ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ইয়াং গওন-সিক ও ওহ আই-সুনের মেয়ে, ইয়াং গึম-মিয়ং! সে সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে!
'৮৮ সিউল অলিম্পিক উদযাপন, উন্নত নাগরিক! উন্নত রাস্তা!
তোমাদের জন্য যদি এটা অলিম্পিক হয়, তাহলে আমাদের জীবনও প্রতিদিনের অলিম্পিক!
বেঁচে থাকাই ছিল তাদের অলিম্পিক।
না, এটা তোমরা যা ভাবছো তা নয়।
ব্যাপারটা এমন কিছু না, বিশ্বাস করো...
তারা প্রতিবার নিজের কঠিন ও নির্মম অলিম্পিকের মুখোমুখি হতো।
দয়া করে চলে যাও!
...মেডেল, পেনশন বা অবসর ছাড়াই।
তুমি কেন সবকিছু উল্টে দিচ্ছো?
আমাদের দোকান ভেঙে ফেলার সাথে তোমাদের অলিম্পিকের কী সম্পর্ক?
কোনো দিন শামুক বা মাছ অলিম্পিকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল?
ওরা কি রাস্তা বন্ধ করেছিল?
আচ্ছা, সত্যি বলো!
আমি কতবার বলেছি?
অলিম্পিক মশাল এই রাস্তা দিয়ে যাবে!
আমেরিকানরা এটা টিভিতে দেখবে।
তাহলে কি আমরা তাদের দেখাবো
এই নোংরা মাছের অন্ত্র আর দুর্গন্ধ?
ওদের টিভিতে কি নাকও লাগানো আছে?
সরকার বলেছে, সৌন্দর্যহীন জিনিস পরিষ্কার করতে হবে।
সরকার বলেছে!
সরকার বলেছে!
সৌন্দর্য?
সৌন্দর্য?
আমাদের রুটিরুজি কেড়ে নিচ্ছো
শুধু বিদেশিদের দেখানোর জন্য?
এটা কি কোনো যুক্তির কথা?
আমেরিকানরা কি এভাবেই সব কিছু নেয়?
একজন ভিখারির থালা পর্যন্ত কেড়ে নেয়?
ওহ আল্লাহ!
দেশের জন্য লড়াই না করে তুমি শুধু মাছ বিক্রি করছো কেন?
দেশের উন্নতির জন্য একটু ছাড় দিতেই হবে।
তুমি সবকিছু নিয়ে কেন এত ঝামেলা করছো?
তোমার পকেটে কেউ টাকা ঢেলেছে, তাই না?
কি, কারণ আমার টাকা নেই?
তারা তোমাকে কত দিয়েছে আমাদের চোখের জল বিক্রির জন্য?
কত টাকা?
আর তুমি নিজেকে নেতা বলছো?
এক কথা শুনে দশ কথা বলার বিদ্যা শিখেছো?
- কি? - এটা পরের বছর সেপ্টেম্বরের কথা।
মশাল মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য এখানে আসবে।
আমরা খেয়ে পরে বেঁচে থাকি, তুমি আমাদের রুটিরুজি কেড়ে নিচ্ছো!
এটা কেমন আইন?
আইন সম্পর্কে তুমি কি জানো?
তুমি কিছু বোঝো?
ওহ আই-সুন!
আই-সুন কোথায়?
আমাদের ডেপুটি চিফ তো হাইস্কুল পাস! Subtitle by Ayaan Sohan
সে হাইস্কুল ছেড়েছে।
- কি বলছো "পাস"? - কিন্তু সে তো হাইস্কুল গিয়েছিল!
আমাদের ডেপুটি চিফ কোথায়?
- আই-সুন! - আমাদের ডেপুটি চিফই সবচেয়ে বুদ্ধিমান!
- আই-সুন! - তাকে খুঁজছো কেন?
সে তো জানে না কী বলতে হবে!
শুধু দেশের উৎসবের জন্য আমি আমার মাছ বিক্রি করতে পারবো না কেন?
এখন মাছ বিক্রি করাটা এত গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর কোরিয়া যদি অলিম্পিক বানচাল করতে চায়
আর কুমগাং বাঁধ খুলে দেয়, তাহলে পুরো সিউল ডুবে যাবে!
বলে যে ৬৩ স্কয়ারও পানির নিচে চলে যাবে।
তুমি কি খবর রাখো? বড় স্বার্থের কথা বোঝো?
ইতিহাসের মহত্বের চেয়ে তোমার মাছই কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ!
- খুবই গুরুত্বপূর্ণ! - অসহ্য!
তুমি ভাবো বিদ্রোহ এমনি হয়?
একটা কুকুরকেও যদি খাবারের পাত্র উল্টে দাও, ওটা নোংরা করে রেখে চলে যাবে!
তোমার দরকার হলে আমাদেরটা নাও?
- ছেড়ে দাও! - নেবে কিছু?
এ-সুন!
ও এসেছে। এ-সুন এখানে।
তুমি এখানেই ছিলে।
এই!
এই, ডেপুটি!
এই! ডেপুটি!
তুমি কি ওই 'অপমান'টার কথাই বলেছিলে?
ওঠো, ভালো হবে।
এটা এক নীরব প্রতিবাদ…
কি বললে?
তীব্র সময়ের আঘাতে আমি ক্ষতবিক্ষত…
লজ্জা পাচ্ছো? তাহলে উঠে দাঁড়াও, নাটক কোরো না।
তুমি যদি চলে যাও…
এই, একটা ফরক্লিফ ডাকো!
আমার উপর দিয়ে চালিয়ে দাও!
এই লোক গুন্ডা, ছাত্র নয়!
মানুষের জীবিকা ধ্বংস করাই গুন্ডামি, আমার নয়।
তুমি কি বললে?
আমার উপর দিয়ে চালিয়ে দাও!
তুমি কি সত্যিই ঠিক আছো?
আমার উপর দিয়ে চালিয়ে দাও!
যা বলছি তাই করো!
আমি বলেছি, চালিয়ে দাও!
আমার উপর দিয়ে চালিয়ে দাও!
আমাদের 'সাহিত্যকন্যা'র কি হলো?
মানে?
জীবন ঘটেছে, এই তো।
তোর সর্বনাশ হোক!
হায় আল্লাহ!
এই, বুথ সাং-গিল!
জনগণের বিশ্বাস ভাঙলে, শাস্তি একদিন আসবেই।
রাজনীতি বাতাসের মতো বদলায়।
গুজব ছড়াচ্ছে, এ-সুন পরের মৎস্য সমবায় প্রধান হবে।
আরে, রাজনীতিতে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।
তবে আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি নির্বাচন করবে।
এমন মানুষ শেষমেশ নির্বাচনেই দাঁড়ায়।
এটা হবে এক ক্রীতদাস আর এক মুক্তিযোদ্ধার লড়াই।
এই বিশ্বাসঘাতককে যদি সমর্থন করি, ওরা আমাদের ঠকাবে।
কো-অপের প্রধান হলেই কি হবে।
তাকে কীভাবে 'ডেপুটি' বলতে পারে?
পদের নাম ডেপুটি চিফ, আর সে শুধু "ডেপুটি" বলে।
"এই, ডেপুটি!" বলে ডাকে।
সে কখনো ডেপুটি হতে চায়নি।
যদি একটা কুকুর প্রধান হতে পারে, তাহলে সে কেন পারবে না?
আমাদের একজন হানিয়ো কে প্রধান বানাই!
আমি রাজনীতিতে নেই!
তোমার প্রিয় গওন-সিকের স্বপ্ন পূরণ করবে না?
তোমাকে কী হলো হঠাৎ?
আমি রাজনীতিতে একদমই আগ্রহী না!
তুমি কি তোমার প্রিয় গওন-শিকের স্বপ্ন পূরণ হতে দেবে না?
তোমার কী হলো হঠাৎ?
আমাদের ক্যাপ্টেন নিশ্চয়ই কারও প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এটা কী ব্যাপার?
তুমি চাও আমরা কাকে ভোট দেই?
ক্যাপ্টেন ইয়াং, এখন তো আমাদের খাইয়ে দিলে, বলো এবার।
আচ্ছা…
আমি এটা শুধু সে আমার স্ত্রী বলে বলছি না।
কিন্তু অ্যে-সুন ক্লাস প্রেসিডেন্ট ছিল একসময়।
আমি নিজেই দেখেছি।
আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি—
অ্যে-সুনের মতো বুদ্ধিমান কাউকে কখনো দেখিনি।
তুমি কি কখনো এতটা বুদ্ধিমান ছিলে যে ক্লাস প্রেসিডেন্ট হতে পেরেছ?
আচ্ছা, খোলাখুলি বলি।
তুমি কি সত্যি চাও অ্যে-সুন প্রধান হোক?
তোমার স্ত্রী হবে দোদং-রির প্রথম নারী প্রধান।
তাহলে তোমার কী হবে?
একজন প্রকৃত পুরুষের তো আত্মসম্মান থাকা উচিত।
হ্যাঁ, সে প্রথম নারী প্রধান হবে, কিন্তু আমিও প্রথম হব।
যদি অ্যে-সুন প্রথম নারী প্রধান হয়,
তাহলে আমি হব প্রথম প্রধানের স্বামী!
সম্মান তখনই ভালো লাগে, যখন সেটা কষ্ট না করে পাওয়া যায়।
এই যথেষ্ট, ঠিক আছে?
তুমি আমাদের সবাইকে ছোট দেখিয়ে দিচ্ছ।
আমাদের ক্যাপ্টেনের স্বপ্ন একটু ভিন্ন।
এটা একদম নতুন কিছু।
আমি সব করব। আমি হবো মৎস্য সমবায় প্রধান।
আমি পাঁচবার প্রেসিডেন্টও হবো!
তুমি কী হতে চাও?
ওকে কিছু জিজ্ঞাসা কোরো না!
প্রথম লেডি।
প্রথম লেডি।
তাহলে…
কি বললে? প্রথম লেডি?
মনে হচ্ছে এতে আসল কলা ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রিমিয়াম কলা।
তুমি তো সব খেয়ে ফেললে।
এই যে ভাই!
এই কলা দুধ তো কিছুই না!
ঐ কৃপণ লোকটা সবার জন্য শুকরের মাংস কিনছে!
আসলে কে আছে যে শুকরের মাংস পছন্দ করে না?
লবণ-গ্রিলড্ শুকরের মাংস
এটা সাধারণ শুকর নয়।
জেজু ব্ল্যাক পিগ, জানো তো?
জেজু ব্ল্যাক পিগ!
প্রিমিয়াম জেজু ব্ল্যাক পিগ!
প্রতি টেবিলে এক প্লেট বেশি দাও, যেন দ্বিগুণ দেখায়।
আমরা শুধু জেজু ব্ল্যাক পিগই দেই।
আমার সত্যিই কোনো লুকানো উদ্দেশ্য নেই।
দেখো, আমার টাকা-পয়সা বা সম্মানের অভাব নেই।
আমার মাথায় শুধু একটাই চিন্তা থাকে।
কীভাবে আমি আমাদের কো-অপ সদস্যদের আরও কিছু খেতে দিতে পারি?
"আরও কিছু দেওয়ার জন্য কী খুঁজে বের করবো?"
শোনো, খাওয়ার সময় একটু মনোযোগ দাও।
এত মানুষকে এই ছোট্ট জায়গায় গুঁটিয়ে এনেছো, কেবল মাংস চিবানোর জন্য?
আগে প্লেট শেষ করো, তারপর আরও অর্ডার দিও।
তুমি আমাকে ভোট দেবে না, তা আমি জানি।
তবু তুমি এখানে! তাহলে অন্তত ভালোভাবে ঘুষ দাও! এত কৃপণ কেন?
তো যাই হোক...
ওহ আই-সান হঠাৎই যেন আকাশ থেকে নেমে এসেছে।
কিন্তু আমি দোদং-রি থেকে এসেছি।
আমি তো এখানকার প্রকৃত উত্তরাধিকারী...
আমি সেই কবে সোডা চাইছিলাম!
সবাই বড় পদে থাকতে পারে না, তাই তো?
আমাদের উচিত প্রার্থীদের ব্যাকগ্রাউন্ড ভালোভাবে দেখা।
আর তাদের পরিবারের সমস্যাগুলো খেয়াল রাখা।
উপ-প্রধানের কী সমস্যা আছে?
গওয়ান-সিক সম্মাননা পাচ্ছে, তোমার কী আছে?
ওটা তো সম্মাননা না, কৃতজ্ঞতার স্মারক।
আমি চাইলে এক ডজনের বেশি পেতে পারি।
- জানো... - কিন্তু এখনো পাওনি।
তুমি কি কখনো কাউকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছ?
আরে থামো তো!
অন্যরা কথা বললে শোনার অভ্যাস করো।
এই মহিলারা নিজেদের মতামত দিতেই থাকে!
আর তুমি? কেন এমন আচরণ করছো, যেন আমার সোডার অনুরোধ শোনোনি?
তোমরা সবাই জানো,
ওই পরিবার কিন্তু কারও জন্য ভালো উদাহরণ নয়।
ওরা ১৮ বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল, আর একটা মেয়ে হয়েছে।
সে এখন এসএনইউতে পড়ে।
কিন্তু দ্বিতীয় সন্তানের কথা বলছি না।
অন্যের সন্তান নিয়ে কথা বলা ঠিক না, কিন্তু...
থাক, দরকার নেই। উচিত হবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.