ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুসন্ধান চাই।
সব ঠিক আছে, প্রিয়া?
- নিশ্চিতভাবে? - হ্যাঁ।
ভালো।
আমি দেখছি। চিন্তা করিস না।
- দুধটা খেয়ে নে, ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
দরজায় কে ছিল, বাবা?
বাবা?
বাবা!
প্লিজ!
আপনি আমাকে চেনেন না,
কিন্তু অবশ্যই আমার মেয়ে মেঘাকে চেনেন।
একেকে হাসপাতালে অগ্নি দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া চার শিশুর কথা মনে আছে?
আমার মেয়ে মেঘা ছিল তাদের একজন।
মনে পড়ছে?
ওই হাসপাতালের মালিকানা আপনার বন্ধুর ছিল, তাই না?
বীমার টাকার লোভেই হারামিটা হাসপাতালে আগুন ধরিয়ে দেয়।
তারপর আপনি কি করলেন?
আপনি তাকে রক্ষা করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে সত্যকে চাপা দিলেন।
আপনার পরিশ্রমের ফল দেখতে চান?
দেখতে পাচ্ছেন?
আমি দুঃখিত।
আমি দুঃখিত।
আমি দুঃখিত।
না!
প্লিজ, বাচ্চাটাকে আঘাত দেবেন না।
তাহলে, কি শুধু আপনার সন্তানই ভালোবাসার যোগ্য?
আমাদের বাচ্চাদের কিছু হলে সেটা ঠিক আছে?
তারা মারা গেলে, সেটাও ঠিক হবে?
আমি দুঃখিত।
তাই কি?
তাই কি?
DHOOTHA সিজন : ০১, এপিসোড : ০৮ রানটাইম : ০০:৪২:৪১
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
হ্যালো, স্যার। এখন পর্যন্ত তৃতীয়বার এলাম।
- মোট ৫৬০ কিলো। - কত?
১৫০০ টাকা হবে স্যার।
স্ক্র্যাপইয়ার্ড থেকে এগুলি আনা সহজ।
রাস্তা থেকে প্রতিটি কাগজ তুলে আনা বেশ কঠিন কাজ, স্যার।
আপনি এগুলো দিয়ে কি করবেন?
- তোমার তাতে কি? - দুঃখিত, স্যার।
এই নাও।
আপনার আর কিছু লাগলে আমাকে জানাবেন।
- ঠিক আছে। এগুলো খোলা যাক। - ঠিক আছে, স্যার।
চলো, তাড়াতাড়ি!
এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট...মোট আট ব্যাগ!
- আরে, এগুলো আমার ঘরে নিয়ে যেতে সাহায্য করো। - ঠিক আছে, স্যার।
এসো।
"সাগর"?
- কতবার বলেছি তোকে... - বাবা, না! না!
- সাংবাদিকতা না করার জন্য, সাগর? - নাহ! প্লিজ, বাবা!
- প্লিজ, ছিঁড়ো না, বাবা। থামো! - আমাকে কতবার বলতে হবে?
কথা শুনছিস না কেন, সাগর?
বারণ করেছিলাম, তাই না?
-না। বারণ করেছি। - ধুর!
তুমি কি একেবারেই পাগল হয়ে গেছো, বাবা?
প্রতিটি কাগজ আপনাকে ছিঁড়তে হবে?
সাংবাদিকতা করতে বারণ করেছিলাম।
সত্যমূর্তি অঞ্জলির বদলে তোমাকে মারতে পারতো।
সাগর !
-আমাদের জীবন আরো ভালো হতো! - তুই কি বলছিস, বুঝতে পারছিস?
মা, আগে ওনাকে ওর ঘরে আটকাও।
বের হতে দিও না।
- এখান থেকে নিয়ে যাও! - ওকে সাংবাদিকতা বন্ধ করতে বলো!
- আমার সাথে এসো। - ওনাকে নিয়ে যাও মা।
- প্লিজ ওকে বুঝিয়ে বলো, মাধবী। - ঠিক আছে।
- সাংবাদিকতা না করতে বলো। - আমি বলবো।
নাগার্জুন সাগর ফেঁপে উঠেছে।
সাগর, পাগল হয়ে গেছিস নাকি?
তুই কীভাবে...?
- মা, ভেতরে এলে কেন? - এই সব কি?
এইসব খবরের কাগজে কী আছে?
মা, নিচে যাও। আমি পরে ব্যাখ্যা করবো।
আমি জানতে চাই, সংবাদপত্রগুলো এখানে কেন!
আমি একটি প্রবন্ধের জন্য গবেষণা করছি, মা। এইটুকুই।
এইভাবে কি গবেষণা করা হয়?
না, সাগর।
ওগুলো ফেলে দে। তাড়াতাড়ি ফেলে দে।
- মা! - না, সাগর...
তোমাকে এত চিন্তিত লাগছে কেন? কোনো সমস্যা?
তুই এর ব্যাপারে জানিস না, সাগর।
এই...
তোমার ঠাকুর্দাও এরকম করতেন।
আমার ভয় করছে!
মা, কি হয়েছে? ভয় পাচ্ছো কেন?
কি হয়েছিল ঠাকুর্দার?
ওহ, না!
কি হয়েছে?
তোর ঠাকুর্দার সাথে একই ঘটনা ঘটেছিল।
কি হয়েছে দাদা?
সাগর...
আমাদের বিয়ের পর যখনই আমি তোর বাবাকে,
তার বাবার কথা জিজ্ঞাসা করতাম,
সে বিষয়টি এড়িয়ে যেতো এবং এই ব্যাপারে বলতে চাইতো না।
সেজন্য আমি তোকে তার কথা বলিনি।
যখন আলঝাইমার্সের লক্ষণগুলি ফুটে ওঠে,
সে ভেবেছিল, তোর সত্য জানা উচিত।
তাই তোর বাবা আমাকে ডেকে বললো,
"আমার হয়তো মনে নেই। তাই তোমাকেই এটা বলতে হবে।"
কি বলতে হবে?
তোর ঠাকুর্দাও সাংবাদিক ছিলেন।
যে পত্রিকায় তিনি কাজ করতেন, কোনো কারণে বন্ধ করতে হয়েছিল।
এরপর তিনি নিজস্ব সংবাদপত্র শুরু করেন।
কিন্তু শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই,
তার পরিবারের সদস্যরা মারা যেতে থাকে।
তার মা।
তার পিতা।
তার ছোট ভাই।
প্রিয়জনদের চোখের সামনে মারা যেতে দেখে...
তিনি মানসিক স্থিতি হারিয়ে ফেলেন।
দিন রাত,
তিনি রাস্তা থেকে কাগজ তুলে ঘর ভর্তি করতেন।
ঠিক যেমন এই ঘরটা এখন আছে।
একদিন, তোর বাবা স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর,
কারোর সাড়া পায় নি। - বাবা, বাবা...
যখন সে জানালা খুলে দেখলো,
ঘরটা খবরের কাগজে ভর্তি ছিল।
তোর ঠাকুর্দা ঠিক তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে,
নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে,
আগুন ধরিয়ে দিলেন...
সমস্ত সংবাদপত্র সহ পুড়ে মারা গেলেন।
বাবাকে চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে যেতে দেখে
তোমার বাবার স্থির বিশ্বাস হয়েছিল, সংবাদপত্রই তার মৃত্যুর কারণ।
তার বাবার আত্মহত্যার সাথে সাথে পরিবারের ঘটতে থাকা মৃত্যুও থেমে যায়।
একজন ছয় বছর বয়স্ক হিসাবে তোর বাবার মনে হয়েছিল,
সংবাদপত্রই তার বাবার মৃত্যু ঘটায়।
তার মনে, সাংবাদিকতা মানেই তার বাবার মৃত্যু।
এ কারণে সে সাংবাদিক হয় নি।
তুই হোস, তাও চায় না।
সে ভয় পাচ্ছে যে তুই তার বাবার মতো একই ভাগ্যের সম্মুখীন হবি।
আমার ঠাকুর্দার নাম কি?
ভূপতি ভার্মা।
এই সব দেখে আমারও ভয় লাগছে।
- সুপ্রভাত, স্যার। - হ্যাঁ, সত্য।
স্যার, আজ সমাবর্তন হচ্ছে। মনে করিয়ে দিলাম।
মন্ত্রীমশাই বেরিয়ে পড়েছেন।।
আশা করি, আপনি আসছেন।
আমি সেখানে থাকবো। আমি আসছি।
আমি দুঃখিত, বাবা।
আমি সেদিন রাগের বশবর্তী হয়ে উল্টোপাল্টা বলে ফেলেছি।
এভাবে আর কখনো কথা বলবো না।
আমি কথা দিচ্ছি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি, মা।
হঠাৎ করে এভাবে বলছিস কেন?
অনুষ্ঠানের জন্য দেরী হয়ে যাচ্ছে।
আমি যাচ্ছি।
তাড়াতাড়ি ফিরে আসিস।
আমরা কোথায় যাচ্ছি, বাবু?
সারপ্রাইজ আছে, মা।
কতক্ষণ লাগবে?
মাত্র আধ ঘণ্টা।
হ্যাঁ, রাঙ্গা।
ম্যাডাম, কোটির ডিএনএ রিপোর্ট আগামী চারদিনের জন্য প্রস্তুত হবে না।
আমরা তার স্ত্রী কালাকে দিয়ে সনাক্ত করাতে পারতাম, কিন্তু সে নিখোঁজ।
তারা বলছে, যে সে তার বাচ্চাদের নিয়ে রাতারাতি পালিয়েছে।
ঠিক আছে। ডিএনএ রিপোর্ট পেলেই সাথে সাথে আমাকে জানাবে।
এছাড়াও, কোটির স্ত্রী কোথায় তা খুঁজে বার করো।
ঠিক আছে, ম্যাডাম।
মা, চোখ বন্ধ করো।
- এসব কি, ক্রান্তি? - প্লিজ! মাত্র দুই মিনিটের জন্য।
তোমাকে না বলা পর্যন্ত খুলবে না।
চোখ বন্ধ করো!
- মা, চোখ বন্ধ রাখো, ঠিক আছে? - আচ্ছা।
এখন খোলো।
ক্রান্তি।
আমাকে এখানে কেন এনেছিস?
থাকবার জন্য আমি এই বাড়িটা ঠিক করাচ্ছি।
ভাবলাম, তোমাকে দেখাই।
আমি তোকে এই বাড়িটা বিক্রি করতে বলেছিলাম, তাই না?
বিক্রি করার উদ্দেশ্য নিয়েই এখানে এসেছিলাম।
কিন্তু ভিতরে ঢোকার পর,
বিক্রি করতে ইচ্ছা করলো না, মা।
ক্রান্তি !
আমি এই বাড়িতে ঢুকতে পারবো না।
আমাকে এখান থেকে নিয়ে চল।
মা?
আমি জানি, এই বাড়িটি তোমাকে এখানে মৃত সকলের কথা মনে করায়।
কিন্তু আমার মনে পড়ে, এখান থেকেই আমার মা জীবিত বেরোতে পেরেছিল।
- ক্রান্তি... - মা।
ভিতরে এসে একবার দেখে নাও।
অস্বস্তি বোধ করলে, আমরা এখনই চলে যেতে পারি।
ঠিক আছে?
বাড়িতে স্বাগতম, ম্যাডাম।
মা, এ সুধা। অভ্যন্তর ডিজাইনার।
হ্যালো, ম্যাডাম।
নব্বই শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে।
যদি বৃষ্টি না হতো, এতদিনে কাজ শেষ হয়ে যেত।
আজ সকালে বৃষ্টির কারণে, একটা দরজা ফ্রেম থেকে খুলে পড়ে গেছে।
- সেটা ঠিক করা দরকার, এইটুকুই। - ঠিক আছে।
দয়া করে ভিতরে আসুন।
- ওনাকে ভিতরে নিয়ে এসো। - ঠিক আছে, ম্যাডাম।
সাগর, আজকাল থাকো কোথায়?
চার দিন কাজে যাও নি।
স্যার...
- আমি পদত্যাগ করছি। - কি?!
পাগল হয়ে গেছো নাকি?
স্যার...
আমি এই কাজের জন্য উপযুক্ত লোক নই।
মানুষের কাছে সত্য তুলে ধরার জন্য আপনি এই কাগজ শুরু করেছেন।
এজন্যই বলছি, আমি এই কাজের জন্য উপযুক্ত লোক নই।
No comments yet. Be the first to leave one.