ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
এবার, আমরা শুরু করবো এই খেলার দ্বিতীয় পর্ব।
যেটা ম্যাজিক শো থেকে কোনো অংশে কম নয়।
সেটা হল ২৫ সেন্টিমিটার স্টিলের একটা ভল্টকে কিভাবে খুলবো।
তার চেয়ে জরুরি হলো, কারো নজরে না এসে কিভাবে খুলবো।
আমরা স্রেফ ফাইভ স্টার হোটেলে
ঢুকার মতো করে ঢুকবো এবং বের হবো।
এবং কাজটা দেখে বড় কোনো জাদুকর বাহবা দিবে।
কেইলা, সিসিটিভি হ্যাক করার পর কী করবে?
যখন ভোল্ট এবং পাশের রুম খালি থাকবে, তখন সেটা রেকর্ড করে
প্রয়োজন মত প্লে করব।
ওয়াও। এখানে দেখি শ্যাম্পেইনের ছড়াছড়ি।
সরি। এক্সকিউজ মি।
শ্যাম্পেইন পছন্দ কর, ব্রুস?
হ্যা। মানে প্রতিদিন খাই না, তবে পছন্দ করি।
তাহল, বোতল খোলো এবং খাওয়া শুরু কর।
না, সমস্যা নেই, অন্য সময় খাওয়া যাবে।
না, না, না, না, না।
কেইলার কাজে যেহেতু বিঘ্ন ঘটিয়ে দিলাম, তো সুযোগটা হাতছাড়া করা ঠিক হবে না।
তাই আর দেরি না করে,
বোতলটা খোলো।
হুম৷ না।
না। সময় নিয়ে এটার মজা নাও।
এবার, মুখের ভেতর বিস্ফোরিত লেবুবর্গের বুদবুদ অনুভব করতে পারছ?
হ্যা৷ হ্যা। পারছি।
- বুদবুদ। - ভালো৷ এইতো হচ্ছে।
না, না, না, না, না, না।
ব্রুস, দেখ, শ্যাম্পেইন হলো সফেন মদ।
একবার বোতল খুললে, এটার স্বাদ কমতে শুরু করে।
তাই অনুরোধ করছি, পুরো বোতল শেষ কর।
এবার কাজে ফেরা যাক তাহলে?
- নাকি আরো কিছু খাইতে মন চাচ্ছে? - না। ঠিক আছি, ধন্যবাদ।
এটা খাও, নইলে অসুস্থ হয়ে পড়বে।
তোমরা হয়তো এটাকে নরমাল ক্লাসরুমের সাথে গুলিয়ে ফেলছো।
ভাবছো উঠে এদিক-ওদিক হাটাহাটি করতে পারবে।
চক ছুড়ে মারতে পারবে বা ইচ্ছামত ফ্রিজ খুলতে পারবে।
এখানে পড়া-লেখা চলছে দেখে এসব ভাবা স্বাভাবিক।
কিন্তু এখানে বিস্তর ভিন্নতা আছে।
গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ সমেত।
যদি কেউ ঝামেলা করে,
অথবা তুমি করো,
তাহলে তারা কিন্তু স্কুলের মত সহজ শাস্তি দিবে না।
সোজা জেলে ভরে দিবে।
আর ফ্রান্সে, এটার জন্য ১৬ বছর জেল খাটা লাগবে।
তাই, ক্লাসে কেউ অমনোযোগী হওয়া মানে সবাইকে বিপদে ফেলা।
বুঝা গেছে?
:.:.: BERLIN :.:.: Episode 03 অনুবাদক: আশিকুর রহমান
আমার এক কাছের বন্ধুর একটা উক্তি, যে আমাকে আগের চুরিতে হেল্প করেছিল,
"চুরি ব্যস কোনো অধ্যায় নয়।"
"এটা সম্পূর্ণ একটা পাঠ্যবই।"
তোমার বন্ধু আমাদের সাথে নেই কেন?
সে তার চুরির প্ল্যান নিয়ে ব্যস্ত।
যেটা অনেক দারুন হতে চলছে।
সত্যি বলতে, সে তার অর্ধেক জীবন এটার পিছনে লাগিয়েছে।
কিন্তু তোমার প্রশ্নটা দারুন ছিল।
আমি নিশ্চিত তোমরা ভাবছো
আমি দক্ষ কোনো চোরকে ভাড়া না করে,
তোমাদের মত মূর্খকে কেন ভাড়া করলাম?
দুইটা কারণে এমনটা করেছি।
প্রথম কারন হলো - চুরির জন্য স্রেফ একটা মস্তিষ্কের প্রয়োজন পড়ে,
যেমটা দামিয়েনের।
আর অন্যটা হলো,
অভিজ্ঞতা, যেটা অহংকার বাড়িয়ে মানুষকে উত্তেজিত করে তোলে।
আর এই টিমে অহংকার বোধ কেবল আমার ওপরেই খাটে।
আর উত্তেজনা তোমাদের জন্য।
আর মানুষের মধ্যে উত্তেজনা না থাকলে কাজে মজা পাওয়া যায় না।
আর তোমরা, আমার তরুণ বন্ধুগণ তোমাদের মধ্যে শিক্ষা গ্রহণের উত্তেজনা দেখতে পাচ্ছি,
আমার থেকে তোমরা অনেক কিছু শিখতে পারবে।
তোমরা অনেক শক্তিশালী হতে পারবে।
উদাহরণস্বরূপ, ব্রুস।
সে আর কখনো ক্লাসে ঝামেলা পাকাবে না, তাই না, ব্রুস?
না, স্যার।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, যেটা তোমাদের কাছে তৃতীয় কারণ হতে পারে,
যখন তোমরা বড়দের মাঝে থাকবে,
নিজেদেরকে চাঙ্গা অনুভব করবে।
তাই না, দামিয়েন?
তোমাদের এই উদ্দীপনা, প্রাণবন্ততা,
এই সৌন্দর্য।
এসব কিছু একজন মানুষের জীবনকে সুন্দর করে তোলে।
এজন্য আমরা ফাইভ স্টার হোটেলে বসে প্ল্যান করছি।
শহরতলীর কোন ভাঙাচোরা বাড়িতে,
নোংরা পোশাক পরিহিত চোরদের ন্যায়, ইঁদুরের মত কোনো গর্তে লুকিয়ে থাকার পরিবর্তে।
কারণ, যদি প্যারিসের রাস্তায় চুরি করতে গিয়ে গুলি খেতে হয়,
তাহলে আমরা জাঁকজমকপূর্ণভাবে মরবো।
এমনকি দামিয়েন নিজেও এভাবে মরবে।
আমার প্রশংসা করার জন্য ধন্যবাদ।
এবার, কেউ ঝামেলা করার আগেই...
কেইলা, তুমি শুরু করো।
নিলামী ঘরের সিসিটিভি ক্যামেরা হ্যাক করার পর
তুমি কী করবে?
আমি আসলে বলছিলাম,
খালি ভল্ট এবং পার্শ্বকক্ষের ফুটেজ রেকর্ড করার পর
প্রয়োজন মত প্লে করব।
রেকর্ড হচ্ছে।
তারপর আমি খালি রুমের রেকর্ডকৃত ফুটেজ
গার্ডদের মনিটরে প্লে করব।
আর যদি নিলামের জন্য মি. পলিনিয়াগ ভল্ট থেকে গহনা নিতে আসে?
তখন কী করবে?
তখন চলমান সময়ে ক্যামেরায় ধারণকৃত রেকর্ড প্লে করব।
আর যদি মি. পলিনিয়াক না হয়?
তার জায়গায় আমরা হলে, তখন কী করবে?
তখন আগের রেকর্ড প্লে করব। যাতে গার্ড খালি ভল্টের ফুটেজ দেখতে পারে।
ওকে, চালু করছি।
আগের রেকর্ডকৃত না-কি এখনকার রেকর্ডকৃত?
মনে হবে সব সত্যি কিন্তু এটা পুরোটাই মিথ্যা।
মাঝখানে কিছু লোক এসে দেয়াল কেটে
লুট করে হবে উধাও।
কঠিন পদ্য বললাম, হাহ?
পার্শকক্ষে ঢুকার পার, ভল্টের পেছনের দেয়াল কেটে ফেলব
যেটা দেয়ালগুলো একসাথে করে রেখেছে।
অতি সুক্ষ হাতে কাটলে একবারে সাত টন স্টিলের স্ল্যাবকে ফালি করা সম্ভব।
কিভাবে আমরা এই পুরু ইস্পাতের দেয়াল কাটব?
এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ইউনিক সিস্টেমের সাহায্যে।
যদি থার্মাল ল্যান্সেস ব্যবহার করি, তাহলে কাটার নিশানা থাকবে।
কিন্ত মনে কর,
ডায়মন্ড কাটতে পারে এমন সুক্ষ তার যদি ব্যবহার করি।
যেটা দুই পোল বিশিষ্ট ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক মোটর।
এটা সেকেন্ডে ৪০ মিটার পর্যন্ত কাটতে পারে।
এটাই আমাদের ফালি করার সিস্টেম হবে।
স্ল্যাবকে ক্রেনের সাথে যুক্ত কর।
তারপর আমরা একসাথে এটাকে ম্যাগনেটিক হুকের সাথে জোড়া লাগাব।
যাতে ক্রেন স্ল্যাবকে ৫০ সেন্টিমিটার উপরে তুলতে পারে।
- আর ক্রেন কোথায় বসাবে? - ঠিক এখানে। ভল্টের ঠিক উপরে।
এই লোহার কাঠামো দুটো কপিকলকে লুকাবে যেটা আমরা নিচে সেট করব।
তারপর রিমোটের সাহায্যে, ক্রেনকে স্ল্যাব উঠাতে সাহায্য করব
গ্যারেজের দরজা খোলার মতো,
যাতে আমরা ভালোভাবে ভেতরে ঢুকতে পারি।
ভল্টের ভেতরের রেকর্ড চালু করেছি।
হ্যা! সাবাশ!
কেইলা, বার্লিনকে বলো আমরা ভেতরে ঢুকেছি।
বার্লিন, দামিয়েন বলতে বলছে, যে আমরা ভেতরে ঢুকে পড়েছি। এখন ভেতরে আছি।
আমরা ভল্টের ভেতরে আছি।
কেইলা, দামিয়েনকে বল সে দক্ষ ব্যক্তি।
এ বছর সেরা চোরের জন্য সে অস্কার পাবে।
দামিয়েন, বার্লিন বলছে, তুমি একজন দক্ষ ব্যক্তি।
এবং সেরা চোরের জন্য তুমি অস্কার পাবে।
এবং বাকিরা,
সেরা ক্রিমিনাল গ্যাং'র জন্য অস্কার পাবে।
এবং আরো বলছে, বাকিরা সেরা ক্রিমিনাল গ্যাং'র জন্য অস্কার পাবে।
আর সবকিছু তোমার জন্যই হয়েছে।
তুমি একটা জিনিয়াস।
ভল্ট কেমন দেখাচ্ছে?
খালি। যেমনটা আশা করেছিলে।
দারুণ। শেষ গহনার অংশটা আসার সময়, আমরা সবাই রেড কার্পেটে হাঁটাহাঁটি করব।
শুধু কয়েকটা দিন অপেক্ষা করা লাগবে,
ততক্ষণে প্যারিস শহর উপভোগ করা যাক।
দিনটা কেমন কাটলো, সোনা?
আমার কথা ভেবেছিলে?
সত্যি বলতে, হ্যা।
এবং এটাও ভেবেছি, এমন কিছু করব যেটা আগে কখনো করিনি।
মানে, জোশ কিছু।
যেমন?
মানে এমন জাঁকজমকপূর্ণ রেস্টুরেন্টের টয়লেটে
চোদাচুদি করা।
বাজি ধরে বলতে পারি আগে কখনো কেউ এমনটা করেনি।
আমরাই প্রথম করব।
এবং এটা সারাজীবন মনে থাকবে।
কী বল?
ওপস।
এবার চোখের দিকে তাকিয়ে বলতে পারবে, যে আমি নিচে কিছুই পরিনি।
বলতেই হচ্ছে, যে তুমি আমাকে চমকে দিয়েছ।
আমি লেডিস টয়লেটে অপেক্ষা করছি।
জলদি আসবে কিন্তু।
আর তুমি? শুনে ভালো লাগলো।
আমার জামাই।
মাত্র এসেছে।
এখন কী করব?
গিয়ে তাকে হ্যালো বল।
বল যে তুমি বিরক্তিকর আর্ট ডিলারের সাথে আছো,
তার সাথে কথা বলতে পারছ না, এজন্য তাকে দিয়ে কথা বলাতে চাও।
বলবে, আমি একজন অসহ্যকর, বদমাশ, অহংকারী বক্সদ।
আমার দিকে তাকাও। যাও। আমি ব্যাপারটা সামলাচ্ছি।
মি. মার্টিনেজ,
আমার স্বামীর সাথে পরিচিত হোন, মি. পলিনিয়াক।
কী কাকতালীয় ব্যাপার,
একই রেস্টুরেন্টে দেখা হয়ে গেল।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
মি. মার্টিনেজ একজন স্প্যানিশ আর্ট ডিলার।
মনে আছে? আজকে তার সাথে লাঞ্চ করার কথা বলেছিলাম।
মম-হুমম। মম-হুমম।
সে সাথে বসলে কিছু মনে করবে?
কোনো সমস্যা?
আমাকে বিরক্তিকর মনে হচ্ছে কি?
না-কি আমি খারাপ কিছু বলেছি? নাকি কাহিনি অন্য কিছু।
হয়তো আমার ভদ্র ব্যবহারে আত্নমগ্ন হয়ে ভাবছেন,
যে আপনাকে পটানোর চেষ্টা করছি।
কী বলছেন কিছু বুঝছি না,
- এভাবে কেন কথা বলছেন। - এটা একদম পানির মতো পরিষ্কার।
আমাদের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তিকে ডাকার কোন দরকার ছিল না।
আমিই চলে যাচ্ছি।
আমি অনেক বড় মাপের আর্ট ডিলার। এখানে শুধু ব্যবসায়িক আলাপ করতে এসেছি,
নষ্টামি করতে আসিনি।
সামলে কথা বল, বাঞ্চুদ।
সীমা অতিক্রম করে কথা বলছিস কিন্তু।
আমরা একটা রেস্টুরেন্টে আছি। তাই আস্তে কথা বল।
বুঝেছিস?
অবশ্যই।
আপনার সাথে আলাপ করে ভালো লেগেছে।
আমি এটা কী করলাম?
করলামটা কী?
বলে বুঝাতে পারব না কতটা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.