ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
কিচ্ছু হবে না।
সে আমাকে মেরে ভর্তা বানিয়ে ফেলবে।
বললাম তো, কিচ্ছু হবে না।
বেল্ট দিয়ে পেটাবে আমাকে।
না, পেটাবে না।
পেটালে আমাকে পেটাবে।
রুমে গিয়ে বসে থাক, বের হবি না।
আমি ৩০ মিনিটের মধ্যে আবার টহলে ফিরে যাবো।
তাই কী তাড়াতাড়ি বলো, কী হয়েছিল?
তুমি তো জানোই কী হয়েছিল।
হ্যাঁ, কিন্তু আমি তোমার মুখ থেকে শুনতে চাই।
আমি অন্য ছেলেদের থেকে গাঁজা কিনতে গিয়েছিলাম।
সে আমাকে বাঁধা দিতে গেলে, ঝগড়া হয়ে যায়।
এখন আমাকে এইসব শুনাবে?
- আচ্ছা। - আমি সত্যি বলছি।
না, সত্যি বলছ না।
আমি জানতাম টমি গাঁজা কিনতে গিয়েছিল, তুমি না।
আর রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এটা তোমার নজরে পড়েছে,
- আর তুমি ঘুষি দেওয়া শুরু করে দিয়েছ। - টমি কিছু করেনি...
যাকে মেরেছ, তার সাথে আমার কথা হয়েছে জোয়েল।
আর ঘটনাস্থলে থাকা অফিসারের সাথেও।
আমি বোকা না।
তোমরা আমার ছেলে না হলে, দুজনকেই জেলে ভরে দিতাম।
তুমি তাকে মারতে পারো না।
চকলেট চুরির ঘটনাটা তোমাকে বলেছিলাম আমি?
আমার বয়স তখন,
১০ বছর।
দাদা দেখে ফেলেছিল, তারপর চকলেটটা ফিরিয়ে দিয়ে ক্যাশিয়ারের কাছে ক্ষমা চাইতে বলল।
তারপর আমরা বাড়ি ফিরে এলাম
গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে, সে আমাকে এমন মার মারল...
আমার চোয়াল ভেঙে ফেলেছিল, চারদিকে রক্তে ভরে গিয়েছিল।
দাদি তো ভেবেছিল আমি মরেই গেছি।
দুই মাস আমি মুখই খুলতে পারিনি।
কারণটা সবাই জানত, খুবই অপমানিত হয়েছিলাম।
জানোই তো কেমন লাগে, তাহলে কেন?
এই জন্যই ঘটনাটা বললাম।
আচ্ছা, হ্যাঁ, আমি তোমাকে মেরেছি।
টমিকেও মেরেছি।
কিন্তু কখনো এভাবে মারিনি।
এর ধারে কাছেও নেই।
মানে, আমি হয়তো অনেক মারধর করেছি, আমি...
জানি না, আমি শুধু...
জানি না।
কিন্তু আমি আমার বাবার চেয়ে একটু কম মারতে চেয়েছিলাম।
আর যখন তোমার পালা আসবে,
আশা করি তুমিও আমার চেয়ে একটু কম মারার চেষ্টা করবে।
আবার নতুন লোকটা।
আমি এসেছি দুই মাস হয়ে গেছে, সেথ।
যাই হোক, কিছু এনেছ আমার জন্য?
আমার তো খবর আছে রে!
আমার নাতি নাতনিরা খুব পছন্দ করবে এটা।
কোথায় পেলে এগুলো?
হুব্যাকের পুরনো বাড়িগুলোতে খুঁজে পেয়েছি।
সেখানে তো আমিও সার্চ করেছিলাম।
কারণ কোথায় খুঁজতে হবে সেটা আমি জানি, চোরাকারবারি করতাম আগে, আর তুমি তো...
আগে এই কাজ করতাম না আমি।
পুলিশ ছিলাম আগে।
মিলওয়াকি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট
তো, ব্যবসা তো ব্যবসাই।
যেটাই চাও না কেন, শুক্রবারের আগে
হবে না।
না, কালকের মধ্যে লাগবে।
ভ্যানিলা নাকি চকলেট দিয়ে বানাবো? ভ্যানিলা বলো, এটা বানানো সহজ।
ভ্যানিলা।
ওহ, আরেকটা জিনিস লাগবে।
আরে দাড়াও, আরো কিছু দিবো তো।
জোয়েল!
- কী হয়েছে? - তুমি আবার কোথা থেকে এলে?
ঔষধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে, চলো।
- ঔষধ? - না, না, না।
না, না, না, এটা একদম ধরবে না।
টমি, হয়েছেটা কী?
রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলেছে।
বুঝলাম, কিন্তু কীভাবে?
একটা পাতিলের গায়ে হাত লাগিয়েছিলাম।
ইচ্ছে করে?
মানে মনে হলো একটু ছুঁয়ে দেখি, তাই আরকি।
- কী? কেন? - কেউ দেখেনি, আমি একাই ছিলাম সেখানে।
তারপর ঢাকনা উঠিয়ে দেখলাম লাল হয়ে যাচ্ছে-তাই অবস্থা হয়ে গেছে।
ঘ্রাণটা কীসের মতো ছিল জানো? শূকরের মাংসের মতো।
- কেউই বাঁধা দিলো না? - বাঁধা দিবো কীভাবে ভাই?
কে জানত সে এরকম করবে? আমি বেচারা খাচ্ছিলাম তখন।
- ওহ, ব্যথা করছে। - আচ্ছা।
হয়েছে ঢং।
- সাবধানে। - ডক্টর ভি ক্লিনিকে গেছে।
আসার সময় ঔষধ নিয়ে আসবে সে।
এলি।
আমি সত্যি আবার ছোট হাতার জামা পরতে চেয়েছিলাম।
আমি দুঃখিত, আমি খুবই দুঃখিত।
আচ্ছা ঠিক আছে।
ঠিক আছে, কিচ্ছু হবে না তোমার।
- এটা কী বানালে! সেথ। - হেই।
হেই।
"শুভ ১৫ তম জন্মদিন এলি"
যাক, আশা করি সেথ নামটা ভুল করলেও যেন মুখে দেওয়া যায়।
ভালোই বানিয়েছে।
অনেক মজা হয়েছে।
ওহ, আচ্ছা।
ওইখানেও দাড়িয়ে থাকো।
তোমার জন্য আরেকটা জিনিস আছে, চোখ বন্ধ করো।
খুলবে না।
আচ্ছা, এবার ঘুরো।
আর, চোখ খুলো।
- কী এটা? - অনেকে এটাকে "গী-টার" বলে।
তোমার আঁকা একটা চিত্র দেখে এখানে খোঁদাই করে দিয়েছি।
আসল হাড় দিয়ে আরেকটু ঠিকঠাক করে দিয়েছি।
গিটারের পুরো শরীরটা পালিশ করেছি, আর খোদাইটা ড্রিল মেশিন দিয়ে করেছি।
রোট্যারি ড্রিল মেশিন ছিল, তাই যেটুকু পেরেছি করেছি আরকি।
তবে জিনিসটা খুব কাজের।
যাই হোক।
কথা দিয়েছিলাম তোমাকে শেখাবো, তাই।
আচ্ছা পড়ে শেখাবো তাহলে।
কিছু একটা শুনাও আমাকে।
- কী, এটা বাজাতে বলছ? - আর গান গাইবে।
না, না, না, আমি গান গাই না।
আজকে আমার জন্মদিন ভাই, যা পারো গাও।
বাল।
বেশ,
অতোটাও বাজে হয়নি।
আমি বুঝতে পেরেছি।
তোমার হাতের জন্য।
বুঝেছি আমি।
শুভ জন্মদিন, পিচ্চি।
- তীর ধনুকের কথা বলছ? - না।
পানির খেলনা বন্দুক?
- না। - এটা কি ডাইনোসর!
- তুমি পারবে না। - দাড়াও, দাড়াও, দাড়াও।
অনেক লটার বিড়ালের বাচ্চা?
"লটার" আবার কী?
লিটারের কথা বলছ?
বিড়ালের বাচ্চাকে কি লিটারে মাপা যায়? কী যে বলো!
- না, এটাও হয়নি। - বাল।
এটা কি খোলা ছাদের গাড়ি?
খোলা ছাদের গাড়ি দিয়ে তুমি কী করবে?
- চালাবো। - এটা পাড় হতে হবে।
জায়গাটা তুমি চিনলে কীভাবে?
টহল দিতে গিয়ে পেয়েছি।
জানো, জেসি ১৬ বছর থেকেই টহলে যাওয়া শুরু করেছিল।
- তাই নাকি? - বলছি না আমাকেও নিতে হবে।
আমি শাঁক সবজি কাঁটা আর ভেড়ার ময়লা পরিষ্কার করা নিয়েই ভালো আছি।
এমনি বললাম আরকি, ভাবলাম দেয়ালের বাহিরে
নিজেকে আরো বেশি কাজে লাগাতে পারব।
তুমিও টহলে যেতে পারবে।
এখন আপাতত বাচ্চা-কালটা উপভোগ করো।
ওহ, বাচ্চা-কালটা তো খুব কষ্টে কেটেছিল তাই না?
তোমার ১৬ বছর হয়েছে সবে ৪ ঘণ্টা হয়েছে।
প্রশিক্ষণ ছাড়া তোমাকে আমরা বাহিরে পাঠাবো না।
নিজের মধ্যে ধৈর্য বলে কিছু রাখতে হবে।
জেসি বলেছে তুমি দিলে সে আমার প্রশিক্ষণ নিবে।
তোমাদের মধ্যে কিছু চলছে নাকি?
কী বললে?
একসাথে দেখি অনেক সময় কাটাও।
মজার কিছু বললাম?
তার দিকে যে কীভাবে তাকাও, তা তো আমি দেখি, এসব ব্যাপার আবার আমার নজর এড়ায় না।
- ভুল বললে। - বেশ, এটা তোমাদের ব্যাপার।
কিন্তু কেউ তোমাকে আগে মোরগ আর বিড়ালের কথা বলেছে?
ধোন আর ভোদার কথা বলছ?
- কী বলে এই মেয়ে! - একটা কথা বলি শুনো।
কথা দিলাম, ওর সাথে প্রশিক্ষণ করতে দিলে, আমি প্রেগন্যান্ট হয়ে যাবো না, রাজী?
দেখি কী করতে পারি।
আর কতক্ষণ লাগবে ভাই?
এইতো চলে এসেছি।
ওহ খোদা।
এটা তো দেখি ডাইনোসর!
- জোয়েল! - পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ, হয়েছে।
এলি।
এলি!
দেখ কী করছে! সাবধানে।
আমি ডাইনোসরের উপরে উঠেছি!
- জোয়েল, ওইখানে একটা জাদুঘর আছে! - হুম, জানি!
এর উপর থেকে পড়ে গিয়ে হাত পা না ভাঙলে,
তোমাকে ওইখানে নিয়ে যাবো।
অসাধারণ!
কয়দিন হলো এই জায়গাটার ব্যাপারে জানো?
বেশ কিছুদিন।
তাহলে আগে বললে না কেন?
বিশেষ দিনে বলব বলে আগে বলিনি।
দেখলে? ধৈর্যের কেরামতি।
ওহ হ্যাঁ, শুনেছি আমি।
এটা কাজ করে?
নিশ্চয়ই কেউ ঘষা-মাজা করেছে।
মহাকাশে গেলে কেমন লাগত একবার ভাবতে পারো!?
- যাবে? - কোথায়?
মহাকাশে?
এটা আসল?
একদম আসল।
মহাকাশে গিয়ে ফিরে এসেছে এটা।
অ্যাপোলো ১৫, ১৯৭১।
আচ্ছা, খুলো।
এইতো হয়েছে।
মহাকাশে যাচ্ছ তুমি।
হেলমেট তো লাগবে একটা।
যেকোনো একটা নিয়ে নেও।
ভিতরে গন্ধ কেমন?
মহাকাশ আর ধুলোর গন্ধ।
আচ্ছা বেশ, এবার তুমি তৈরি।
আবিষ্কারক টিম, প্রস্তুত হও! মিশন বাতিল করো!
ওরা ঠিক এখানে বসেছিল।
- শুভ জন্মদিন পিচ্চি। - কী এটা?
No comments yet. Be the first to leave one.