ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সত্য ঘটনার অবলম্বনে তৈরী
বার্সেলোনা, ফেব্রুয়ারি,১৯৭৬
ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর তিন মাস পর
বের হও।
নেমে আসো।
এই দিকে।
- যাও। - চুপচাপ থাকো।
📝 অনুবাদ ও সম্পাদনায় ⌨ 💠 🟣 আব্দুল্লাহ আল মামুন 💠 🟣
প্রিজন ৭৭
তুমি কি ঠিক আছো?
আপনার কাছে সিগারেট হবে?
নাম কি তোমার?
লাইট টা?
জুয়ান।
তবে সবাই রুবি বলে ডাকে।
তোমার বয়স কত, রুবি?
১৬।
- উঠে দাড়া! - আচ্ছা, জুয়ান ভিসেন্টে লোপেজ।
বেরিয়ে এসো জুয়ান ভিসেন্টে লোপেজ।
- জুয়ান ভিসেন্টে লেপেজ কে? - আমি।
তুই কি বয়রা?
বলতেছি তু্ই কি বয়রা!
যখন তোমাকে কিছু বলবো উত্তর দিবে, বুঝলে!
সে এখনো বাচ্চা।
তুই চুপ কর।
এখন বাচ্চা। এক বছর পর হবে হারামজাদা।
বাকি সবার মতন।
এই দিকে।
চলো!
- আবার ফিরে আসলি? - কি আর বলবো?
- জায়গা টা আমাকে টানে। - বাইরে কতদিন ছিলি?
জানামতে, এক সপ্তাহ।
- বস আর উঠ। - ঘুরে দাঁড়াও।
- এইবার আবার কি করলি? - কিছু না।
- পারিবারিক ঝামেলা। - হা কর।
- তোর একটা কাজ করা উচিৎ। - আমার দিকে তাকান।
আপনি কি চাকরি দিবেন?
সরকার দিবে।
তাতে আমার কি...
ছোঁয়াচে রোগ আছে?
দেখো।
উকুন?
হারুন স্যার।
- আমার মাথা চেক করবেন না? - আমাকে এ নামে ডাকবি না।
তোমার ধারের কাছেও যাবো না, বেজন্মা।
ঘুরো আর দেখাও। পা ফাঁক করো।
গুড এভিনিং, ডমিঙ্গো, স্যার।
পোশাক পরে নাও। তুমিও।
এই স্যুট টা ২৫০ ইউরো দিবো।
এটা বিক্রি হবে না।
উঠ।
শোন। মিঃ ডমিঙ্গো দাম ঠিক বলেছে।
বিক্রি করে দে নাহলে ভিতরে ফ্রিতে নিয়ে নিবে।
পোশাক পর। স্বাস্থ্য পরীক্ষা দিতে হবে।
সংক্রামক আছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য দুই সপ্তাহ আলাদা থাকবি।
কম্বল আর ম্যাট্রেস নি।
ম্যাট্রেস হবে না। এটা ২৫০ ইউরো।
- আমার কাছে কোন টাকা নেই। -তাহলে ম্যাট্রেসও নেই।
বালতি নি। পানি নষ্ট করিস না কাল পযন্ত এটা চলাতে হবে।
আমি খাবার চাই না, গোসল করতে চাই।
- কি জন্য? - এখানে তিন দিন ধরে আছি।
শরীর জখমে ভরে গেছে।
- এখানে ছাঁরপোকা আছে। - মারবি।
বাজে গন্ধ এসবের।
বালতি ব্যবহার করো। স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলাকালীন গোসল নিষেধ।
কেন ?
রুল বইয়ে লেখা আছে তাই।
রুল বই দেখতে চাই।
রুল বই দেখবি?
- সত্যিই দেখবি? - সরে যাও, রামেন।
পথ ছাড়ুন।
খিদা লেগেছে?
চেনা চেনা লাগছে। লা লাদেরা, তাই না?
মন্টজুইকের পাশের বস্তি টা।
- আপনি ভুল করছেন। - অসম্ভব।
আমার স্মরণশক্তি ভালো। তোমার একটা প্লেট লাগবে।
কিছু লাগবে?
মেয়ে আর হেলিকপ্টার
ছাড়া আমি সব দিতে পারি। শুধু বলো।
চুপ কর, ব্ল্যাকি।
- আমাদের তাড়াতাড়ি করতে হবে। - আসছি, রামেন।
বিড়ি খাও?
- আমার কাছে কোন টাকা নেই। - যখন খুশি দিও।
প্রতিবেশী হিসাবে তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি। চাপ নিও না।
আরো খুশি হবে। মুরগী মাংস খেলে বুঝতে পারবে।
লেগ পিস দিয়েছি।
রঙে লাফাও
আমি বের হবো কখন?
প্রতিরোধমূলক বিচার না হওয়া পর্যন্ত।
- বিচার কবে হবে? - জানি না।
- কতদিন লাগতে পারে? - জানি না।
তবুও?
কিছুই জানি না।
তুমি প্রায় এক মিলিয়ন ইউরো চুরি করেছো।
কি?
কত বললেন?
৯৯৭ হাজার ইউরো।
দেখো, এখানে লেখা আছে।
এটা ভুল। শুধু ৫০ হাজার নিয়েছি।
তাও অগ্রিম বেতন টা।
- বাকিটা আমি নেইনি। - এটা অনুযায়ী,
তোমার বন্ধু,অ্যাকাউন্টিংয়ের হেডকে এটা নিশ্চিত করেছে।
কে?
মিগুয়েল ফেরান রিকুয়েসেন্স।
সে তার বাবার সাথে অভিযোগ পেপারে স্বাক্ষর করিয়েছে,
- কোম্পানির মালিক। - এটা মিথ্যা কথা।
এটা তার বুদ্ধি ছিল, সে এটার প্রস্তাব দিয়েছিল।
আচ্ছা, কোম্পানীর অর্ধেক লোক স্বাক্ষী আছে তারা ভিন্ন কথা বলছে।
তারা সবাই বলছে যে তুমি ইনকামের চেয়েও বেশি ব্যয় করেছো।
অবশ্যই তারা এমন বলবে। কারণ সে মালিকের ছেলে।
কিন্তু তুমি তো না।
সাজা হলে কতদিন হতে পারে?
ছয় থেকে আট বছরের মতন।
আমি অপরাধী না।
এটার জন্য ছয় বছর এটা হতে পারে না।
তুমি চাইলে একজন প্রাইভেট আইনজীবী নিয়োগ করতে পারো। আমাকে যেতে হবে এখন।
আজকে আরো পাঁচটা কেস দেখতে হবে
আর তারা সবাই তোমার মতোই নির্দোষ।
বিচারের ব্যাপারে কিছু জানলে জানাবো।
আমি গোসল করতে চাই!
আমি গোসল করতে চাই!
আমি গোসল করতে চাই!
আমি অপরাধ করি নাই!
আমি ম্যানুয়েল মেরিনো, এখানকার ওয়ার্ডেন।
আপনি নাকি আমার সাথে দেখা করতে চান।
আমি খাবো না।
আজ, কাল বা পরেও। যতক্ষণ না আমি
গোসল করতে পারবো ততক্ষণ আমি কিছু খাবো না।
আর আমি কারাবিধি বিভাগে অভিযোগ দায়ের করতে চাই।
এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে এভাবেই আছি।
কখন বের হবো তারও কোন ধারণা নেই।
পশুর মতন
বালতির পানিতে ধোয়া আর খাওয়া।
তাকে ম্যাট্রেস দেও নাই কেন?
অভিযোগ লেখার জন্য তাকে কাগজ আর কলম দাও।
আর তার গোসলের ব্যবস্থা করো।
এটা আমাদের পক্ষ থেকে।
তারা এটা দিতে বলেছে।
ধৈর্য ধরো, তুমি একা নও।
আমি কাল চলে যাচ্ছি, আমি কাল চলে যাচ্ছি।
দারুণ, জুয়ানিতো,
- কোন সময়? - আগামীকাল।
আমি কাল চলে যাচ্ছি। আমি কাল চলে যাচ্ছি।
পিছনে, তৃতীয় ব্লক।
আগে যা।
আসো, সে খাচ্ছে।
আর তুমি, ওঠো। তোমার কি শিষ্টাচার নেই?
পিনো।
ম্যানুয়েল।
স্যুটকেসটা দাও?
এটা তোমার বেড।
নাকি তোমার সাথে ঘুমাবে, পিনো?
শোনো, ম্যানুয়েল।
তুমি ব্ল্যাকির প্রতিবেশী হওয়াতে সে তার বেডের উপরে জায়গা দিয়েছে।
- পিনো, তাকে শার্টগুলো দেখাও। - কিন্তু এই সেলটা আমার।
আর আমি যা বলবো তাই হবে, বুঝলে?
বুঝতে পারছি।
জানি, তুমি স্যানিটারী বিভাগে ঝামেলা করেছো।
কিন্তু এখানে কোন বন্দী বা ফোস্কার সাথে করা যাবে না।
ফোস্কা মানে গার্ডদের কথা বলছে।
এটা আমার দিক।
যখন পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকে তখন সব ঢাকা থাকা।
নক করবে, উত্তর দিবো যদি উত্তর না পাও
মনে করবে আমি ভিতরে নেই।
বা মন ভালো নেই। তুমি কি পড়তে পারো?
অবশ্যই, সে পারে।
তার পোশাকটা দেখো।
কখনো উপন্যাস ধরবে না।
সব একি রকম উপন্যাস।
মহাকাশ যান, ভবিষ্যতবানী, এসব আর কি...
হাগু প্রয়োজনে, ব্ল্যাকির কাছে কাগজ চাইবে।
উপন্যাসের পাতা নিও না।
আর যদি বই পড়তে চাও তাহলে অন্যদের মতন ভাড়া দিতে হবে।
প্রতি বইয়ে ২০ ইউরো।
তার শার্টগুলো দেখো?
এবার শার্টের পালা।
যদি ওসবের কাছে গিয়ে নিঃশ্বাস টাও ফেলো
- তাহলে বিচি কেটে ফেলবো। - বলছে, শুধু একবার নিঃশ্বাস ফেললে।
সে ফ্যাশনেবল মানুষ।
মনে হয় কি না কি জিনিস।
বুঝছো?
বুঝছি।
নিবে?
গুড।
এসব শেষ করো।
- হাই। -দামিয়ান !
এখানে আসো।
ছেলে তো বড় হয়ে গেছে। এটা কি আমার ছেলে?
অবশ্যই তোমার।
আর মারিবেল,
কেমন আছো?
তোমার কি বয়ফ্রেন্ড আছে?
ছোট সোনা, তুমি কি বাবাকে মিস করো?
আমাকে কিছু বলো?
- যাও অ্যান্টি কারমেনের সাথে বাইরে খেলো । - বাই!
তোমার বোন কই?
- বাইরে। - ভিতরে আসবে না?
- সে ভালো অবস্থায় নেই। - কি?
লুসিয়া, জোরে বলো।
সে ভালো নেই। সে তোমাকে এ অবস্থায় দেখতে পারবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.