ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ধন্যবাদ সাবটাইটেলটি ডাউনলোড করার জন্য।
কাভালাই ভেন্দাম (২০১৬)
একটি রোমান্টিক কমেডি মুভি, আশা করি ভালো লাগবে।
জীভা আর কাজলের দুর্দান্ত অভিনয়ে আপনি মুগ্ধ হতে বাধ্য ❤
সাবটাইটেল অনুবাদক "ইশরাক শিশির"
any query contact fb/imisrakssr
তো চলুন তাহলে উপভোগ করি মজার এই মুভিটি
কেমন আছিস? তুই কেমন আছিস?
বেশ,
এত তাড়াহুড়ো করে দেখা করতে বললি যে ?
একটা সুসংবাদ দেওয়ার জন্য,
এই যে,
এটা আবার কি?
ছবির লোকটি বলতে চাইছে "হেই আমি হাসছি, আমাকে মারো!"
- আরে,,, - বাদ দে,,,
মন্দ নয়,
দেখতে কেমন বল
মনে হচ্ছে বেশ টাকা-পয়সাওয়ালা,
মনের মত একজন ধনী জামাই পেলো তোর মা ,
কিন্তু মজার ব্যপার হলো,,,
বাড়ির সবাই অর্জুনকে খুব পছন্দ করেছে,
আমারও ভালো লেগেছে,,,
তার প্রপোজ করার ভঙ্গিমাটা সত্যি কিউট ছিল,
তাই আমিও রাজী হয়ে গেলাম,
শিল্পা, ব্যাপারটা সত্যি আমাকে খুব আনন্দ দেয়,
হাসি-খুশি তো তোকে থাকতেই হবে,
দিভীয়া,,,
বিয়ে-সাদি তো মানুষের একবারই হয়, তাই না?
স্যরি,
কোন কোন সময় দুইবারো হতে পারে,
ভুলে গিয়েছিলাম,
আরে ব্যাপার না,
সত্যি কথায় তো বলেছিস,
তুই কখনো তোর প্রথম স্বামীর কথা বলিস নি আমাকে,
এইসব বিষয়ে এখন কথা বলার দরকারটা কি?
সেটা একটা অতীত,
এভাবে বলিস না,
এই, আমাকে বলনা দিভীয়া,
কি শুনতে চাস?
তার কথা বল, অর্জুনের মত সেও কি অনেক নরম স্বভাবের?
নরম স্বভাবের?
সে একটা মেয়েপাগল ছেলে!
মাত্র দশ বছর বয়সে সে কি করেছিল জানিস?
সবাই তোমরা সামনে আসো,
লাইনে দাঁড়াও, দ্রুত !
আচ্ছা বাচ্চারা,,,
আমি বাঁশি বাজালেই তোমরা সবাই পানিতে ঝাপ দিবে,
- ঠিক আছে? - জ্বী, ম্যাম,
- প্রস্তুত, আজ আমরা প্রাথমিক ধারনা নিবো - কি দেখছিস অরবিন্দ?
জ্বী ম্যাম,
এক,,,
দুই,,,
দুই,,,
এখন, লাফ দাও,
এই তুমি লাফ দিচ্ছো না কেনো?
আমার পানিতে ভয় করে,
ভয়ের কিছুই নাই, লাফ দাও,
- না আমি পারব না, - কথা শুনো অরবিন্দ,
- আমার কথা শুনো, লাফ দাও অরবিন্দ, - না, ভয় পাই, আমি ধরে নামিয়ে দিচ্ছি,
- না দরকার নেই, - মেয়েরাও তোমার থেকে অনেক সাহসী,
পানিতে ভয় পাওয়ার কি আছে
মুরগীর বাচ্চা! দাঁড়িয়েই থাকো,
- মুরগীর বাচ্চা! - মুরগীর বাচ্চা!
- মুরগীর বাচ্চা! মুরগীর বাচ্চা! - মুরগীর বাচ্চা! মুরগীর বাচ্চা!
অরবিন্দ!
থামো!
এই! থামো বলছি!
অরবিন্দ, এসব করা বন্দ করো!
ওই! ওই!
ওইখানেই দাঁড়াও বলছি!
পালাচ্ছো কোথায়?
থামো বলছি!
একদম পালাবে না,
অরবিন্দ দাঁড়াতে বলেছি! অরবিন্দ!
অরবিন্দ, উঠো,
অরবিন্দ? অরবিন্দ,
হে ঈশ্বর!
ওহ!
অরবিন্দ,
তুমি ঠিক আছো?
ভালো লাগছিলো, আরেকবার করবেন,
প্লিজ,
পাজী ছেলে!
মানুষটা খুবই মজার মনে হচ্ছে,
শুনে মজা পেয়েছি, দিভীয়া,
তোরা তো পালিয়ে বিয়ে করেছিলি, তাই না?
আরে সে এক আজব বিয়ে,
তুই জানিস সে বিয়ের দিন কি করেছিলো?
অরবিন্দ!
মরছি!
হাই,
কই ছিলা অরবিন্দ?
আমাকে কি ভেবেছো শুনি?
এত দেরি কেনো?
আরে মাঝ পথে চাকার হাওয়া চলে গিয়েছিলো,
আমার কোনো দোষ নেই,
হায়রে ঈশ্বর!
তুমি কি মদ খাইছো?
আরে গাধা, আজ আমাদের বিয়ে!
আসলে? কাল রাতে একটা ব্যাচেলর পার্টি ছিলো,
- তুমি একটা! - এই কপোত কপোতীরা,,,
তোদের বিয়ে দেখতে পেরে, আমার খুব ভালো লাগছে রে, , ,
ব্যাচেলর পার্টিটা তুই ই দিয়েছিলি?
কাল সস্তায় পেয়ে গেলাম, তো?
হইছে! এবার তো তোরা ভেতরে আয়!
- অফিসার ক্ষেপে আছে, - আচ্ছা চল,
ভোটকুটা ক্ষেপতেও পারে, চলো দিভীয়া,
জলদি, চলো,
- চলো সোনা, - অরবিন্দ চল!
আজ রাত তোর জীবনের কাঙ্ক্ষিত রাত!
তা না হলে জীবনের সারারাত বই পড়েই কাটিয়ে দিতে হবে,
- সাবধানে, দেখে, - ভালোই সুচনা হলো,
এই যে আমি,
নিজের বিয়েতেই দেরী, এ কেমন বিয়ে?
দুঃখিত স্যার, রাস্তায় আসার সমর একটা ছোট্ট সমস্যায় পড়েছিলাম, তাই তো সময় লাগলো,
সেটা কি তোমার বিয়ের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো?
স্যার, স্যরি,
অনেক লম্বা কাহিনী,
অন্য কোনদিন বলবো আপনাকে,
আমাদের এখনো পাঁচ মিনিট রয়েছে,
বলে ফেলো, কি হয়েছিলো আসলে?
দিভীয়া যাতে রেগে না যায়,
তাই,,,
একটা ফুলের দোকানে গেলাম আমার ফুলটাকে একটা সুন্দর ফুল দিবো বলে,
ফুলের দোকানটা অনেক সুন্দর ছিল,
বাড়ির সামনে বিশাল এক ফুলের বাগান,
তারপর হলো আসল কাহিনী,,,
স্যার?
ম্যাডাম?
কেও কি নেই বাসায়,
স্যার?
হ্যালো?
কেও আছেন?
হ্যালো?
আছেন,,,
হায়রে ঈশ্বর!
- হায়রে ঈশ্বর, তারপর? - হায়রে ঈশ্বর, তারপর?
তারপর,,,
মহিলাটি অভিযোগ করতে লাগলো,
সব শেষ, আমাকে কেন বাঁচালেন?
আরে, থামুন,
চারিদিক দেখুন, কত সুন্দর, কেন আপনি আত্মহত্যা করতে যাবেন?
বলুন আমাকে কি হয়েছে?
কিছুই তো হচ্ছে না,
এটাই আমার সমস্যা,
আমার বিয়ে হয়েছে আজ ২০ বছর,
অনেক সহ্য করেছি,
আমার দ্বারা আর সম্ভব না,
কিন্তু কেন?
আপনার স্বামী কি আপনাকে মারেন?
নাকি সে আরেকটা বিয়ে,,,
থামুন তো,
আমার স্বামীর এত মুরোদ নাই,
তার মাথায় শুধু টাকা ঘুরে,
আসল সমস্যাটা হলাম আমি,,,
সে ভাবে আমাকে কেউ হয়তো চুরি করে নিয়ে যাবে, , ,
তাই তো সে আমাকে এই বাড়ির ভেতরে বন্দি করে রাখে,
তাকে দেখে ততটাও আকর্ষনীয় মনে হচ্ছে না!
হ্যালো?
আমি জানি আপনি কি ভাবছেন,
আমার ২০ বছর আগের ছবি দেখুন,
ঐ যে,
দেখুন এই ছবি গুলো,
ভুল কিছু ভাবার আগেই,
আকর্ষনীয় না?
আকর্ষনীয়?
মাথা ধরার মত,
তাহলে,,,
আপনি বললেন যে আপনার স্বামী টাকা-পয়সা ছাড়া কিছু বোঝেন না,
তার আয় কেমন আপনার জানা আছে?
অনেক, ২০ লাখের কাছাকাছি তো তার টাকায় আছে,
সে ব্যাংকে বিশ্বাস করে না তাই তো এই বাড়িতেই রেখে দিয়েছে,
তাহলে আপনি কার অপেক্ষায় আছেন?
সেসব নিয়ে ভাগছেন না কেন,
আমার কথা শুনুন,
চোখ বন্ধ করে হাত রাখুন,
আমার গায়ে না,
মানচিত্রে,
সুন্দর,
যে কোন এক জায়গায় হাত রাখুন,
আত্মহত্যার চেয়ে এইসব টাকা নিয়ে আনন্দ করাটা শ্রেয়,
যান, জীবনটাকে উপভোগ করুন,
ওয়াও!
জোস একটা বুদ্ধি দিছেন,
অনেক ধন্যবাদ,
আসলে আমি ফুল কিনতে এসেছিলাম,
নিজের দোকান মনে করে নিয়ে যান,
- যে কয়টা লাগে, - ধন্যবাদ,
- বাই, - বাই,
এই টুকুই যথেষ্ট!
যখন তিনি টাকাগুলো নিয়ে পালাচ্ছিলেন, , ,
দৃশ্যটা দেখার মত ছিল,
সুখ আর ভালোবাসা বিলিয়ে বেড়াও,
আজ আমি তার অর্থ খুঁজে পেয়েছি,
ওটা বাড়ী থেকে পালানো ছিলো!
তুই মজা করছিস?
বাবা,,,
এই ফুলগুলোর দোকানটা কোথায়?
কিখুজির কাছেই,
খুবই নামকরা ফুলের দোকান,
No comments yet. Be the first to leave one.