ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
: : : অনুবাদ ও সম্পাদনায় : : : . . . PopcornGuy_Bsub . . .
মাননীয় অ্যালেন ডি. আর প্রাক্তন মিসেস ইস্টার্ন।
মাননীয় উইলিয়াম আর মিসেস ব্রেসলো।
মাননীয় নেলসন আর মিসেস উইনি ম্যান্ডেলা।
ভদ্রমহিলা ও ভদ্রলোকগণ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও মিসেস বুশ।
বার্ব, লিস্টে যত নাম ছিল সবাই এসেছে।
হাই পিটার, আজ অফিস থেকে তাড়াতাড়ি ছেড়েছে?
জ্যাক, ভালো লাগছে তুমি এসেছো।
দাড়ি কেটে ফেলো, এটা খুব লিবারেল লাগে।
হাই ফ্রাঙ্ক, ট্রুডি।
আউ!
হাই পিটার, এসেছো দেখে ভালো লাগছে। সুন্দর স্যুট।
সবাই এসেছে। কমিশনারও।
অনেক ধন্যবাদ। ডক্টর মেইনহাইমার, আপনি এসেছেন দেখে খুশি হলাম।
আপনার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় আছি।
নিশ্চয়ই এটা দারুণ আর ভেবে-চিন্তে লেখা হয়েছে।
আহ, উনি এলেন। প্রিয়তমা।
আপনার কি ডক্টর মেইনহাইমারের সাথে আনুষ্ঠানিক পরিচয় হয়েছে?
ধন্যবাদ।
গ্রেট লেডি পড়ে গেছেন! রিপিট, গ্রেট লেডি পড়ে গেছেন!
- কী হলো? - আস্তে, টেবিলটা সাবধানে!
একটু থামুন।
- কেমন আছো, প্রিয়? - আমি ভালো আছি, ঠিক আছি।
ভালো।
দয়া করে বসুন।
স্বাগতম। তোমাদের সবাইকে দেখে খুশি হলাম।
আজ রাতে এত সম্মানিত অতিথি পেয়ে আমি আনন্দিত।
এই সপ্তাহ আমরা উদযাপন করছি—
সারা দেশে "ল’ এনফোর্সমেন্ট উইক"।
তাই আমি অনুষ্ঠানটা তুলে দিতে চাই—
আমাদের ওয়াশিংটন ডিসি পুলিশ কমিশনারের কাছে,
ক্যাপ্টেন আনাবেল ব্রামফোর্ড।
আমি পরিচয় করিয়ে দিতে চাই একজন বিশিষ্ট আমেরিকানকে।
এই সপ্তাহ তিনি সম্মান পাচ্ছেন তার ১,০০০তম মাদক ব্যবসায়ী হত্যার জন্য।
দয়া করে স্বাগত জানাই লেফটেন্যান্ট ফ্র্যাঙ্ক ড্রেবিনকে, পুলিশ স্কোয়াড থেকে।
সত্যি বলতে, শেষ দুইজনকে আমি গাড়ি দিয়ে চাপা দিয়েছিলাম।
ভাগ্যিস তারা ড্রাগ ডিলার ছিল।
ভালো। দারুণ!
আহ ধন্যবাদ, কমিশনার ব্রামফোর্ড।
এখন আমি আমার চিফ অব স্টাফ জন সুনুনুকে ডাকছি—
কিছু বিশেষ অতিথিকে পরিচয় করিয়ে দিতে।
ধন্যবাদ। মি. প্রেসিডেন্ট, আজ রাতে আমি গর্বিতভাবে স্বাগত জানাচ্ছি—
আমাদের দেশের জ্বালানি সরবরাহকারীদের অতিথিদের।
প্রথমে, তেল শিল্প থেকে—
সোসাইটি অব পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রি লিডারস (SPIL)-এর প্রধান,
মিস্টার টেরেন্স ব্যাগেট।
কয়লা শিল্প থেকে, সোসাইটি ফর মোর কোল এনার্জির (SMOKE) চেয়ারম্যান—
মিস্টার ডোনাল্ড ফেনজউইক।
ধন্যবাদ।
জন: পারমাণবিক শিল্প থেকে—
কী অ্যাটমিক বেনিফিটস অফিস অব ম্যানকাইন্ড (KABOOM)-এর প্রেসিডেন্ট—
মিস্টার আর্থার ডানওয়েল।
আপনারা জানেন, গত তিন বছর ধরে…
এই প্রশাসন একটা জাতীয় জ্বালানি নীতি তৈরি করতে চাইছে
যেটা আমাদের জীবনে দীর্ঘদিনের প্রভাব ফেলবে
আগামী দশক আর তার পরেও।
সঠিক পথ বেছে নিতে নিশ্চিত করতে,
প্রেসিডেন্ট তাঁর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন,
ড. অ্যালবার্ট এস. মেইনহাইমারকে।
আপনারা সবাই জানেন, এই ক্ষেত্রে তাঁর খ্যাতি তুলনাহীন।
এবং ড. মেইনহাইমার তাঁর প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবেন
আগামী মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব ডিনারে।
মিস্টার প্রেসিডেন্ট।
আমি চাই তোমরা সবার আগে জানো—
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার সরকারের পুরো জ্বালানি নীতি
ড. মেইনহাইমারের প্রস্তাবনার উপর ভিত্তি করব।
এই বিষয়টা এত গুরুত্বপূর্ণ যে রাজনীতিবিদ বা স্বার্থান্বেষীরা ঠিক করতে পারে না।
আমাদের দরকার নিরপেক্ষ, জ্ঞানী একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
আর এই ক্ষেত্রে সবার স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ হলেন ড. মেইনহাইমার।
মিস্টার প্রেসিডেন্ট, যদি বলার সুযোগ পাই—
আমি আশা করি ড. মেইনহাইমার প্রভাবিত হবেন না...
ওই তথাকথিত পরিবেশবাদী গ্রুপগুলোর দ্বারা।
আমরা সবাই জানি, ড. মেইনহাইমারের সুনাম কেমন।
তাঁই সবচেয়ে যোগ্য তাঁর গবেষণা ব্যাখ্যা করতে।
আহ!
আহ! বাজারে গেলেই এই ঝামেলা শুরু হয়!
- জেন... - ওহ, ড. মেইনহাইমার।
আপনি তো আগে ফিরে এসেছেন।
আর আপনি এখনো এখানে আছেন।
এমন সুন্দরী একজন মহিলা
শনিবার রাতে নিশ্চয়ই এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারতেন?
ওহ, দুঃখিত, এতটা সোজাসাপ্টা বলতে চাইনি।
কোনো সমস্যা নেই, ডাক্তার। ঠিক আছে।
আপনি আবার তাঁর কথা ভাবছেন, তাই না? নামটা কী যেন?
- ফ্রাঙ্ক? - হ্যাঁ।
তুমি ওকে ভুলতেই পারছ না?
- কে? - ফ্রাঙ্ক।
ও হ্যাঁ!
না, পারি না আমি... আমি চেষ্টা করি।
যখন এতটা মানুষ পাইছ… ভুলা কঠিন।
কিন্তু তুমি তো বুঝবে না।
জেন, নিজেকে এত কষ্ট দিও না।
তুমি এখানে ইনস্টিটিউটে দারুণ কাজ করেছো।
জনসংযোগের সবচেয়ে ভালো ডিরেক্টর তুমি-ই।
ধন্যবাদ ডাক্তার, আমি চেষ্টা করি।
কিন্তু আমি দেখি তুমি রাত দশটার পরেও পড়ে থাকো।
অতীত ভুলে যাও। বাইরে যাও, নতুন মানুষ চিনো, জীবনটা উপভোগ করো।
আসলে, একজনের সাথে আমি মিশছি— ঠিক গতকালও দেখা করেছি।
আমি তাকে বলছিলাম সেই বক্তৃতার কথা, যেটা আপনি প্রেসের জন্য তৈরি করছিলেন...
- শুভ সন্ধ্যা। - দু'জন একসাথে: হ্যালো, নর্ম।
আমার ভুলে গিয়েছিল। হোয়াইট হাউসের ডিনার কেমন ছিল?
অসাধারণ। প্রেসিডেন্ট আমার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
চমৎকার! তাহলে তুমি সেই বক্তৃতাটাই দেবে, যেটা আমাকে বলেছিলে?
হ্যাঁ, প্রতিটা শব্দই। আজ রাতেই দিতাম,
কিন্তু এক অতিথি এমন হট্টগোল করল যে, আমার স্পিচ কেউ শুনল না।
এই, আই! কেন! এটা দেখো তো।
ডাস্টবিনে এটা পেয়েছি আমি।
ওরে বাহ, ঘড়িটা কিন্তু দারুণ সুন্দর!
ভাবছি কেন আবার ফেলে দিলো?
মনে হয় চার মিনিট পিছিয়ে গেছে। আমি ঠিক করি।
এই তো!
আমি সার্জেন্ট ফ্র্যাঙ্ক ড্রেবিন, ডিটেকটিভ লেফটেন্যান্ট, পুলিশ স্কোয়াড।
আমি গাড়ি ধুচ্ছিলাম, তখন স্ক্যানারে খবরটা পেলাম।
একটা বোমা হামলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের "অপারেশন স্কাম রাউন্ডআপ"-এর অংশ হিসেবে
ডি.সি. পুলিশকে সহায়তা করতে যাচ্ছিলাম।
রেডি? হ্যাঁ, হয়ে গেছে।
পুলিশি কাজে মাঝে মাঝে এমন কিছু আসে,
যার জন্য আগে থেকে কোনো প্রস্তুতি থাকে না।
হঠাৎ এক পাগলাটে লোক, নিজের প্রতি ঘৃণায় ভরা,
সম্ভবত কয়েক মাসের ভাড়া বকেয়া, একেবারে ক্ষেপে গেল।
এবং তখনই ঘটল এই বিস্ফোরণ।
- খুশি হলাম তুমি আসতে পেরেছো। - যত দ্রুত পারি চলে এসেছি।
ওহ! অভিনন্দন, শুনেছি এডনা আবারও মা হতে চলেছে।
- হ্যাঁ, আর যদি লোকটাকে হাতে পাই যে এটা করেছে... - ক্যাপ্টেন।
ওরা পুরো বিল্ডিং খুঁজে দেখেছে।
ভেতরে ঢোকার কোনো চিহ্ন নেই, টাকাও হারায়নি।
একেবারে ভয়ঙ্কর ধরনের বিস্ফোরণ ছিল।
এখনও বোঝার চেষ্টা করছি, কী ব্যবহার করা হয়েছিল।
- আর কোনো শিকার আছে? - আপনি এখনই একটার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন।
- আচ্ছা, বুঝলাম... - ওকে এখান থেকে সরাও।
- উফ! এ তো একেবারে চূর্ণবিচূর্ণ। - এদিকে আসুন, ফ্র্যাঙ্ক আরেকটা পেয়েছে।
- কোনো সাক্ষী আছে, এড? - হ্যাঁ, একজন আছে। এক মহিলা।
তিনি দেখেছেন বিস্ফোরণের আগেই একজন মানুষ বের হয়ে যাচ্ছিল।
- নর্ডবার্গকে এটা সামলাতে দেওয়া উচিত। - না, আমি-ই করব, যতক্ষণ এটা টাটকা আছে।
এখন নয়। সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেছে।
মাথায় আঘাত লেগেছে। দেখতে বেশ খারাপ লাগছে।
- আমি সামলাচ্ছি। - স্যার...
- মিস, আমি কিছু প্রশ্ন করতে চাই। - না, ততটা খারাপ নয়।
ওকে আমাদের স্কেচ-আর্টিস্ট জেরা করছে।
আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে সে-ই। এটা যেন স্বপ্নের মতো লাগছিল।
কিন্তু ও তো সেখানেই ছিল, ঠিক যেমনটা আমি মনে রেখেছি।
ওর সেই কোমল সুন্দর মুখটা...
একটা বডি, যারে দেখে দূর থেইক্যা চিজ স্যান্ডউইচ গলতে শুরু করে।
আর বুক যেন চিৎকার করে বলে—“এই দ্যাখো!”
সে-ই তোমাকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করত
আর আল্লাহকে ধন্যবাদ দিতে বাধ্য করত যে তুমি একজন পুরুষ। হ্যাঁ...
ও আমাকে আমার মায়ের কথাই মনে করাচ্ছিল। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
নিজেকে সামলাও। তুমি ওর দিকে এমনভাবে তাকাচ্ছ যেন ও তোমার মা।
- ফ্র্যাঙ্ক। - জেন। আমি জানতাম না তুমি এখানে থাকো।
আমি এখানে এসেছি দুই বছর আগে।
- বাচ্চারা কেমন আছে? - আমাদের তো কোনো বাচ্চা ছিল না।
হ্যাঁ, অবশ্যই।
- প্রোস্টেট অপারেশন কেমন? - একেবারে নতুনের মতো!
আসলে, আগের থেকেও ভালো আছি।
শোনো, ফ্র্যাঙ্ক...
আমি জানি বিষয়টা অস্বস্তিকর, কিন্তু তুমি কি এখনও আমাদের সম্পর্কের মধ্যে আটকে আছো?
আটকে আছি? কে বলল আমি আটকে আছি?
তুমি বিয়ের দিন পালায়া গেছিলা? আমি তো ভুইলা গেছি।
পুরানো ইতিহাস… ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মতো!
ও মঞ্চে কাঁদতেছিল, একেবারে বাচ্চার মতো!
- নিজেকে সামলাও! - ১৩টা কুইজিনার্ট ফেরত দিতে হইছে।
- অনেক হয়েছে। - তবে সালাদ শুটারটা রেখে দিয়েছি।
মেইনহাইমার: জেন, তুমি এখানে আছো।
হ্যালো, জেন।
ড. মেইনহাইমার। ফ্র্যাঙ্ক, এ হলেন ড. অ্যালবার্ট মেইনহাইমার।
- উঠো না, পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো। - আমারও তাই।
আমার মনে হয় আমরা হোয়াইট হাউস ডিনারে দেখা করেছি।
ও কোনো মুখ ভুলে না। ওর ফটোগ্রাফিক মেমোরি আছে।
এটা ভীষণ দুঃখজনক ঘটনা। আশা করি দোষীদের খুঁজে পাবে।
আমি দুঃখিত, খুব আশাবাদী হতে পারছি না, তবে আমাদের সামনে এখনও দীর্ঘ পথ বাকি।
এটা সেক্সের মতো… শেষ হয় না, অনেক কষ্ট হয়, শেষে কিছুই ঘটে না!
আর যখন ভাবো সব ঠিকঠাক হইতেছে, তখন কিছুই ঘটে না।
জেইন, গতরাতে যেই মানুষটারে দেখলা... কিছু মনে আছে?
আমি স্কেচ আর্টিস্টকে বর্ণনা দিয়েছি।
এহ… এড! এইটুকুই, ম্যাকটিগ।
ওই আর্টিস্টটাকে আনা উচিত, যে কোনোদিন ডেটে যায় না আর দুইজনের সাথে থাকে।
ঠিক বলেছো। সোরেনসন!
আমি ইনস্টিটিউটের বাকি অংশটা দেখতে চাই, আপনার আপত্তি নেই তো?
অবশ্যই। গবেষণাগার থেকেই শুরু করি।
ভালো আইডিয়া। এইদিকে আসুন।
আপনি গত রাতে যাকে দেখেছেন, ওর ব্যাপারে কী বলতে পারবেন?
- ও সাদা চামড়ার। - সাদা?
হ্যাঁ, মানে হোয়াইট লোক। গোঁফ আছে, লম্বা প্রায় ছ’ফুট তিন।
ভাইরে, গোঁফটা আবার বড্ড বড়! কাহিনীটা কী?
এটা আমাদের গবেষণাগার।
এখানে শত শত পরীক্ষা চলছে,
সবই নিচের মেশিন দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ হয়।
বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ধরে কাজ করছেন, এখন ফলাফল পাওয়া শুরু হয়েছে।
আজ আমরা দুটো যৌগ একসাথে...
হায় আল্লাহ!
বোমা হলেও ল্যাবরেটরি বেঁচে গেছে, আলহামদুলিল্লাহ।
হ্যাঁ, কিন্তু কে এমন কাজ করলো বুঝতে পারছি না।
জেন, তোমার কিছু জানা উচিত।
- জেন, প্রিয়তমা! - কুয়েন্টিন!
জেন, তুমি ঠিক আছো তো? আমি ভীষণ চিন্তিত ছিলাম।
আমি ভালোই আছি, তবে তুমি আসায় ভালো লাগছে।
ফ্র্যাঙ্ক, এ হলেন কুয়েন্টিন হ্যাপসবুর্গ, হেক্সাগন অয়েল কোম্পানি থেকে।
- দেখা হয়ে ভালো লাগলো, মিস্টার... - ড্রেবিন। ফ্র্যাঙ্ক ড্রেবিন।
আমার মনে হয় আপনার কিছু টয়লেট ব্যবহার করেছি আমি।
নিশ্চয়ই করেছেন।
No comments yet. Be the first to leave one.