ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদক : আশিকুর রহমান
তোমার সামনে কিছু আছে বলে
ভেবো না যে...
হেই!
...তুমি তার নাগাল পাবে।
সবসময়ই মাঝপথে বিঘ্ন ঘটে।
মাঝে মাঝে প্রতিদন্দীর সাথে লড়তে হয়।
আবার মাঝে মাঝে নিজের সাথে।
খেলা শুরু কর!
হাল ছাড়ো নইতো মরো, সব তোমার হাতে।
কিন্তু, জলদি কর।
বেন, অনেক হয়েছে! তাকে এবার ছাড়ো!
জেমি। জেমি, কী হলো। হাল ছেড়ে দাও।
আসল দুনিয়াতে হাল ছেড়ে দেওয়ার অপসন নেই, বাচ্চারা।
-অনেক হয়েছে! - না!
জেমিই আমাদের সেকথা বলবে।
এবার মারা খা, হালারপো।
সাবাস।
মনে রাখবে, বাচ্চারা,
আমাদের দক্ষতা ততক্ষণ বুঝতে পারব না
যতক্ষন না আমরা মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছি।
এবং এদের কোচ হিসেবে, আমার কাজ হলো তারা যেন এমন পরিস্থিতিতে না পড়ে।
নিজেকে মহান ভাবা বন্ধ কর।
বাচ্চারা, যাও এবার।
চলো, বন্ধুরা।
-তারা এখনো তৈরী হয় নি। - কেউ কখনো তৈরী হয় না।
এটা তাদের জন্য একটা মরণঘাতী মিশন।
তোমার মন দূর্বল হয়ে গেছে, বন্ধু।
বুদ্ধি সুদ্ধি সব গেছে।
আর তোমার মধ্য থেকে মানবতা হারিয়ে গেছে।
কিসের মানবতা?
- তোমার দ্বারা তাদের ক্ষতি হতে দিব না। - আচ্ছা?
নিজের অবস্থান ভুলে গেছ, পোগো। তারা আমার বাচ্চা।
এবং তারা আমার কথামতো সব করবে।
এটা যদি না মানতে পার, তাহলে অন্য মালিক খুঁজে নিবে।
আমি কাল সকালেই চলে যাব।
কাল কেন? এখনই যাও।
আমি বাচ্চাদের ট্যাট্যু বানাই না।
আমি ট্যাটুর জন্য আসিনি।
আসার কারণ আমাদের একজন পরিচিত বন্ধু আছে।
স্যার রেজিন্যাল্ড হারগ্রিভস।
তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।
তুমি বুঝতে পার নি। আমি তার ছেলে।
অন্য টাইমলাইন এর।
অন্য টাইমলাইন এর?
শুনতে আজব মনে হলেও, আমাদের আগেও দেখা হয়েছে।
১৯৬৩ সালে,
তখন তুমি ডায়াপার পরে থাকতে এবং তোমার নখ অনেক বড় বড় ছিলো।
হইতো তোমার মনে নেই, কিন্তু আমার কাছে প্রমান আছে।
যদি তোমার কথা সত্যি হয়,
তাহলে তোমার বয়স ৬০ হবার কথা।
এবার, রাস্তা ছাড়ে, আজকের দিনটা অনেক বাজে গেছে।
পোগো, আমার কথা শোন।
মায়ের কোলে ফিরে যাও, ছোট্ট সোনা।
যদি না যাই?
বাল।
হেই, জরুরি কাজে তোমার বাইকটা লাগবে।
ভাগ সালা এখান থেকে।
বাইকটা দে নইলে...
ওকে।
ওরে!
কী শুনো তুমি?
হারলিন।
হেডফোন খুলবে?
কী শুনছো?
তোমাকে।
প্রত্যেকের নিজস্ব ভাইব্রেশন থাকে।
একদম সনিক ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো।
ওহ, আচ্ছা?
আমারটা শুনতে কেমন?
খারাপ।
মুখের উপর কাউকে খারাপ কথা বলতে হয় না, জানো?
হেই।
তোমাদের মধ্যে কী বন্ধুত্ব হয়েছে?
ওহ, হ্যা। একদম টম জেরির মতো।
তাকে ভাগাতে বাকিরা কী বলছে?
এটাই যে, তারা আমার উপর ভরসা করে না।
তুমি ঠিক আছো, হারলিন?
তুমি ঠিক আছো?
হ্যা।
এখানকার পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে।
দুনিয়া ধংশ হতে বেশি দেরি নেই।
ওকে, তো প্লান কী?
তার শক্তি নিতে হারলিন আমাকে সাহায্য করবে।
আর... এটা যদি কাজ না করে?
আহ...
দেখো, ভিক্টর, আমি তোমার সাথে আছি, কিন্তু এটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।
বাকিরা ঠিক বলেছে। কুগল্বেটস এর সাথে লড়াই করতে হবে।
হ্যা, জানি। জানি।
রাত পর্যন্ত সময় দিলাম।
নইলে, আমার পাওয়ার ব্যাবহার করে তোমাকে নিয়ে যাব, বুঝেছ?
ওকে, ওকে।
কথা দিলাম।
আমি সিরিয়াস কিন্তু।
আমার সাথে পাঙ্গা নিস না, ছোট।
চলো শুরু করা যাক।
স্টান?
স্টানলি?
ওই, জেগে ওঠ!
স্টানকে খুঁজে পাচ্ছি না।
সবসময় সকালে কী এভাবে চেচামেচি কর?
আসলে, যখন ঘাবড়ে যাই তখন।
- সে আশেপাশে কোথাও আছে। - ওকে।
বাকিদের মতো তাকে আবার কুগ্বলেট গিলে ফেললো না-কি?
ধুর সালা।
ওহ, দারুণ। মাখন বাদাম এনেছ দেখছি।
ওকে।
মমম।
এখানে আসতে কেউ দেখেছে?
না, কিন্তু তোমাকে এখানে সারাজীবন লুকিয়ে রাখতে পারব না।
আসলে, আমি হোটেলে ফিরে যেতে পারব না।
কেন?
জানি না।
-লুথার। - মম-হুমম?
- টেনশনের সময় তুমি বেশি খাও। - একদমই না।
ওকে,
কী হয়েছে বলবে?
ওদের সাথে ঝগড়া হয়েছে।
কার সাথে?
আসলে, দুইজনের সাথে হয়েছে।
ওকে।
মনে আছে একবার বলেছিলাম আমার পরিবারই সব?
হ্যা।
এখন মনে হচ্ছে তারা আর নেই।
সরি।
সমস্যা নেই।
আমি লড়াই করতে করতে ক্লান্ত।
আমাদের মাঝে একটা জিনিসই মিল আছে
তা হলো পীড়াদায়ক ছোটবেলা।
কিন্তু আমাদের একসাথে রাখার জন্য এটা যথেষ্ট না, বুঝেছ?
আসলে, হ্যা।
আচ্ছা।
কিন্তু একটা বিষয়ে ১০০০% নিশ্চিত।
তোমার গনিতশাস্ত্র ভালো না, কিন্তু সমস্যা নেই।
খাইছে আমারে!
হেই, হাই।
বেন কিছু বলতে চায়।
দারুন। দশ মিনিটের মধ্যে আসছি।
তোমার সাথে না।
তার সাথে।
ওহ! হেই, ফে! কী খবর?
তুমি কীভাবে জানলে?
আমি তোমার পাশের রুমে থাকি।
এবং তোমরা জোরে জোরে চিঁ চিঁ শব্দ কর।
রাতভর ঘুমাতে পারি নি।
পিউ।
বলেছিলাম তোমাকে!
স্টান?
স্টানলি!
ওরে!
স্টান?
স্টানলি?
আহ, তেলাপোকা!
কিছু একটা পেয়েছি।
কী?
ওহ মোর খোদা!
জায়গাটা বেশ ভয়ংকর।
- স্টানের লাকি লাইটার। - সে কী ভেতরে গেছে?
অবশ্যই।
১২ বছরের বাচ্চা এমন সুরঙ্গ দেখলে নিজেকে রুখতে পারে না।
স্টান!
যাবে?
-আগে তুমি। - ভালো।
দৃশ্যটা ভালোভাবে উপভোগ কর।
ওহ, তাকে যদি না পাই, তাহলে খবর আছে।
তুমিই কিন্তু এই আজব সুরঙ্গে আসতে চেয়েছিলে।
আমরা কী ঘুরেফিরে একই জায়গায় আসলাম?
- এটা কী এখানেই ছিল? - না।
আর আমি কারো পেছন সহজে ভুলি না।
এই ছবিটাকে দেখ।
এখানে হচ্ছেটা কী?
জানি না, কিন্তু এখানে আগে একজন মহিলার ছবি ছিল।
এখানে ভুট্টার বাদাম ছিলো।
এসব দেখে কেন জানি ভড়কে যাচ্ছি।
আজকে কথা বলব ভুতদের ব্যাপারে..
কোথা থেকে শুরু করব?
জানি না।
১৯৬৩ সাথে গুদাম ঘরের মত শুরু করলে
কেমন হয়।
কিন্তু সেবার সফল হয় নি।
আমি আর বাচ্চা নেই। এবার কাজ হতে পারে।
কিন্তু, কিভাবে?
দেখাচ্ছি, দাঁড়াও।
শুনতে পাচ্ছো?
- বাতাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছি। - না।
আরো গভীরে যাও।
বাতাসের নিচে যাও। প্রতিটা জীবিত প্রানীর শক্তি তরঙ্গ থাকে।
নিজস্ব ধ্বনি থাকে।
আমি...আমি...
না, পারছি না।
ধ্যান দাও। আমি চাই যে তুমি এটা শোন।
ব্যাথা করছে।
শান্ত থাকো। এটাকে ভেতরে আসতে দাও।
ভিক্টর?
ভিক্টর?
হারলিন, থামো!
আমি এটা করতে পারব।
হারলিন, অনেক হয়েছে!
আমি গুজব শুনেছি যে তাকে যেতে দিয়েছ।
জোর লাগাও, ভিক্টর! তোমাকে শুনতেই হবে!
No comments yet. Be the first to leave one.