ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বোন টমাহওক
১১ দিন পর
মরা মানুষের পেশাব বের হয় ক্যান?
চুপচাপ কাজ করো তোমার।
- এদের কাছে দেখি বই আছে। - ভালো করে ঝাঁকাও।
দেখো ভিতর থেকে টাকা পড়ে কিনা।
টাকাটা এখন নিশ্চয়ই গাছ থেকে পড়বে না।
মজা যা নেয়ার পরে নিও।
ওর গলা ভালো করে কাটো নাই তুমি।
বেশ ভালো রক্ত বের হয়েছিল ওর। প্রচুর রক্ত।
এখন পর্যন্ত কারোর গলাই ঠিকমত কাটতে পারো নাই তুমি।
একটু সাহায্য করো আমাকে।
মানুষের গলায় ১৬ টা মহাশিরা থাকে
আর মরতে গেলে সেই সবগুলোই কাঁটা লাগে।
১৬ টা মহাশিরা নেই।
আমার চাচার এক পরিচিত ডাক্তার ছিল...
আর সে এই কথাই বলেছিল।
এবার তোমার কাজ করো।
নিকম্মা একটা।
বাইবেল ছুঁড়াছুঁড়ি কোরো না।
আসলেই খামোখা অমঙ্গল ডাকার দরকার নেই।
তাছাড়া কোনো না কোনো মদনের কাছে সহজেই বেচা যাবে এগুলো।
বাডি...
আমি মাত্র ঘোড়ার শব্দ শুনলাম।
নিশ্চিত তুমি?
একদম।
ধুর ! শালার গুলিটা করেই মুসিবতে পড়লাম।
এত জোরে গুলি করলে তো বাংলাদেশের মানুষও শুনতে পারবে।
এখানে থাকা যাবে না।
আমাদের ওখানে গিয়ে লুকোতে হবে।
ওখানে পৌঁছাতে ১৫ মিনিট লাগবে।
দ্রুত পা চালাও।
শুনতে পেয়েছ?
এটা দমকা বাতাসের শব্দ।
দমকা বাতাস এত সুরেলা হয় নারে ভাই।
আর?
শব্দটা অশুভ।
মাইয়্যাদের মত জল্পনা-কল্পনা বাদ দাও এখন।
আগাও।
কী ওটা? নেকড়ে নাকি?
দেখে তো ভাল্লুক মনে হচ্ছে।
এটা কোনো ধরনের সাইন নাকি? যাতে বাইরের কেউ না আসে-টাসে।
আমরা ওসবের ধার ধারবো না।
শব্দটা আমাদের থেকে আসল নাকি?
আমি তো ভেবেছিলাম সূর্য অন্যদিকে ছিল।
এখন এইদিকে থাকলে তো কিছু করার নাই।
যাও।
আমরা ওখানে যাবো।
এখান থেকে সোজা গিয়ে ভিতরে ঢুকবো।
তাই বলে এমন কোথাও যাওয়া উচিৎ না...
...যা দেখতে কবরস্থানের মত।
এগুলো বদমাইশ বর্বরদের মত চিন্তাধারা।
সভ্য পাবলিকরা এমন চিন্তা করে না।
এর চেয়ে তো আগুনে পুড়তে থাকা জেলখানাও বেশি নিরাপদ।
অন্তত সেই বালের গিরিখাতে থাকার চেয়ে তো ভালো,
যেখানে আমরা অশ্বারোহী এবং বর্বরদের কবলে পড়তে যাচ্ছিলাম।
তোমার ফিরে যেতে ইচ্ছা করলে যাও।
শব্দটা দমকা বাতাসের হয়ে থাকলে, তা এত যান্ত্রিক শোনাতো না !
পরিষ্কার শুনে রাখ !
আমরা সামনে আগাচ্ছি, যেমনই লাগুক তোদের !
বাডি !
ওহ, জে...
কফি দিবো তোমাকে?
রাতে তো আর জাগবো না।
যত বেশি ঘুমাবো, সময় তত দ্রুত কাটবে।
আর্থার ওডোয়ায়ের !
রাগ হলে তোমাকে ভারি মিষ্টি লাগে।
বাকি জীবন কি তুমি এভাবেই মুখ ভার করে বসে থেকে কাটাবে?
তাহলে কী করলে ভালো হয়?
তোমাকে আমি মানা করেছিলাম ঝড়ের সময় ছাদের ওপর কাজ করতে,
তারপরও তুমি ছাদে গিয়েছিলে,
কারণ তোমার নাকি কিছু জরুরি কাজ বাকি ছিল।
সেটাকে বারবার আলোচনার বিষয় বানানোর কোনো কারণ নেই।
তুমি নিজেই তো বানালে।
তুমি কি এটাই চাও তাহলে?
কী চাই আমি?
১২ সপ্তাহ মুখ ভার করে থাকতে?
আমি মুখ ভার করে নেই। আমার মন খারাপ।
- কথা পেঁচিয়ো না। - কী বললে খুশি হবে তুমি?
দেশজুড়ে আমি গবাদিপশুর পাল নিয়ে টানাটানি করেছি, ভালো-মন্দ সবরকম...
দলের সাথে মিলে, আর বিনিময়ে এই জুটলো কপালে।
তুমি তো জানো আমি কী কী করেছি।
তার আসল প্রতিদান হলো আমার এই দুর্দশা আর এখন কিছু করার নেই আমার।
আমি বুঝতে পারছি তোমার কত খারাপ লাগছে।
অনেক মানুষই লিডার হওয়ার সুযোগ পায় না।
আর আমি শেষমেশ তা পেলেও, এই অঘটন ঘটা লাগলো।
শরতের আগে ওরা ফিরবে না। আর তুমি তো এখানে...
আমাকে বুঝ দিতে এসো না।
তুমি তো এখানে আছো আমার সাথে।
বিয়ের পর এই প্রথম আমি তোমাকে এত সময় কাছে পেতে যাচ্ছি।
তুমি কি দেখতে পারছ না যে পরিস্থিতি অতটাও খারাপ নয়?
পারছি তো।
এটাও তো দেখতে হবে যে তুমি বেশিরভাগ গাই থেকে কত সুন্দরী।
বেশিরভাগ?
তুমি জেসিকাকে দেখোনি কখনও।
এত সুনসান কেন?
গতকাল তারা গবাদিপশুগুলো নিয়ে গেছে।
কালকেই তো বলেছিলাম।
এখন এখানে আর কেউ নেই ...
বউ-বাচ্চা এবং অভাগাদের ছাড়া।
শুভ সন্ধ্যা, মিঃ ব্রুডার।
শুভ সন্ধ্যা।
মনে হচ্ছে যেন কোনো গির্জায় এসেছি...
যেখানে ধার্মিক মেয়েমানুষ পর্যন্ত নেই।
পিয়ানোর ঐ লোকটার কাছে গিয়ে কিছু একটা বাজাতে বলুন না?
এখানকার মরামরা ভাবটা একটু দূর হবে।
একটু শুনুন।
শুভ সন্ধ্যা।
একটা গানের দাম তিন সেন্ট হলে, তিনটা গানের দাম দশ সেন্ট রাখার কী মানে?
এখানে দাম এরকমই।
একসাথে একাধিক গানের হিসাব করলে, গানপ্রতি দাম কমার কথা না?
আসলে দুইটা গান বাজানোর পরই আমার ক্লান্তি ধরে যায়,
তাই তিন নম্বর গানের দাম বেশি ধরি।
চারটা গানের দাম কি এক ডলার (১০০ সেন্ট)?
শুনতে চাইলে বলেন, নইলে বিদায় হন।
দশ সেন্ট দিলাম।
আগে ''লেডি লিবার্টি'' বাজিয়ে শোনাচ্ছি।
আমি একটা উইস্কি নিবো।
ওনাকে একটা উইস্কি দেন।
স্যার।
শুভ সন্ধ্যা, শেরিফ।
চিকোরি।
আমি বাইরে একটু ঘুরতে বেড়িয়েছিলাম...
ওহ, চায়ের গন্ধটা কি জঘন্য।
এটা স্যুপ।
ওহ্।
আমাকে...আমাকে কি একটু খেতে দেয়া যাবে?
আজ সারাদিন ভালো কিছু খাইনি। কিছুই খাইনি বলতে গেলে।
ঐ চেয়ারটা নিয়ে বসো।
চামচ দিতে ভুলে গেছি।
চামচ ছাড়া খেতে গিয়ে জিভ পুড়িয়ে ফেলবে নাতো?
চ্যালেঞ্জ নিতে ভালো লাগে আমার।
বাপরে, ঘ্রাণটা এবার অসাধারণ লাগছে।
চায়ের ঘ্রাণ এমন হলে খাওয়াই যেত না।
এখন থেকে প্রতিদিন কয়েক বেলা ভালো কিছু খাওয়ার চেষ্টা করবে।
আমি চাই না আমার ব্যাকআপ ডেপুটি এভাবে খাওয়া-দাওয়ায় অনীহা করে বেহুঁশ হয়ে পড়ুক।
অবশ্যই না, স্যার। সেটা খুব লজ্জাজনক ব্যাপার হবে।
- না, স্যার। - একটু ঠাণ্ডা হোক।
ওহ্।
তুমি বাইরে ঘুরাঘুরির ব্যাপারে কী যেন বলতে যাচ্ছিলে।
ওহ, হ্যাঁ। ভালো কথা মনে করেছেন।
আমি রাতের বেলা বাইরে একটু ঘুরতে বেড়িয়েছিলাম।
মানে, একটু বাতাস খেতে...
আর নেডিনের কবরে কিছু তাজা ফুল রেখে আসতে।
বুঝলেন?
আর,
তা করতে গিয়ে আমি লম্বা পথটা বেছে নিই।
মানে, স্পেনে চৌকিদাররা ডিউটিতে থাকার সময় যেমনটা করে আরকি।
আর তা করতে গিয়ে, দূর থেকে এক ছেলে আমার নজরে পড়ে।
শেরিফ, আমি কিন্তু তাকে চিনতাম না।
এটা খেতে ভুট্টার মত লাগছে।
এটা ভুট্টার স্যুপ।
ওহ, এবার দুইয়ে দুইয়ে চার মিলেছে।
তো, ছেলেটা কি কিছু করেছিল?
অচেনা ছেলেটা?
সময় নিয়েই বলো।
সে তার ড্রেস চেঞ্জ করেছিল এবং কিছু জিনিসপত্র নিয়ে...
গর্তের মধ্যে ফেলে তা মাটিচাপা দিয়েছিল।
এরপর সেখান থেকে চলে গিয়েছিল।
ব্যাকআপ ডেপুটি হিসেবে, আমার মতামত এই যে...
তার হাবভাব সন্দেহজনক ছিল।
কোথায় সে?
কে?
অচেনা ছেলেটা।
ওহ্, সে এখন সেলুনের ওখানটায় আছে।
চলো বিষয়টা খতিয়ে দেখি।
তোমার পায়ের কী অবস্থা?
এই মুহূর্তে পায়ের চিন্তা মাথায় আসছে না।
ব্যথা পাচ্ছ নাকি?
আসো আরও ভালোভাবে করি।
তুমি কি তাহলে বলছ যে আমার ভুল হচ্ছে?
আমার মন বলছে।
- ইয়াহ। - সামলে।
তুমি কি শিওর যে তুমি...
করতে থাকো।
আপনার কেমন ড্রিংক পছন্দ, জনাব?
দেখে মনে হচ্ছে আপনার একটা কড়া কিংবা সাংঘাতিক কড়া ড্রিংক দরকার।
এটা আমার ভাই বানায়।
খেলে আপনার শরীর পুরা ঝাঁকা দিয়ে উঠবে।
রেডউড থেকে তৈরি।
শেরিফ, এখানকার পরিবেশটা বেশ শান্ত ছিল...
আপনারা দুজন এসে সবাইকে ভড়কে দেয়ার আগ পর্যন্ত।
- আমাদের কাজ আছে। - জরুরি কাজ।
শুভ সন্ধ্যা।
তুমি বোবা নও তো?
না।
সভ্য নগরীগুলোতে, বিশেষ করে ব্রাইট হোপ-এর মত জায়গায়,
কারো সাথে কথা বলার সময় মানুষটার মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে হয়।
আমি কোনো দোষ করিনি।
আমি ব্যাস এখানে বসে একটু ড্রিংক করছি।
আমি তো বলিনি তুমি কোনো দোষ করেছ।
নাম কী তোমার?
বাডি।
নামটা মনে করতে একটু সময় লাগলো, না?
আমার নাম আসলেই বাডি।
এখানে কী করছ তুমি?
আমার একজনের সাথে মিটিং আছে।
আজ কয় তারিখ?
তোমার সত্যি সত্যি কোনো মিটিং থাকলে,
তারিখটা মনে থাকার কথা।
No comments yet. Be the first to leave one.