Alif

Alif

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

Specials

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

Alif Episode-18 Bangla Subtitle By Rana
আলিফ এপিসোড-১৮ বাংলা সাবটাইটেল বাই রানা
আলিফ - বাংলা সাবটাইটেল [এপিসোড ১৮]
Alif Episode 18 Bangla Subtitle
കമന്ററി എഴുതിയത് Md Rana Hasan Protty
⭕🔰২০১৯ সালের জনপ্রিয় পাকিস্তানি ড্রামা উপভোগ করুন বাংলা সাবের সাথে। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং এবং ফিডব্যাক কাম্য।🔰⭕ [রান টাইম-০০:৩৮:১০] [ডাউনলোড সোর্স: youtube]

ടാഗുകൾ

other
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2021-07-20
ഡൗൺലോഡുകൾ: 43
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 189 വരികൾ.

আলিফ : এপিসোড–১৮

-অনুবাদ আয়োজনে "TEAM WBMF" অনুবাদ সহোযোগিতায়ঃ "Team Projapoti"

তাহার তৈরি ছবি,

এক,এক রাতে বানানো মাস্টার পিস।

এগুলা দেখেইতো মন হারিয়েছিলেন।

মনতো অন্য কিছুতে পরে ছিল।

হয়তো কিছু না।

তাহাকে জিজ্ঞাসা করেছন?

না

বলবনে.

মমিনের ভাল কাপড় দরকার,

খেলনা, খাবার, ভাল শিক্ষা।

এই গুলা ভালোবেসে দেয়ালে ঝুলিয়ে রেখে কোনো লাভ নেই।

এই গুলা বিক্রি করলে, কিছু টাকা আসবে।

তাতে মুমিনকে ঠিক মত লালন পালন করতে পারবো

তত দিনে,

তাহা হয়তো কিছু করতে শুরু করবে।

কিনবেতো?

তুমি বলেছিলে কেউ ভুলেনি।

কেন কিনবে না?

এগুলি মাস্টার পিস।

মাস্টার পিস কেন কিনবে না।

যার সাথে কথা বল্লম সে হুসন ই জাহান ছিলেন না,

মা ছিল,

মোমিনকে নিয়ে কথা শুরু করে তাকে দিয়েই শেষ করলো।

সুলতানের চোখে, হুসেন ই জাহান আজও হুসেন ই জাহানই আছে।

সেই গুলা অন্য কারও কাছে কিভাবে যেতে পারে?

কী করতে পারি সুলতানা ভাই?

হুসেন ই জাহানের ছবি,

তুরস্কের বৃহত্তম চিত্রকর দ্বারা তৈরি।

মাস্টার পিস।

সেগুলি আপনার অফিসে রাখুন।

তিনি আপনার প্রচুর হিট সিনেমার নায়িকা।

সুলতান ভাই, সব ৬ বছর আগের কথা।

শুধু আমি জানি, সে হুসেন ই জাহান।

স্টুডিওর দেয়ালে

নায়িকাদের হট ছবির কারনে,

মানুষ দাঁড়ায় দেখার জন্য,

মধুবালার মতো পোশাক পরা কোনো মহিলার ছবি দেখতে কে দাঁড়াবে?

হুসন ই জাহান কি ফিরতে চায়?

দারুন.

বাহ, দারুন কাজ,

কি পেইন্টিং।

এই ছবি হুসন ই জাহানের সৌন্দর্যকে আরো বারিয়ে দিয়েছে।

আমি অবশ্যই কিনবো।

আগে জানলে এতো না ঘুরে, প্রথমে আপনার কাছেই আসতাম।

মানুষ শিল্প ও শিল্পীর মূল্য দিতে জানে না।

একদম ঠিক বল্লেন, সুলতান ভাই।

এ জাতীয় দুর্দান্ত কাজের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে ভুলেই গেছে।

তারা বলে হুসেন ই জাহান কে?

ছয় বছরেই তাকে ভুলে গেছে,

৬০০ বছরের পুরানো কিছুতো নয়।

খারপ, খুবই খারাপ।

ঠিক আছে,

চেক দিবেন তো?

না সুলতান ভাই, নগদ দিব।

এত টাকা নগদে?

বেশিতো দিতেই হবে।

সব পরে হবে, শত হলেও আমার প্রিয় অভিনেত্রীর ছবি।

এটা কি?

ছবির মূল্য,

আপনি যা ইচ্ছে বিবেচনা করতে পারেন।

মাত্র ২,০০০,

এমন ছবির জন্য?

হুসেন ই জাহানের এই ছবিগুলির জন্য।

২০০০ টাকা অনেক বেশি সুলতান ভাই,

হুসেন ই জাহানের এই ছবি বাড়িতে কে রাখবে?

কিনেছি শুধু শিল্পের সম্মানের, অন্যথায়,

দেখেন,

নূর জাহানের প্রথম চলচ্চিত্রের ছবি,

মধুবালা, নার্গিসের দিকে তাকান,

সব গুলা পড়ে আছে।

কিনার কেউ নেই।

কিছু টাকা দরকার.

রেডিও পাকিস্তানের চেক, নগদ করে নিও।

শুক্রবার বিয়ের জন্য আসব,

২ মাস পরে নিয়ে যাব,

বাড়ি বিক্রি করে ফেলেছি,

বারাতে কোনো ঘর নিয়ে দিব।

এই গুলা রেখে দেও।

আপনার সমস্ত ছবি বিক্রি হয়েছে,

আরও থাকলে সেগুলিও বিক্রি হত।

দ্রুত টাকা ব্যবস্থা জন্য বলেছিলেন,

না হলে ৭০০০০ এর পরিবর্তে লক্ষ টাকা বিক্রি করতে পারতাম।

আপনি তাড়াহুড়ো করছিলেন।

আপনি সব কিছুতেই তাড়াহুড়া করেন,

ব্যাক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছি। বাকিটা চিঠিতে লিখেছি।

আমি সুরাইয়াকে বিয়ে করেছি,

আপনি বলেছিলেন,

সে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ,

একদম আমার মতো.

সেই চিঠির কোনো উত্তর পাইনি,

অনেক চিঠি লিখেছিলাম।

হুসেন ই জাহানের কোনো চিঠিরই সাড়া পাইনি।

অনেক দিন পর পেয়েছিলাম।

তখন তিনি আমার সামনে বসে ছিল।

কি হয়েছিল?

ভুল হয়ে গেছে,

সে ক্ষমা করেনি।

সুলতান এসেছিল?

না

এসেছিল.

কেন ডেকেছিলে?

হ্যাঁ, দেখা করতে,

অনেক দিন দেখা হয় না, তাই তুরস্কে দেখা করতে এসেছিল।

ছবি গুলি কোথায়?

রেখে দিয়েছি, দেয়াল জুড়ে ছিল।

সুলতান, ছবি নিতে এসেছিল।

তুমি তাকে বিক্রির জন্য দিয়েছ?

সন্দেহ করবে না। হুসেন ই জাহান!

আমাদের টাকা দরকার, তাহা,

কালব ই মমিন আর বাড়ির জন্য।

এগুলি ভালবাসার স্মৃতি ছিল,

যা তোমাকে ভালোবেসে এঁকেছিলাম।

যা জন্য বাবাকে কষ্ট দিয়েছি,

আল্লাহ কে কষ্ট দিয়েছি।

আর তুমি কিনা নিজেকে বাজারে নিয়ে গেলে।

সবার কাছে বিক্রি করতে।

দেহ, চোখ,

চেহারা,

তোমার প্রেমে এই গুলা বানিয়ে ছিলাম।

তুমি তা বিক্রি করে দিলে।

কালব ই মোমিনের দরকার ছিল। নিও না তাঁর নাম!

তার দরকার নেই। তোমার দরকার।

তুমি আমার ভালবাসার মান রাখলে না,

যে ভালবাসার জন্য আমি শেষ হয়ে গিয়েছি।

আমার ভালবাসা তোমাকে শেষ করে দিয়েছে?

তোমাকে শেষ করেছে না আমাকে?

আবদুল আল তাহা,

আমি তোমার প্রেমে শেষ হয়ে গেছি।

তুমি আমার চোখে ছোট হয়ে গেলে।

রানী থেকে আবার রাস্তায় ফেলে দিলাম।

তুমি এখন সাধারণ মহিলা,

সাধারণ!

আমি যদি সাধারণ হই,

তুমিও সাধারণ পুরুষ।

আমি যে আধ্যাত্মিকতার পরে এসেছি,

-এখন আর সেটা নেই, - তুমি গ্রাস করে নিয়েছ।

তোমার উপাসনায়,

আমার আধ্যাত্মিকতা নষ্ট করে দিয়েছে।

তোমার দেহ আমার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

রুপ দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিয়েছে,

সঙ্গ দক্ষতা কেড়ে নিয়েছে।

আর এতোটা শেষ করেছো যে, এখন একটা খালি ডিব্বা হয়ে গেছি।

নিজেকে বিক্রি করছ, ঘর চালাতে পারিনা বলে।

সন্তান পালতে পারবো না বলে?

আমাকে অকেজো করে দিলে।

হুসেন ই জাহান দুনিয়া ছেড়ে তোমার কাছে এসেছিল।

আর তুমি তাকে অচল মুদ্রা বানিয়ে দিলে,

সব দোষ আমাকে দিচ্ছ,

তার জন্য পরীক্ষার আমার দিতে হচ্ছে।

তোমার আধ্যাত্মিকতা কেড়ে নিয়েছে,

আমার সৌন্দর্য?

আমার শরীর?

এই সব সে দিনই কবর দিয়ে দিয়েছি, যেদিন তোমাকে বিয়ে করেছি।

কি বললে তুমি,

আল্লাহ জন্য পোড়বে,

মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত,

নিজেকে তোমার করেছিলাম।

তুমি কি করেছো?

চলে যাও!

আর যা কিছু হিরিয়েছো তা আবার অর্জন কর!

চলে যেতে বলছ।

হ্যাঁ.

চলে যেতে বলছি।

তোমার দক্ষতা আবার ব্যবহার কর,

আমার জন্য আর কিছুই হারাতে হবে না।

ভালোবেসে ভুল করেছি।

পাপ করেছি,

আল্লাহর ভালোবাসা তোমার মাজে খুজেছি।

শির্ক করেছি।

তোমার জন্য এখন আমি বালুতে পরিনত হয়ে গেছি।

যদি আল্লাহর হতাম,

উনি আমার হয়ে যেতো।

পাপ করেছি, আবদুল আল তাহা।

তোমার উপাসনা করে,

তবে আজ সব শেষ করছি,

তুমি মিথ্যা,

তোমার ভালোবাসা মিথ্যা।

তুমি আমাকে অপমান করলে,

মূল্যহিন করে দিলে,

আমি মিথ্যাবাদী, আমার ভালবাসা মিথ্যা,

তবে যাকে ভালোবেসেছি, সে নয়।

তুমি হুসেন ই জাহান,

তুমি পরকাল শেষ করে দিয়েছ।

অনুবাদ ও সম্পাদনায় ⌛ মোঃ রানা সরকার ⏳

ফিল্ম নয় কেন?

কারণ তোমার প্রতি আমার ভালবাসা খাঁটি আর শুদ্ধ।

কাউকে এভাবে কথা বলতে শুনিনি।

അഭിപ്രായങ്ങൾ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left