ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সোচ্চার হোন।
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
- হ্যালো? - মানু...
রাতে খাইছো তো?
আমি খাইছি, তুমিও খেয়ে নাও।
গাড়ি ধীরে ধীরে চালাতে হচ্ছে। রাস্তার অবস্থা ভালো না।
তাড়াহুড়োই দুর্ঘটনার কারণ। সাবধানে আসো কিন্তু।
আমরা দুজনই নিরাপদে ফিরবো।
আমি একটা বই পড়তেছি। তুমি ফেরার আগেই পড়ে শেষ করে ফেলবো।
- কী হলো? - ভুল করে ফেলেছি। পেদলা রোডের বদলে কামারাত্তু রোডে চলে এসেছি।
মানু, ওখানে কী যেন ছিল!...
কোথায় আছো এখন?
জলদি গাড়ি বের কর।
"রাঙ্গি তারাঙ্গা"
রঙ্গিন তরঙ্গ
কী হয়েছে?
তোর নাম পান্ডু না, গা...
...গান্ডু রাখা উচিত ছিল! আয়!
পান্ডু মহাভারতের চরিত্র। উত্তর ভারতের হস্তিনাপুরের রাজা এবং খুব ভালো যোদ্ধা ছিলেন।
আমি যাবোনা। কুকুরটা ওখানেই আছে!
সান্ধ্যি, সিনেমা বানাবো বলে মিথ্যা বলতেছি। ধরা পড়ে যাই যদি? ভয় করতেছে আমার! লোকটাকে দেখেই ভয় করে।
তোর ভয় কাটানোর একটা সিম্পল আইডিয়া আছে। একটা বইয়ে পড়ছি আমি।
যদি কাউকে ভয় করে, সে উলঙ্গ হয়ে আছে কল্পনা করবি। তাহলে আর ভয় করবে না।
বুঝলাম না!
দ্যাখ, কাঁঠালকে বাহির থেকে খুব শক্ত মনে হয়।
কিন্তু যখন কেটে ফেলি, ভেতরে কী দেখি?
নরম ফল!
তেমনি, কোনো মানুষকে যদি কঠিন মনে হয়, তাকে উলঙ্গ ভাবলে আমরা কী দেখি?
নরম ফল?!
নারে গাঁধা! নরম মানুষ!
ভাইজান, আপা জিগাইতাছে সকালে কী খাইবেন?
সকাল বাকি আছে এখনও? দশটা বাজে! কী করতেছিল এতোক্ষণ?
কারও মধ্যে কোনো সিরিয়াসনেস নাই! সময়ের মর্ম বোঝেনা!
তো তুমিই... বারবার ফোন করে কান ঝালাপালা করে ফেলতেছিলে?
কীসের সিনেমা বানাতে চাও তুমি?
আনুশকুর একটা উপন্যাস "সমীরণ ছায়া" অবলম্বনে ফিল্ম বানাতে চাই।
আর তুমি কে?
স্যার, আমি?!
হ্যাঁ গো, তুমি!
বস্ত্র অপহরণ!
স্যার, ও নিলেশ, ও-ই এই ফিল্মের ডিরেকশন দেবে।
কি? ডিরেক্টর?!
মনে হচ্ছে এখনও স্কুলে পড়ে রে!
এই আগস্টে আমার ৩০ বছর হবে, স্যার।
তো? আমি কি ডান্স করবো?
ডান্স পার্টির আয়োজন করিনি, ফ্রেন্ডরা যদি এরেঞ্জ করে...
মি: সোবার্স, ওই গল্পের ব্যাপারে আনুশকুর সাথে একটু কথা বলবো।
আনুশকু ক্যামেরায়, মুখোমুখি, ফোনে কোনোভাবেই কারও সাথে কথা বলেনা।
মিঃ সোবার্স, আনুশকু একজন বিখ্যাত লেখক। এওয়ার্ড উইনিং লেখক!
তিনি কে, কোথায় থাকেন- এসব জানতে চায় মানুষেরা, তার ফ্যানেরা।
- অন্তত এই ফিল্মে এগুলো তুলে ধরতে চাই। - তা যাই হোক! ফ্যানদের কথা ছাড়ো!
আনুশকু পুরুষ নাকি মহিলা আমি নিজেই জানিনা এখনও!
পুরুষ নাকি মহিলা খুব সহজেই বোঝা যাবে। স্যার, আজকাল মেডিকেল টেকনোলজি...
কাপড় খুললেই তো বোঝা যাবে, তাই না?
পুরুষ-মহিলা বুঝতে নাকি মেডিকেল টেকনোলজি! ইডিয়েট!
দেখো মা, আনুশকুকে আমি নিজেই দেখিনি এখনও, কথাও বলেনি জীবনে।
তাহলে তাঁর লেখাগুলো আপনার প্রকাশনায় ছাপে কিভাবে?
আমি নিজে গিয়ে ওর লেখা নিয়ে আসিনা, ও-ও দিয়ে যায়না। সব পোস্ট করে পাঠায়!
তাহলে ওনার এড্রেস তো থাকবে?
আমার যদি কিছু দেওয়ার থাকে, তাহলে ওর দেওয়া পোস্ট বক্স নাম্বারে পাঠিয়ে দেই।
পোস্ট বক্স নাম্বার আর এড্রেসটা পেতে পারি?
সন্ধ্যা না? তোমার এই সিনেমা বানানোর ব্যাপারটা ওকে পোস্ট করে জানাবো।
ও হ্যাঁ বললে বলবো তোমাকে।
এই, যদি নাস্তা এখনও না হয়, অন্তত একটু বিষ দাও খেতে। তাও তোমার অত্যাচার থেকে বাঁচি!
অনেক ধন্যবাদ।... আমরা যাচ্ছি এখন।
এসো মা...
ওখানে কি জুতোর গন্ধ-বিচার করতেছো?
আশীর্বাদ করুন স্যার!
চরম বিপত্তি হোক!
সাবটাইটেল অনুবাদ ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
গানঃ "Kareyole" কথা ও কম্পোজঃ Anup Bhandari শিল্পীঃ Inchara Rao
ত্রিভিয়া: এই গানটি অনুপ ভান্ডারির একটা ব্রিলিয়ান্ট ওয়ার্ক! খেয়াল করলে দেখবেন গানের প্রায় সবগুলো শব্দ 'ক' দিয়ে শুরু।
আর তাছাড়াও, পুরো মুভিটির মূলভাব বেশ শৈল্পিক ভাবে এই গানের মধ্যেই বর্ণনা করা হয়েছে! চেষ্টা করে দেখুন আঁচ করতে পারেন কিনা।
ত্রিভিয়া: মুভির প্রত্যেকটি গানেই কোনো ইংরেজি কিংবা হিন্দি শব্দের ব্যবহার নেই। খুব সম্ভবত এটাই এরকম একমাত্র কান্নাড়া মুভি!
গৌতম, এইমাত্র স্নান করলাম আমি। ঘামেভেজা হাত সরাও।
চিন্তা কী? আবার স্নান করে নিও!
প্লিজ গৌতম, গিয়ে স্নান করে নাও। বিরক্ত কোরো না।
ওকে। স্নান করার পর তুমি জড়িয়ে ধরবে। তাহলে শোধ-বোধ হয়ে যাবে।
স্বপ্ন দেখো!
তোমার উপন্যাসের ফাইনাল ভার্সন পড়ে দেখেছি।
ঠিকানাটা খামে প্রিন্ট করে দিয়েছি।
গৌতম, অন্তত হাত তো ধুয়ে নাও খাওয়ার আগে।
সিংহ খাওয়ার আগে কখনও হাত ধোয়না!
বাঁদরেরাও ধোয়না!
আচ্ছা, তোমার বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকে ফেলেছি। দেখে ফাইনালাইজ করে ফেলো।
ছবি এঁকে ফেলেছো? দেখাও তো।
আগে স্নান করে এসো।
যদি না দেখাও, আবার জড়িয়ে ধরবো।
ছিঃ! ঠিক আছে দেখাচ্ছি!
হরিনি!
কে এটা?
তখন একজন প্রতিবেশী এসেছিলো। তারই ডায়েরি। ভুল করে ফেলে গেছে বোধহয়। পরে দিয়ে আসবো।
দেখি, ডায়েরিতে মানুষ লেখেটা কী!
অন্যের ডায়েরিতে একদম নজর দিবেনা। এদিকে দেখো।
তোমার উপন্যাস, উপন্যাসের নামের সাথে মিল রেখে এঁকেছি।
রঙ্গিন তরঙ্গ!
জীবনের তরঙ্গ!
উপরে উঠলে খুশি...
...নিচে নামলে দুঃখ।
রাঙ্গি তারাঙ্গা!
হইছে! আমি নিজেও এতো ইমোশন ঢালিনি এটাতে। স্নান করে এসো।
আমি খেতে যাচ্ছি। তোমার ছেলের খিদে পেয়েছে!
- ইন্দু, আরেকটা বিষয় বুঝলাম না। - কী?
স্নান করে খাবার খাবে নাকি খাবার খাওয়ার পর স্নান করবে?
- পার্সেল ব্যাঙ্গালোরে পাঠাতে হবে। - জাহান্নামে পাঠাতে হইলেও পাঠামু, স্যার। আমি আছি কী করতে?
তোমাকে শুধু এই জায়গাটাতেই পাওয়া যায়।
নাতনির জন্য?
হ্যাঁ, পরশু নাতনির জন্মদিন, তাই কিনলাম।
তোমার স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় করাবে বলেছিলে?
ও একটু অসুস্থ। তাই বাহিরে কোথাও যেতে পারেনা।
ও! ব্যাপার না। তোমাদের ওইদিকে গেলে আমি নিজেই দেখা করে আসবো।
- অবশ্যই। - আসি।
ঘুমাতে পারছোনা?
কী হয়েছে?
- দুঃস্বপ্নটা আবার দেখলাম। - এসো। শান্ত হও।
দেখো, একদম টেনশন কোরো না। যদি কোনোকিছু দেখে ভয় পাও... তাহলে আমার মুখটা মনে কোরো।
আরো বেশি ভয় পাবো তাহলে!
গৌতম, রক্ত বেরোচ্ছে তো!
এখন?!
গৌতম, একটা জিনিস চাইবো তোমার কাছে?
ভূমি, আকাশ- সব তোমার জন্য।
তোমাকে একবার বলেছিলাম। আমার জন্মের আগেই আমার পরিবার গ্রামের বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিল।
ওখানে একটা ভূত মন্দির ছিল আমাদের। দাদা মন্দিরের সব সোনা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছিল।
তারপর থেকে আমাদের আর মন্দিরে না যাওয়ায় ভূত আরাধনার উৎসব আর হয়না।
ভূত আরাধনা মানে ওইতো মঙ্গলরাত্রিতে...
...একদল লোক রং-টং মেখে ভূতের জন্য নাচে?
জানি তুমি এসব ভূত-টূত বিশ্বাস করোনা।
তবুও, গ্রাম ছাড়ার পর আমার দাদা মারা গেছে, মা-বাবা এক্সিডেন্টে মারা গেছে।
গতবার বাচ্চাটা নষ্ট হয়েছে আমাদের। আমিও প্রায় মরতে বসেছিলাম।
আমি কী করবো এখন?
আমরা সেখানে ফিরে যাবো, মন্দিরের সমস্ত স্বর্ণ ফিরিয়ে দেবো, ভূতের আরাধনা আবার শুরু করবো।
এসব কাকতালীয়ও হতে পারে। তবুও কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনা। পরিবারের এতোসব মৃত্যুর পিছে ভূতের অভিশাপ থাকতেই পারে।
গৌতম: কবে যাবো আমরা?
তোমাকে খুশি করার জন্য, তোমার টেনশন দূর করার জন্য নরকেও যেতে পারি।
ট্রেন একটা আছে কাল দুপুর দুইটায়। অনলাইনে টিকিট বুক করে ফেলেছি।
আমি রাজি হবো তুমি আগে থেকেই জানতে?!
জানতাম!
এক মিনিট...
- কী এটা? - খুলে দেখো।
ওটা তোমার হাতের কমলের (পদ্ম) সাথে মিলে গেছে। দেখো একবার।
তোমার গ্রামের বাড়ির নাম কী?
কামারুত্তু...
হয়েছে, এখন যেতে পারি তো?
এতো তাড়া কীসের পাঞ্চালি?
বাসর রাত না?!
এরপর থেকে তো আর আমাকে সময়ই দেবেনা। কতো কতো জরুরি কাজ- সংসার, সন্তান, সম্পদ এসব নিয়ে বিজি হয়ে পড়বে।
চুপ কর তো। ফালতু বকিস না।
পান্ডু, সত্যি করে বল তো, এই মেয়েকে তোর সত্যিই পছন্দ নাকি জোর করে বিয়ে করাচ্ছে?
আত্মহত্যা আর খুন তো একই জিনিস। দুটোতেই মরতে হয়!
দারুণ দিয়েছিস!
আমার গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেছে। দু-তিনদিন গ্যারেজে থাকবে। তোরা হানিমুনে কোথায় যাবি?
পান্ডু: উটি, কেন?
তোর আসতে লজ্জা করলো না?
রাগ করিস না পাঞ্চালি!
তুই হয় ওকে পাঞ্চালি বলা বন্ধ কর, নয়তো আমাকে পান্ডু বলা বন্ধ কর।
পাঞ্চালি পান্ডুর ছেলের বউ ছিল রে!
তোকে আরও কয়টা নামে ডাকবো আমি?
তা উটিতে যাওয়ার পর অন্য কিছু করবি নাকি আমাদের সাথেই লেগে থাকবি?
দাওয়াত দেয়ার জন্য ধন্যবাদ পান্ডু। কিন্তু আমার অন্য কাজ আছে!
কী সেই কাজ? এতোদূর যাচ্ছিস ওটার জন্য!
আমি যা নিয়ে কাজ করছিলাম একটা আর্টিকেলে তার সূত্র পেয়েছি। সেটাই ভালোমতো জানতে যাচ্ছি।
- এটা কি ওই ছদ্মনামী লেখকের সম্পর্কে? কী যেন নাম? - আনাশকু।
তোরা তো হোটেলেই ব্যস্ত থাকবি। গাড়িটা আমি নিয়ে যাবো, আ?
যদি আমাদেরকে কোথাও যেতে হয়?
তুই বেডরুম থেকেই বাহির হতে পারবি না রে!
লেখকটার সাথে আদৌ দেখা হবে তো?
মনে তো হয়। যদি সে এখান থেকে অন্য কোথাও চলে না যায়।
ইন্দু, ভুতের গয়নাগুলো আমি নিয়ে আসছি।
গানঃ "Dennana Dennana" কথাঃ Sadananda Suvarna, Sudhakar Saaja গীতিকারঃ Supriya Raghunandan
ত্রিভিয়া: মুভিটির কিছু ক্ষেত্রে পুরনো এবং জনপ্রিয় একটি কান্নাড়া থ্রিলার মিনি টিভি সিরিজ Guddada Bhoota (1990)'র থিম ব্যবহার করা হয়েছে।
ত্রিভিয়া: যে গানটি শুনছেন সেটি ওই টিভি সিরিয়ালের থিম সং ছিল, যেটির রাইট কিনে এই মুভিতেও থিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। গানটি কান্নাড়া ভাষায় বেশ জনপ্রিয়।
ত্রিভিয়া: এমনকি মুভিটির মুখ্য দুইটি চরিত্রের (গৌতম সুবর্ণা, ইন্দু সুবর্ণা) পদবি সুবর্না রাখা হয়েছে"গুড্ডাডা ভূতা"র পরিচালক সদানন্দা সুবর্ণাকে ট্রিবিউট হিসেবে!
ভূত আরাধনা বা ভূত কোলা ভারতের তুলুনাড়ু ও দক্ষিণ কান্নাড়ার একটি ঐতিহ্যবাহী বাৎসরিক পার্বণ।
এই পার্বণে বিশেষ একদল লোক কস্টিউম-রং ব্যবহার করে ভূত/দৈত্যের রূপধারণ করে এবং ভূত কোলা নাচে (ভূত-নৃত্য)। এই উৎসব ধর্ম-সংস্কৃতি-বিনোদন তিনের মিশেলে হয়।
গাড়ি আর যাইবোনা, ভাই। আপনাগো নৌকায় যাইতো হইবো।
নদীর ওইপাড়ে যাবো, স্যার।
কী?!
কী হলো?!
ওপাড়ে নিয়ে যাবেন তো?
ভাইজান!
তুমি এখানে থাকো। আমি কথা বলে আসছি।
নমস্কার ভাইজান! চলেন যাই।
লাগেজ আছে ওখানে...
আচ্ছা। চলেন চলেন...
রাস্তায় কিছু হইছিল? আসতে ম্যালা দেরি করলেন! দেরি ক্যান?
একটা গাছ রাস্তায় পড়ে ছিল, রাস্তাও ভালো না।
ফোন করতে চেয়েছিলাম। নেটওয়ার্ক পাচ্ছিলো না।
এখানে মোবাইল কাজ করেনা ভাইজান।
ওইখানে একটা মস্ত টাওয়ার বানাইছিলো। দুই বচ্ছর আগে বিজলি পইরা নষ্ট হইয়া গেছে। নেটওয়ার্ক গেছে ভাইঙ্গা!
আপনার নাম কী?
রফিক।
বাড়ি কোথায়?
এইখানেই। তিনটা ডিগবাজি দিলেই সোজা বাড়িতে পৌছে যাবো!
এই কামারাত্তু বাড়ি কতোদূরে?
কামারাত্তু বাড়ি... গাড়ি কইরা গেলে আধা ঘন্টা লাগবো।
কিন্তু রাস্তার অবস্থা একদম ভালো না। ঢ্যারঢ্যারা একদম!
0:024:03,760 --> 0:024:19,760 ...
আমরা তো হাঁইটাই যাই ওইখানে। কিন্তু এখন আপনাগো গাড়িতে কইরা রাইখা আইসা আমি হাঁইটা হাঁইটা ফিরমু।
আপনি অনেক বেশি কথা বলেন।
এক কাজ করুন। গাড়ির চাবিটা দিন। আমিই চালিয়ে নিয়ে যাবো। আপনাকে হেঁটে ফিরতে হবেনা।
No comments yet. Be the first to leave one.