ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
দেখতে খুব ভালো লাগছে।
এটার উপর আর কয়েকবার খেললে
একদম নতুনের মতো হয়ে যাবে।
আমরা চুপ থাকলে কেউ জানবে না।
আপনার লজ্জা হচ্ছে না?
আর কয়েকটা ঘটনার পর,
দ্রুতই সবাই এটা ভুলে যাবে।
এটা কোনো সমস্যাই না।
আমরা চুপ থাকলে কেউ জানবে না!
আমাদের প্রফেশনাল স্কিলকে তুমি কত স্কোর দাও?
মানে কী বলছো?
৩০০ পয়েন্টের নিচে হলে মাস শট দেওয়া যায় না।
আমার কিউ স্টিক কিংবা পেন অসাবধানে চালানো উচিত না।
গমতাং খাবে এক বাটি?
এই নিন।
ধন্যবাদ।
- উপভোগ করুন। - ধন্যবাদ।
তুমি না বলেছিলে গমতাং খেতে পারো না?
এপিসোড ২ গমতাং পাত্রকে ফুটন্ত রাখে
দোষ আমার, স্যরি।
ওকে, আমাকে নিয়ে না ভেবে খাও।
গরম গরম খেতে ভালো।
রাঁধুনিকে তো একটু সম্মান জানাও।
তোমার সেই ঘটনায় আমার পর্যন্ত রাগ হয়।
যাইহোক, তোমার দোষ ছিল না।
তোমার বস'রা তাদের ভালোর জন্য তোমাকে ফাঁসিয়েছিল।
কথাটা তোমাকে বলেছি?
ঘুষ না খাওয়ায় আমি লাঞ্ছনার স্বীকার হতাম।
এক সিনিয়র যাকে খুব সম্মান করতাম সে বলেছিল,
“তুমি কোনো সাধু-সন্ত নও।”
“তুমি স্রেফ...”
“তুমি স্রেফ একটা ভাঁড়, একটা খোচোর।”
খোদা, গল্পটা ৫০০ বার শুনেছি।
যদিও কখনো ঘুষ খাওনি।
সত্যি বলতে, কয়েকবার খেয়েছি।
কী?
কোনো পাগলা তোমার পাশ দিয়ে দৌড়ালে,
তুমিও ওর সাথে দৌড়াতে শুরু করবে।
না দৌড়ালে,
আরও বড়ো পাগলের আখ্যা পাবে।
আমি এখন দৈনিক কোরিয়ার অফিসিয়াল বাজে রিপোর্টার।
কিন্তু আগে ছিলাম একজন জাঁদরেল সিটি ডেস্ক রিপোর্টার।
তো?
সার্জেন্ট কিম হিউন দো,
মাত্রই নিজের দুর্নীতি স্বীকার করেছেন।
বড়ো বিপদে পড়েছেন।
গরম খবর! গাংনাম থানার সার্জেন্ট কিমের
সৎ ও নিষ্কলুষ চেহারার পেছনে,
স্থানীয় বার থেকে নিয়মিত ঘুষ আদায়ের ঘটনায়
নগরবাসী বাকরুদ্ধ।
নিয়মিত ঘুষ আদায়?
আমি অতোটা স্মার্ট হলে,
৫০ বছর বয়সে বউ আর জমজ বাচ্চাদের নিয়ে
কোনোমতে গরম হয় এমন নোংরা খুপরিতে থাকতাম না।
আহা রে!
তোমার জন্য কী করতে পারি, বেচারা কিম ভাই?
একটা ভালো হিটার কিনে দিতে পারবো না,
তবে তোমার নাম উজ্জ্বল করতে পারবো।
কী?
স্টোরিটা লিখবে নাকি?
ভালো কোনো স্টোরি না, যা মনে আসে লেখা আরকি।
সেটাই যথেষ্ট হবে।
এক চামচও খাওনি,
ঠান্ডা হয়ে গেছে।
এক্সকিউজ মি, ম্যাম।
রিপোর্টার হানের জন্য এটা একটু গরম করে দিন।
না, লাগবে না।
কিছু লাগলে ডাকবেন।
ধন্যবাদ।
কেন?
ভেবেছিলাম খেতে পারবো।
কিন্তু হয়তো, এখনো পারবো না।
সোর্স ভুল হবে ভেবে তুমি চিন্তিত।
জুনিয়র এতে কষ্ট পেতে পারে।
ছাই।
তুমিই কেবল আমাকে বুঝো।
খোদা।
হায় রে!
খোদা।
স্যার, এক্সক্লুসিভ!
ঘুমাচ্ছিলাম না।
স্কুপ! কেউ জিজ্ঞেস করেনি!
আপনি এখানে?
জানিয়ে রাখি, আমি সিটি ডেস্কে ছিলাম।
রাস্তায় ঘুমাচ্ছিলে।
কফি খাওয়া যাক।
আচ্ছা।
তোমার ধারণার চেয়ে কঠিন, তাই না?
সবার এক্সক্লুসিভ, এক্সক্লুসিভ না।
এটা আমার মোটো।
এক্সক্লুসিভ দারুণ মনে হয়।
কিন্তু তাদের মুখোশ খোলা সবসময় দারুণ হয় না।
মানে?
সাধারণত তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়াটা বৈধ না।
তাই সেটা নিয়ে সাসপেক্ট সমস্যার সৃষ্টি করে।
যা সোর্সকে চাপ ও কষ্ট দেওয়ায় গড়ায়।
সোর্সকে চাপ ও কষ্ট দেওয়া?
হ্যাঁ।
আমার বিশ্বাস তুমি যথেষ্ট স্মার্ট।
তাই তোমার তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়া নিশ্চয়ই স্বচ্ছ।
কিন্তু তোমাকে ফ্যাক্টগুলো বারবার চেক করতে হবে।
চেক করতে হবে তথ্য সঠিক কি-না,
আর তুমি ঠিক করেছো কি-না।
জি।
স্টোরিটা যেন তোমার বন্ধুকে কষ্ট না দেয়।
কীভাবে জানলেন আমার বন্ধু দিয়েছে?
তুমি স্রেফ একজন জুনিয়র।
ওরকম তথ্য আর কীভাবে পাবে?
তোমার বন্ধু গূমনের কর্মচারী?
হ্যাঁ।
ও কর্মচারী।
ও নিয়োগ প্রতারণার ভিকটিমও।
ভিকটিম?
স্যার।
প্লিজ সাহায্য করুন।
করবো না।
ছাড়ো।
আমি অসাবধান ছিলাম, জুনিয়র হয়েও।
তোমাকে একটুও কষ্ট না দেওয়ার জন্য এরকম করছি।
চিন্তা করো না।
আমার কথা ভাববেন না।
সো হি, সোর্সের কথা আমাকে বলতে পারো?
ওটা নিজে লিখেছিলে?
হ্যাঁ, আমি...
আমি লিখেছিলাম।
আসলটা কোথায়?
আমি বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা পাশ করি।
সেটা প্রতারণার ভিকটিমদের অফার করা হয়েছিল।
ধন্যবাদ।
আমাকে HR টিমে নিযুক্ত করা হয়।
আমার সিটটা একজন HR সিনিয়রের ছিল যাকে নিয়ে প্রসিকিউশন তদন্ত চালাচ্ছে।
কিন্তু নিউজে দেখলাম, হাতে-লেখা মেমো প্রমাণ হিসেবে গন্য হয় না।
একমাত্র গূমন সিটির এমপি গো। সেটা অকাট্য প্রমাণ।
আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না।
আপনি তো ত্রাণব্যবস্থা নিয়েছেন।
এটা ফাঁস করলে আপনার কোনো লাভ হবে না।
ত্রাণব্যবস্থা?
ভিকটিম হওয়ার জন্য ত্রাণ আর বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা।
তিন বছরে এটা আমার প্রথম সুযোগ ছিল।
কিন্তু অদ্ভুতভাবে আমি খুশি কিংবা আশাবাদী ছিলাম না।
সব কেমন মিডিয়ার শো'র মতো মনে হয়েছিল।
রাগ কিংবা অন্য কোনো কারণে,
উত্তরগুলো এলোমেলোভাবে দিয়েছিলাম।
আমার স্কোর ছিল ১০০ এর মধ্যে মাত্র ২০,
আর তারা আমাকে পাশ দিয়েছিল।
যখন ৯০ পেয়েছিলাম তখন বাদ দিয়েছিল।
আপনি হয়তো বলবেন আমার সৌভাগ্যকে গোনায় ধরা উচিত।
কিন্তু আমার প্রচুর কলিগের এরকম সমস্যা রয়েছে।
ওকে।
তারা সবাই ভিকটিম ছিল।
একজন অভিযাচিত হয়েছে, কিন্তু কোনো আইনজীবী পায়নি।
আমাদের সাথে অন্যায় হয়েছে, কিন্তু কেউ ক্ষমা চায়নি।
আমরা কি ত্রাণব্যবস্থার জন্য কৃতজ্ঞ থেকে,
শুধু মুখ বুজে কাজ করবো?
সিদ্ধান্তটা নিশ্চয়ই কঠিন ছিল।
রিপোর্টার চোইও সেটা জানে।
সে আপনার স্টোরির সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে।
আজকাল মানুষ আসলে পত্রিকা পড়েই না।
সহজে আর্টিকেল কপি-পেস্ট করতে পারো।
তো এটা দেখো।
এই, তোমাদেরকে অদ্ভুতরকম ক্লোজ মনে হচ্ছে।
গুড মর্নিং।
মর্নিং।
তুমি না ইন্টার্নদের ট্রেনিংয়ের দায়িত্বে আছো?
আশা করি ওরা এমনিতেই অনেক স্মার্ট।
আমি ভালো টিচার নই।
ওহ!
আপনি আমার চেয়ে ঢের ভালো টিচার।
এদিকে আসো সবাই, নাস্তা এনেছি।
আমাদের ইন্টার্ন হং কিউ তে'র পক্ষ থেকে।
ইনজয়!
খিদে লেগেছিল। ধন্যবাদ।
মিষ্টি আর ভালো খেতে।
তোমরা ইন্টার্নরা অনেক টাকা-পয়সা পেয়েছো নাকি?
না, তেমন কিছু না। উপভোগ করুন।
আবার সিটি ডেস্কে যাচ্ছেন?
কেন?
সেখান থেকে কী হাতাচ্ছেন?
সিটি ডেস্ক তো আপনার গুপ্তধনের দ্বীপ না।
হ্যাঁ।
ওটা আমার গুপ্তধনের দ্বীপের মতোই।
তবে আমি সেখানে জিনিস হাতাতে যাই না।
অন্যকারো মতো।
কার কথা বলছে?
মজাদার মনে হচ্ছে।
ডেস্ক “ওকে” বলেছে।
সত্যি?
হ্যাঁ।
আপনি কী বলেন?
৩ বছর আগে,
এক প্রভাবশালী প্রসিকিউটর তদন্তের স্বীকার হয়।
এমপি গো অন্য এমপিদের মুখ বন্ধ করে সেটায় ব্যাঘাত ঘটায়।
এতে সমালোচনা ওঠে
কীভাবে প্রসিকিউটর থেকে হওয়া এমপি গো সু দো,
নিজের মতো কাউকে ডিফেন্ড করে।
স্টোরিটা তো আপনিই প্রথম ছেপেছিলেন, তাই না?
সেটার জন্য, এমপি গো তো আমার নামে প্রায় মামলা ঠুকে দিয়েছিল।
সেজন্য আমাদের সিইও'কে মারতে বসেছিল প্রায়।
ট্যাক্স তদন্তের মাধ্যমে টর্চার করে।
No comments yet. Be the first to leave one.