ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
আগুন!
অনুবাদ ও সম্পাদনায়... "মোঃ আলাউদ্দীন রাসেল"।
পিছনে নে! এটা ক্রিস্টি না।
ওরে বাল!
দারোয়ান এই সিডিটা কোথা থেকে পেলো?
ক্রিস্টি আবার কে?
চানসু, আহ! না জানলে চুপ থাক!
ওরে ভাই... পুরা ঘোড়ার মতো খেলছে শালায়।
ধুর, কিসব বালছাল! ইয়াক!
- আরে থাম! - মোটেও না!
আরে দেখ! দেখ! দেখ! শালায় কোন দিক দিয়ে ঢুকাচ্ছে।
খবিশ এর বাচ্চা!
ইঁদুর! ইঁদুর!
ধরেছি!
মেয়েদের মতো এত ভয় পাচ্ছিস কেন?
আমি একটা দৈত্য!
আসিতেছে!
কি হয়েছে?
আমি এখনো এটাকে গিলি নি।
ইঁদুরটা কোথা থেকে এসেছিল?
- আরে চুপ থাক! -ইয়াক! ভুলেও ওটার কথা বলবি না।
ওখানে ওরা এত ভাল খাবার পায় কিভাবে?
ওই, ইয়োনহো!
বিকালে আমি সুংজিন এর সাথে প্র্যাক্টিস করব। তাই তখন জিমে যাতে কেউ না যায়, ঠিক আছে?
খানকিটা সবসময় বসগিরি দেখায়, নিজেকে কি মনে করে কে জানে।
তাহলে সুংজিন জিয়োন এর পার্টনার হবে?
হয়তো শালি চালাকি করেছে।
কিরকম চালাকি?
চুপচাপ খেতে থাক...
কিন্তু জিয়োনের তো বয়ফ্রেন্ড আছে।
- জিয়োনের বয়ফ্রেন্ড আছে? - জানিস না? স্যাংগক আর কি!
- স্যাংগক? - হ্যাঁ!
ম্যানেজমেন্ট স্কুলের ওই হট ছেলেটা?
বাল!
- জিয়োনের দুধগুলা দেখেছিস? - কোন দুঃখে আমি মাগিটার দুধ দেখতে যাব?
আমি দেখেছি! ওর দুধগুলা আসলেই অনেক সুন্দর।
অনেক বড়! সাইজ ৩৮-৪০ হবে।
৩৬ হোক আর ৪০ হোক, তাতে আমার কিছু আসে যায়না।
মাগিটা আমাকে অনেক প্যারা দিচ্ছে।
গজব পড়ুক!
কিন্তু ও আসলেই অনেক সুন্দর আর তার ফিগারও সেই।
বেকুব! মাগিটার এত প্রশংসা করছিস কেন?
মাগিটার কথা মনে পড়লেই আমার বমি আসে।
না, ওর চোখগুলাও অনেক সুন্দর।
বালের আলাপ! চুপ করে খেতে থাক।
ওর কথা বললে তুই এত রেগে যাস কেন?
- হেই! ইউনি? - কি?
- খেয়েছ? - হ্যাঁ!
- আচ্ছা, বিকালে কল দিও! - আচ্ছা।
আয় তো বাল!
- চানসু, তুই ওদেরকে চিনিস? - কাদেরকে? ও হ্যাঁ, অবশ্যই।
তাহলে নীল গেঞ্জি পরা মেয়েটা কে?
তুই ওকে চিনিস না? ও ইয়োনহো! কলেজের সেরা সেক্সি মেয়েগুলোর মধ্যে একজন।
- ইয়োনো? - না ব্যাটা, ইয়োনহো।
ও এরোবিকস ড্যান্সার। জাতীয় দলে নতুন ডাক পেয়েছে এবার, জানিস না তুই?
ধুর বাল!
এটেনশন!
পরবর্তী ক্লাসে অপরাধতত্ত্বের উপর কুইজ প্রতিযোগিতা আছে।
- অপরাধতত্ত্ব? - হ্যাঁ!
চল!
চল!
হেই, কোথায় যাচ্ছ তুমি?
আমার পা কাজ করছে না। আমি পা নাড়াতে পারছি না।
শালির মাথা একদম খারাপ হয়ে গেছে।
ও মনে করেটা কি? বুড়ি হয়ে গেছে, তারপরেও ন্যাকামি করেই যাচ্ছে।
বাল আমার... ফকিন্নিটা এখান থেকে যায় না কেন বুঝিনা।
ঠিক বলেছিস।
- ছেলেটা কে? - স্যাংগক।
স্যাংগক? ওরে আল্লাহ!
- কি সুদর্শন দেখতে! - অস্থির!
দেখ... ওর দুধগুলো আর পাছাটা দেখ।
আমি নিশ্চিত, ওরা অস্থিরভাবে সেক্স করে।
এটা আবার কি?
কি করছিস তুই?
স্পঞ্জ!
আমার থেকেও ছোট আছে অনেকের।
একদম হাসবি না।
তুই যদি তোর পিঠে দুইটা কিশমিস রাখিস, তাহলে কেউ বুঝতেই পারবে না যে...
...তোর বুক কোনটা আর পিঠ কোনটা। আমিও কনফিউজ হয়ে যাব।
কি বললি তুই?
তোরগুলোও বড়!
বড় দুধওয়ালা সব মেয়েকে মেরে ফেলব আমি।
এটার কথাই বলেছিলাম।
- কি সুন্দর এটা! - হ্যাঁ...
মারাত্মক সুন্দর!
এটা খুব দামী।
কোন ধরনের মেয়েরা এত নোংরা কথা বলে?
যখন তুই একটা ছেলের সাথে করিস, তখন তুই "আরো জোরে, আরো জোরে" বলে চিৎকার করিস?
আমার মতো ভার্জিন একটা মেয়ের সাথে এসব প্রশ্ন করছিস কেন?
তুই ভার্জিন? তাহলে আমি মাদার তেরেসা!
আর আমি সদ্য জন্ম নেয়া শিশু!
এক, দুই, তিন!
সবসময় মনে সাহস রাখতে হবে।
- রক্ত! - এখানে রক্ত আসলো কোত্থেকে?
বজ্জাতের দল, আমি তোদেরকে এখানে আসতে নিষেধ করেছিলাম।
বাসায় কি ডিম নাই?
তাইহিক শালারপুত গতকাল সবগুলা ডিম খেয়ে ফেলেছে।
ধুর! মাদারচোদ একটা।
- আমি একটা ডিম বানিয়ে দিবো? - মানে? তুই কি শালা মুরগি নাকি?
পাগল নাকি তুই? এটা কিভাবে সম্ভব?
ধুর বাল, খবিশ কোথাকার!
ভাই রে ভাই! একদম ডিমের মতো!
বলেছিলাম! আমার স্যার বলেছিল, এগুলো একই উপাদান দিয়ে তৈরি হয়।
- শরীর খারাপ লাগছে? - আমি ক্লান্ত!
ইঁদুরের বিষ নিয়ে এসেছি।
বেশি করে দে।
ঘ্রাণ নিলেই শালার ব্যাটারা মরবে।
টোরান, এটা খেও না। এটা খেলে তুমি মারা যাবে।
ওই...
- কি..? - ওটাও দিলে কেমন হয়?
কোনটা...
ডিমে কুসুম নেই কেন?
আজকে অনেক টাকা কামিয়েছি! জলদি কর!
ধুর বাল!
চুপ থাক! জলদি কর!
চুপ করে খেলতে থাক!
ভাল একটা কার্ড পাইলেই হয়! আমি জিতব আর তোরা মারা খাবি।
- কে জিতবে? - নয়... নয়!
ইয়ো!
তুই জিতছিস!
আবার জিগায়!
উঠা সবগুলা!
আমিই জিতব... একটু অপেক্ষা কর...
পরেরবার যদি কার্ডটা পাই...
এটা কি? খেতে পারব?
না! ওটাতে ইঁদুরের বিষ দেয়া আছে।
মিথ্যা কথা!
ওটাতে আমার বাচ্চারাও আছে!
ধুর! ডিম ভাজাও আছে দেখছি।
একদম স্যান্ডউইচ এর স্বাদ!
প্রতিবার আমাকেই কেন দিতে হবে?
ও আল্লাহ!
- কি হয়েছে? - আল্লাহ রে!
পারলে ধর আমাকে!
ধর ওকে!
সুস্বাদু!
মারা খা!
দরজা খোল!
দরজা খোল!
দরজা খোল গাধার বাচ্চা! ওটাতে ইঁদুরের বিষ আছে।
এক, দুই, তিন!
গাধার বাচ্চা! বমি কর! বমি কর!
- স্থির থাকো! - নড়াচড়া করো না।
- আরেকটু জোরে চেষ্টা করো। - আর অল্প একটু!
- শুনেছিস? - কি?
- ছেলেটা বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। - কোন ছেলেটা?
চানসুর রুমমেট! যে ছেলেটা জানালা দিয়ে লাফ দিয়েছিল।
এত বেকুব কেন ছেলেটা?
আমি শুনলাম ও নাকি বীর্যও খেয়েছে।
- কি!? বীর্য? - কি বলিস?
শালারভাই!
মজা পেয়েছ?
আরো ভালো কিছু চাও?
বামপাশের এক্স-রেতে স্বাভাবিক মানুষের আর ডান পাশেরটাতে রোগীর গোপনাঙ্গ।
ব্যাটা ষাঁড়ের মতো বিচি নিয়ে জন্মেছে।
গত ৩৮ ঘন্টা যাবৎ এভাবে ফুলে আছে। কিন্তু আমরা এখনো কোন কারণ খুঁজে পাইনি।
এটা কি বিপজ্জনক নয়?
আগামীকাল এর মধ্যে স্বাভাবিক না হলে ওগুলো কেটে ফেলতে হবে।
স্যালাইন শেষ হয়ে গেছে। আরেকটা দেয়া যাবে?
আমি দুঃখিত!
সমস্যা নাই! আমি ঠিক আছি।
- তুমি কি ফার্স্ট ইয়ারে? - হ্যাঁ!
ট্রান্সফার নিয়ে এসেছ?
মিলিটারী ডিউটির কারণে আমার পড়ালেখা বন্ধ ছিল। আর তাছাড়া ব্যাক্তিগত কিছু সমস্যাও ছিল।
যার কারণে আমি এখনো ফার্স্ট ইয়ারে। আমার বয়স ২৮ - আর তোমার ২২!
তো?
তুমি না বলেছিলে আমাকে সাহায্য করবে?
হ্যাঁ!
নিজেদের প্র্যাক্টিস রুম পাওয়া পর্যন্ত এটা ব্যবহার করতে পারো।
কোচ যদি জানতে পারে... আমার বারোটা বেজে যাবে, বুঝেছ?
চিন্তা কোরো না!
আমরা রুমটা পরিষ্কার করে রাখব।
- পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে আমি খুব পটু। - এই নাও চাবি।
যাওয়ার সময় মনে করে দরজায় তালা মেরে যাবে।
- আচ্ছা! - অনেক অনেক ধন্যবাদ!
রুমটা কত বড়? এই যে?
ইউনসিক!
হেই... শুনো!
No comments yet. Be the first to leave one.