ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদ করেছেন Shailen Chandra Das
শুনুন,
ব্যবসা ভালো যাচ্ছেনা।
আমি যা কামাই করি তা আমার কর্মচারী অথবা
আমার পাওনাদারদের দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।
আমায় একটু দয়া করুন!
জন,
আমি মাত্রই দোকানটা খুলেছি।
টাকার জন্য এখানে এসো না!
আমি অলরেডি তোমাকে আমার যা বলার ছিল বলে দিয়েছি!
বিজয়ান,
তুই আমার কাছে টাকা চাইতে আসছিলি।
আর আমি ওই টাকার লাইগা আইছি!
তো আমাদের তো একে অপরকে সম্মান দেখানো উচিত?
বয়।
বয় রে ভাই!
আমি জানিনা আমি ধনী বলেই কিনা
এই পোলাগুলা আমায় খুব সম্মান করে।
কিন্তু আমি শুধু টাকারেই শ্রদ্ধা করি।
জন,
তুমি আমার কাছ থেকে ইন্টারেস্টের দ্বিগুণ টাকা অলরেডি নিয়েছো।
আমি আর কোনো টাকা দেবো না। লেনদেন এখানেই শেষ।
তাইলে তুই টাকা অথবা আমারে কাউরেই সম্মান করছ না?
অন্যের টাকা নিজের পকেটে ঢুকানোকেই বিজনেস বলে!
এটা তো একটা শিল্প, তাই না?
এতে এতো রাগার কি আছে?
হালার পুত! তুই আমারে বিজনেস শিখাইতে চাস!
সব হালারে বাইর কর।
আমি দেখমু ক্যামনে ও এইখানে বিজনেস চালায়!
বাইর হ!!
'কালি'
দেখে আসো তো কি হয়েছে।
কি?
ভাড়া... এখনো পাইনি তো।
আরে এটা এতো জরুরী না।
পরে দিলেও চলবে।
অঞ্জলি...
আমি দেখলাম ও কাঁদতে কাঁদতে চলে যাচ্ছে।
এই... এমনি বললাম আরকি..
তুমি ভয় পেয়েছিলে তাই না? - না!
তুমি চলে যেতে চাইলে....
তাই ভাবলাম তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসি।
ওহ!
তাহলে তুমি আমাকে পৌঁছে দিতে এসেছো?
দরকার নেই!
আমি নিজেই যেতে পারবো।
তুমি কি একটু আস্তে চালাবে?
আমি একটা কথা পর্যন্ত বলতে পারিনা
তার আগেই তুমি রেগে যাও!
- মাথুকুটটি ছেড়ে দে ওরে, ও কিছু হলেই রেগে যায়।
তাই নাকি?
তুই একটুতেই রেগে যাস?
দেখি তো!
কি হলো?
তুই কি আমার কথা শুনতে পাসনি? আমি তোকে বললাম কি হয়েছে?
আমি... আমি পরে গেছিলাম...
সত্য কথা বল . কেউ তোকে মেরেছে?
কি হইসেরে বাবা?
দাঁড়া।
কি হয়েছে?
মা, মাথুকুট্টি আমায় মেরেছে।
তোর লজ্জা করলোনা ওই শয়তানগুলার কাছে..
মার খেয়ে এসে কান্নাকাটি করতে?
তুমি ওকে বকা দিচ্ছ কেনো?
যে বাচ্চাগুলা ওকে মারছে তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো।
ওই কৃষ্ণ দাস!
তোমার উচিৎ তোমার ছেলেরে ভালোভাবে শিক্ষা দেওয়া।
এখানে আসো।
তুমি ওর নাকের অবস্থা দেখেছো?
এই অবস্থা তোমার ছেলে করেছে!
আবার যদি এমন ঘটে আমি কিন্তু আর বসে থাকবো না।
আমি তোমাকে বলে দিলাম!
চলো!
তুমি আর এখানে খেলবেনা । শুনলে তো আমি কি বললাম?
তুই কার দিকে চোখ গরম করোস?
বেত টা ছাড়!
বাইর হ ক্লাস থেকে!
আমার ক্লাসে আর জীবনেও ঢুকবি না ।
আমি তোমাকে গত রাত্রে অনেকবার ফোন দিয়েছিলাম, তোমার ফোন বিজি ছিল।
কোথায় ছিলা?
ছাড় আমারে!
সিধু, ওই লোকগুলা আমাকে মেরেছে!
তোর লজ্জা করেনা মার খেয়ে এসে কান্নাকাটি করতে?
ওদের মার!
মার ওদের!
ধর ওদেরকে!
গেটগুলো বন্ধ করে দে!
সর!
সানি কই?
এখানে আয়।
মার ওরে।
আমি বলছি,মার!
ওদের পিটাইয়া ছাতু কইরা দে!!
তোমার কি এসব দেখে নিজেকে হিরো মনে হয়?
ক্যাম্পাসে এইসব লোকদের মারা কোনো বাহাদুরির কাজ নয়!
মার খাওয়ার চেয়ে মার দেয়াটাই তো ভালো,তাই না?
আমার ভয় হয়।
যখন দেখি তুমি সামান্য কিছুতেই রেগে যাও
আমরা তো এমন সংঘাতময় সময়েই বাস করছি, তাই না?
এটা ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
মনে রাখবে তুমি এখন ফাইনাল ইয়ারে আছো।.
তোমাকে তোমার পরিক্ষায় পাস করতে হবে।
আর তারপর একটা চাকরি নিতে হবে।
আমার মনে হয়না আমার বাবা রাজি হবে।
কিসের ব্যাপারে?
তোমাকে বিয়ে করার ব্যাপারে!
কেনো? তুমি কি বিয়ে করতে চাও না?
আসলেই চাই কি?
আমি চাই, আমি চাই!
সর ব্যাটা!
এইত্ত সে!
অল দ্যা বেস্ট! - আমি সন্ধ্যায় আসবো।
কি ব্যাপার ভাই?
কি হয়েছে?
আরে ভাই,
আমি এই জমিটা একদম কমদামে বিক্রি করছি।
আমি কোনো লাভ করতে চাইনি।
আমার মনে হয় না জায়গা-জমির ব্যবসা আর আগের মতো রমরমা থাকবে।
অবশ্যই!
তুমি এটা কেনো নিচ্ছো?
আপনি আমারে এতক্ষণ বসায়া রাখার কে?
ওই... দেখ...
ওই যে পোলাটা। - আমগো ওরে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিৎ।
কি হয়েছে?
আমি জানিনা! কে এই লোক?
এভাবে কেউ পড়ে?
উঠ।
মানুষকে কথা বলিয়ো না।
মানুষ কি ভাববে সেটা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিয়ো।
আর ভেবোনা তুমি এতো কিছুর পর বাড়ি ফিরতে পারবে
কে উনি? - বাবা!
ওদেরকে মালা দাও।
অঞ্জলি!
তোমাকে কে এখন এসব নিয়ে কিচ্ছু ভাবতে হবে না।
সব ঠিক হয়ে যাবে!
ঘুমাতে যাও। অঞ্জলি অপেক্ষা করছে।
তুমি কি বিবাহিত?
জি!
তুমি এখানে নতুন?
আমি প্রকাশ।
সিদ্ধার্থ! - দেখা হবে।
হেই... হেই... আমি....
এবার আমি বিল দেবো।
ব্যাঙ্ক ফী কেটে রেখেছে।
আপনি একই কথা বারবার বলছেন! আমি আমার টাকা ফেরত চাই।
দেখুন এখানে মাত্র ৯০০ টাকা আছে। - আমি এতকিছু জানতে চাই না।
আমার আর কিচ্ছু চাই না। আমি শুধু আমার টাকা ফেরত চাই!
১ মিনিট।
কিছু না, স্যার।
কেমন আছেন? - ভালো!
অঞ্জলি!
এই ঘরে কোনোকিছু জায়গামত থাকেনা!
ডাকলেও জবাব দেয় না! - সকাল সকাল শুরু করছে?
আর কতকিছু রাখবা এইখানে!
বাইরে থেকে যতসব আবর্জনা এনে ঘর ভর্তি করে রাখছো!
এইগুলি আবর্জনা?
গাড়ির চাবি কই?
এই জন্য এতো রাগ দেখাচ্ছো কেনো তুমি?
একটু ঠাণ্ডা মাথায় খুঁজতে পারো না?
আমি আবার কোথায় রাগলাম।
আমি শুধু জানতে চেয়েছি গাড়ির চাবিটা কোথায় .
দেরি হয়ে গেলো না? আমারও একই অবস্থা...
দেখেন তো টাকা জমা দেওয়ার লাইগা কোন কাগজ টা পূরণ করন লাগবো?
ভাই, আমনের কলম ডা কি মোরে একটু দেবেন?
হলুদটা!
এহা ভাই, কলম ডা আমনেরে ফেরত দিমুনে চিন্তা হইরেন্না!
বাবা এটা জমা করে দাও তো
আর শুনো সবকিন্তু এই চেকবইতে জমা কইরো না।
অর্ধেক চেকবইতে করবা আর বাকি অর্ধেক এটিএম কার্ডে করবা।
আপনার একাউন্টের সব টাকাই আপনি এটিএম কার্ডে ব্যবহার করতে পারবেন।
আমার এইটা লাগবেনা। আমার ঘরের লোকেরা তাহলে ইচ্ছামতো টাকা তুলবে।
আমার নাতি বশির।
সে অনেক ফাজিল।
আর তুমি কি এমন কোনো সিস্টেম করতে পারবে যেটাতে
একাউন্ট থেকে ৫০০ তুলতে গেলে ১০০০ টাকা জমা দিতে হয়?
এরকম কোনো সিস্টেম এখানে নেই।
তাহলে এটা আবার ক্যামন ব্যাঙ্ক?
দেখি এইরকম সিস্টেম ওয়ালা কোনো ব্যাংক পাই কিনা!
ওয়াও! দেখো এটা কাজ করতেছে....
এসব কি,প্রকাশ?
আমি শুধু এটা টেস্ট করে দেখছিলাম।
এটা কাজ করছে।
তুমি কি এই শিটের অপর অংশটা দেখেছো?
কই গেলো এটা?
এই যে নাও আর দূর হউ!
কি রে ভাই?
কি করছেন,ব্রাদার?
মনু এইডা দিয়া লেহা যায় না...
এটা নেন.. - ধইন্নবাদ।
স্যার দেখেন...
একাউন্ট নাম্বারে শুধু ৮ টা ডিজিট আছে
কিন্তু এখানে ১৪ টা ঘর ফিলাপ করতে বলছে .
যদি আমি বাম থেকে ডানে অথবা বাম থেকে ডানেও লিখি,
৫ টা ঘর তাও ফাঁকা থেকে যায়। কি করবো এখন বলেন তো?
স্যার আপনি শুধু আপনার একাউন্ট নাম্বারটা লিখেন।
ওহ! এই টুকুই? ঠিক আছে! আমি লিখতেছি।
প্লিজ, এখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না।
মরে ত যাইনি!
আমি মাত্রই ব্যাঙ্কে আসছি।
আমি তোমাকে পরে ফোন করবো।
No comments yet. Be the first to leave one.