ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদে: আশিকুর রহমান।
টাইলার!
ও এখনো শ্বাস নিচ্ছে। শ্বাস নিচ্ছে।
ওর কয়েক জায়গায় গুলি লেগেছে।
আকাশ পথ ঝামেলা মুক্ত।
অনুবাদক: আশিকুর রহমান। সহযোগিতায়: মোহাম্মদ সায়েম।
আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করেছি।
আপু... তাকে এই অবস্থায় ফেলে যাওয়া ঠিক হবে না।
আমি ওকে ছেড়ে কোথাও যাচ্ছি না।
কী বলতে চাও?
মারা খাও।
আমি পাঁচ অব্দি গুনছি।
৪, ৩, ২...
ধীরে ধীরে।
বাড়িতে যাচ্ছ না কেন?
না গেলে কি ধাক্কা মেরে পাঠাবে?
এখন তো সেটাও পারবো না।
ধন্যবাদ, নিক। আমার খেয়াল রাখার জন্য।
এখন এই অবস্থায় কী করব কে জানে।
বিশ্বাস করো বা না করো,
আপনজনদের চোখের সামনে মরতে দেখা অনেক কষ্টের।
কিন্তু তুমি বেঁচে ফিরেছো।
এটার নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে।
জুরাব।
জেল থেকে খবর এসেছে।
ওরা তোমার ভাইকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
গভর্নর।
জুরাব। তোমাকে সবসময় দেখলেই প্রফুল্ল হই।
কেমন আছো, বন্ধু?
ভালোই ছিলাম।
আমার একটা দামি ষাঁড় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
ওটাকে মেরে পুঁতে ফেলা লেগেছে যাতে অন্যগুলো সংক্রমিত না হয়।
তো, সমবেদনার কথা বলতে এসেছ?
খানিকটা সামনে হাঁটবে?
বলেছে এটা জরুরী ব্যাপার।
সকালে শুনলাম আমার ভাইকে তুমি দশ বছরের
কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছো।
তোমার ভাই একজন DEA এজেন্টকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে।
আমেরিকানরা সব জায়গায় আছে।
যখন আমি আর ডেবিট ছোট ছিলাম,
তখন ওকে যেকোনো মূল্যে আমি বাঁচাতাম।
বাবা হলে কখনো ক্ষমা করতেন না।
তাকে জর্জিয়ার জেলে রাখার ব্যবস্থা করেছি।
এমন কি তার পুরো পরিবারকে এখানে রাখার ব্যবস্থা করেছি।
এটা ভুলে যেও না, ঐ অফিসে তোমাকে কে এবং কেন পাঠানো হয়েছে।
সরি। আমার কিছুই করার ছিল না।
আমার একটা দামি ষাঁড় অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
তোমাকে তো বলেছি।
খোদা! তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।
তোমার শার্টের এই হাল কেন? বাজিতে হেরেছো না কি?
- পছন্দ হয়নি? - না।
তোমার জন্য একটা এনে দিচ্ছি। সাইজ কত যেন, ৪৪ না?
তুমি কি চিকন হয়ে গেছো?
চুপ কর।
তোমাকেও মিস করেছি।
সে তোমাকে ওপরে পাঠাতে চাচ্ছিল।
একদমই না। ও মিথ্যা বলছে।
তাইলে তো উপকার হতো।
পরেরবার। ঠিকই করব।
তোমার বোনও একই কথা বলেছে।
কোথায় নিয়ে এলে?
তোমার নতুন বাড়িতে।
স্বাগতম।
আমার মুরগি এনেছো?
আমরা খেয়ে ফেলেছি।
- আর আমার কুকুর? - ওহ, ওটাও খেয়ে ফেলেছি।
চুপ কর, ইয়াজ।
মজা করলাম। ওটা এখানে কোথাও আছে।
- এখানে আমি কী করবো? - যেটা খুশি।
মানে- হাইকিং করতে পারো।
কিছুদিন থাকলে মন ভালো হয়ে যাবে।
এখানে থাকতে ভালোই লাগবে।।
ওকে ব্রাদার। তোমার শার্ট পাঠিয়ে দিব।
কী এটা?
তোমার বাড়িতে এগুলো পেয়েছি।
তোমার পুরো জিন্দেগি একটা ছোট্ট বক্সে ঠিক হয়ে গেছে।
হয়তো এখন এটা পরিবর্তনের সময় হয়েছে।
আবার কবে দেখা হচ্ছে?
যখন কোন কিছু উদযাপন করব।
অবসর উপভোগ করো।
হ্যাঁ, বালের অবসর।
হেই, হেই, হেই, হেই।
তোমাকে অনেক মিস করেছি।
একদম ঠিক।
ওদের জাগাবে না। এই পরিবেশে ওরা ঘুমাতে পারছে না।
এদিকে এসো।
না।
না?
আজকে না।
এক সপ্তাহ হলো ওরা আলোর মুখ দেখেনি।
এভাবে ওরা বাঁচতে পারবে না। ওদের জন্য কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কষ্ট?
ওদের এভাবে বেড়ে ওঠা দরকার।
লুকানোর অনেক জায়গা আছে।
কিন্তু তোমার ভাই এখানে রেখে রক্ষা করতে চায়।
আমার ছেলেকে নাগাজি বানাতে চাই না।
তোর থেকে ব্যস ওই মোটা মুখটা চাই।
কী করতে চাও?
তোমার সেলে নিয়ে যাবে?
- ভুলে যাচ্ছিস না কি তুই আমার স্ত্রী? - তোমার সম্পত্তি তো আর নই।
আমি ওদেরকে আমার মত করে বড় করব, বুঝা গেছে?
তুই টেরও পাবি না।
মা, ঠিক আছো?
ভেবেছিলাম তুমি ঘুমিয়ে পড়েছ।
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ।
সরি।
সমস্যা নেই, সোনা।
চিন্তা করো না। সব ঠিক হয়ে যাবে।
বাবা সম্ভবত ঠিক বলেছে।
আমার কষ্ট করে বড় হওয়া উচিত।
যাতে নাগাজি হতে পারি।
সত্যি বলতে, দৃশ্যটা সুন্দর, কিন্তু এই চা?
একদম তেতো।
ঘরে একটুও দুধ নেই।
তুমি কি হারিয়ে গেছ?
তুমি কি রেক?
আমি আগে প্রশ্ন করেছি।
হ্যাঁ, কিন্তু উত্তর তোমার ওপর নির্ভর করছে।
দেখো, তুমি যদি ওই রেক হও, যাকে নিয়ে মুম্বাইয়ে চর্চা হয়।
যে কঙ্গো থেকে দুজন সাংবাদিককে বের করে দিয়েছিল,
যে রিওতে মেয়র কে বাঁচাতে দুটো গ্যাং'কে পরাজিত করেছিল,
তাহলে তোমাকে দেখে খুশি হব।
কিন্তু বলতেই হচ্ছে, তুমি আর আগের অবস্থায় নেই।
কী হয়েছিল? ব্রিজ থেকে পড়ে গিয়েছিল?
কাপটা রেখে, গাড়ি স্টার্ট দিয়ে, এখান থেকে চলে যাচ্ছিস না ক্যান?
এত রাগ ভালো না, তাই না?
কারণ আমাদেরই কোন বন্ধু তোমাকে একটা কাজের অফার দেয়।
আমার কোন বন্ধু নেই।
হ্যাঁ, তবে এই বন্ধুর কাজটা মনে হয়
একমাত্র তুমিই করতে পারবে।
আমার? তা মনে হয় না। তুমি কি বন্দুক চালাতে পারবে?
এজন্যই তোমার কোন বন্ধু নেই।
যে পাঠিয়েছে তার কাছে গিয়ে বল আমি কাজটা করবো না।
আচ্ছা?
এটা যদি তোমার সাবেক স্ত্রী হয়? মিয়া!
তোমার কুকুরকে জামা পড়িয়েছো?
হ্যাঁ, একজন বন্ধু দিয়েছিল।
তো, মিয়া সমস্যায় পড়েছে?
না, ওর বোন।
ওর আবার কী হলো?
ও এখন নিজের বাচ্চাকাচ্চা সহ জর্জিয়ার জেলে আছে।
ওর স্বামী আটকে রেখেছে, ভাবতে পারো?
- তার নাম ডেবিট... - ডেবিট রাধিয়ানী। আমি তাকে চিনি।
শেষবার যখন তাকে দেখেছিলে,
জর্জিয়ার রাস্তায় সে তার ভাই জুডরাবের সাথে ব্যাগে করে ড্রাগ বিক্রি করছিল।
কিন্তু ৮ বছর পর, তারা একটা সম্রাজ্য খাড়া করেছে।
নিজেদেরকে নাগাজি বলে পরিচয় দেয়।
যার মানে মেষপালক।
তারা যুদ্ধের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিল।
এবং সেখানেই বড় হয়েছে।
ছোটবেলায়, তারা জর্জিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচার জন্য,
সবকিছু ছেড়ে,
আর্মেনিয়া পালিয়ে গিয়েছিল।
সেখানে তাদের চাচা, আভতানদিল, তাদের আশ্রয় দিয়েছিল
এখনো, সে-ই তাদের কাজ সামলায়।
কিন্তু আর্মেনিয়াতে, তারা নতুন যুদ্ধের সম্মুখীন হয়।
সেখানে বেঁচে থাকার জন্য, তারা অপরাধের রাস্তা বেছে নেই।
প্রথমে তারা ড্রাগ বিক্রি এবং মানুষ মারার কাজ দিয়ে শুরু করে।
তারা বিশ্বাস করে তারা কোন ঈশ্বর প্রদত্ত সৈনিক।
কিছু সময় পর তারা জর্জিয়া ফিরে আসে,
এবং হিরো বনে যায়।
তারা তাদের সৈন্যদেরকে পরিবার মনে করত।
এজন্য সৈন্যরা তাদের জন্য জান দিতে প্রস্তুত।
আর এভাবেই তারা কোটি টাকার হিরোইন
এবং অস্ত্রের ব্যবসা দাঁড় করিয়েছে।
সব পলিটিশিয়ান তাদের পকেটে।
মানে তারাই দেশটা চালায়।
আমেরিকানরা না হলে, ডেবিট ছাড়া পেয়ে যেত।
লোকেশন?
তাদের কাছিরি জেলে রাখা হয়েছে।
এবার আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো।
আমার মতে প্রহরী এবং ডেবিট কোন সমস্যা করবে না,
সেখানে দুইটা গ্যাং কারাবন্দি আছে,
একদল মেয়েটাকে মারতে চায় এবং আরেকদল তোমাকে মারতে চায়।
এবার, আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম, যেখানে থাকবো না,
তাহলে কাজটা একদম ধীরে এবং গোপনে করতাম,
কারণ ডেবিট যদি জানতে পারে তার পরিবারকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে,
তাহলে তার ভাই সব কিছু দিয়ে তোমার মোকাবেলা করবে,
মানে সকল নাগাজি বাহিনী নিয়ে লাগবে।
তাহলে বেশ মজা হবে।
ছয় সপ্তাহ পর কাজ শুরু হবে, আমরা আমাদের কাট নিব,
এবং সমস্যায় পড়লে, আমরা তোমাকে চিনি না।
যদি সব ঠিকঠাক হয় তুমি ধরা না পড় বা জখম না হও,
তাহলে তোমার সাথে দেখা করে একটা কিস দিব।
আর ধরা পড়লে? টাটা, বা-বাই, খতম।
কাল রাতে একটা অস্ত্রের জাহাজের শিপমেন্ট সিওল থেকে আসতে পারে।
এবং আমার ভাই ইয়াজ সেটা ডেলিভার করতে যাবে।
কাল আমি খেলা দেখতে যাব।
সরি, পরে কথা বলছি।
টাইলার।
হ্যাঁ, এই, নিক, শোনো।
মনে হচ্ছে অবসর আমার কপালে নেই।
একটা কাজ পেয়েছি।
নয় মাস আগে তুমি মরতে বসে ছিলে।
হ্যাঁ, কিন্তু বেঁচে আছি। টাকা তোমার একাউন্টে জলদি ঢুকে যাবে।
কী সব বলছো? কারা তোমাকে কাজ দিয়েছে?
তুমি শোনোনি, নিক? আমি বিখ্যাত হয়ে গেছি।
মনে হচ্ছে কোমাতে থেকে তোমার মাথা গেছে।
আমি তোমাকে কাজের কথা বলব।
তুমি এটাও বলেছিলে বেঁচে থাকার জন্য কোন কারণ খোঁজো।
No comments yet. Be the first to leave one.