ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
ব
বঙ্গা
বঙ্গানু
বঙ্গানুবা
বঙ্গানুবাদে
বঙ্গানুবাদে -
বঙ্গানুবাদে - মা
বঙ্গানুবাদে - মারি
বঙ্গানুবাদে - মারিব
বঙ্গানুবাদে - মারিব সি
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরা
বঙ্গানুবাদে - মারিব সিরাজ
Bangla Subtitle By Marib Siraj
অনুবাদ এবং সম্পাদনা মারিব সিরাজ
ক্যাপসুলে প্রবেশ করার জন্য অভিযাত্রীরা জেন্ট্রি (ক্রেন) অতিক্রম করছেন।
রজার।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি কেনেডির অনুপ্রেরণায়...
মাত্র সাত বছরে, আমেরিকা যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছে, যাকে তিনি বলতেন:
"সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক এবং সবচেয়ে বড় অ্যাডভেঞ্চার..."
"যা কেউ আগে কখনো করেনি।"
বছরের পর বছরব্যাপী রাশিয়ানদের অনুসরণ করার পর আমাদের মনুষ্যবাহী মহাকাশ প্রোগ্রাম...
এবং তারপর সেই আকস্মিক ও ভয়ঙ্কর অগ্নিকান্ডে...
উৎক্ষেপন স্থলে একটি রুটিন টেস্টের সময়...
নিহত হয়েছিলেন আমেরিকান নভোচারী গুস গ্রিসম...
এড হোয়াইট এবং রজার চাফি...
আমরা রাশিয়ানদের চন্দ্র যাত্রায় পরাজিত করতে পারবো কিনা সে ব্যাপারে গুরুতর সন্দেহ ছিল।
তবে আজ রাতে, অ্যাপোলো ১ ট্রাজেডির মাত্র ১৮ মাস পর...
পুরো বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছিলো নীল আর্মস্ট্রং এবং বাজ অলড্রিন...
চাঁদে অবতরণ করেছেন।
বড় খবরটি কিছুক্ষণ আগে এসেছে।
মিশন নিয়ন্ত্রক অনুমতি দিয়েছেন...
মহাকাশযান বহির্মুখী কার্যকলাপে যাওয়ার জন্য...
যেটি ছিল, চন্দ্র পৃষ্ঠে পদার্পণ...
প্রত্যাশিত সময়ের অনেক আগেই, পূর্ব দিবালোক সময় রাত ৯ ঘটিকায়...
তুমি যখন লুনার মডিউলে প্রবেশ করবে তখন তোমার অবস্থান... [লুনার মডিউল= মহাকাশযান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, মহাকাশযানের যে অংশ নভোচারীদের চাঁদে অবতরণ করায়।]
এবং আপেক্ষিক গতি এই দুটি বিষয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ধরো, আমি কমান্ড মডিউলের ভেতরে আর তুমি...
- আচ্ছা। - এল.ই.এম এর ভেতর।
এখানে যে জিনিসটা লেগে আছে একে বলা হয় প্রোব।
- সত্যি? - অবশ্যই।
ট্রেসী, তুমি যখন অনুভব করছো এটা ঢুকছে, আর চারদিকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে...
পৃথিবীর অন্য কোনো অনুভূতিই এর মতো হবে না।
- পানীয়ের আগমন। - এত বড় অনুষ্ঠান কীসের?
মিশন নিয়ন্ত্রণ কক্ষে কী অবস্থা?
উত্তেজনাকর মুহূর্ত চলছে। সবাই পায়চারি করছে আর সিগারেট ফুঁকছে।
জিন ক্র্যাঞ্জ উত্তেজিত হয়ে আছেন। আমি জিম লাভেল।
ও ট্রেসি।
- কেমন আছো, ট্রেসি? - এই সেই ব্যাক্তি।
জেমেনি ৭। জেমেনি ১২। অ্যাপোলো ৮। তারা চাঁদকে প্রথম প্রদক্ষিণ করেছিল।
এই ব্যাক্তি ১০ বার করেছে।
এক হাত হ্যান্ডেলে রেখে বাড়ি ফেরার তাগিদ।
এই, মেরিলিন।
এটাই হিউস্টন শহরের শেষ শ্যাম্পেন।
- খুব ভালো। - সব কিছু ঠিক আছে?
- সবকিছু ঠিক আছে। - আচ্ছা। ক্যাডেট লাভেল।
- বাবা। - এটা বরফে রাখো। দেখো যেন ঠান্ডা হয়।
- তুমি এই সপ্তাহে চুল কাটাবে? - আমি ছুটিতে আছি।
চুল কাটাও।
- আজ সারা রাত সেখানে থাকতে আমার আপত্তি নেই। - ঈশ্বর! কে সেটা করবে।
চিন্তা কোরো না। আমাদের দিন আসছে।
১৪ নাম্বারে যাওয়ার আগেই তারা প্রোগ্রাম শেষ করে ফেলবে।
তুমি জানো, আমার কাজিন ফোন করেছিল।
জানতে চাইলো, জিম লাভেলের দলে ঢোকার জন্য আমরা কাকে ঘুষ দিয়েছি।
আমি তাকে বলেছি, তারা শুধু নিশ্চিত করতে চেয়েছে, সে যেন সেরাদের পায়।
আচ্ছা, তারা ঠিক কাজটাই করেছে।
কোন চ্যানেল দেবো?
চালু করো, ওয়াল্টার!
জুলস বার্গম্যান!
জন, এসেছে!
আমি সত্যিই সাধুবাদ জানাই...
আপনারা এই পোষাকের রিহার্সাল পার্টিতে এসেছেন আমার অ্যাপোলো ১২ অবতরণ উপলক্ষ্যে।
বসো, কনরাড।
আমি মনেকরি আমাদের সবারই এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখা উচিত।
এটা অনুকরণীয়...
একটা মাথা নষ্ট করা সাহসী প্রচেষ্টা।
দেখানো হচ্ছে নীল আর্মস্ট্রং এর ব্যাকআপ এবং অবশ্যই তার দলের সবার সৌজন্যে...
এই ঐতিহাসিক চন্দ্রে পদার্পণ।
চলুন, জিম লাভেল, কেন ম্যাটিংলি এবং ফ্রেড হেইজের উদ্দেশ্যে এটা শুনি।
সে এসে গেছে! সবাই শান্ত হও!
এই যে বাচ্চারা!
তুমি কি ভালো ছবি তুলেছো, হুম?
আমরা বের হওয়ার স্থান যাচাই করতে পারি। আমার ক্যামেরা চালু করা উচিত।
- সে কি বের হতে বেশি সময় নিচ্ছে? - বের হওয়ার জন্য তার হাতে এখনও সময় আছে।
- তার শুধু দরকার তার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ার একজন লোক। - টানো, নীল!
টানো!
নীল, আমরা এখন আপনাকে মই থেকে নামতে দেখতে পাচ্ছি ।
এই ছবিগুলো দেখুন।
আমি মইয়ের পাদদেশে।
LEM এর পা গুলো চাঁদের মাটির...
এক বা দুই ইঞ্চি গভীরে গেথে গেছে।
যেন পাউডারের মতো ।
আর্মস্ট্রং এখন চাঁদে।
নীল আর্মস্ট্রং, ৩৮ বছর বয়সী আমেরিকান...
চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে আছেন...
এই ২০ জুলাই, ১৯৬৯ তে ।
এটি একজন মানুষের জন্য অতি ক্ষুদ্র পদক্ষেপ...
কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।
তাঁর উক্তি:
"এটি একজন মানুষের জন্য অতি ক্ষুদ্র পদক্ষেপ; কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।"
তুমি মাতাল, লাভেল।
হ্যাঁ, আমি শ্যাম্পেনে অভ্যস্ত নই।
আমিও না।
আমি ঘর পরিষ্কার করতে পারবো না চলো বাড়িটা বিক্রি করে দিই।
ঠিক আছে, চলো বাড়িটা বিক্রি করে দিই।
তারা এখন চাঁদের উপর দাঁড়িয়ে আমাদের দেখছে।
তাই না?
আমি বাজি ধরে বলতে পারি জিনি আর্মস্ট্রং আজ রাতে ঘুমাতে পারবে না।
তুমি যখন অ্যাপোলো ৮ এ ছিলে, আমি তখন মোটেও ঘুমাতে পারিনি।
আমার প্রতিটা মুহূর্ত অস্বস্তিতে কেটেছে।
ক্রিস্টোফার কলম্বাস, চার্লস লিন্ডবার্গ এবং নীল আর্মস্ট্রং।
নীল আর্মস্ট্রং।
এখন আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে মানুষ চাঁদে হেঁটেছে।
এটা কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়।
আমরা শুধু যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
অ্যাপোলো ৮ এ, আমরা এতো কাছে ছিলাম...
মাত্র ৬০ নটিক্যাল মাইল নিচে আর...
তখন মনে হচ্ছিল যেন...
বাইরে বেরিয়ে গিয়ে চাঁদের উপর হাঁটি।
আমি সেখানে ফিরে যেতে চাই।
আমার পর্বতগুলো কোথায়?
ঠিক ওখানে...
সাদা অঞ্চলটা দেখতে পাচ্ছো? ছায়া যেখানে শেষ হয়েছে...
পাশের অঞ্চলটা? এটাই প্রশান্তির সাগর...
এবং তোমার পর্বত এর প্রান্তেই।
তোমার পর্বত, মেরিলিন। মাউন্ট মেরিলিন।
আমি তো দেখতে পাচ্ছি না।
তাহলে, তোমাকে আরো ভালোভাবে তাকাতে হবে।
আরো ভালোভাবে...
যখন আমি...
নভোচারীরা হলো একটি বড় দলের সর্বাধিক দৃশ্যমান সদস্য।
ঝাড়ুদার থেকে শুরু করে সবাই...
এর অংশ হতে পেরে সম্মানিত।
লোকটি কী বলল? "আমাকে একটা লম্বা লিভার দাও আমি পৃথিবীকে সরিয়ে দেবো"?
আমরা এখানে এটাই করছি। এটাই স্বর্গীয় অনুপ্রেরণা, বন্ধুগণ।
যেকোনো কিছু করাই সম্ভব, এই বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে সেরা বিষয়।
একটি রুমে রাখা যায় এমন কম্পিউটারও...
লক্ষ লক্ষ তথ্য জমা রাখতে পারে।
বা "স্যাটার্ন ৫" রকেট।
প্রধান উৎক্ষেপণ যানটি অ্যালান শেপার্ড এবং তার সঙ্গীদের নিয়ে...
অ্যাপলো ১৩ মিশনের প্রথম ধাপে ছিল।
জিম, তুমি আবার কবে যাচ্ছো?
আমি আগামী বছরের শেষ দিকে অ্যাপোলো ১৪ এর কমান্ডার হতে যাচ্ছি।
যদি অ্যাপোলো ১৪ মিশন বলে কিছু হয় তবে।
আমার রাজ্যের লোকেরা জিজ্ঞাসা করে কেন আমরা অভিযান চালিয়েই যাচ্ছি।
যেহেতু রাশিয়ানদের আমরা চন্দ্র যাত্রায় হারিয়েছি, তখন শুধু শুধু অভিযানে অর্থ খরচ করার কী দরকার।
কল্পনা করুন যদি ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করে নিজ দেশে ফিরে আসলো...
কিন্তু পরবর্তীতে কেউ আর আমেরিকায় ফিরে গেল না।
মনোযোগ দিন, সবাই লেভেল ৩ ছেড়ে যান।
আর কোনো প্রশ্ন আছে?
মহাকাশে বাথরুম করেন কীভাবে?
এটি অত্যন্ত প্রযুক্তিগত একটি প্রক্রিয়ায়...
জানালা খুলে গ্যাস স্টেশন খোঁজার মতো, যেটি...
ডেক স্লেটন এসেছে।
আপনি সম্ভবত এই ভদ্রমহিলার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন।
ভদ্রমহিলা ও মহোদয় গণ, ডেক হলো মারকিউরি ৭ এর অরিজিনাল নভোচারী।
এখন সে আমাদের বস। সে নভোচারীদের ফ্লাইটের কাজগুলো দেখে...
তাই স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের বেতনের কিছু অংশ তাকে ঘুষ দেই।
- এই মাসে কত? - এক মিনিট সময় হবে? একটা খবর আছে।
অবশ্যই।
- বাড়িতে কেউ আছো? - আমি চিয়ার লিডার হচ্ছি না, মা!
তুমি বুঝতে পারছো না! আমি অনেক পরিশ্রম করেছি!
হয়তো আমি বুঝতে পারছি না...
কিন্তু তুমি এই কাপড় পরে বাইরে যেতে পারবে না।
সে ব্রাও পরেনাই! সব দেখা যায়!
চুপ কর!
কী অবস্থা সবার! মেরিলিন, দেখি বলতে পারো কিনা,
আমরা যে ইস্টারের ছুটিতে আকাপুল্কো যাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম,
কিন্তু মনে হচ্ছে গন্তব্যে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।
সত্যি?
সেটা হয়তো...
চাঁদে।
আল শেপার্ডের কানের সংক্রমণ বেড়েছে।
আর আমরা সবাই অ্যাপোলো ১৩-এর মূল নভোযাত্রী হয়েছি।
একদম সোজা ফ্রা মাউরো পাহাড়ের মাথায়।
ছয় মাস? তুমি কি ছয় মাসের মধ্যে যাচ্ছো?
বাবা, আমি কি এটা পরতে পারি?
অবশ্যই।
না! একেবারে না।
তারা তো তাড়াহুড়া করছে না, তাই না? ৬ মাসের মধ্যে কি তুমি প্রস্তুত হতে পারবে?
আমরা প্রস্তুত হয়ে যাবো। আমি আজ রাতে আল শেপার্ডের আশেপাশে থাকতে চাই না।
আমাকে সেখানে যেতে হবে আর সব দ্রুত শেষ করতে হবে।
যাও, যাও।
আমি চাঁদে হাঁটতে যাচ্ছি, মেরিলিন।
আমি জানি। আমি এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না।
আসলে, এটা ১৩। ১৩ ই কেন?
১২'র পরে আসে, তাই।
অ্যাপোলো ১৩, এখন পাইরো আর্ম দিয়ে ডকিং করতে হবে। [Pyrotechnic (সংক্ষেপে 'Pyro/পাইরো') হলো ছোট বিষ্ফোরক যন্ত্র যেগুলো বিভিন্ন কাজে অ্যাপোলো মহাকাশযানে ব্যবহৃত হতো।]
সমস্ত সিস্টেম সোজা এবং লাইনে রয়েছে।
S-4B স্থিতিশীল, SLA প্যানেলগুলো মুক্তভাবে যাচ্ছে।
নোঙর উন্মুক্ত। ডকিং এর লক্ষ্য স্পষ্ট।
আমি এখনই এটায় আসছি। দুই, এক, স্থির।
পঁচাত্তর ফুট। আমরা ডকিং এর জন্য আসছি।
তাদের কয়েকটা থ্রাস্টার বন্ধ করে দিই। দেখি তারা কী করে। [থ্রাস্টার = মহাকাশযানের ছোট রকেট ইঞ্জিন, যা গতিপথ এবং ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।]
একটি মিনিট অপেক্ষা করুন।
আমি এখানে কিছু একট হারিয়েছি। আমি বুঝতে পারছি না।
হিউস্টন, আমরা নিচে এবং দূরে সরে যাচ্ছি।
- সরে গিয়ে আবার করবে? - না, আমি পারবো।
আমাকে চেষ্টা করতে দাও আর এটা এখানে স্থির হতে দাও।
- আমি হাই গেইন এন্টেনাটি রিসেট করছি। - আমি লক্ষ্যবস্তু রেটিকেলের মধ্যে ফিরে পেয়েছি।
ঠিক আছে, আমরা স্থিতিশীল আছি। ভালভ পুনর্ব্যবহার করো।
No comments yet. Be the first to leave one.