Bad Guys

Bad Guys (나쁜 녀석들)

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

Bad Guys E08 WebRip 540p x264
Bad Guys E08 WebRip 720p x264
Bad Guys E08 WebRip Bengali Subtitle
Bad Guys E08 WebRip বাংলা সাবটাইটেল
കമന്ററി എഴുതിയത് ArRmaN
💙❤ কোরিয়ান এই অ্যাকশন-ক্রাইম-থ্রিলার ড্রামাটি উপভোগ করুন বাংলা সাবটাইটেলের সাথে। ❤💙 ││ ⛔ ড্রামা ডাউনলোড লিংক কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে। ⛔ ││ 💜 ফেসবুকে আমাদের গ্রুপ: কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট 💜

ടാഗുകൾ

webrip
web
BRip
x264
720p
720
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2020-04-22
ഡൗൺലോഡുകൾ: 41
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.

BAD GUYS

অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ

BAD GUYS

কে রে তোরা?

আমার পিছে লেগেছিস কেন?

মি. কিম পাঠিয়েছে? হ্যাঁ?

আমার কাছে টাকা নেই! তবুও কেন...!

চিনতে পেরেছো?

তুমি...

জীবনে এমন কাউকে দেখিনি যে নিজের উপরই নজর রাখাতে চায়।

ভাববেন না। ভালোভাবে রেকর্ড করবো।

দেখবো...

আপনি সত্যিই কাউকে মারতে পারেন কি পারেন না।

২ বছর হয়ে গেল...

আমার এখানে আসার...

কারণ তো তুমি জানো?

তুমি খুনি নাকি খুনি না সেটা জানতে চেয়েছিলে না?

তোমার পিছু নিয়ে, আমি সত্যিই দেখেছিলাম।

তুমি কেমন লোক, আমি বোধহয় তোমার চেয়েও ভালো জানি।

তো?

কী দেখেছিলে?

জানি না মানতে পারবে কিনা, কিন্তু...

লি জুং-মুন, তুমি সত্যিই খুনি।

ওদের তুমি মেরেছিলে।

হোয়াইয়ন-দং সিরিয়াল মার্ডারের খুনি তুমি।

তুমি, লি জুং-মুন।

প্রথমে ভাবিনি, তুমি যে খুনি হতে পারো।

মানে...

কেমন সিরিয়াল কিলার নিজের অপরাধ রেকর্ড করাবে?

ভেবেছিলাম...

একটা পাগলের পাগলামি দেখে কিছু টাকা কামিয়ে নেয়া যাবে।

সেজন্যই তোমার উপর নজর রাখতে রাজি হয়েছিলাম।

করছে কী?

ওদেরকে কেন বেছে নিয়েছিলে আর কেন মারতে চেয়েছিলে,

এমনকিছু জিজ্ঞেস করো না আমাকে।

আমার কাজ ছিল তোমাকে ফলো করা আর ছবি তোলা।

তাই আমি কিছু জানি না, আর জানতেও চাই না।

আমিও জড়ালে, হয়তো দোষী সাব্যস্ত হতাম।

খুব রিস্কি হয়ে যেত।

তেলাপোকা মারারও সাহস কারো না থাকলে সেটা আমি।

প্রতি মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তুমি বেরুতে।

একজনকে বেছে নিয়ে চুপচাপ ফলো করতে।

ওই লোক বাসায় পৌঁছলে,

পেছন পেছন তুমিও বাসায় ঢুকে পরতে।

তারপর ঠিক এক ঘন্টা পর, বাসা থেকে বেরুতে।

যাদের পিছু নিয়েছিলে, তাদের একজনকেও বাদ দাওনি।

ছয়জনকেই ওভাবে মেরেছিলে। ছয়জনকেই।

কেমন লাগছে? খুব ভয় লাগছে, তাই না?

নিজ চোখে আমাকে দেখেছো ওদের মারতে?

কেন দেখবো?

মাত্রই বললাম আমি কোনো বিপদে পড়তে চাইনি।

যেহেতু আমি ওদের পিছু নিয়েছিলাম,

আর পরে ওদের মৃত পাওয়া গিয়েছিল,

সেহেতু আমি খুনি।

সিদ্ধান্তটা দ্রুত হলো না?

তুমি খুনি না হলে,

সেখানে আবার ফিরে যেতে কেন?

যে মরেছে তার বাসার সামনে কেন ঘুরঘুর করতে?

কেন?

আর শেষ যাকে মেরেছো সে একটা মেয়ে ছিল, তাই না?

একটা হাইস্কুলের মেয়ে। তোমার কেসের দায়িত্বে থাকা ডিটেকটিভের মেয়ে।

মনে আছে?

কী মনে থাকবে?

ও যেদিন মারা যায়, তুমি ওর বাসার সামনে গিয়েছিলে!

আর তখন...

তুমি শালা...

কী?

ভীষণ ভয়ঙ্কর ছিলে তুমি।

এত ভয় পেয়েছিলাম যে আরেকটু হলে প্যান্টে মুতে দিতাম।

ওর বাসার সামনে কী দেখেছিলে?

সত্যি বলতে,

তুমি নাটক করছিলে, তাই না?

কী দেখেছিলে?

জলদি বলো।

যাতে পুলিশের হাতে ধরা খেলে বলতে পারো তোমার মনে নেই,

পাগলের ভং ধরেছিলে।

আমাকে ছবি তোলার কাজ দেয়াটা তোমার নাটকেরই অংশ ছিল!

শালা...

কী দেখেছিলে জিজ্ঞেস করছি।

আমি বলদ বলেই তোমার মতো এক পাগলের কথা বিশ্বাস করেছিলাম।

টাকার দরকার থাকলেও, কাজটা করা ঠিক হয়নি...

আমি...

মারাত্মক ভয় পেয়েছিলাম।

ভয়ে আর অফিসেই যাইনি কখনো!

ওর বাসার সামনে কী দেখেছিলি, শালা?

হেসেছিলে।

তুমি...

আমার দিকে তাকিয়ে হেসেছিলে...

তুমি...

আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলেছিলে...

"আমি ওকে মেরেছি।"

"সবকটাকে।"

"সবকটাকে আমি মেরেছি।"

তুমি ওদের মেরেছিলে।

আমাকেও মারতে চেয়েছিলে। তুমি, লি জুং-মুন!

তোমার মা-বাবাকেও তুমি মারোনি?

ওদের মারার পর, ভোলার ভান করেছিলে।

গাড়িটা কীসের?

গাড়িটা থেকে কেন বের হতাম?

হয়তো তোমার কোনো বন্ধু কিংবা সহযোগীর গাড়ি, তাই না?

সেটা কেন মনে হয়?

তুমি গাড়িটা থেকে বের হলে,

কাউকে না কাউকে মারতে।

একটা হাইস্কুলের মেয়ে। তোমার কেসের দায়িত্বে থাকা ডিটেকটিভের মেয়ে।

ও যেদিন মারা যায়, তুমি ওর বাসার সামনে গিয়েছিলে!

যাকগে, তাড়াতাড়ি ফিরিস।

বাবা তোর প্রিয় কিমছি স্ট্যু বানাবে।

সত্যি, হঠাত কী হলো তোমার?

মেয়ের জন্য রান্না করবে?

শীঘ্রই চলে যাচ্ছি বলে, আমাকে মিস করতে শুরু করেছো?

খাওয়া যাক!

মেয়ে সাহেবা! কল ধরছিস না কেন?

সকাল সকাল ফ্লাইট তোর, তাই তাড়াতাড়ি ফিরিস।

আমার একটু কাজ পড়েছে, তাই অপেক্ষা করিস না। ডিনার খেয়ে নিস।

কিমছি স্ট্যু বানিয়ে রেখেছি। জলদিই বাসায় ফিরবো।

একদম একই কেস।

কিন্তু বাইরে কেন?

ও বাসার ভেতর মারে।

কিন্তু জি-ইয়ন বাইরে কেন?

জি-ইয়নকেও বাসার ভেতর মেরেছে।

তাহলে কেন ও...

বাইরে ছিল...

বল কেন...

কেন...

আমি,

জি-ইয়নের জন্য,

ভালো কিছু

রান্নাও করতে পারিনি।

কেমন বাবা আমি,

আমার একমাত্র মেয়েকে ঠিকমতো না খাইয়ে...

অতদূরে ওর মায়ের কাছে পাঠালাম?

নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না।

একটাই পথ খোলা আছে।

জি-ইয়নকে যে হারামী মেরেছে

আমি ওকে মেরে,

জি-ইয়নের সামনে...

হাঁটুগেড়ে বসে ক্ষমা চাইবো।

ভালো বাবা না হওয়ায় স্যরি বলবো।

আর ওর বাবা হিসেবে ওর কাছে...

ক্ষমা চাইবো।

এভাবেই....

ওর কাছে ক্ষমা চাইবো।

লি জুং-মুন, করছোটা কী?

অনুমতি ছাড়াই নাকি একজন বেরিয়েছে।

কেন বেরিয়েছো?

আপনি কীভাবে...

জিজ্ঞেস করেছি বোধহয়।

অনুমতি ছাড়া বেরুনোর কারণ কী?

৩ বছর আগের সেই কেস তোমার আর আমার জন্য বিষে পরিণত হয়েছে।

আমি যা ইচ্ছা করতে পারি।

যা-ই করি, মানসিক সমস্যার কারণে দোষী সাব্যস্ত হবো না। কেন?

কারণ আমি সাইকোপ্যাথ।

এটাই না ভাবছো, লি জুং-মুন?

কথা শেষ হয়েছে?

স্যরি, আপনাকে আগেই বলা উচিত ছিল।

না, জরুরি অবস্থায় থাকলে,

প্রায়শই আগে কাজ সেরে পরে রিপোর্ট করা হয়।

ও নিয়ে ভাববেন না।

তবুও...

আপনার ডিভিশনের মতো আমি অতো ভাবি না, বুঝলেন?

তোমরা হাসপাতালে চলে যাও।

আমার একটু কাজ আছে।

কী? আরও কিছু বলবেন?

আপনার কাছে কিছু জানার ছিল।

করে ফেলুন। যা ইচ্ছা নিঃসংকোচে জিজ্ঞেস করুন।

লি জুং-মুনের সাথে আপনার কী সম্পর্ক?

ও... সেটা...

সেদিনও বললেন আর আজকেও,

সাধারণ কোনো বিষয় মনে হচ্ছে না।

আমি লি জুং-মুনের কেসের প্রসিকিউটর ছিলাম।

হোয়াইয়ন-দং সিরিয়াল মার্ডার কেসের?

না, সেটার আগে।

লি জুং-মুনের প্রথম খুন। আমি সেই কেসে ছিলাম।

প্রথম খুন?

তাহলে, এই কেসের আগে...

৩ বছর আগে লি জুং-মুন সাধারণ এক গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট ছিল।

যে কেসটা একজন গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টের সাইকোপ্যাথ হবার সত্য সামনে আনে,

সেটা ঘটেছিল ২০১১ এর ১৯শে সেপ্টেম্বর।

ভাবিনি এত থাকবে।

এখানেও আছে... চল।

আমার বাসায় কেন?

আমার বাসাতেই কেন?

হ্যাঁ?

দাঁড়ান!

লি জুং-মুন চোরগুলোকে মারলেও,

সেটা তো যুক্তিসঙ্গত আত্মরক্ষা ছিল।

হ্যাঁ, আত্মরক্ষা ছিল।

আত্মরক্ষা হলো একজনের হাত থেকে আরেকজনের সম্পদ কিংবা সুস্থতা রক্ষার প্রতিব্যবস্থা।

ক্রাইম সিন দেখার আগে,

সংশ্লিষ্ট পুলিশরাও সেটা ভেবেছিল।

অপরাধ আইনের ধারা ২, অনুচ্ছেদ ২১ -এ বলা হয়েছে: আইনের অধিক সুবিধা ও সুরক্ষা নেয়া হলে,

সেটাকে আত্মরক্ষা হিসেবে গ্রহণ না-ও করা হতে পারে।

আইনের অধিক সুবিধা ও সুরক্ষা, অধিক আত্মরক্ষা।

লি জুং-মুনের ক্ষেত্রে এটাই হয়েছিল।

তাই কেসটা আমার কাছে আসে।

তারপর কী হয়?

সোজা নিষ্পত্তি। ওয়ারেন্ট খারিজ করে লি জুং-মুনকে ছেড়ে দিই।

ছাড়ার কারণ?

এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই, মা-বাবা খুন হয়েছে দেখলে

কারো পক্ষে নিজেকে সামলানো সম্ভব নয়।

അഭിപ്രായങ്ങൾ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left