ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক: রাজু তালুকদার
[ NOTE– ইসাবে ত্রুটি থাকায় বিসাবটিতে অধিকাংশে ভাবানুবাদ করা হয়েছে। ]
কে রে শালা?
তোর জাতের মারে সুদি।
সাহসী ও অকুতোভয় এক বীর যোদ্ধা কোরিয়ার নাম্বার ওয়ান এজেন্ট: জুন।
হ্যালো, নিউজ ওয়াই থেকে আমি চো সো-বিন।
আজ উপস্থিত আছেন জনপ্রিয় ওয়েবটুন "এজেন্ট জুন" এর লেখক কিম সু-হুক।
হ্যালো, আমি ওয়েবটুন আর্টিস্ট কিম সু-হুক।
- স্টুডিওতে আপনাকে স্বাগতম। - ধন্যবাদ।
এজেন্ট থেকে কমিক আর্টিস্ট,
"এজেন্ট জুন" কমিকটা তৈরিতে কে আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছে?
আইডিয়াটা আমার মেয়ের ছিল।
আমাকে নিজের গল্প তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছিল।
ও আচ্ছা।
ও আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
তাই, মেইন ক্যারেক্টারকে একজন কমিক আর্টিস্ট বানিয়েছি।
আপনার মেয়ের উপস্থিত বুদ্ধিতে ফায়দাই হয়েছে!
জি হ্যাঁ।
বর্তমানে, সোশ্যাল মিডিয়ায়, একটা গুজব রটেছে যে...
আপনি নাকি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একজন এজেন্ট।
এটা কি আসলেই সত্যি?
আচ্ছা, তাই নাকি?
মোটেও এমন কিছু না।
জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
যেহেতু লেখকের সাথে সাক্ষাৎ হলো..
আর চাল-ঢাল জুনের সাথে বেশ মিলে যায়,
তাই বুঝতে পারছি কেন এমন গুজব ছড়াচ্ছে।
আসলে...
একজন কমিক আর্টিস্ট হিসেবে মানুষ আমাকে চেনার আগে...
অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি।
এমন কোনো কাজ নেই যা করিনি।
বলতে গেলে, ঠিক জুনের মতোই।
অনেক কঠিন কাজ করেছি।
জুনও করেছে, তবে...
পাশাপাশি,
আমার স্ত্রী ও মেয়ে,
আসলে.. মাফ করবেন,
তারাই আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
আসলে, জীবনে উন্নতি করতে হলে কষ্টের সম্মুখীন হতেই হয়।
আপনার পরবর্তী লেখার জন্য অনেক পাঠক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চান কি?
এটা 4B পেন্সিল যা স্কেচ আঁকতে ব্যবহার করি।
যাতে আমার শুরুটা ভুলে না যাই। তাই সবসময় সাথে নিয়ে চলি।
কমিকের প্রতি আমার ভালোবাসা ও আবেগ সর্বদা অটুট থাকবে।
"এজেন্ট জুন" এর দ্বিতীয় সিজন শীঘ্রই আসবে!
থ্যাংক ইউ, বন্ধুরা।
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
জুন!
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
আমি আসলে অনেক ভীতু।
জুন!
মোটেও এমন কিছু না। জুন ক্যারেক্টারের মতো আমি গুলি করতে আর ফাইট করতে জানি না।
এতটাই ভীতু যে পিঁপড়া মারতেও ডরাই।
জুন!
....... H I T M A N 2 .......
জুন...
নাও খাও।
কোরিয়াতে ব্যবসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছ?
না।
পুরোনো কিছু হিসেব বাকি আছে।
ভালোবাসার ঋণ এমন এক ঋণ যা শোধ করা কঠিন।
অবশ্যই কোরিয়া যাওয়া উচিত।
রক্তের বদলা...
রক্ত দিয়ে চুকাতে হবে ওকে।
ধরো সবকটাকে!
এ বদ্দা।
কোথায় ভেগে যাচ্ছিস।
ঋণ আদায় করতে না এসেছিলি।
এখন থানায় চল সোনা।
আউ, ব্যথা করছে।
তোর সাউয়াতে দেখি হেব্বি কারেন্ট।
নাঙচুন্নির ছোল।
বেঙাচির মতো লাফাস নে।
কী হোগা ফেটে চৌচির সোনা। হ্যাহ?
আউ, আমার কনুই!
দাঁড়া মজা চাখাচ্ছি...
- হ্যাঁ, জুন। - ক্যাপ্টেন।
প্রদর্শনীতে আসতে ভুলবেন না, ওকে?
আরে মনে আছে।
আমার স্ত্রীর পরিচালিত প্রথম প্রদর্শনী, দেরি করবেন না।
আর খালি হাতে আসবেন না।
লে হালুয়া...
ঠিক আছে।
চোলকেও বলে দিয়েন।
বিচি ছিঁড়ে ফেলব শালা!
ঠিক আছে, বলে দেব।
ঠিক আছে, কাল দেখা হবে।
ক্যাপ্টেন, দেখেছেন কি? ঘুসিয়ে তক্তা বানিয়ে দিলাম।
ওই, নিজে যাও শালাকে!
গুদমারানির পোলা!
ক্যাপ্টেন, জুন ভাইকে এ ব্যাপারে জানানো উচিত, তাই না?
কেন?
যদি কোনো জানোয়ার বা গুন্ডা তাকে মেরে ফেলে, তখন?
এরপর কী হবে কে জানে?
- চোল। - জি?
জুন এখন মামুলি একজন মানুষ।
স্রেফ একজন আর্টিস্ট।
কিন্তু পরের বার যদি এর থেকেও বড় বিপদ আসে তবে?
আমরা ওকে রক্ষা করব।
জুন ওর স্বপ্নের জীবন কাটাচ্ছে।
সব সপ্ন ভেঙে দিতে পারি না।
জুন যা চায় তাই করুক।
ক্যাপ্টেন...
কিরে?
বগলের এত দূর্গন্ধ কেন?
- ধ্যাত জঘন্য... - ক্যাপ্টেন!
ক্যাপ্টেন!
- চিয়ার্স! - চিয়ার্স!
খাও, সোনা।
তুমি সত্যিই অপরুপ!
কী?
মদ গেলা অবস্থায়ও অপরুপ লাগে।
আজ অনেক খুশি আমি।
জব কেমন চলছে? ভালো লাগছে?
হ্যাঁ।
কাজ করতে ভালোই লাগছে, কলিগরা অনেক ফ্রেন্ডলি।
প্রদর্শনী আয়োজনের পরিকল্পনা করাও একটা আর্ট।
- এটা এত পছন্দ, হ্যাহ? - হ্যাঁ।
অনেক পছন্দ আমার!
তোমার সাপোর্টের জন্য ধন্যবাদ, যা চাই তা করতে পারছি।
আমার প্রিয়তম জীবনসঙ্গী, আর্টিস্ট কিমকে ধন্যবাদ।
- থ্যাংক ইউ, সোনা! - চিয়ার্স!
আমার জান পাখিটা!
- গা-ইয়ং! - এসে গেছিস।
- এখানে আয়। - মুরগির রোস্ট খা।
না, খিদে পায়নি।
জুশ পান কর, তাহলে?
রুমে গেলাম, অনেক কাজ আছে।
র্যাপ গান লিখতেছিস?
আরো শিখতে হবে।
তোর কি কোনো সপ্ন নেই?
র্যাপ গান তো তোর পছন্দ।
বাবার মতো স্বপ্নের পিছনে ছুটতে শেখ।
হৃদয়ের সকল আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ কর।
গিয়ে পড় তাহলে, গা-ইয়ং।
আরে থামো তো।
বয়ঃসন্ধিকালের প্রভাব, হ্যাহ?
মূল্যবান সময় ব্যয় করে এই অনুষ্ঠানে আসায় সকলকে ধন্যবাদ।
আজকের প্রধান চরিত্র লেখক ইউ জে-ইয়নের সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দিতে চাই।
হ্যালো, আমি ইউ জে-ইয়ন।
আজকের আবহাওয়া অনেক মিষ্টি, এখানে উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা।
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি অনেক মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ।
আমার বউ দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী।
আমার পুরো জীবনে এমন সুন্দরী কাউকে দেখিনি।
তোমাকে অনেক কষ্ট দেওয়ায় স্যরি।
না, জানপাখি।
আমি ভালো আছি। এত বেশি চাওয়া-পাওয়া নেই।
সিম্পল, জোশ একটা বউ।
- কী করছ এসব? - একখান চুম্মা দাও।
আরে!
গা-ইয়ং...
কতক্ষণ আগে এসেছিস?
মাত্রই এলাম।
মিস মি-না!
- ঠিক আছেন, স্যার? - হ্যাঁ, ঠিক আছি।
প্রদর্শনীর জন্য অভিনন্দন।
টিস্যুর জন্য ধন্যবাদ। এত কেন?
এতো সামান্য কিছু।
অনেক লোকজন এসেছে, প্রদর্শনী অবশ্যই সফল হবে।
থ্যাংক ইউ।
ক্যাপ্টেন, লজ্জায় শেষ আমি।
নতুন বাসায় উঠতেছি নাকি? এত টিস্যু এনেছেন কেন?
- প্রয়োজন হতে পারে, তাই না? - থ্যাংক ইউ, স্যার।
- বড় ভাই! - হাই, আংকেল!
- ঠিক আছ তুমি? - হ্যাঁ।
এত অসচেতন হলে চলে।
কিছু টিস্যু পেপার এনেছি, নিন ভাবি।
এত আনতে গেলে কেন?
অনেক লোকজন এসেছে, প্রদর্শনী অবশ্যই সফল হবে।
হ্যাঁ, থ্যাংক ইউ।
দু'জনে একই বাকোয়াস ডায়লগ মারতেছে, আজব...
- কী? - কী?
- বাকোয়াস ডায়লগ? - অকৃতজ্ঞ হারামি!
নিশ্চয়ই অনেক দামি এগুলো!
একদম ঠিক বলেছেন!
হ্যালো।
ইনি আমাদের প্রদর্শনীর পরিচালক।
আমি জিওন হে-ইন।
আচ্ছা।
দাঁড়ান আমি আসতেছি।
- আপনার দু'জন কথা বলুন। - আচ্ছা।
শুনেছি মিস মি-না'র স্বামীর খুব ভালো বন্ধু আপনি।
ক্লোজ বলতে পারেন। তবে ছোট ভাইয়ের মতো।
আপনিও কি একজন আর্টিস্ট?
আরে না। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক।
কোন সাবজেক্টের?
- প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা। - প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা?
দেখতে হ্যান্ডসাম আর পরিপাটি।
জি।
এমন চালচলনের সাথে, স্টুডেন্টরা নিশ্চয় অনেক পছন্দ করে।
আপনার স্ত্রী অনেক কেয়ার করে মনে হচ্ছে।
আমি আসলে সিঙ্গেল।
ডিভোর্সড?
আসলে এখনো বিয়ে করিনি।
সত্যি! কীভাবে সম্ভব?
No comments yet. Be the first to leave one.