ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
আমি যদি জানতাম যে, কী ঘটতে যাচ্ছে...
...তাহলে সবকিছু অন্যভাবে করতাম।
তাহলে আড়ালেই থাকতে পারতাম।
একজন অদৃশ্য মানব
কিন্তু আমি আর অজ্ঞাতনামা নই
আমি এখন ফেরারি হ্যাকারদের একজন
আমি কে?
আমি হচ্ছি বেঞ্জামিন
আর এ হচ্ছে আমার গল্প
সে সব জেনেই এসেছে
তার দাবি, সে হ্যাকিংয়ে দক্ষ
সে বলেছে, আমাদেরকে Fr13nds আর রাশিয়ান সাইবার মাফিয়ার সন্ধান দেবে
সে শুধু তোমার সাথেই কথা বলতে চায়
তুমিই তাহলে সেই Who am I?
তুমি যৌক্তিক কারণেই আজ এখানে
এবং আমিও
তো?
সবকিছুই পরস্পর সম্পর্কিত
সবকিছুরই একটা শুরু এবং শেষ আছে
এটা সবকিছুর সংমিশ্রণ
আর আমি দাঁড়িয়ে আছি ঠিক মাঝখানটায়
আমি সবসময় সুপারহিরো হতে চাইতাম
যার সুপার পাওয়ার থাকবে
এমন কিছু করতে চাইতাম, যা সবাই অসম্ভব ভাবতো
বাস্তব জীবনে অবশ্য আমার সুপার পাওয়ার ছিলোই
আমি ছিলাম অবহেলিত
সুপারহিরোর পোশাকও ছিলো আমার
প্যারাডাইজ পিজ্জা: রংধনুর শেষ ছোঁয়ায়
প্রতিটা সুপারহিরোর পারিবারিক ইতিহাসে ট্র্যাজেডি থাকতে হয়
স্পাইডারম্যানের মা-বাবা
মরে গেছিলো
ব্যাটমানের মা-বাবা...
খুন হয়েছিলো
সুপারম্যানের মা-বাবা
বিস্ফোরণে মরেছিলো
এই দিক থেকে আমি ছিলাম ওদেরও ওপরে
আমার বাবা আমার জন্মের সময়ই ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন
আমি তাঁকে কখনো দেখিনি
এদিক থেকে নানীর সাথে আমার কিছুটা মিল ছিলো
তাঁর বাবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন
তাঁর একটা স্মৃতিই কেবল উনার কাছে ছিলো
তিনটা বুলেট কেসিং, যা বিদেশ থেকে তাঁর সহযোদ্ধা এনেছিলেন
আমার বয়স যখন আট, তখন আমার মা আত্নহত্যা করে
হিরো হতে আর কী লাগে!
নানীই আমার দেখভাল করতেন
আর পরে আমিই তাঁর দেখাশোনা করেছি
আমি কোনো মনোবিজ্ঞানী না
তোমার এইসব শোনার কোনো কারণ দেখছি না
তুমি CLAY সম্পর্কে কী জানো?
Fr13nds এর সাথে তোমার সম্পর্ক কী?
আপনি যা কিছুই জানতে চান না কেন
প্রতিটা কথাই দরকারি
হ্যাকিং হচ্ছে ম্যাজিকের মতো
দুটোরই কাজ মানুষকে ধোঁকা দেয়া
চৌদ্দ বছর বয়স থেকেই, আমি কম্পিউটারে খুটখাট করতাম
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখলাম
প্রথমবারের মতো সিস্টেম হ্যাক করলাম
এ এক সম্ভাবনাময় জগৎ
প্রথমবারের মতো অনুভব করলাম, আমি কিছু একটাতে দক্ষ
যদিও বাস্তবে আগের মতো তুচ্ছই রয়ে গেছিলাম
একজন অবহেলিত
একজন পরাজিত
একজন উন্মাদ
কিন্তু ইন্টারনেট জিনিসটাকে একদম নিজের মনে হতো
আমার মতো মানুষদের একটা আশ্রয়স্থল
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে যারা সময় নষ্ট করতো...
তাদের যোগাযোগের মাধ্যম ছিলো ডার্ক নেট
এটি হচ্ছে ইন্টারনেটের ভেতর আরেক ইন্টারনেট
এখানে আমি তা-ই হতে পারতাম, যা চাইতাম
দিনরাত একাকার করে কম্পিউটার গুঁতোতাম
আর বাস্তব জীবন ঘুমিয়ে কাটাতাম
কিন্তু এরও ওষুধ ছিলো
বুদ্ধিটা যে দিয়েছিলো, সে আমার সবচেয়ে বড়ো আদর্শ ছিলো
অনেক দক্ষ হ্যাকারই ছিলো সেখানে
কিন্তু আমার সত্যিকারের হিরো ছিলো একজনই
সে নিজের নাম দিয়েছিলো MRX
তার ঠিকানা অজ্ঞাত
কেউ জানতো না, তার পরিচয় কী
সে যেকোনো সিস্টেম হ্যাক করতে পারতো
সে ছিলো সত্যিকারের তারকা
এক সোশ্যাল নেটওয়ার্কে হ্যাকিং ছিলো তার সেরা হ্যাকগুলোর একটি
সে কাউকে বা কোনোকিছুকেই পাত্তা দিতো না
সে ছিলো বাকি সব হ্যাকারদের সুপারহিরো
আমি তার মতো হতে চাইতাম
সে একটা অনলাইন ফার্মেসি চালাতো
রিটালিন বিক্রি করতো
হ্যাকারদের জেগে থাকার মহৌষধ
MRX এর তিনটা নীতি ছিলোঃ
প্রথমত, কোনো সিস্টেমই নিরাপদ নয়
দ্বিতীয়ত, অসম্ভবকেই লক্ষ্য বানাও
তৃতীয়ত, সাইবার জগৎ আর বাস্তব জগৎকে উপভোগ করো
অন্যভাবে বলা যায়, মজাকে সীমাবদ্ধ কোরো না। শুধু ভার্চুয়াল জগৎ নিয়েই থেকো না।
তবে, আমি এই জায়গায় বসে থাকার রহস্য
এ সবকিছু ঘটার পেছনের কারণ
ম্যারি
শোনো! এভাবে ঝিমালে কিন্তু কোনো লাভ হবে না।
আশাই তো মানব জীবনের সবকিছু!
এখনো পরীক্ষায় পাশ করার আশা রাখো?
কিছু শেখার চেষ্টা করো!
নাকি আশা করছো যে, কেউ তোমাকে প্রশ্ন চুরি করে এনে দেবে?
সুপারম্যানকে ফোন দিয়েছিলাম, তার নাকি সময় নাই!
শালার!
এ আবার কেমন পাখি হে?
প্যারাডাইজ পিজ্জা
রংধনুর শে...
স্কুলজীবন থেকেই ম্যারিকে প্রচণ্ড ভালোবাসতাম
কিন্তু শেষ বেঞ্চে বসা কাউকে তো দশ বছর পর মনে রাখার কথা না!
৩৪.২৮ ইউরো
আমি বলেছিলাম মাছ না দিতে
ওটার জন্য টাকা দিতে পারব না!
বদমায়েশি কোরো না, অস্কার!
বাকিটা তুমি নিয়ো
কী? তুমি কি পাগল?
আরো একশো ইউরো পাবা, যদি পরীক্ষার প্রশ্নটা এনে দিতে পারো।
ব্যাচেলর অব ল
পৃথিবীর কোনো রক্ষাকর্তার দরকার নেই
কিন্তু মানুষ কেন জানি ওরকম কাউকেই খুঁজে মরে
মানে?
অর্থাৎ সুপারম্যানকে
ঠিক আছে
ধন্যবাদ
তুমি একটা বদমাশ!
শেষমেষ, আমি সুপারহিরো হতে চাইলাম
ম্যারি বিপদে পড়েছিলো
এবং আমিই পারতাম এর সমাধান দিতে
ঠিক করলাম, আমি ওকে প্রশ্নটা এনে দেবো
আমার প্রতি সে প্রসন্ন হবে
আমরা প্রেম করবো
বিয়ে করবো
বাচ্চাকাচ্চা হবে
সুখে জীবন কাটাবো
বিংগো
অনার্সের প্রশ্নগুলো রাখা হতো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সার্ভারে
আমার শুধু অ্যাক্সেসটুকুই দরকার ছিলো
খুব একটা জটিল কিছু ছিলো না
বেশিরভাগ হ্যাকারই কাজ সেরে চলে যায়
তারা সিস্টেমে ঢোকে ঠিকই, কিন্তু কোনোকিছুকে পরিবর্তন করে না
অনেকে আবার আলামত রেখে আসে
আবার অনেকে স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে আসে
নিজেকে ভাবতে লাগলাম সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান, ব্যাটম্যান...
তুই এখানে কী করিস?
আমি একটা আস্ত গাধা
আগের কোনো মামলা নেই, শাস্তির রেকর্ডও নেই
পঞ্চাশ ঘণ্টা সামাজিক কার্যক্রম করতে হবে
জীবনটা কাজে লাগাও!
এটা তোমার ওপরই নির্ভরশীল!
পঞ্চাশ ঘণ্টা সামাজিক কর্মের অর্থ হলো এই ফালতু শহর পরিষ্কার করা
এর থেকে বাজে কিছু হয় না
রিটালিন দিয়েও আর কাজ হচ্ছিলো না
কিন্তু একটা আকস্মিক পরিবর্তন হতেই হতো
তো? তুমি এখানে কেন?
বোবা নাকি হে তুমি?
নও তাহলে!
আচ্ছা, আন্দাজ করি...
তুমি তাদের মতো যারা ভাবে, জীবন বৈষম্যময়
যারা কেবল বাঁচার জন্যই বাঁচে
অযাচিত
সমাজের অন্যদের মতোই
কেউ তোমাকে স্কুলে মারেনি পর্যন্ত
কারণ কেউ তোমাকে ওটুকু দামও দিতো না
খুব, খুব দুঃখজনক
এখন আমার কি মনে হচ্ছে জানো?
কোথাও হয়তো কেলেঙ্কারি বাঁধিয়েছ
কম্পিউটার সম্পর্কিত কারণ
আর তুমি?
এসব আর সেসব
কী ধরণের কাজ? অ্যাঁ?
DDoS অ্যাটাক?
বটনেট?
ফিশিং?
নাকি স্ক্রিপ্টের মত মামুলি কিছু?
আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার হ্যাক করেছিলাম
অ্যাক্সেস নিয়েছিলে কিভাবে?
0Day Exploit ব্যবহার করে
তুমি মেশিন ল্যাংগুয়েজ পড়তে জানো?
সত্যিই কি?
হুমম
আমি ম্যাক্স
বেঞ্জামিন
আজ বিশেষ কোনো কাজ আছে?
অবাক হয়ে যাই, এ এমন এক ঘটনা যা আমাকে অন্য এক মোড়ে দাঁড় করায়
এমন এক মুহূর্ত, যা সবকিছু বদলে দেয়
রাত যতো বাড়ে, অতিথিরা ততোই মাতাল হতে থাকে
কেমন লাগছে আমার এই পবিত্র মন্দিরকে?
এদের অর্ধেককেও আমি চিনি না
সব শালা বোকাচোদা!
ম্যাক্স ছিলো একদম আমার বিপরীত
আত্নবিশ্বাসী, চোখ ধাঁধানো
একজন বিজয়ী
দরজা লাগিয়ে দাও
পরিচয় করিয়ে দিই, এ হচ্ছে বেঞ্জামিন
স্টেফান
বেঞ্জামিন বেঞ্জামিন এঙ্গেল
স্টেফান ছিলো সফটওয়্যারের বস
সে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশনের বাগ ধরে ফেলতে পারতো
সে সবসময়ই উদ্ভট কাজকারবার করতো
সে উত্তেজক নানাকিছু করতে ভালোবাসতো
আমার পদবি নেই
পল ছিলো হার্ডওয়্যারের এক্সপার্ট
তাকে একটা পেপার ক্লিপ আর মাদারবোর্ড দাও তারপর যা চাইবে, তা-ই সে বানিয়ে দেবে
No comments yet. Be the first to leave one.