ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বাস্তব ঘটনাবলী থেকে অনুপ্রাণিত
১৯৯৪ সালের এপ্রিলে, রুয়ান্ডায় টুটসিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা শুরু হয়, ৩ মাসে ১ মিলিয়নেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছিল
১৯ শতকের গোড়ার দিকে বেলজিয়ান উপনিবেশকারীদের দ্বারা প্ররোচিত হুতু এবং টুটসিসের মধ্যেকার সহিংস ইতিহাস চরমে পৌঁছেছিল।
এপ্রিলে হুতু প্রেসিডেন্ট নিহত হলে, হুতুরা টুটসিদের উপর গণহত্যা শুরু করে।
হুতু মধ্যপন্থীদেরকে হত্যাকাণ্ডে যোগ দিতে অথবা হত্যাকান্ডের শিকার হতে বাধ্য করা হয়
অনেকে মনে করেন এটা দুর্ঘটনা নয়, হত্যাকাণ্ড।
মেজর জেনারেল জুভেনাল হাব্যারিমানা
বলেছেন যে আরপিএফ কখনই তাদের যুক্তি পরিত্যাগ করেনি...
আসল কথা হচ্ছে,
প্রেসিডেন্টের বিমানে কে গুলি করেছিল,
আর কীভাবে এই ঘটনার মোড় ইতিমধ্যেই ভঙ্গুর হয়ে পড়া পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে...
আমাদের কারোরই আর পিরিয়ড হয় না।
আমরা কেউ আর বাথরুমে যাই না
আমি অনুভব করতে পারি যে আমার আত্মা
দীর্ঘ ঘুমে চলে যেতে চায়
জীবন আমার শরীর ছেড়ে চলে যাচ্ছে
আমার হাড় ক্ষয়ে যাচ্ছে
আমরা কখনই ভাবিনি যে আমরা এতদিন এখানে থাকব...
কিন্তু আমরা অনিবার্য ঘটনা এড়ানোর জন্য বিলম্ব করছি
আমি এটা লিখছি যাতে তারা যখন আমাদের মৃতদেহ খুঁজে পাবে,
তারা জানবে আমরা এখানে কতদিন ধরে ছিলাম।
আমি কি তোমাকে আমার নাম বলেছি?
আমার নাম অ্যানিক ইরাকোজি।
- অ্যানিক! সুইটহার্ট! - আমি আরও একজনকে পেয়েছি
১ম দিন
আমি শীঘ্রই ফিরে আসব...
...যখন পরিস্থিতি তোমার আর ওর জন্য বেরিয়ে আসার জন্য নিরাপদ হবে। ঠিক আছে?
এখনই
আমি তোমাকে ভালোবাসি, সোনা
ট্রিস অফ পিস
২য় দিন
আমি হুতুর লোকদেরকে দেখেছি
তারা রামদা নিয়ে আমাদের খামারের আশেপাশে হাঁটছিল
ওগুলো রক্তে মাখা ছিল
আর তারা বলছিল, "লম্বা গাছ।"
"লম্বা গাছগুলো কেটে ফেলো"
ঠিক আছে. তুমি একটা স্বপ্ন দেখেছ
এই নাও
পানি.
এই নাও
ফেরেশতারা আমাদের সাথে আছেন
এসব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে
সব ঠিক হয়ে যাবে, মুতেসি। হুম?
- ফ্রাঁসোয়া... - তুমি আমার নাম জানলে কিভাবে?
তুমি যখন গতকাল এসেছিলে তুমি আমাদের বলেছিলে
ফ্রাঁসোয়া বলেছিল যে সে তোমাকে কূপের ভিতরে খুঁজে পেয়েছে
তুমি হুতু, তোমার বাচ্চা আছে
একটা ছেলে। একটা হুতু ছেলে যে কিনা...
আমার নাম জিনেট। ও হচ্ছে অ্যানিক
আমি একজন হুতু
কিন্তু মধ্যপন্থী
আমিও একই বিপদের সম্মুখীন হতে পারি।
আমরা আমার বাড়িতে আছি, আমার রান্নাঘরের মেঝের নীচে.
আমরা নিজেরাই এটা তৈরি করেছি। খাবার সংরক্ষণের জন্য জায়গাটা ভালো।
আমরা এখানে অনেক নিরাপদে থাকব, কোন না কোনদিন
পরিস্থিতি ভালো হয়ে যাবে
কিন্তু আমাদের চুপ থাকতে হবে।
আমি, অ্যাঁ...
- আমি... আমি জাস্ট... - পেইটন. ও আমেরিকা থেকে এসেছে
সেন্ট জোসেফের একজন স্বেচ্ছাসেবক।
টয়লেটটা কোথায়?
প্রায় অন্ধকার হয়ে এসেছে। আমরা ওখানে লুকিয়ে থাকতে পারি।
না। ওখানে ঝুঁকি অনেক বেশি।
তাহলে কি? আমরা কোথায় মুতু করব?
- আমরা পারব না. আমাদের দরকার... - কি? আমাদের আর কি দরকার?
ফ্রাঁসোয়া আমাদের যা যা লাগবে সব দেবে
আর এসব ঘটনা শেষ হবে।
আমি দুঃখিত.
আমি দুঃখিত, আমি...
ওটা কোথায়?
ভয় পেও না.
এটা বাইরে থেকে আটকানো
কোনটা?
এই রুমটা
এই দরজা.
ভয় পেও না.
আমরা এখানে আটকে আছি?
মুতেসি
মুতেসি!
এই ঘরটা জিনিসপত্র রাখার জন্য, মানুষের থাকার উদ্দেশ্যে এটা বানানো হয়নি
দরজা বন্ধ করলে এটা লক হয়ে যায়।
আমরা নিরাপদে আছি
ফ্রাঁসোয়া বলেছে যে এসব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে
জাতিসংঘ থেকে লোকজন আসবে।
বেলজিয়ামের সৈন্যরা এখানে আছে।
অন্য কিছু নিয়ে ভাবো. সেটাই আমি করছি।
অন্তত আগামীকাল পর্যন্ত।
না না না. না না না.
মুতেসি।
ঠিক আছে.
সব ঠিক আছে. আমিই তো
ওহ, আমি... আমি টয়লেট নিয়ে একটা বুদ্ধি পেয়েছি
কিন্তু আমি... আমি তোমার সাহায্য চাই
অ্যাঁ, আমার... আমার মনে হয় এখানে একটা গর্ত আছে।
আমরা এটা ভাঙতে পারব
পরে দেখা যাবে
টানো
তুমি কি... - আহ...
আগে তুমি.
আমি এখনই কাঁদতে পারি।
৩য় দিন
অ্যাঁ...
- ধন্যবাদ. - তো ফ্রাঁসোয়া কি তোমার স্বামী?
পাঁচ বছর ধরে. কিন্তু আমরা ছোটবেলা থেকেই একে অপরকে চিনি।
বলতে গেলে আমাদের সারা জীবন ধরেই. আমরা যখন প্রাইমারী স্কুলে পড়তাম, তখনই সে আমাকে বলেছিল
সে আমাকে চায়। আমি তার।
এটা একটা ভালো ব্যাপার যে তখন তোমাদের সন্তান হয়নি।
এরকম সময়ে, সে ওখানে তার বন্ধুদের সাথে সবাইকে জবাই করে বেড়াত
হয়তো সে তোমাকেও জবাই করত
তোমার কি অবস্থা, পেইটন?
তুমি কেন এসেছ এখানে?
- আহ... পিস প্রজেক্টস - হ্যাঁ.
সেটা আমরা দেখতেই পাচ্ছি।
কারণটা কি?
হুম, কোন কারণ নেই।
তুমি কিভাবে একজন সন্ন্যাসী হতে পারো
এরকম এক পৃথিবীতে?
আসলে বাছা
ঈশ্বর এই জগতের নন।
তিনি এটা সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু তিনি এই জগতের নন।
কিন্তু আমরা শুধু সেটাই জানতে পারি যা আমরা দেখতে পারি, তাই না?
শুধু যেটা আমরা অনুভব করতে পারি, তাই না? আর যে কোন কিছু পরিবর্তন হতে পারে, হুট করেই
একটা জিনিস ঘটলে সেটা
অন্য সবকিছুকে পরিবর্তন করে ফেলে
পৃথিবীটা এমনই মনে হয়।
তুমি কখনই জানতে পারবে না যে সামনে কি আসছে
আর... ঠিক যখনই তুমি কোনকিছু অনুমান করবে, দেখবে এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু।
সেজন্যই কি তোমার কোন সন্তান নেই?
আমার ধারণা তারা এখানে থাকবে, আমরা না
আমাদের জন্য ঈশ্বর বাচ্চাকাচ্চার কোন পরিকল্পনা করেননি
আমরা পারিনি।
হয়ত সামনে হবে
তোমার কি মিসক্যারেজ হয়েছে?
চার বার
মি... মিসক্যারেজ?
এইবার...
এই ছেলেটা বাঁচবে
হেই, হেই, এখানে এসো।
ক্রিস্টোফ তোমাকে সাইজ করবে
ক্রিস্টোফ চলে গেছে।
- চিরতরে চলে গেছে - চলে গেছে?
কোথায়? কেন?
কারণ ক্রিস্টোফ ছিল একটা তেলাপোকা।
হেই! তুমি কি করছো?
আইডি কার্ড দাও! এখনই!
আমার কাছে নেই.
- আমরা হুতু, কসম করে বলছি - চুপ করো!
হ্যাঁ.
তোমার বাবা গডফ্রয়েড, তাই না?
আপনি বাবাকে চেনেন?
ফুটবল?
এটা খেলার সময় নয়।
- তোমরা কি হুতু হিসেবে গর্বিত নও? - হ্যাঁ.
এই জায়গা, এই ভূমি তোমাদের জন্মগত অধিকার।
ঐ তেলাপোকাদের নয়!
আর তুমি, তোমার যথেষ্ট বয়স হয়েছে.
তুমি যেখানেই যাবে তোমার আইডি কার্ড যেন সাথে থাকে!
জ্বি স্যার
তোমরা কি সবাইকে জানাতে চাও না যে তোমরাই হচ্ছ সেরা জাতি?
এখন সবকিছু পরিষ্কার করার সময়!
নিজের ভূমিকা পালন করো, ছোটভাই.
আজকের শাস্তি হচ্ছে একটা বল
যাও!
বলটা নিয়ে এসো।
দৌড়াও!
হেই, হেই! তুমি ওখানে কি করছো?
চমৎকার বল.
তোমরা দুজন বাসায় যাও।
ছোটভাই, তুমি আমার সাথে আসো
আসো!
তো আমরা প্রথমে হাততালি দিবো,
আর তারপর ডান হাত একবার মাঝখানে মেলাতে হবে
আর তারপর বাম হাত
- হ্যাঁ - ওহ, আমি এই খেলার নিয়ম জানি.
হায় আল্লাহ্, তুমি তো বেশ ভালো করছ
আমি সিরিয়াস। এটা খেলার সময় না
আমাদের আর কি করার আছে?
বাবলগাম, একটা থালায় বাবলগাম রাখা আছে
তুমি কত টুকরা চাও?
মুতেসি, কত টুকরো?
ওহ, অ্যাঁ...
নয়
এক দুই তিন চার পাঁচ,
ছয়, সাত, আট, নয়।
আর তুমি এটা নও
অ্যানিক, তুমি ওটা নও।
- ওহ ওহ ওহ - পা বের করো
ওহ
তো, তুমি যখন এটা হবে তখন কি হবে?
আচ্ছা, সে যেই হোক তাকে তাড়া করতে হবে...
সে যেই হোক না কেন...
আমি বৃদ্ধাঙ্গুলির যুদ্ধ ঘোষণা করছি।
পাঁচ, ছয়, সাত, আট, তোমার বুড়ো আঙুল সোজা রাখার চেষ্টা করো
আমি এবার পাইসি তোমারে
৪র্থ দিন
একটা মহিলা লুকিয়ে আছে
একটা মহিলা লুকিয়ে আছে
সে আমাদের সাথে যোগ দিতে পারে
আমরা তাকে ডেকে নিতে পারি।
না না না না. এটা নিরাপদ হবে না
No comments yet. Be the first to leave one.