ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
Cinema : FALIMY Language : Malayalam Runtime : 02:06:12
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
তাকে পেয়েছি।
এই নিয়ে তৃতীয়বার।
তোর সমস্যা কি?
আমাকে একা ছাড়ছিস না কেন?
আমি গিয়ে নিরাপদে ফিরে আসতে পারবো।
তুমি বাসায় ফিরে যাচ্ছো না কেন?
ভাগ্য ভালো, যে লাঠা দেখতে পেয়ে আমাকে ডাকলো।
তুই ফোন ওঠাস না কেন?
এখন এই সব আমার দোষ?
আনন্দ করো, সেইসময় তাকে আটকানোর জন্য আমি ছিলাম।
এখন আমাকে 200 টাকা দাও।
- কি জন্য? - গাড়ি ভাড়ার জন্য।
ঠিক আছে, এতেই হবে।
- ওতে ২০০ টাকার বেশি আছে। - ঠিক আছে।
- আমার আরো কিছু কাজ আছে। - কি কাজ?
দিনরাত চারদিকে চরে বেড়াচ্ছে।
তাকে ট্রেনে ওঠার আগে যদি না থামাতাম,
কে জানে, কি হতে পারতো!
চলো, যাওয়া যাক।
তুমি যা বলছো, তা মেনে নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।
এই, সুলোচনা।
ঠিক আছে, চল, টেক নেওয়া যাক।
ঠিক আছে।
এই, সুলোচনা।
হাচিকো ক্যাফেতে যখন আমরা একে অপরকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলাম,
এই মুহূর্তের কথা স্বপ্নেও ভাবি নি।
আমি তোমাকে মনপ্রান দিয়ে ভালোবাসি।
তুমিও খোলা মনে আমাকে ভালোবাসো।
নিখুঁত!
এমনকি, আমি যখন বড় বড় শহরে বড় বড় বিজনেস টাইকুনদের সাথে ,
নিজের বিরাট বানিজ্যিক সাম্রাজ্য স্থাপন করছিলাম...
যথেষ্ট, বুঝে গেছি। টেক নে।
এমনকি, আমি যখন বড় বড় শহরে বড় বড় বিজনেস টাইকুনদের সাথে ,
বিরাট বানিজ্যিক সাম্রাজ্য স্থাপন করছিলাম, আমার মনে শুধু তুমিই ছিলে।
তুমি ছিলে আমার একমাত্র লক্ষ্য।
সুলোচনা...
সে এখন আমাকে ডাকছে কেন?
সেখানে তোমার অভাব কি ছিল?
খাবার এবং ওষুধ সময়মত পেয়েছো, কাজ করতেও হত না।
জীবন থেকে পালিয়ে যদি কিছু পাওয়া যেত, আমি কবে পালিয়ে যেতাম।
মনে জোর রাখো...
এত তৈয়ারি করে কোথায় যাচ্ছিলে?
কমসে কম যাবার আগে তো একবার বলতে পারতে?
যেখানে যেতে চাও, নিয়ে যাবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।
তো, পালিয়ে যাওয়ার কি দরকার ছিল?
হ্যাঁ, ঠিক! তুই আর তোর ফালতু প্রতিশ্রুতি।
একটু বিরতি নিয়ে বিশ্রাম নাও।
তুই আমার সাথে আয়।
দাদুকে এখানে এনেছিস কেন?
গাড়িভাড়া দেবার মত যথেষ্ট টাকা আমার কাছে ছিল না।
মাথা খারাপ হয়েছে? মাত্র দুই কিলোমিটার যেতে হত ,
সেখানে তুই পাঁচ কিলোমিটার নিয়ে এসেছিস।
আমার কাছে আর কি বিকল্প ছিল? যথেষ্ট টাকা ছিল না সাথে।
- কত আছে তোর কাছে? - কিছু নেই।
আমাকে ৩০০ টাকা দাও, বাকি আমি সামলে নেবো।
ওখানে যে ইউডি ডিজিটাল ভিশন দেখছিস, তা আমাদের বাপের নয়।
যত সব ফালতু খরচা!
চলো, যাওয়া যাক।
কত হয়েছে?
আরে,
প্রবীণ নাগরিক ভেবে সুযোগ নিও না।
কোনোভাবেই ১৬০ টাকা হতে পারে না।
দাদু, তাকে ১৩০ টাকা দিন।
আমার কাছে কোনো নগদ টাকা নেই।
কাশী যাওয়ার জন্য তো টাকা ছিল।
আমার কাছে কোনো নগদ টাকা নেই। কেন আটকাচ্ছিস? শান্তিতে চলে যেতাম।
- কোথায় লুকিয়ে রেখেছো? - বদমাশ, আমাকে ছাড়।
তাকে টাকা দাও, সে অপেক্ষা করছে।
আমাকে ছেড়ে দে।
এটা তুমি রাখো।
এই বয়সেও বাচ্ছাদের মত করছে।
খুচড়ো তুমি রাখো।
আমাকে টাকা দাও। আমি ওষুধ নিয়ে আসছি।
না ধন্যবাদ, আমার থেকে প্রচুর টাকা ঝেড়ে দিয়েছিস।।
এভাবে একজন কিভাবে ঘুমাতে পারে ?
হ্যালো!
ধারণা আছে, কি চলছে?
মা কাজে ছিল। দাদু এই সুযোগে কেটে পড়েছিল।
রেলস্টেশন থেকে ধরে এনেছি। এই দেখো টিকিট।
সরে যাও, আমার বইয়ের উপরে বসে আছো।
আমি তোমার বড় ছেলে।
আমাকে কিছু না বলে তুমি তিনবার পালানোর চেষ্টা করেছো।
পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ বলে তুমি যেকোনো কিছু করতে পারো না।
এই,
টিকিটটা বাতিল করলে, আমরা রিফান্ড পাবো তো?
তুই পরিস্কার আউট!
প্রতারণা করে জেতার চাইতে সম্মানের সাথে ব্যর্থ হওয়া ভালো।
মাত্র কয়েক পাতা। খুবই সোজা!
মাফ করবেন, এখানে কোনো ডিজিটাল প্রেস আছে?
এই রাস্তা বরাবর যান, অনেক ডিজিটাল প্রেস পাবেন।
কালার ফটোকপির একটু উন্নত সংস্করণ মাত্র।
হ্যালো।
হ্যালো স্যার, আমি "ক্যান্ডিড ঘটকালি" থেকে বলছি।
দুই হাজার টাকায় চারটে ম্যাচিং প্রোফাইলের অফার চলছে।
আমি কি আপনার কাস্টমার কেয়ার প্রধানের ফোন নম্বর পেতে পারি?
সমস্যা কি, স্যার? আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি৷
আমি দশ হাজার টাকা পেমেন্ট করেছিলাম, কিচ্ছু লাভ হয় নি।
এখন প্রোফাইল বাড়ানোর জন্য আরো দুই হাজার টাকা চাইছো।
কেটে পড়ো, ভাই!
এটা কি ম্যাট্রিমনি অ্যাপের টিম ছিল?
আমরা সবাই উত্তেজিত হয়ে সেখানে আমাদের প্রোফাইল নিবন্ধন করি,
কিন্তু তারপর কিছুই হয় না।
টিন্ডার বা বাম্বল-এ চেষ্টা করে দ্যাখ।
- ঠিক আছে, পরের দৃশ্যটি চালা। - আচ্ছা।
এই, সুলোচনা।
এই সব কি?
তোমার স্বপ্নের ইউকে-তে আসতে চাইলে, এই বইগুলো ব্যবহার করো,
যদি আমার সাথে থাকতে চাও তো।
সাইনা, এই সোমবার থেকে...
ছয় মাসের মধ্যে সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করো,
নয়তো...
নয়তো!
তুমি কি বলতে চাইছো?
আগামীকাল তোমাকে বিমানবন্দরে ছাড়তে আসবো।
একদম নয়। এসব নিয়ে ভেবোও না।
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
মনে হচ্ছে, এবারও তোর সফর ভেস্তে গেছে।
এবারে কে ধরলো তোকে?
পাশের বাড়ির লাঠা।
সে রিমাকে জানায়,
সে হারামজাদাকে এখানে আসতে বলে।
ট্রেনের টিকিট কিনে ঘুরে দেখি, সে সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল।
তাকে পাত্তা না দিয়ে চলে যেতে পারতিস।
আমি হলে তাই করতাম!
একটা বিরাট সুযোগ নষ্ট করলি।
তারা নিজেরাও ভ্রমণ করে না, অন্যদেরও করতে দেয় না।
আরে, যেতে দে। কোনো না কোনো রাস্তা ঠিক বার করবো।
এবার যখন যাবি, আমি তোকে একশো টাকা দেবো।
তাই দিয়ে রেলস্টেশনে তাজা কলাভাজা খেতে পারবি।।
একা খাস না। আমার জন্যেও কিছু নিয়ে আসিস।
এর চাইতে তোর জন্য কাশী থেকে বড়া পাও নিয়ে আসবো।
সবাই ঠিক দশটার মধ্যে ব্যাঙ্কে উপস্থিত থাকবেন,
কিছু লোক কোনোদিনই শোধরাবে না।
খেলাপির সদস্য সংখ্যা : ৭৩১৬
নাম : চন্দ্রন, রেমা চন্দ্রন,
অনুপ চন্দ্রন,
অভি চন্দ্রন।
আপনাদের ছাপাখানা, গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি, কৃষিকাজ ও সোনার জন্য
নেওয়া ঋণ এখনো বকেয়া আছে।
আপনাদের কি আর কোন ঋণ নেবার পরিকল্পনা আছে?
আমার সত্যিই জিজ্ঞাসা করা দরকার,
এগুলো কেমন ধরণের বোকামি?
এটি একটি সমবায় ব্যাংক, কিন্তু সহযোগিতা করার একটা সীমাও আছে।
কিন্তু আমি তো ঋণ শোধ করছি।
মে অল্পপরিমান টাকা আপনি শোধ করেছেন, তা দিয়ে কি চিরকাল চলবে?
আপনার ছাপাখানা তো বন্ধও হয়ে গেছে?
এই সব সত্য!
এখন কি করতে হবে?
চন্দ্রন-জী রাজি হলে, সমাধান আছে।
অবাঞ্ছিত দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন।
সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে, ভাদ্রন।
আমি আসছি। পরে ফোন করবো।
মনে হয় না, তোমার বাবা কোনোদিন প্রেসটা বিক্রি করবেন।
উৎসাহী লোক ছিল যারা ভালো টাকা দিতো। এবার আপনারা সিদ্ধান্ত নিন।
রেমা, আমার কথাই ধরুন।
প্রথমে সুকু আমাকে বিয়ে করতে চায়, তার পরে আরও পাঁচজন।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত, সুকু-ই আমাকে বিয়ে করে।
গতবারের কাঁঠাল এনেছিলে এইবার নারকেল এনেছো,
এরকম বিয়ের প্রস্তাবেও কিছু বৈচিত্র্য আনো না কেন?
তুমি কি আর কোন মেয়েকে জানো না?
যুক্তরাজ্যে যাবার পরিকল্পনা কেমন চলছে?
আমি জানি, তুমি আমার পিছনে লাগছো,
কিন্তু আমি শীঘ্রই সেখানে যাবো।
একবার IELTS পরীক্ষা পাস করলেই...
এই কথা মা খুব ভালো করেই জানে।
আগে তো নিজের পরীক্ষার ফি-র জন্য টাকা জোগাড় কর।
তোমরা দুজন গল্প করো। আমাকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
তোর সাথে কেউ দেখা করতে এসেছে।
- আরে, আজ তাড়াতাড়ি এসে গেছিস। - নমস্কার, উষা আন্টি।
একদিকে ভালো, এটি নিয়মিত কাজ নয়।
তো, উষা আন্টি, তুমি এখানে? বিয়ের কোনো নতুন প্রস্তাব এনেছো?
- আরে, যে মেয়েটিকে আমরা আগে দেখেছিলাম! - কোনটা?
পূজাপুরার মেয়ে, অনঘা। যেখানে আমরা গেছিলাম।
তারা সত্যিই আগ্রহী, এগিয়ে যাওয়া যাক।
তারাও আমাদের সাথে দেখা করতে এখানে এসেছিল।
হঠাৎ হৃদয় পরিবর্তন কেন, আন্টি?
তারা সবসময় আগ্রহী ছিল।
তারা শুধু এটা জানাতে একটু বেশি সময় নিয়েছে।
হুম, ৩ মাস!
হ্যাঁ, ৩ মাস।
তারা যাবার সময়ই বোঝা গেছিল, এই সম্পর্ক তাদের পছন্দ নয়।
মানুষের মুখ দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়।
সেই মেয়েটির তখন পরীক্ষা ছিল।
পাস করে এখন সে শিক্ষক হয়েছে।
আন্টি, আপনি তখন আমাকে তার নম্বর দিয়েছিলেন।
-সে হোয়াটসঅ্যাপে আছে। -কি?
আমি তাকে মেসেজ করেছিলাম এবং সে পাত্তাও দেয় নি।
- যদি সে আদৌ আগ্রহী হত... - সে হয়তো খেয়াল করেনি...
- আন্টি, এটা বলবেন না.. - কেন?
এই দুটো নীল টিক নির্দেশ করে যে তারা বার্তাটা দেখেছে।
এবং প্রমাণ করে যে তারা আগ্রহী নয়।
না হলে, তারা অন্তত উত্তর দিতেন।
ওই ফালতু নীল টিক নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করো।
শান্ত হয়ে ভালোভাবে চিন্তা করো।
রেমা, আমি চলে যাচ্ছি।
বাবু, তোমার মা-কে চিন্তায় ফেলো না।
আসছি, কাকা।
এখানে কেউ সাধারণ কথা বোঝে না। তুমি অন্তত বোঝো, মা।
No comments yet. Be the first to leave one.