ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
...
নম্র ভাবে, হ্যানো।
বাংলা অনুবাদেঃ
বাংলা অনুবাদেঃ ফাহাদ আহমদ |
বাংলা অনুবাদেঃ ফাহাদ আহমদ | তাফহীম রহমান
বাংলা অনুবাদেঃ ফাহাদ আহমদ | তাফহীম রহমান ওমর ফারুক
হে মহান প্রভু! স্মরণ করছি তোমার মহিমান্বিত নামগুলো।
আমাদের পাশে দাঁড়াও।
রোমানদের পরাজিত করো।
ধ্বংস করো তাদের জাহাজ,
যন্ত্রপাতি,
আর সৈন্যদের।
আমরা জিতবোই।
ওজালস্কেস।
আরিশাত।
হ্যানো।
তুমি আজ কিছু দাওনি।
আমি বরং একজন রোমানকে বলি দিবো।
তুমি যেখানে,
আমিও সেখানে।
আর তুমি যেখানে,
আমি সবসময়ই সেখানে।
প্রিয়তমা।
পালের কাজ শেষ। পাল গুটিয়ে দাঁড় টানো।
পাল গুটিয়ে, দাঁড় টানো!
পাল গুটিয়ে দাঁড় টানো!
দাঁড় টানো!
ওদের নিজস্ব কোনো ভূমি নেই, হাতিয়ে নেওয়া গুলো ছাড়া।
যেখানেই যায়, ধ্বংসের ছাপ রেখে যায়।
আর সেটাকে শান্তির নামে চালিয়ে দেয়।
এটাই আফ্রিকা নোভার শেষ স্বাধীন নগরী।
আর আমরা এখন যুদ্ধ করতে চলেছি।
প্রার্থনা করো যেন দেবতারা পাশে থাকে! আর না থাকলে ওরা কোনো দেবতাই নয়।
আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
মৃত্যু আমাদের ছুঁতে পারবে না।
মৃত্যু আমাদের কাছে,
ঘেষতে পারবেনা।
একসাথে থাকো, আর আমার নির্দেশ মানো।
চোখ-কান খোলা রেখে মাথা ঠাণ্ডা রাখো।
আক্রমণ!
অস্ত্র প্রস্তুত রাখো!
আবার মারো!
ডানদিকে আগুন লেগেছে!
ফর্মেশন ধরে রাখো!
টানো!
তীরন্দাজরা প্রস্তুত হও।
ছাড়ো!
তীরন্দাজরা!
তীর টানো!
ছাড়ো!
তীরন্দাজরা আবার মারো!
আগুন ছাড়ো।
- টাওয়ার তোলো! - টাওয়ার তোলো!
- উল্টো টানো! - উল্টো টানো!
এভাবেই।
সেতু নামাও!
সেতুটি আটকে গেছে!
জনাব!
ছাড়ো!
পিছনে যাও।
তীরন্দাজরা!
ওই যে ওখানে!
ওকে মারো!
আরিশাত!
আরিশাত।
আরিশাত!
আমি তোমার অপেক্ষায় থাকব।
সব গুলো লাশ চ্যাক করো!
কোনোটা বাদ দিও না!
এই নগরী এখন থেকে আমার অধীনে থাকবে...
রোমের গৌরব বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
পরাজিতদের জানাই ধিক্কার!
তাদের জন্য দুর্দশা অপেক্ষা করছে।
পরের জন!
সামনে যাও!
- সিঁড়ি ধরে নিচে যাও! - নিচে যাও!
আরে।
এ কী অবস্থা করেছে ওরা আপনার!
আরামসে, আরামসে।
এটা ধরুন।
আরিশাত?
দুঃখিত, বাবা!
আমার হাতে আর বেশি সময় নেই।
আমরা,
এমন এক পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেটা আমি সহ্য করতে পারব না।
আর তাই, আমি পরপারে যাওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।
এত উতলা কেন যাওয়ার জন্য!
তোমাকে এখানে আনার দিনটা আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে।
মরুর বুক থেকে আসা নিঃসঙ্গ, নিষ্পাপ একটি ছেলে।
যে ছিল ভীত।
আমরা যা যা শিখিয়েছি, সব তুমি আপন করে নিয়েছ।
আরিশাতের ভালোবাসা পেয়েছ। তোমার আত্মা পূর্ণতা পেয়েছে।
আমি মারা গেলে,
পরলোকে আমার পূর্বপুরুষেরা আমাকে স্বাগত জানাবে।
তোমাকে কে স্বাগত জানাবে?
হ্যানো,
আমার সময় ফুরিয়ে এসেছে।
ওদেরকে তোমার সত্তা পরিবর্তন করতে দিও না।
ছেলেটিকে দেখেছ?
আম্মা! আম্মা!
এখন তোমাকে একাই যেতে হবে, হ্যানো।
ওরা যেন তোমাকে খুঁজে না পায়।
যাও। যাও।
একাসিয়াস! একাসিয়াস! একাসিয়াস!
সম্রাট গেটা।
সম্রাট কারাকালা।
জেনারেল একাসিয়াস।
আপনাদের জন্য নুমিডিয়া দখল করে এনেছি।
যাতে আপনাদের সাম্রাজ্য,
পূর্বের সকল সম্রাটদের ছাড়িয়ে যায়।
ভাই, ওকে বিজয় মুকুট পরাও।
একাসিয়াস! একাসিয়াস! একাসিয়াস!
তোমার বিজয়ের উপলক্ষে,
কলোসিয়ামে খেলা হবে।
আমার সম্মানে কোনো খেলার দরকার নেই।
সিনেট এবং রোমের জনগণের সেবা করাই,
আমার কাছে যথেষ্ট সম্মানের।
তুমি একটু বেশিই বিনয়ী, একাসিয়াস।
তোমার মতো একজন সফল জেনারেলের সাথে এটা মানায় না।
গৌরব আপনাদের, আমার নয়।
আমি শুধু যুদ্ধ থেকে কিছুটা বিরতি চাই।
স্ত্রীর সাথে কিছুটা একান্ত সময় কাটানোর জন্য।
তোমার স্ত্রী!
আমরা তাকে কী কী সুযোগ-সুবিধা দিয়েছি, মনে আছে তো?
এমন একটা বিজয় অনুষ্ঠানে সে কোথায়?
এখনো অনেক বিজয় অর্জন করা বাকি আছে।
পারস্য।
ভারতবর্ষ।
এই দুটোকেও... জয় করতে হবে।
রোমের প্রজা বেশি।
তাদের খাওয়াতে হবে।
যুদ্ধই হবে ওদের খাদ্য।
তোমার বিজয়গুলো উদযাপিত হবে,
রোমান জনগণের,
মহত্বের প্রতীক হিসেবে।
জাহান্নামে যাও!
আমাদের মাঝে এসে হাজির হয়েছেন। গ্ল্যাডিয়েটরদের গুরু,
থাইসড্রাসের ম্যাক্রিনাস।
কাছাকাছি থাইকেন।
এডাইলস এবং কাউন্সিলরগণ,
সম্মানিত অতিথিবৃন্দ,
এবং অ্যান্টিয়ামের নাগরিকগণ।
দেখুন রোমের পরাজিত শত্রুদের ভাগ্যের খেলা।।
দেখা যাক বর্বর নুমিডিয়ান,
এবং তাদের সর্দারের ভাগ্যে কি লিখা আছে।
জুগুরথা!
মালটা কড়া তো!
আমি কিনবো ওকে।
দাঁড়াও! কে ওখানে?
জেনারেল।
প্রিয়তমা!
দেবতাদের ধন্যবাদ, তোমাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য।
সৈন্যবাহিনীকে ধন্যবাদ দাও। ওরাই আমাকে রক্ষা করেছে।
হুম।
চলো খাবে।
ওদিকে যাও।
দেয়ালের দিকে।
ওই যুদ্ধক্ষেত্র একটি পবিত্র মন্দির।
মহান যোদ্ধারা ওই ময়দানে লড়াই করেই,
খ্যাতি অর্জন করে।
ওটা দাসদের গ্ল্যাডিয়েটর বানায়।
আর গ্ল্যাডিয়েটরদের মুক্ত মানুষ।
তোমার পেটে কৃমি আছে।
এই মালটাকে চিনি। শালা বানর কামড়ায়।
যাও। বসো। খাও।
এই যে তুমি!
হ্যানো, উঠে দাঁড়াও।
তোমার মাতৃভাষা কী? আমি সকল ভাষায় কথা বলতে পারি।
উত্তর দিচ্ছ না দেখি! দিতে পারছ না, নাকি চাচ্ছ না?
আচ্ছা, ঠিক আছে।
সহিংসতাই... সার্বজনীন ভাষা।
ভিগো। ওর পরীক্ষা নাও।
ও বানরের সাথে লড়তে পারে। মানুষের সাথে পারে কিনা দেখি।
যথেষ্ট!
জোশ!
পুড়াই জোশ!
ওকে ভালোমতো পরিস্কার করো।
তারপর আমার কাছে নিয়ে আসো।
আহ!
মজবুত চোয়াল।
শক্ত হাত।
গন্ধটাও ভালো।
তুমি ভালো করবে।
এটাও একটা আর্ট,
গ্ল্যাডিয়েটর বাছাই করা।
কেউ বাছে এন্টারটেইনার।
তো কেউ বাছে পেশীর জোর।
কিন্তু আমি বাছি ক্রোধ।
দর্শকেরা রক্ত পছন্দ করে।
তোমার মত রক্তপিপাসুই ওদের বেশি পছন্দ।
আর তোমার ক্রোধ!
বেশ্যার স্তন থেকে দুধ ঝরার মত করে...
তোমার ভেতর থেকে...
ক্রোধ ঝরছে।
তুমি দারুণ যোদ্ধা হবে।
কিন্তু সেটা তোমার জন্য নয়।
হ্যা ঠিক। তুমি আমার জন্য লড়বে না।
আমি তোমাকে রিং-এ নামাবো। তুমি লড়বে অথবা মরবে।
পছন্দটা তোমার।
কিন্তু জানতে ইচ্ছে করছে! কার মাথাটা এনে দিলে,
No comments yet. Be the first to leave one.