝে-মধ্যে ওকে নিয়ে হাঁটতে যেও। -জ্বি, স্যার।
তোমার হাওলা করে যাচ্ছি।
সাকাতা!
এই হাতের কথা মনে আছে?
ও তোমার কথা বুঝছে না।
ও কিছু অনুভব করতে পারে না!
সাকাত--
খানকির বাচ্চা!
তো, তাদেরই কিমেন গুমি বলা হয়?
হ্যাঁ, তবে কখনো দেখিনি।
তো, এই ঘটনা ১২ বছর আগে ঘটেছিল।
তোমার ইয়াকুজা গ্যাং, কনো-গুমির লোক বন্দর নিয়ন্ত্রণ করতো,
কিন্তু কিমেন-গুমির লোক তোমাদের সরিয়ে দিয়েছে।
তখন থেকে তারা বন্দর আর এর আশ-পাশের অঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে।
এমনকি মহোরোবাও।
এটা কি ঠিক, মিঃ কানেকো?
হ্যাঁ।
কিমেন- গুমি ভাড়াটে খুনি দিয়ে আমাদের আক্রমণ করেছে।
তো, ১২ বছর আগে এসব ঘটেছে।
ঠিক তখনই মহোরোবা'কে বিজনেস লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।
এমনকি তখনই সুনোহারা মেয়র হয়।
মাদক ব্যবসা এবং মানব পাচারের মাধ্যমেই,
কিমেন-গুমি শক্তি প্রসারিত করতে সক্ষম হয়।
"মানব পাচার"?
কিমেন-গুমির কালো টাকার জন্যই, গত দশ বছর ধরে শিনজো সিটি'কে উন্নতিশীল মনে হচ্ছে।
হাহ?
হেই....
কী!
এই....
বাল! বাল! বাল!
মাফ করে দিন! আমার ছোট একটা বাচ্চা আছে।
আমি মুখ বন্ধ রাখবো আর কালই এই শহর ছেড়ে চলে যাবো।
কথা দিচ্ছি!
তো...
No comments yet. Be the first to leave one.