ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
Good Night Runtime : 02:25:57 সাবটাইটেল ভালো লাগলে অবশ্যই সাবসিনে রেটিং দিয়ে উৎসাহ দেবেন।
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী
এত দেরি হল কেন?
আরে, আমি বাথরুমে ছিলাম।
- বালতি কোথায়? - আনি নি।
আনলে না কেন?
যদি ছাত্ররা আমাকে একটা বালতি নিয়ে আসতে দেখে, আমাকে নিয়ে মজা করবে।
হ্যাঁ, ঠিক, যেন ছাত্ররা তোর খরচ বহন করে।
এটা একটা নতুন বালতি।
এমন নাক ডাকে যে সারা শহর শুনতে পায়।
মোহন, সকাল সাড়ে ৭টা বাজে, উঠে পড়।
উঠে পড় আর নাক ডাকা বন্ধ কর!
কতবার বলেছি বিছানায় অন্তর্বাস রাখবি না?
-মোষ কোথাকার ! - মা!
জানি না, কবে শোধরাবি?
আবার শুয়ে পড়িস না।
- বিছানা থেকে ওঠ এবার! - আমাকে চা বানিয়ে দাও।
- এই, মাহা! - হ্যাঁ, আসছি।
মা, সবাইকে বলেছি যে আমি ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছি।
তুমিও, একই কথা বোলো।
ফেল করেছি, একথা কাউকে বোলো না।
বিশেষ করে মঙ্গলম মাসীকে।
যদি সে খবর পায়, তাহলে পুরো কলোনি জানতে পারবে।
মা, আমি তোমার সাথে কথা বলছি। শুনেছো?
হ্যাঁ, শুনেছি। তুই চান করতে যা।
- আরে, তুই কখন এলি? - এক্ষুনি!
মাহা, তোর বর কি উঠেছে?
হ্যাঁ, উঠে গেছে!
তার জন্য কফি না চা করবো?।
তাকে জিজ্ঞাসা করে বলছি।
এই, রমেশ!
- তাহলে... - তুমি চা না কফি খাবে?
কফি... কফি...
মা, সে কফি চায়!
তুমি কোন মডেল ইনস্টল করেছো?
- স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধার সাথে কথা বল। - আমি সর্বোচ্চ প্রো ম্যাক্স ইনস্টল করেছি।
- এটা বিব্রতকর! - তুমি কি ফিল্টার ইনস্টল করেছো?
80 GPT ইনস্টল করো।
ঠিক আছে, প্রস্থুত করে রাখো।
আমি শীঘ্রই সেখানে যাচ্ছি।
তিরুভানমিউর বেশি দূরে নয়। আমি সেখানে থাকবো।
মা, ১০টায় আমার একটা সার্ভিস কল আছে।
প্লিজ, টিফিন বানিয়ে দিন।
প্রায় হয়ে এসেছে!
এই! আরে!
তুই এখানে ঘুমাচ্ছিস কেন?
শোন, আমাকে মালপত্র কিনতে হবে। তোর ক্রেডিট কার্ডটা ধার দে।
পরের মাসে ধার চুকিয়ে দেবো।
মানিব্যাগে আছে। নিয়ে নাও।
সকাল 10টায় আমার একটি সার্ভিস কল আছে।
আমি কি আগে গিয়ে চান করবো?
- দিদি! - আমি আগে যাবো।
- আমাকে সকাল ১০টায় সেখানে থাকতে হবে - আসছি!
দশ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে?
দশ মিনিটের মধ্যে কিভাবে চান করতে পারি?
- কি হয়েছে, মঙ্গলম? - আমার গ্যাস সিলিন্ডার ফুরিয়ে গেছে।
আপনি খাবারটা একটু গরম করে দেবেন।
- পরে এসে নিয়ে যাবো। - অবশ্যই!
রাঘবী, তুমি কি কলেজ শেষ করেছো?
হ্যাঁ, আমি কলেজ শেষ করেছি।
শুনলাম, তুমি পরীক্ষায় ফেল করেছো।
তোমার মা আমাকে বলেছে।
দিদি, আমি দুপুরে খাবার নিয়ে যাবো।।
রাঘবী, ভালো করে পড়াশুনা করো!
- কি বানাচ্ছো? - মুলা-মুসুর ডালের তরকারি!
মা, তুমি আর কিছু বানাতে জানো না?
কেন? এতে দোষ কি?
মা, আমি যখন আমার লাঞ্চবক্স খুলি তখন দুর্গন্ধ বেরোয়।
পুরো ক্যান্টিন দুর্গন্ধ পায়।
ঠিক আছে, আমি আর করবো না। আজকের মত নিয়ে নে।
দরকার নেই। আমি ক্যান্টিনে লাঞ্চ করবো।
আরে, আমি ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফলেছি। সাথে নিয়ে যা।
সকালেই শুরু করে দিয়েছো! আসতে পারি?
মুডটাই খারাপ করে দিলি। ভিতরে আয়!
আমি নষ্ট করেছি?
আমার ডিওডোরেন্ট ফুরিয়ে গেছে। তাই ধার নিতে এসেছি।
বিয়ে করে বেশ ভালোই আছো।
তুইও বিয়ে করে মজা কর।
কেউ তোকে বাধা দিচ্ছে না!
ভাই, ভান করিস না!
তুই কি কিছু লুকাচ্ছিস?
সে আমাকে নিয়ে মজা করছে। লুকানোর কিছু নেই।
আমি তোর সাথে মজা করছি? তাকে বলবো নাকি?
দিদিকে বলবি না, তাই না?
আমি সবেমাত্র তার সাথে কথা বলতে শুরু করেছি।
এখনো কোনো পাকা কথা হয় নি। হলে জানাবো।
- আনন্দ কর! - তুইও কর।
অবশ্যই আমরা করবো!
অনু, তুই কি কাজে যাচ্ছিস?
- খেয়েছিস? - না।
এক মিনিট অপেক্ষা কর।
অনু, লাঞ্চবক্সটা শক্ত করে আটকানো। সাবধানে খুলিস।
ঠিক আছে, বিদায়!
আমার তৈরি স্যান্ডউইচটা কোথায়?
অনু খায়নি, তাই ওকে দিলাম।
এখন আমি কি খাবো?
আমি পোঙ্গল বানিয়েছি, দেখো নি?
ওটা দেখার পরই, আমি নিজের জন্য একটি স্যান্ডউইচ তৈরি করেছিলাম।
ঈশ্বর সহায় হোন!
এই, আমাকে দুটো লজেন্স দাও।
তুই জানলি কি করে?
যখন তুই কিনছিলিস, তখন দেখেছিলাম।
- প্লিজ, আমি এটা নিজের জন্য কিনেছি! - এই, আমাকেও দে।
আরে, তোর ভালোবাসা এখানে।
তোর ভালবাসা...
শালু? এখানে?
সে তিরুভানমিউরে যায়।
আরে, আমি সত্যি কথা বলছি।
প্রীতি, মজা করা বন্ধ কর। সে কোথায়?
বাম দিকে ঘোর। তোর সিটের পাশে বসে আছে।
পাশের সিট...
- আরে! - আরে!
হে ভগবান!
সে কখন এলো এখানে? আমি এখন কী করবো?
আমি কিভাবে জানবো? এটা তোর মাথা ব্যাথা।
- লজেন্সগুলো দে। - আরে!
শালিনী...
এই ক্যান্ডির রঙ তোমার পোশাকের সাথে মিলে যাচ্ছে।
দয়া করে এটা গ্রহণ করো।
এটা চমৎকার ছিল!
আজ আমাদের সকলের জন্য একটি বিশেষ দিন।
ভারতীয় শাখার যে অডিট আমরা করেছি, তা আমাদের ক্লায়েন্টকে খুব প্রভাবিত করেছে।
তাই তারা তাদের দুবাই অফিসের অডিটের দায়িত্ব-ও আমাদের দলকে দিয়েছে।
- দারুণ! - হ্যাঁ!
এটা দারুন খবর, এবং আমাদের এটা উদযাপন করা উচিত।
তাই আমরা রেসিডেন্সি টাওয়ারে টিম লাঞ্চের ব্যবস্থা করেছি।
সবাই দুপুরে ওখানে আসবেন।
কোনো অজুহাত দেবেন না। ঠিক আছে!
সেখানে দেখা হবে। ধন্যবাদ।
তোমাদের এখানে জোর করে কাজ করতে হবে না।
তোমরা নিজেদের কাজ সঠিকভাবে করতে পারলে থাকো।
না হলে পদত্যাগ করে চলে যাও!
এটা বলো, তুমি কোন কলেজে পড়েছো?
তুমি ক্লায়েন্টকে একটি ইমেল পাঠিয়েছো এটা বলে, "আজ রাতে আমাকে অ্যাডজাস্ট করুন।"
তুমি কি এর অর্থ জানো?
ইডিয়ট!
অফিসের সাথীরা তোমাকে উপযুক্ত নামই দিয়েছে।
"মোটর মোহন।"
যদি তুমি আবার ক্লায়েন্টকে এমন নোংরা ইংরাজিতে ইমেল পাঠাও,
আমি নিশ্চিতভাবে তোমার পিছনে লাথি মারবো!
এখন কেটে পড়ো!
আমি এটা নিশ্চিত জানি, প্রীতি।
সে আমার উপর পূরাণো রাগের বদলা নিচ্ছে।
এজন্যেই আমি তোকে অভিযোগ না করতে বলেছিলাম।
কেমন করে জানবো যে সে ওই অভিযোগ পড়বে?
আরে, মোটর সাহেব!
আমাদের কোম্পানির অ্যান্টি-হ্যারাসমেন্ট বোর্ডের প্রধান হলেন হায়াগ্রীবন বালাজি।
- তুই কি সিরিয়াস? - হ্যাঁ!
আর তুই তার বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছিস!
আমি আমার বাচ্ছার জন্য গর্বিত!
তুই কি মনে করিস এই সমস্যা শুধুমাত্র এখানেই আছে?
এটা একটা সার্বজনীন সমস্যা। অন্য কোন বিকল্প নেই।
এটা সহ্য করে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
আমি বুঝতে পারছি না। কেন এটা সহ্য করতে হবে?
কোম্পানি আমাদের বেতন দেয় এবং আমরা তার জন্য কাজ করি।
ক্ষেপে গেলে তাকে একদিন পিটিয়ে দেবো।।
এই! এত হাঙ্গামা করার কোনো দরকার নেই।
শান্ত হয়ে যা!
- ভাই, শালিনী এসেছে। - কোথায়? আরে--
সতর্ক থাক! তুই কেন এটা করিস?
কোথাও ধাক্কা না খেয়ে পাঁচ মিনিট চুপ করে বসতে পারে না,
সে নাকি মারধরের কথা বলছে।
তোর কি কোন বুদ্ধি নেই?
অনু, আমার সাথে বাইকে চল।
আমি দুপুরের খাবারের পর তোকে ছেড়ে দিয়ে আসবো।
ঠিক আছে!
দিদি, আমি আসতে চাই না।
সমস্যা কি?
এটা শুধু একটি সাধারণ লাঞ্চ। এটুকুই!
এটা আমার জন্য উপযুক্ত হবে না। অনুগ্রহ করে বোঝার চেষ্টা করো।
আমরা পাঁচ বছর ধরে সহকর্মী।
আমাদের সাথে তোর আসতে সমস্যা কি?
যা ইচ্ছা কর!
দাদু!
তুই এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলি কেমন করে?
- অফিস তাড়াতাড়ি শেষ হয়েছে। - আচ্ছা, বুঝলাম।
- স্যান্ডউইচ কেমন ছিল? - ভালো।
বস। চা খাওয়া যাক।
অনুর জন্যও চা বানাও!
ওটা সে।
এক মিনিট, মোহন।
আমার শাশুড়ি গ্রাম থেকে এসেছেন।
কাল রাতে তুমি এত নাক ডাকছিলে...
যে তিনি ঘুমাতে পারেননি।
তিনি জানতে চেয়েছিলেন এটা কে।
- এ সেই লোক। - নমস্কার, বেটা।
মোহন, গোলমরিচ দিয়ে দুধ খেলে তোর নাক ডাকা কমবে।
ইউটিউবে দেখেছি। এই, নে!
- আরে, ওর কি হয়েছে? - পাগল হয়ে গেছে নাকি?
এই, অন্ধকারে কি করছিস?
আরে, মোহন!
তুই কাঁদছিস কেন?
কি হলো?
এই, রমেশ, এদিকে এসো।
- কি হয়েছে? - কি হলো?
- আমার গায়ে গরম দুধ ঢাললি কেন? - মা, এদিকে এসো।
আরে, তুই কাঁদছিস কেন?
- তুই চিৎকার করছিস কেন? - দেখো, সে কাঁদছে।
মোহন, কাঁদছিস কেন?
- কি হলো? - কি হয়েছে, সে আমাকে বলছে না।
No comments yet. Be the first to leave one.