ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
EPISODE 6 অনুবাদ : আয়ান সোহান
এখন আমাদের একটা বাড়ি আছে
আর একটা নৌকাও।
এটা একদম অবিশ্বাস্য!
তুমি কি খুশি?
হ্যাঁ।
আমি সত্যিই খুশি।
থামো তো।
সেই সময়টা ছিল সবচেয়ে উজ্জ্বল, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।
জীবন থেমে থাকে না, চলতে থাকে... Bangla Subtitle By Ayaan Sohan
Bangla Subtitle By Ayaan Sohan
হাল্লিম দুর্যোগ সহায়তা উপ-প্রধান ওহ এ-সুন
শিশুদের দুধ
আমাকে তো আমার পদবির মর্যাদা রাখতে হবে, তাই না?
আমি উপ-প্রধান, সেটা ভুলে যেও না।
আরো দুটো দাও, আমি উপ-প্রধান!
একদম দুষ্টু ছেলে তুমি!
বলেছিলাম না, সুজেবি শেষ করলে ক্যান্ডি দেবো?
তুমি কেন মায়ের কথা কখনো শোনো না?
মা, একটা জড়িয়ে ধরো।
মা, জড়িয়ে ধরো।
মা, প্লিজ, জড়িয়ে ধরো।
মিস ওহ! গুম-মিয়ং একটা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে!
-মা! -কী?
মা!
ও কি রক্তাক্ত?
জানি না। ওইদিকে চলুন।
খালা! দয়া করে বাচ্চাদের একটু দেখো!
তুমি কি ড্রাগন রাজ্যের রাজকন্যা?
বন্য ডলফিনেরা ঝড়ের সংকেত দেয়, আর তুমি সাইকেল চালাচ্ছ?
মোটরসাইকেল আমায় ধাক্কা দিয়েছে, আমি ওকে না!
জেজুর বাতাস তো গাড়ি উড়িয়ে নেয়, এই ছোট্ট সাইকেল শতবার উল্টে যাবে।
খালা!
খালা!
খালা!
আমার বাচ্চারা কোথায়?
ওদের ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছ?
কী? কোন বাচ্চারা?
ঈউন-মিয়ং!
তুমি ওদের একা রেখে কেন চলে গেলে?
এটা তো তেমন বড় কোনো দুর্ঘটনা ছিল না।
-ঈউন-মিয়ং! -ঈউন-মিয়ং!
বাচ্চা!
-ডং-মিয়ং! -ঈউন-মিয়ং! ডং-মিয়ং!
-ডং-মিয়ং! -বাচ্চা!
বাচ্চা!
ঈউন-মিয়ং!
ঈউন-মিয়ং!
ঈউন-মিয়ং... Bangla Subtitle By Ayaan Sohan
দাদী বলতেন, ছেলে বাচ্চারা একবার দৌড়ালে...
তাদের ধরে রাখা যায় না!
-মনে আছে? -ওদের জুতো নেই!
ওরা এখানে নেই!
আমি বাঁধের দিকে যাচ্ছি।
-এ-সুন! আমার শৈবালগুলোর টাকা দাও! -তুমি খুঁজতে থাকো!
আমি তোমার বড় ছেলেকে নিয়ে এসেছি,
তাই শৈবাল তুলতে পারিনি।
তুমি তো আমায় পাগল করে দিচ্ছ!
বলেছিলাম না, ঘরের ভেতরে থাকতে?
সে একা দাঁড়িয়ে ছিল, সামুদ্রিক দেয়ালের কাছে, তোমাকে খুঁজছিল।
তুমি কী ভেবেছিলে? একা একা সেখানে যাওয়া কি ঠিক হয়েছে?
ট্রাকের খালা তোমাকে নিতে আসতেন। কেন তুমি একটু অপেক্ষা করতে পারলে না?
তুমি যদি ওখানে দাঁড়িয়ে থাকো, তাহলে ঢেউ তোমাকে গিলে ফেলবে।
জেজুর টাইফুনে গরু পর্যন্ত ভেসে যায়। তোমাকে সাবধানে থাকতে হবে!
আর ডং-মিয়ং?
-ডং-মিয়ং কোথায়? -বাড়িতে।
ডং-মিয়ং কি তোমার সঙ্গে ছিল না?
বাড়িতে!
তুমি কী বলছো? আমাকে ভয় লাগছে!
মা, আমাকে একটু জড়িয়ে ধরো।
-সে কি রক্তাক্ত? -মা!
গুম-মিয়ং,
মাছ ধরার সমিতিতে ফোন করো।
গ্রীষ্মের খেয়াল কে আটকাতে পারে?
কালও তো রোদ ঝলমলে ছিল, এক নববধূর মতো আনন্দময়।
আর হঠাৎ করেই বদলে গেল, মেজাজ হারানো স্ত্রীর মতো!
স্ত্রী বদলানো যায়, কিন্তু গ্রীষ্মের তাণ্ডব থেকে বাঁচা যায় না।
হায় আল্লাহ!
ধুর!
হায় খোদা!
সে তো মুখ দিয়েই বাঁধ তৈরি করছে!
গওয়ান-শিক!
বাবু! ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
-ইয়াং ডং-মিয়ং! -ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ইয়াং ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
-ডং-মিয়ং! -ডং-মিয়ং!
-ডং-মিয়ং! -ডং-মিয়ং!
-ইয়াং ডং-মিয়ং! -ডং-মিয়ং!
সে কোথায় গেল? ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং! বাবু!
ইয়াং ডং-মিয়ং! বাবু!
ডং-মিয়ং!
ইয়াং ডং-মিয়ং!
দয়া করে আমাদের উপর করুণা করো। যেভাবেই হোক, ছেলেটাকে ফিরিয়ে দাও।
আমাদের বাবুকে ফিরিয়ে দাও। ওকে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দাও।
দয়া করে আমাদের বাবুকে ফেরত দাও।
একটা মুহূর্তের ভুলেই একটি শিশু হারিয়ে যায়।
দয়া করে আমার নাতিকে বাঁচাও।
তুমি জানো, এই পৃথিবীর সবাই কী বলে
যখন তারা তাদের সন্তান হারায়?
-ডং-মিয়ং, আমার বাবু! -তারা সবাই একই কথা বলে।
তারা বলে, এটা ঘটে চোখের পলকে।
এক নিমিষেই তারা তাদের সন্তানকে হারিয়েছে!
তাকে খুঁজে পেয়েছ? ওরা কি পেয়েছে?
- অ্যা-সুন! - তাকে খুঁজে পেয়েছ?
অ্যা-সুন!
অ্যা-সুন! Subtitle By Ayaan Sohan
কি?
কি?
হাসপাতাল!
আমাদের হাসপাতালে যেতে হবে!
ওহ, আল্লাহ!
আমার বাচ্চা ঠান্ডা হয়ে গেছে!
কেউ এম্বুলেন্স ডাকছে না কেন?
ডং-মিয়ং!
বাচ্চা!
বাচ্চা!
ডং-মিয়ং!
ডং-মিয়ং!
বাচ্চা!
বাচ্চা!
ওর কি হয়েছে?
বাচ্চা!
ডাক্তার!
ডাক্তারকে ডাকতে হবে!
গওয়ান-শিক, এম্বুলেন্স ডাকো!
কেউ এম্বুলেন্স ডাকছে না কেন?
কেউ ডাকছে না!
যেদিন তাদের পৃথিবী ভেঙে পড়ল...
সেই দিন প্রথমবার...
তাদের কঠোর মন ভেঙে পড়ল।
একজন বাবার কান্না ঢেউয়ের শব্দ ঢেকে দিল।
আমার আরও জোরে জড়িয়ে ধরা উচিত ছিল!
আমার আরও শক্ত করে ধরা উচিত ছিল!
দুপুরে যে ছেলেকে খাওয়ালেন...
সে রাতে আর আগের মতো রইলো না।
মা, আমাকে জড়িয়ে ধরো!
মা, আমাকে জড়িয়ে ধরো!
মা, আমাকে জড়িয়ে ধরো!
মা, আমাকে জড়িয়ে ধরো!
মা, আমাকে জড়িয়ে ধরো!
আমি যদি আরেকবার ধরে রাখতে পারতাম!
আমার...
নানী শেষকৃত্যের সময় মায়ের দিকে একবারও দোষারোপ করে তাকাননি।
তিনি শুধু বলেছিলেন, সন্তানহারা মায়ের চোখের জল সাগরের চেয়েও বেশি।
বেঁচে থাকো!
আর কোন পথ আছে?
তোমার এখনও দুটি সন্তান আছে যাদের খাওয়াতে হবে।
বাঁচতে থাকো, জীবন চলবে।
জীবন থেমে থাকবে না!
জীবন চলতেই থাকবে!
তোমার জীবনে আরও কঠিন দিন আসবে।
একদিন জীবন এত কঠিন হয়ে যাবে যে মনে হবে আর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়...
আমি বলেছিলাম, চুপ করো!
আমি কোনো প্রতিশ্রুতি দেব না।
আমি অ্যাবালোন খেতে চাই না।
আমার আদরের সন্তান।
কবে বড় হবে তুমি?
এই-সান।
যদি কখনো মনে হয় জীবন এত কঠিন যে আর সহ্য করা সম্ভব নয়,
তাহলে আমাকে মনে করো, যে প্রতিদিন সাগরে ঝাঁপ দিয়েছে।
স্থলে যারা জীবনযাপন করে, তারা সামান্য কষ্টেই মৃত্যুর কথা ভাবে।
কিন্তু জীবন যতই কঠিন হোক,
একজন হ্যনিও কখনো এমন কথা বলে না।
আমি বহুবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি সেই ভয়ানক জলে, আর প্রতিবার বেঁচে থাকার অগণিত কারণ পেয়েছি।
তাহলে বেঁচে থাকো।
তুমি বাঁচবে।
তোমাকে বাঁচতেই হবে।
যখন এত কারণ আছে বেঁচে থাকার, তখন কেন মরবে?
যদি শরীর ক্লান্ত হয়, তাহলে মন কাঁদতে পারে না।
একদিন জীবন এত কঠিন হয়ে যাবে যে মনে হবে আর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
শুধু শুয়ে থেকো না।
পুরো শক্তি দিয়ে লড়াই করো।
কম্বল ধুয়ে মেলে দাও।
ক্ষেতে চাষ করো বা ছোটখাটো কাজ করো কিছু আয়ের জন্য।
নিজেকে বলো, "আমি মরব না, আমি বাঁচতেই হবে।"
হাত-পা ছুড়ো, প্রাণপণে চেষ্টা করো।
অন্ধকার জল পেরিয়ে যাবে,
আকাশ দেখতে পাবে।
তুমি আবার শ্বাস নিতে পারবে।
তুমি পারবে?
মিষ্টি লাগবে, তাই না?
দারুণ লাগছে দেখতে। Subtitle By Ayaan Sohan
এটাই কি তুমি খেতে চেয়েছিলে?
এটাই কি তোমার পছন্দের খাবার?
কেন কথা বলছো না?
মা-র উপর রাগ করেছো?
ইয়াং ইউন-মিয়ং।
আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন কথা বলছো না?
স্কুলের বেতন ২০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করুন।
তুমি কেন তোমার পূর্ণ নম্বরের খাতা দেখাওনি?
তুমি কেন আমাকে দেখাওনি?
No comments yet. Be the first to leave one.