ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
>>>>>
>>>>>
>>>>>
হ্যালো, বেড়া.
হ্যালো, পাতা.
হ্যালো, আকাশ.
আমার চত্বর থেকে ভাগ!
আবার আসছিস তুই!
তুই কি চাস আমি তোকে কাঁচা খেয়ে ফেলি?
- না.. - তাহলে তাড়াতাড়ি ভাগ এখান থেকে!
আমার সাইকেল.
আমার বাড়ি থেকে সবসময় দূরে থাকবি!
- ডিজে! - আমরা আর কতো দেরী করবো!
হ্যাঁ, মম,আমি আসছি. আমি আসছি.
অক্টোবর 30: আরেকটা ট্রাইসাইকেল.
আমি আসছি....
মা.
মা, সে আবার কাজটি করেছে, সে আবার অন্য আরেকজনের সাইকেল কেড়ে নিয়েছে.
ঠিক আছে, সোনা, আমরা এখন অন্য ব্যাপারে কথা বলি.
তুমি তোমার রুমে সারাদিন. জেগে থাকবেনা...
...আর ওই বুড়ার পিছনে সারাদিন টেলিস্কোপ নিয়ে পরে থাকবেনা .
কিন্তু,মা,তার বাড়ির ভিতরে কিছু সমস্যা আছে.
আমি সিরিয়াস.
তুমি কি ফাযলামি করছো?
আমি সিরিয়াস.
তার কণ্ঠে ইয়ার্কির গন্ধ পাচ্ছি.
কেউ মনে হচ্ছে বেশী বড় হয়ে যাচ্ছে,
"এটা আমার সাথে কি হচ্ছে?" তাইনা বন্ধু?
তোমার মনে হয় আমাদের সাথে যাওয়া উচিৎ.
ওহহ,সে তো হেব্বি ব্যাস্ত মানুষ. সে তার গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়ে যাক,
আমি গুপ্তচরবৃত্তি করছি না.
ভালো...
"ভালো..." সব ঠিক আছে বন্ধু.
আমি যখন তোমার বয়সী ছিলাম, আমিও এই কাজগুলোই করতাম.
অবশ্যই,আর আমার কাছে যদি বিনকিউলার থাকতো, তাহলে আমি সুন্দরী জেনসন বোনদের দেখে বেড়াতাম.
কিন্তু তাদের কেউই তোমার মায়ের মতো সুন্দরী ছিল না.
তুমি কি একটা পরী হয়ে আমার হারানো দাঁতগুলো খুজতে সাহায্য করবে?
- দাঁতগুলো. - থামো.
ইয়াহ,তুমি ঘটনাটা কখনো ভুলবে না.
এলিজাবেথ এখানে পৌঁছে যাবে কয়েক ঘন্টার মধ্যে.
কোন সমস্যা হলে পুলিশকে জানাবে, আর লুকিয়ে পরবে.
সে সব জানে.
আগামীকাল রাতে আবার দেখা হবে.
- এটা তুমি কি করলে? - আগে গাড়ি চালাতে দিবে দয়া করে!
- ডিজে কোথায়? ডিজে কোথায়? - আমি ঠিক আছি.
সে যদি গাড়ির তলে পড়ত, তুমি কি তাহলে খুশী হতে?
দুঃখিত ,মুখোশ পড়া অবস্থায় দেখতে সমস্যা হচ্ছে,
তাহলে এটা খুলছিস না ক্যান? হারামজাদা?
তুমি গাড়ির জানালা বন্ধ করলে কেনো?
- চাউডার. - এটা অস্বস্তিকর.
- হাই, ডিজে. - আমরা অনেক সময় পেরেছি.
বাচ্চারা. বাচ্চারা.
- কোন বাচ্চারা? - বাই, বাই,বাচ্চারা.
- তাকে বলো তুমি তাকে ভালোবাসো, প্রিয়. - সে সেটা জানে.
- তুমি তোমার ছেলেকে বলো তুমি তাকে ভালোবাসো. - আমি সেটা বলতে চাইনা.
- সে জানে আমি তাকে ভালবাসি. - সে তোমার ছেলে.
- তোমাকে বলতেই হবে. গাড়ির কাচ নামাও - আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে.
আমরা তোমাকে ভালবাসি.
- তোমার বাবাও তোমাকে ভালবাসে. - এটা ঠিক বলেছো.
- তাকে একটা চুমু দেয়া উচিৎ ছিলো. - সে যথেষ্ট চুমু পেয়েছে.
- তাকে একটা চুমু দাও. - বিদায়.
আহ!থামো আজ তো হ্যালোইনের দিন,
এক দিন তিন ঘন্টা সময় আমাদের কাছে, এটা শুধু মজা করার সময়.
তাইনা?
- নতুন বলটা একটু পরীক্ষা করে দেখোতো. - দারুন.
এখন বলো দেখি, তুমি কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছো?
রাক্ষস না খোক্ষস সাজবে?
চাউডার.
আমি বলতে পারছিনা ট্রিক অর ট্রিট খেলতে পারব কিনা!
কি?
কাম অন,তুমি কি গত ছয় বছরের নিয়ম ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছ!!
হ্যাঁ, ছয় বছর অনেক লাফঝাপ হলো.
সম্ভবত আমি খুব বড় হয়ে যাচ্ছি,
মাত্র তিন সেকেন্ডে.
আমি বাস্কেটবল খেলছি.
তোমার চেহারাই লজ্জা ফুটানোর এটাই উপযুক্ত সময়.
- তুমি ঠিক আছো? - আমার নাক গেলোরে! মাথায় ঢুকে গেছে আমার স্বাধের নাকটা!
আমাকে দেখতে দাও. হায় ঈশ্বর.
- কি? - ভয়ানক অবস্থা.
আমার বল কোথায় গেলো?
ওহ, নো.
- দুঃখিত, দোস্ত. - দাড়াও, দাড়াও. ডিজে.
তুমি না বড় হয়ে গিয়েছো! যাও না, বল টা নিয়ে এসো প্লীজ.
- চাউডার, তোমার বলটা ন্যবারক্রেকার এর উঠানে যেয়ে পড়েছে!
এটা কিছুক্ষণের মধ্যে উধাও হয়ে যাবে.
আমি এটার জন্য ২৮ ডলার খরচ করেছি!
এর জন্য ১০ একর বাগান পরিষ্কার করেছি আর প্রতিটি ডলারের জন্য অন্তত ২৬ বার মাকে জ্বালাতন করেছি.
আমি জীবনেও এতো কষ্ট করিনি!
ন্যাবারক্রেকার এখন বের হবেনা.
- তো? - সম্ভবত সে এখন ঘুমে ব্যাস্ত.
ঠিক আছে, আমি এটা আনছি তাহলে.
তোমার এই প্রতিদান আমি কখনোই ভুলবো না. যাও, দ্রুত.
যাও.
তুই...!
- না. - ডিজে, ভাগো!
বলটা নিয়ে পালাও!
তুমি প্রায় করে ফেলেছো.
তুই এটা কি করলি?
- বলটা এদিকে ছুড়ে মারো. - আমি দুঃখিত.
ওহ! আমি সত্যিই দুঃখিত . আমি আসলে এটা করতে চাইনি-
তোরে আজ খাইছি!
ডিজে,তাড়াতাড়ি চলে এসো!
- চাউডার. - তাড়াতাড়ি, ডিজে.
বাঁচাও!. চাউডার.
বাঁচাও. বাঁচাও.
- তুই কি ভেবেছিস আমার উঠান নষ্ট করে দিবি? - না, আমি দুঃখিত.
- তুই কি মরতে চাস? - না. আমি আমার জীবনকে ভালবাসি.
জানিস না এটা কোন বাচ্চাদের খেলার মাঠ নয়.
- এরপর থেকে আর করবোনা. - এটা আমার বাড়ি!
তোরা কেনো এটার সম্মান করিস না?
কেনো তোরা এটা থেকে দূরে থাকিস না!
ধাক্কা দাও,
কোন শব্দ নেই. এটা আমার কাছে ভালো ঠেকছেনা.
আমি একজন খুনি.
- না, তুমি খুনি নও. - আমি নই?
এটি একটি দুর্ঘটনা, এটা একটি অনিচ্ছাকৃত হত্যা.
আমি মনে হয় সত্যিই বড় হয়ে যাচ্ছি.
খুব ভালো. এলিজাবেথ চলে এসেছে.
পরে দেখা হবে, ডিজে.
ঠিক আছে.
ডিজে.
হেই, ডিজে, এইমাত্র একটা অ্যাম্বুলেন্স দেখলাম. আমি কি মজার কিছু মিস করলাম নাকি?
হ্যালো?
এলিজাবেথ...
আমি কি তোমার সাথে একটু কথা বলতে পারি?
ঠিক আছে, তাড়াতাড়ি বল ঝগড়াটে.
আমরা সবথেকে ভালো সময় কাটাতে যাচ্ছি.
- আমাকে অনেক পরিকল্পনা করতে হবে। - তারা ইতিমধ্যেই চলে গিয়েছে...
- কি? তারা চলে গিয়েছে? - হ্যা, তোমার সাথে আমার কথা বলা প্রয়োজন।
সংবিধান ৯ নং অনুযায়ী: তুমি রুমের মধ্যে থাকবে এবং ১১ নং অনুযায়ী তুমি বাড়ির বাইরে যেতে পারবেনা,
- এটাই আমার নির্দেশ. - এলিজাবেথ.
- এবং আমাকে "জি" বলে ডাকবে. - "জি"?
এখন, শোনো, আমি টিভি, স্টেরিও, এবং ফোনের নিয়ন্ত্রণে থাকবো.
আমি বোর্ড গেম খেলবো না, আমার যা ইচ্ছা তাই করবো.
আমি তোমার মা নই. এমনকি তোমার বন্ধুও নই।
আমাকে বাচ্চা ভাববে না, ঠিক আছে? আমি এখন হাতে কলমে বড় হচ্ছি.
আর তোমাকে আমার দরকারও নেই এলিজাবেথ.
- ওহ খোদা, ডিজে, তুমি এটা কেন ভাঙ্গলে? - কিন্তু আমি এটা ভাঙ্গিনি.
হ্যাঁ, এখন বল দেখি আমাকে, তোমার বাবা-মা কার কথা বিশ্বাস করবে?
- যাও, তোমার রুমে যাও. - যাচ্ছি.
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো?
ফোন দিয়ে কথা বলে না ক্যান! আজাইরা পাবলিক,
হ্যাপি হ্যালোইন, হাঁদারাম.
এটা দারুন, বোনস.
তার মুখের দিকে দেখো. হাস্যকর অবস্থা.
সে এখানে কেন! সে নিশ্চয় তোমার ফ্রেন্ড নয়. কে সে?
- ও হলো বোনস. - কি অবস্থা?
- সে একটি ব্যান্ডের দলে আছে. - হ্যাঁ, ঠিক।
যাই হোক না কেনো ফাজিল এটা তোমার ভাবার বিষয় না, বুঝলে?
তোমার ঘুমানোর সময় অভার হয়ে গেছে.
না, না, না, এটা ভিন্ন. একটু শুনো.
তুমি আমাদের প্রতিবেশীকে ফোন দিয়েছো. খুব ভালো কথা.
আমি ৬৯ ব্যাবহার করেছি. সে আমাকে কল করেছে.
- কে তোমাকে ফোন দিয়েছে? - ন্যাবারক্রেকার,
বলে রাখি,আজ সে মারা গেছে.
- সে মিথ্যা বলছে. - একদম না।
সে আজ মারা গেছে আর এখন আমি তার বাড়ি থেকে ফোন পেয়েছি.
ফোনটা কি তাহলে কবরের মধ্যে থেকে আসলো নাকি!
প্লিজ...আমার কথা শুনো,আমি সিরিয়াস.
ওহ, সে সিরিয়াস. সে সিরিয়াস তুমি সেটা জানো?
- প্লীজ, আমাকে এটা ফিরিয়ে দাও. - ও..., "তাকে"ফিরিয়ে দিবো?
আহ,থামোতো...জঘন্য,
- থামো,বোনস. - দাড়াও, থামো দোস্তো. আমার-
মনে হচ্ছে তার গলার ভিতর কিছু আটকে গেছে. যার কারনে তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে.
ঠিক আছে,আমি ঠিক করে দিচ্ছি সমস্যাটা.
- এলিজাবেথ তাকে থামতে বলো. - অনেক হয়েছে, এবার থামো বোনস,
নিচে চলো এখন.
দুঃখিত, বাচ্চা, আমি আর তোমার সাথে খেলতে পারলাম না..
তার চেহারা দেখার মতো হয়েছে.
আমি এটা করতে চাইনি কিন্তু ক্যামনে জানি এটা ঘটে গেলো,
খোদা, এটা বন্ধ করো.
ওই দাড়া! কই যাবি এবার?
চাউডার, তোমার বাবা মা কোথায়?
বাবা ফার্মেসীতে গেছে...
...আর মা মুভি দেখতে গেছে তার বাক্তিগত প্রশিক্ষকের সাথে
-আমাদের আস্তানাতে আমার সাথে দেখা করো এখনই - ঠিক আছে.
- বোনস, এটা থামাও. - আরে ব্যাপার না.
এভাবে হবে না, আমাকে হামাগুড়ি দিয়ে বের হতে হবে.
তুমি জানো, আজ সকালে আমি একটা অ্যাম্বুলেন্স দেখেছি.
তো?
তো আমার মনে হচ্ছে ন্যাবারক্রেকার সত্যিই মারা গেছে.
আমাদের জন্য এটা আনন্দদায়ক, মানুষ হিসাবে সে জঘন্য ছিলো।
না, সে শুধু খামখেয়ালীপনা একটা বৃদ্ধ ছিলো মাত্র.
ওহ, সত্যিই, জী?
আমার যখন ১০ বছর বয়স ছিলো,তখন আমার একটি ঘুড়ি ছিল. জট্টিল ঘুড়ি.
আমি এটা এতো বেশী উপরে উড়াতে পারতাম. যে ,তুমিও ওটা দেখতে পারতে না.
একদিন ঘুড়িটার সুতা ছিঁড়ে গেলো.
আমি এটার পিছনে দৌড়াতে থাকলাম ঘুড়িটা ঠিক ঐখানটাই পড়েছিলো ...
...ঠিক ওখানটাই, যেটা ওর আঙিনার মধ্যে ছিলো.
সে কি তোমার ঘুড়িটা নিয়ে নিয়েছিলো?
হ্যাঁ. তার লনে যাই পরুক না কেনো সেটা আর কখনো পাওয়া যায় না।
কিন্তু সেটা কোন বিষয় না.
বিষয়টা হলো ,সে তার বাড়ীর সাথে কথা বলে...
...আর সেটাকে চুম্বন করে.
এছাড়াও ...
... সবাই জানে তিনি তার স্ত্রীর সাথে কি করে.
কি করে! সে তার সাথে কি করে?
- সে তাকে খেয়ে ফেলে. - বোনস. থামো, থামো বলছি!
No comments yet. Be the first to leave one.