ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
জীবন কী? উপাদানসমূহের মাঝের এক সুশৃঙ্খল ইস্তেহার। মৃত্যু কী? এইসব উপাদানের মাঝে নিহিত বিশৃঙ্খলা। ~•Brij Narayan Chakbast•
::.অনুবাদক: আশিকুর রহমান.:: :::.সহযোগিতায়: সায়েম.:::
আহ, এক সেকেন্ড।
একটা উপহার এনেছি।
ধন্যবাদ।
কী হলো?
খানিকটা অন্যরকম লাগছে না?
দরজা খোল!
কী করছিস তোরা?
খোল!
ওয়াও!
কী চোদনামি হচ্ছে এখানে!
জায়গাটা লাভ হোটেল বানিয়ে দিয়েছিস, এহ?
দারুন!
চল!
নাম জিজ্ঞেস কর।
নাম বল!
পিউস আগারওয়াল।
- কী করিস? - আমি একজন ছাত্র, স্যার।
কোথায় থাকিস?
- এলাহাবাদ। - "এলাহাবাদ"। তো এসব পড়ালেখা চলছে?
- স্যার, একটা বন্দোবস্ত করা যায় না? - তিওয়ারি, তার একটা "বন্দোবস্ত" কর।
আমি মেয়েটার বন্দোবস্ত করে আসি।
হেই! তোর নাম কী?
নাম কী?
- নাম বল! - দেবী।
দেবী, তোর গোয়া মারা সারা।
- পিউস! - তাকে ধর!
তাকে ধরে নিয়ে এসো।
তুই না একটা বন্দোবস্ত করতে চেয়েছিলি।
না, স্যার!
আমি কলেজে পড়ি।
প্রথমবার এসব করছি।
এবার জলদি দরজা খোল!
খোল!
ওদের ব্যাগ চেক কর!
ওর মানিব্যাগ দেখ!
এক্ষুনি দরজা খোল, বক্সদ!
দরজা খোল, শালা!
আমি বের করছি।
বাবার নামঃ রামধারী আগারওয়াল।
ফোন নাম্বারঃ ৯৪-১৫-২৫-৭৫-৪৭
দু'মিনিটের মধ্যে বের না হলে,
- তোর বাবাকে কল দিব। - আমার টয়লেট করা লাগবে।
জেলে গিয়ে করিস। তোর বাবার ফোন ব্যস্ত দেখাচ্ছে।
- দয়া করে বাবাকে কল দিয়েন না। - অবশ্যই করছি, এই দেখ।
কোথা থেকে এসেছিস? পতিতালয় থেকে?
এটার দিকে তাকা!
- না। - নেপাল থেকে এসেছিস?
আপনারা ভুল বুঝছেন।
আচ্ছা? কী ভুল করছি?
শালা দরজা না খুললে, তোকে রাস্তায় নগ্ন করে মারব।
খোল!
কিসের অপেক্ষা করছিস? দরজাটা ভেঙে ফেল!
এক্ষুনি দরজা খুলবি!
খোল!
শালা দরজা খুলবি না-কি, মাদারচোদ? জলদি খোল!
দরজা ভেঙে ফেল!
এ কী রে?
- স্যার! - কী?
- এই শালা করেছেটা কী দেখুন। - পিউস!
কী হয়েছে?
হেই পান্ডে! এম্বুলেন্সকে কল দাও
পিউস...
আস্তে আস্তে।
হাত ধর। রক্ত বেশি ঝরছে।
এম্বুলেন্স আসছে না-কি?
জানকি, তাকে কাপড় পরিয়ে, থানায় নিয়ে আসো।
কী দেখছিস তোরা? ভাগ এখান থেকে!
ভাগ এখান থেকে!
আহ! এসে গেছিস?
আমি তার জন্য পানি নিয়ে আসছি।
- দরকার নেই। - আমি নিয়ে আসছি, আম্মা।
ওকে, যাও।
চুলায় আগুন জ্বালাতে হবে।
সোনা, চুলায় আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে আয়।
আর বড় ভাইকে ঘুম থেকে তুলে দিস। নইলে কাজে যেতে দেরি করবে।
ভাই!
ভাই!
সিকান্দার...
হেই, ভাই!
ওঠ। মা তোকে ডেকে দিতে বলেছে।
জলদি, ওঠ, ওঠ।
- বাবা, আগুন জ্বালিয়ে এক্ষুনি আসছি। - সিকান্দার কোথায়?
তাকে ডেকেছি, এক্ষুনি এসে পড়বে।
ওই, মতিলাল!
- আসো, মিষ্টি খেয়ে যাও। - দোকান খোলা রেখে আসতে পারব না।
আরে, দোকান খোলা রাখলে কিছু হবে না।
ছাত্র মানুষ মিষ্টি নিয়ে এসেছে। কোথা থেকে এসেছ বললে?
নৃতত্ত্বের উপর আমরা একটা রিসার্চ করছি।
তারা এই ঘাটের ইতিহাস জানতে চায়।
তাদের বল।
তুমি এসবে দক্ষ।
আর তুমি অলিগলি সম্পর্কে দক্ষ।
অন্ধকার গলি।
তুমি কি রেকর্ড করবে?
হ্যা, স্যার। মাঝে মাঝে লেখার সময় ভুলে যায়।
ইতিহাস... হাহ?
আগে, এখানে পুরো এলাকাজুড়ে জঙ্গল ছিলো।
পবিত্র গঙ্গা এখানে ছিলো।
সবাই মৃতদের নিয়ে আসতো সৎকার করার জন্য।
মহারাজারা আলাদা আলাদা ঘাট বানিয়েছিলেন।
আলাদা আলাদা পন্ডিত বসতো,
আলাদা রীতিনীতি,
আলাদা ধর্মের মানুষ।
বুঝেছ?
যে ঘাটে আমরা বসে আছি,
এটা নিয়ে অনেক তর্ক বির্তক আছে।
- যেমন কাশ্মীর। - আচ্ছা।
মারাঠির লোকজন এটাকে নিজের বলে দাবি করতো।
গুজরাটের লোকজন এটাকে নিজের বলে দাবি করতো।
ওর কী করব?
ছোট্ট ছোটা, শয়তানের হাড্ডি।
পড়াশোনা করবে, কিন্তু একটা খদ্দের আনতে পারে না।
সকাল থেকে একটাও আনি নি।
- কী করছিলে? - যাচ্ছি।
ফোনটা নিয়ে আয়। জলদি।
এই সিন্ধীয়া ঘাটে...
- হেই! - আমি তীর্থযাত্রীদের আনতে যাচ্ছি।
আজকালকার বাচ্চারা...
- আমাদের থেকেও চালাক। - কথা কিন্তু সত্য।
ফোনটা সবসময় বাজতেই থাকে।
ভালো খারাপ সব এটার মধ্যেই।
হ্যালো?
হ্যা, আমিই বলছি।
কী?
বাচ্চাদের কান্ড দেখেন।
ম্যাম, শাড়ি চুরি টিপ পরে...
মাত্র দু'বার তাদের দেখা হয়েছিল...
আর এতেই চলে এসেছে।
কী করছিলে যেন?
তোমাকে বলছি।
কী বলছিলে যেন, কী হলো, বলো।
বাবাকে বল।
আহ, হ্যা, "কৌতূহল মেটাতে এসেছিস।"
যদি সাংবাদিককে বলি...
তাহলে খবর করে ছাড়বে।
একদম ব্রেকিং নিউজ হয়ে যাবে। কী এটা?
অন্য ডিপার্টমেন্টের ফাইল এখানে কী করছে?
ধ্যান কোথায় থাকে তোমার?
সঠিক ফাইল নিয়ে আস জলদি!
নামটা যেন কী?
পাঠক।
বিদ্যাধর পাঠক।
আমি নান্দ্যেশ্যর ঘাটে তীর্থযাত্রীদের সৎকারের কাজ করি।
আগে স্কুলে সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষা দিতাম।
এখন অনুবাদ করি।
তিন দিন পর আবার ডাকা হবে।
ওখানে বিল পরিশোধ করে,
এখনকার মতো মেয়েকে নিয়ে যান।
মিশরা সাহেব, "এখনকার মতো" মানে?
যদি ছেলেটার কিছু হয়,
তাহলে তার উপর
আত্মহত্যার মামলা হবে। যার মানে কোর্ট,
মামলা-মকদ্দমা, মিডিয়া, সাংবাদিক, এসব ঝামেলা পোহাতে হবে!
কান্নাকাটি বন্ধ করে ওখানে বিল পরিশোধ করুন।
আপনি তো আমাদের লোক..
গিয়ে ওখানে বিল দেন!
কেন্দ্রাতিক বল ঘুরে কেন্দ্রবিন্দুতে এসে অচল শরীরকে,
উপর বরাবর তোলে,
এবং এভাবেই সিভিল ইন্জিনিয়ার দুনিয়াতে আসে।
কোন প্রশ্ন আছে?
না, স্যার।
কলেজ শেষ হতে কত দিন বাকি আছে?
স্রেফ দুই মাস, বাবা।
তারপর পরীক্ষা, আর এরপর রেজাল্ট।
- মানে? - সোজা চাকরি।
চাকরির জন্য টাকা লাগবে না?
এখন আর লাগে না, মা।
রেলওয়ে এবং ইলেকট্রনিক এর কাজে...
ইন্টারভিউ দিলেই চাকরি হয়ে যায়।
ওখানে ছাই পরিষ্কার করার বদলে এখানে বসে খাচ্ছিস?
যদি আবার সিলভার চুরি করে?
শাম্বু চাচা তো আছে।
শাম্বু এসবের কী জানে?
তো খাবো না না-কি?
কত টাকা বেতন দিবে?
ইন্টারভিউ এর পর বলবে।
ঠিক আছে, যা ভালো হয় তাই কর।
যত জলদি এখান থেকে যাবি, তত ভালো।
এখানে থাকলে, সারাজীবন লাশ জ্বালাতে জ্বালাতে শেষ হয়ে যাবি।
বালের রুটি।
দেখ। আমি সিলভার পেয়েছি।
দেখি?
এটার সম্পর্কে কিছুই জানিস না। এটা এলুমিনিয়াম।
প্রণাম, গুরুজি। আমি একদম পরিষ্কার হয়ে এসেছি।
তিন দিন ধরে দেখি দোকান খোলেন নি।
চুপচাপ কাজ কর।
তোমার বাবা আছে?
- উনি ঘাটে গেছে। - ডাকো তাকে।
* বন্ন্যার কারণে ভূমিধসে,
* শেরপুর এবং শেমারায় অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
* ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই সাহায্যের জন্য
* আশ্রয়কেন্দ্রে ধর্না দিয়েছে।
* বিগত কয়েক বছর ধরে ওখানকার লোকজন এই সমস্যায় ভুগছে।
* বন্ন্যার কারনে ওখানকার অধিকাংশ জমি গঙ্গাতে বিলিন হয়ে গেছে।
* ধর্না দেওয়া জনগণের বক্তব্য, সাহায্যের অভাবে...
* তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে,
সরকারের কাছে বারবার সাহায্য চাওয়ার পরও...
* কোনো সাহায্য পায় নি।
No comments yet. Be the first to leave one.