ആദ്യത്തെ 194 വരികൾ.
A Subtitle By Fahad AhmED
ওহ, স্যরি।
- চোখ কী আসমানে থাকে? - এদিকে মনে হয়।
আরে, এদিকে না।
কোনদিকে রে বাবা!
এদিকে মনে হয়।
দেরি করে ফেলেছি।
• • বাংলা অনুবাদে • • ফাহাদ আহমদ
চিন্তা করো না।
যেভাবেই হোক তোমায় বাঁচাবো।
একাই এসেছো?
হ্যাঁ।
চলো, শেষ করে ফেলি সব।
ঠিক আছে।
এবার ইওসুকে কে দিয়ে দাও।
আমি দেবো তোমার বউ-বাচ্চাকে।
বেইমানি করবে না তো?
না।
তিনগুণে আমরা সবাইকে ছেড়ে দেবো।
বুঝা গেছে?
এক
দুই
- তিন। - ওয়েট।
একটা জিনিস জানার আছে।
ইওসুকে।
তুই ধরা পড়েছিস কীভাবে?
তুই তো একাই সবাইকে মারতে পারতি।
তাহলে সবাই ধরা পড়লো কীভাবে?
আর বাচ্চাগুলা কীভাবে বাঁচলো?
চুপ করো।
বল?
বল, ইওসুকে।
তুই ধরা পড়লি কীভাবে?
গোতো আর ওই বাচ্চাটা, যে পালিয়ে বেঁচেছিলো,
ওরা কোথায়?
আগেই বলেছি।
আমায় ডাকা হয়েছিল এখানে।
আমি কিছুই জানি না।
এবার তোর মাথায় কুপ দেবো।
আমি সত্যিই জানি না। তোমার কসম।
আমার কসম?
মর শালা।
দাঁড়াও, জানি। আমি জানি।
বল।
- আমি জানি। - কোথায়? বল।
- জানি। - বল।
- জানি... জানি... আমি... - কিছুই জানিস না শালা...
মর।
থামো।
এখানে কী করছো?
তোরা এখানেই ছিলি?
কুগে গ্রামে কিছু হয়েছে?
কেইসুকে আর বাকিদের সাথে।
যে মরতে যাচ্ছে, তাকে এসব বলার দরকার নেই।
মাগীর পোয়া অমানুষ।
আমি...
চুপ কর।
আমি...
বললাম না চুপ থাক।
এই।
তুই আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিস।
না।
আমি সবার ভালোটাই চেয়েছি।
আমি চাই না কেউ মরুক।
আমরা ভুল করছি।
ওরা কোনো পশু না।
ওরা নিষ্পাপ বাচ্চা, কিছুই বুঝে না।
ওরা দুজনও নিষ্পাপ।
ওদের কোনো দোষ নেই।
ভাই, এসব বন্ধ করি চলো।
চলো, থামাই এসব।
চুপ কর, ইওসুকে।
তুই-ই ভুল।
কেইসুকে।
তুই-ই ওদের অবস্থান বলে দিয়েছিস।
চুপ করো, অফিসার।
ওর বাবাও বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল।
যাই হোক, কেইসুকে বেইমানটাকে মেরে ফেলেছে।
না।
ভাই।
হ্যাঁ।
সত্যি।
আমি-ই বাবাকে মেরেছি।
এখন কী করবে, কেইসুকে?
তোর ভাইকেও মারবি?
আগে একটা কাজ করি।
এ দুজনকে আর দরকার নেই।
এই। কিছু করবি না।
তাকে যা খুশি কর।
এদের আগে খেয়ে দেই।
আর কাউকে মারিস না।
এবার তোরে খাইসি, কেইসুকে।
তুই গোতো পরিবারের বদলে পশুদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিস।
তুই ও বিশ্বাসঘাতক তোর বাপের মতো।
আমাদের আরো উত্তরাধিকারী আছে।
তাদের ভালো করে মানুষ করবো।
তুই নিশ্চিন্তায় মরতে পারিস।
থাম ইওয়াও।
- থাম। - থাম, ইওয়াও।
ইওয়াও।
অফিসার।
ইউকি, পালাও।
এই দিকে চলো। তাড়াতাড়ি। দৌড়াও।
থামো।
সরে দাঁড়া, ইওসুকে।
অবশেষে ঠাপ দিলাম তোরে।
তুই কার পক্ষে।
তুই ই তো বলেছিলি বাচ্চারা কোথায় আছে।
তুই তো বলেছিলি সব শেষ করে দিবি।
তুই কী চাস বল?
জানি না।
বুঝতে পারছি না কার বাল ছেঁড়বো।
মাশিরো, দৌড়াও।
দাঁড়া, থাম।
ছাড়, বলছি, ছাড়।
মাশিরোকে ছেড়ে দে।
মা।
থাম।
মাশিরো মারা গেলে সব দোষ তোমার।
এখন আমার মেয়েকে বাঁচাও।
এই, হুশে আসো।
মাশিরো.. হাল ছেড়ো না।
আমি তোমার কাছেই আছি।
মাশিরো।
জানতাম তুমি আসবে উতাদা।
তোমার সাথে জীবনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত থাকবো।
তো তুমিই আই গোতো?
- হ্যাঁ। - আচ্ছা।
তুমি আমাদের সাথে থাকলে...
হয়তো গোতো পরিবারের এই উৎসবটা থামানো যাবে।
প্লিজ আমাকে বলো।
গোতো পরিবার আসলে কী করছে?
গাড়িতে বলব।
আমাদের এখনই রওয়ানা দিতে হবে।
ঠিক আছে।
এখানে অপেক্ষা করো।
কথা দিচ্ছি আসবো আমি।
তাকে মেরে ফেলো।
তাকে মেরে ফেলো।
মেরে ফেলো তাকে।
মেরে ফেলো তাকে।
মেরে ফেলো।
মেরে ফেলো।
মেরে ফেলো।
মারো, মারো, মারো, মারো।
মারো, মারো।
গোতো পরিবার যে লোকটাকে ‘মানুষ’ বলে ডাকে...
ওটা আসলে ‘আরাহিতো’ শব্দের বিকৃতি।
‘আরাহিতো’ মানে দেবতা?
হ্যাঁ।
মানে, এক দেবতা যিনি মানুষের রূপে জন্ম নিয়েছেন।
কুগে গ্রামে এই বিশ্বাস চলে আসছে
সাতশো বছরেরও বেশি সময় ধরে।
এখনও ওরা তাকে পূজা করে একজন চূড়ান্ত দেবতার মতো।
না।
ও দেবতা না, ও...
একটা ছোট্ট বাচ্চা।
শরীর বড় হতে পারে,
তবুও ওর ভেতরে
একটা শিশুর মন রয়েছে।
তাড়াতাড়ি করতে হবে।
আমাদের উৎসবের আগেই সেখানে পৌঁছাতে হবে।
ও ইওয়াওকে মেরে ফেলেছে।
অফিসার।
- কী খবর? - ওরা পালিয়েছে।
কেইসুকে আর ইওসুকে কোথায়?
হয়তো অফিসারই অপহরণ করেছে?
ভুল বলছো।
সাদামু, বেঁচে আছিস?
ইওসুকে আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
আমাকে মেরে ফেলতে যাচ্ছিল।
কী বলছিস? ইওসুকে?
বগা আমার।
এই হলো অবস্থা।
সব সৈন্য মরে গেছে,
অফিসার আর মূল পরিবারের ভাইয়েরাও বেঁচে নেই।
একটা বাঁদরও বুঝতে পারবে কী ঘটেছে এখানে।
তাহলে কেইসুকেও বিশ্বাসঘাতকতা করলো?
বিশ্বাসই করতে পারছি না, কেইসুকে আমাদের সঙ্গে এমন করল…
- দাঁড়াও, কী করছো... - এখন তোকে মারবো...
মারবো, মারবো...
এত ঠাপ খেয়েও বেঁচে আছে কেমনে শালায়?
মি. প্রিস্ট
সবকিছু একা করার দরকার নেই।
আমি সাহায্য করব।
ঠিক আছে, তোকি।
সাহায্য লাগলে বলো।
বলবোনে...
ওহ...
উঠে পড়েছো?
এটা মন্দিরের মূল কক্ষ।
তোমাকে এখানে কেউ খুঁজে পাবে না।
তোমার জখমগুলো আমি ঠিক করেছি।
আমি একসময় ডাক্তারি পড়তাম।
No comments yet. Be the first to leave one.