ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
:::.Mohammad Sayem Presents.::: • • •অনুবাদক: জাহিদ হাসান • • •
ওদের রক্ত মুছে লবণ দিয়ে দাও,
যাতে পচনটা ধীরে ধীরে হয়।
ওদের কাজেও লাগতে পারে।
অ্যাগ্রন।
তোমার সঙ্গে একটু সময় চাই।
সময় আর ইচ্ছে কোনোটাই নেই।
হয়তো কাস্টাসের আছে।
ও যেভাবে তোমার দিকে তাকায়, সেটা ভালো লাগে না!
এই দৃষ্টি অচেনা নয়,
যখন আমরা বাটিয়াতাসের দাস ছিলাম।
সেই পুরনো দিনে ফিরে যেতে ভয় লাগে।
অনেকে ভাবে, ক্রিক্সাস বন্দিদের হত্যা করেছে বলে ওর অবস্থান অনেকে উঁচুতে।
তুমি কী ভাবো, এ বিষয়ে?
আমি তোমার পক্ষে আছি।
আর সবসময় থাকবো, যুদ্ধের ময়দানে।
ভিলায় ফিরে যাও।
আমার অনুপস্থিতিতে লয়েটা আর ওর লোকজনকে পাহারা দিও।
এত অস্থিরতার মাঝে
শহরের দেয়াল ছেড়ে যাওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ?
কিছু কথা বলে...
এই পচা ক্ষতটা সারিয়ে তোলার চেষ্টা করবে না?
আমার বলা শেষ।
তোমাকে আমাদের ভাষা শিখতেই হবে।
জানো না যে, সে তোমাকে কীসব অভিশাপ ছুঁড়ে দেয়!
অজানাতেই সুখে থাকি আমি।
সব পুরুষেরই এভাবে থাকা উচিত, তাই না?
আমরা চলেছি সিসিলিয়ার পথে, রক্তের প্রতিশ্রুতিতে।
এটা মাল খাওয়ার সময় নয়।
লুগোকে সঙ্গ দিচ্ছিলাম একটু।
আমার ভয় পানি নিয়ে।
আর তার ভেতরে থাকা দানবদের প্রতি।
তোমার যাত্রার সব প্রস্তুতি শেষ, রাজা স্পার্টাকাস।
যেমনটা বলেছিলে।
সামনে আরো অনেক বেশি পাবে।
এতটুকুই যথেষ্ট, মদ আর...
তোমার ধন চুষতে থাকা ঠোঁটের জন্য।
যাতে সিরীয় ছেলেটির স্মৃতি মুছে যায়।
তুমিও আমাদের সঙ্গে যাত্রা করবে না?
হেরাক্লিওর আরো জরুরি কাজ আছে।
তোমার সেবার জন্যই দাম দিয়েছি।
তুমি আমার জাহাজের দাম দিয়েছ।
আর সেটা চালাবে কে?
তাইতো ট্রাইফনকে টাকা দিই আমি।
ভালো থাকো, রাজা স্পার্টাকাস।
তোমার নামে এক কাপ গিলবো আমি।
চলো ক্যাপ্টেন।
এই রাত চিরদিনের জন্য স্মরণীয় হোক।
শুরু করো!
এখন লড়তে চাও?
স্পার্টাকাসের সামনে রক্তের এত খিদে কোথায় ছিল?
তোমাদের কারণেই আজ এই মলমূত্রের মধ্যে ডুবে আছি আমরা।
তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হয়ে,
নাদান শিশুর মতো পালিয়েছিলে।
নির্মম সত্যিটা হচ্ছে, তোমরা এখনো বেঁচে আছো।
কিন্তু যে মানুষটা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলো,
সে ওপারে চলে গেছে,
তোমাদের সেই কাপুরুষতার জন্য!
আমাদের রসদের পরিমাণ যেন কমে না যায়।
সিসিলিয়ার ভাণ্ডার থেকে আরো শস্য আনো।
সম্রাট।
সিনেটর মেটেলাস।
যথাযথ অভ্যর্থনা না জানানোই দুঃখিত।
জানতামই না তুমি মাতৃভূমি রোমের...
আরাম-আয়েশ ছেড়ে এত দূরে চলে এসেছে।
আমি কোনো অহেতুক ভদ্রতা বা বিলাসিতার মোহে আসিনি।
শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর চাই,
সিনেট কি তোমাকে
সেনাবাহিনী দিয়েছে,
শুধুমাত্র সিনুয়েসা থেকে আধা দিনের দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য?
সেনেট আমাকে কোনো সেনা দেয়নি।
তারা দিয়েছে অধিনায়কত্ব।
যে ঘোড়া, যে তলোয়ার, বা যে সৈনিকই দেখছো,
সবই আমার নিজের পয়সায় কেনা।
কেবলমাত্র মার্কাস ক্র্যাসাসের ইচ্ছাতেই হবে সবকিছু।
তাহলে কি ওর ইচ্ছাতেই স্পার্টাকাসের বিরুদ্ধে
প্রথম লড়াইয়ে পিছু হটার আদেশ এসেছিল?
তোমাকে পাঠানো হয়েছিলো, তার দেওয়া গভীর আঘাতে সান্ত্বনার প্রলেপ দিতে,
আরও কষ্টদায়ক খবর দিয়ে সেই ক্ষত বাড়ানোর জন্য নয়।
ছোটখাটো একটা সংঘর্ষ হয়েছে, যা বোকামির বশে শুরু হয়েছিলো।
দায়িত্বে অবহেলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
শুনেই কান গরম হয়ে গেছে।
এটা কি সত্যি যে, তুমি আবারও সেই বিভীষিকাময় 'ডেসিমেশন' চালু করেছো?
আমি কেবল তাদের দায়িত্ববোধ শেখাচ্ছি।
পরেরবার আমার সেনারা যখন স্পার্টাকাসের মুখোমুখি হবে,
তখন বিদ্রোহীরাই দুর্ভাগ্যের শিকার হবে।
জনগণ সে দিনটিকে উল্লাসভরে স্বাগত জানাবে!
যেভাবে তারা পম্পেইয়ের হিস্পানিয়া জয়কেও উদযাপন করছে।
সে কি সের্টোরিয়াসকে হারিয়েছে?
আর খুব শিগগিরই সে ফিরছে,
নিজের সৈন্যদল নিয়ে।
এটা স্বস্তির বিষয় হবে...
যদি স্পার্টাকাস তখনও আমাদের জন্য সমস্যা হয়ে থাকে।
ওই কিশোর কসাই ফিরে আসার আগেই
স্পার্টাকাস স্মৃতির পাতায় চলে যাবে!
কথায় তো বেশ গর্জন আছে,
অথচ এখানে বসে মশা মারছো।
আর কী করবো বলো?
পাগলের মতো গিয়ে শহরের প্রাচীরে নিজেকে ছুড়ে মারব?
আমি চাই তুমি এ যুদ্ধের ইতি টানো, সম্রাট।
এটা তো ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
সিনুয়েসায় সিজার আছে,
বিদ্রোহীদের মাঝে লুকিয়ে।
সিজার?
তুমি কি আমাদের ভাগ্য
ওই অহংকারী ছেলের হাতে তুলে দেবে?
পম্পেই এর কায়দা অনুযায়ী,
স্পার্টাকাসকে কেবল পেশীর জোরে পরাজিত করা যাবে না।
সে তীক্ষ্ণ বুদ্ধির মানুষ, তাকে সেভাবেই...
মোকাবিলা করতে হবে।
তোমার কথায় তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখা যাচ্ছে।
সে উঠে এসেছে সাধারণ জীবন থেকে,
আর আজ সিনেট পর্যন্ত তার ভয়ে কাঁপে।
এরচেয়ে বড়ো শ্রদ্ধার কারণ আমি খুঁজে পাই না।
সিনেট কাঁপছে না,
বরং রাগছে, কারণ তুমি কিছু করছো না।
আমি কেবল উপযুক্ত সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি।
তবে যদি ছোট একটা বাহিনী সিনুয়েসার উপর দিকে অগ্রসর হয়—
তাহলে হয়তো কিছুটা ভয় কাটবে...
কতজন লাগবে?
তুমি ক’জন নিয়ে এসেছো?
আমার লোকজনকে সেই কাজে পাঠাতে চাও, যেটা তুমি নিজে করছো না?
আমি চাই তুমি গৌরবময় বিজয়ে অংশ নাও।
যদি তোমার রুচি নাহয়, তাহলে ফিরে যাও।
এবং যুদ্ধের দায়িত্ব ছেড়ে দাও যারা তা লড়তে জানে, তাদের হাতে।
আমাকে তলোয়ার দিচ্ছো?
তুমি নিজের বিশ্বস্ততা অর্জন করেছো, লাইসিসকাস।
আমি চাই তুমি সশস্ত্র থাকো,
যদি আবার কেউ আমার ওপর আক্রমণ করে।
কৃতজ্ঞতা।
আমি অপেক্ষায় আছি এটার উপযুক্ত ব্যবহারের।
আমিও।
আমাদের ইচ্ছায় চমৎকার মিল ।
খুব শিগগিরই আমরা গেট খুলে দেবো,
আর রোমানদের পাছায় গেঁথে দেবো অদম্য লিঙ্গের শাণিত বার্তা।
স্পার্টাকাসের খবর কী?
তার সমুদ্রযাত্রা শেষে আমাদের সাথে যোগ দেবে?
স্পার্টাকাস এখানে নেই?
আমি ডকে ছিলাম যখন সে গ্যানিকাস আর সিলিসিয়ানদের নিয়ে রওনা হলো।
তুমি জানতে না?
না। জানতাম না।
সে রোমানদের রক্ষা করছে।
এখন আবার কোনো খবর না দিয়েই হেরাক্লেওর সাথে পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে?
হেরাক্লেও তো তাদের সঙ্গে যায়নি।
সে সিনুয়েসায় রয়ে গেছে?
তার লোক কাস্টাস সহ।
তারা মদ আর ফালতু আনন্দে মেতে আছে।
আর অ্যাগ্রনের কী খবর?
জাহাজের যাত্রার সময়, সে কি স্পার্টাকাসের বাড়া চুষছিলো?
আমি তাকে দেখিনি।
হেরাক্লেওর খোঁজ করো, এই বিষয়ে কিছু জানতে হবে।
আর অ্যাগ্রনের সঙ্গে কথা বলতেই হবে।
শালার ফাটলটা আরো বড় হচ্ছে।
এই খাবারের জন্য কৃতজ্ঞতা।
আর আমার লোকদের যে নিরাপত্তা দিচ্ছো তার জন্যও।
আমি কেবল আদেশ পালন করছি।
তবু এটা একপ্রকার দয়া,
যার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।
এই মাগী আমাদের কাছে কৃতজ্ঞ।
তুমি আর তোমার লোকজন,
আমাদের সবাইকে পরপারে পাঠাতে চাও।
যেমনটা আমরাও চাই।
যদি না স্পার্টাকাস দয়া করে বাঁচিয়ে রাখতো।
সরে দাঁড়াও, নয়তো তোমার মুণ্ডপাত করবো।
মনে খারাপ উদ্দেশ্য থাকলে ঝেড়ে ফেলো।
এই মানুষগুলোর গায়ে কেউ হাত দিতে পারবে না!
তোমার এই রোমান পোষা প্রাণীগুলোকে চোদার কোনো ইচ্ছে নেই আমাদের।
স্পার্টাকাস শহর ছেড়ে গেছে কেন?
এটা শুনলে কোথায়?
ঠিকঠাক উত্তর দাও।
ফিরে এলে তার মুখ থেকেই শুনে নিও
আমি ভাবতাম স্পার্টাকাস একজন সাহসী মানুষ,
গোপন ষড়যন্ত্র করার মতো ভীতু নয়।
যেমন তুমি, যে তার নিষেধ উপেক্ষা করে রোমানদের কচুকাটা করেছে?
ওরা আমাদের শত্রু।
ঠিক তাদের মতোই, যারা আমাদের দাস বানিয়ে রেখেছিল।
কিংবা যারা তোমার ভাইকে মেরেছিলো।
এক সময় ছিল, যখন রক্তপাতের বিষয়ে
তুমি নিজের হৃদয়ের কথা শুনতে।
এখন কী বলে তোমার হৃদয়?
এটাই যে আমরা এখন আগের মতো নই।
সবাই না!
স্পার্টাকাসকে বলো, সে ফিরলে আমি কথা বলবো।
তোমার অসংখ্য পাগলামির সাক্ষী আমি।
কখনো ভাবিনি এসব আমাদের সমুদ্র পাড়ি দেওয়াবে।
শেষবার যখন জাহাজে উঠেছিলাম, হাত-পা বাঁধা ছিল।
রোমের মাটির দিকে রওনা হয়েছি।
আমার স্ত্রীকে কেড়ে নিয়েছিল ওরা।
সেই বর্বরতার জন্য চিরকাল অনুতপ্ত থাকবে ওরা।
তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
কিন্তু এই মুহূর্তে
তোমার উদ্দেশ্য নিয়ে আমার মনে সন্দেহ জেগেছে।
ক্রিক্সাস শহরে হিংস্রের মতো দৌড়াচ্ছে,
আর বাইরে ক্র্যাসাস ঝড় নিয়ে অপেক্ষা করছে।
এমন সময় সিসিলির গমের উপর আক্রমণ করা বোকামি।
হেরাক্লেও বলেছে, বড় বড় চালান জড়ো হচ্ছে।
আমি লোকটার টাকায় নয়, বরং তার গায়েই
আঘাত করতে চাই।
এই খাদ্য ওর সেনাদের জন্য যাচ্ছে।
এটা দখল করলে তাদের দুর্বল করা যাবে,
No comments yet. Be the first to leave one.