ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
:: অনুবাদ ও সম্পাদনা - আলাউদ্দীন রাসেল ::
বেশি টাইট!
হেই!
- হেই! - কী হয়েছে?
তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে।
এখনও সার্জারী চলছে! বাচ্চা ঠিক আছে! কিন্তু আমি এখনও তাকে দেখতে পারিনি।
- আমি আরও চা নিয়ে আসছি! তোমরা বসো! - আচ্ছা!
ও ঠিক আছে?
ঘরের সবাই বেশ চিন্তিত!
আম্মুর সাথে আমার ঝগড়া হয়েছে।
কী নিয়ে?
সবকিছু নিয়ে!
অযথাই!
সে আমাকে মেভের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছিল...
আর আমি তাকে বলি যে, সে-ই সব নষ্টের মূল।
আমি বেশি বলে ফেলেছি! এখন আমি...
যদি তাকে ওর ব্যাপারে সব বলতে পারতাম।
তোমার মা...
...ঠিক হয়ে যাবে।
যদি না হয়?
উনি জিন মিলবার্ন!
তাকে ঠিক হতেই হবে।
এদিকে আসো!
- মাইকেল! - হুম?
তোমার চলে যাওয়া উচিত।
যেতেই হবে?
এডামকে বলা উচিত?
মাইকেল!
আমাদের ডিভোর্স হতে যাচ্ছে।
সবকিছু গোলমেলে লাগছে!
বিকালে আমার ফ্ল্যাটে চলে এসো! আমি রান্না করে খাওয়াবো।
তখন সবকিছু নিয়ে আলোচনা করবো।
ঠিক আছে!
ঠিক আছে!
এডামের সাথে কিছু হয়েছে নাকি?
ওটিস, এখন আমার রিলেশন সম্পর্কিত সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময় না।
প্লিজ!
আমার মন অন্যদিকে নিয়ে যাও, ভাই।
আমি নাইজেরিয়াতে একজনকে কিস করেছিলাম।
আমি এডামকে বলেছিলাম! ভেবেছিলাম আমাদের ব্রেকাপ হয়ে যেতে পারে।
তোমাকেও বলতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু আমার... আমার খুব লজ্জা হচ্ছিলো, আর আমি বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে বলবো।
- তুমি ব্রেকাপ চাচ্ছিলে? - জানি না!
নিজেকে খুব বাজে লোক মনে হচ্ছিল। এসন কেন করেছি সেটাই বুঝতে পারছিলাম না।
নিজেকে কেমন স্বাধীন মনে হচ্ছিলো।
তুমি বাজে লোক নও!
- আমার মা ঠিক আছে? - এখনই কিছু বলতে পারছি না...
তবে আশা করছি, খুব শীঘ্রই সব জানাতে পারবো।
তোমার বোনকে দেখতে চাও?
আমরা বাচ্চাকে দেখতে পারব।
আমি এখানেই আছি! যদি তোমার আম্মুর কোন খবর আসে সেজন্য!
হাই!
ওয়াও!
- চাইলে ওটা খুলতে পারো! - তাই?
- হ্যাঁ! - ওকে স্পর্শ করতে পারব?
হ্যাঁ, স্পর্শ করতে পারবে তবে ধীরে!
হ্যালো!
- আমি ওটিস! - হ্যাঁ!
ওলা, তুমি...
শুভ সকাল!
শুভ সকাল!
- তোমার জন্য চা নিয়ে আসলাম। - ধন্যবাদ!
বেশ খুশি মনে হচ্ছে।
এই খুশির কারণ কী ওটিস নাকি?
দেখো দেখো! হাসি থামছেই না!
জানো, অন্যকাউকে রুমটা দিতে চাচ্ছি না।
চাইলে থেকে যেতে পারো।
তুমি এখানে থেকে গেলে এলসি খুশি হবে।
সেটাই করবো ভাবছি!
দেয়ালে ওগুলো রাখতেই হবে?
না! তোমার যা ইচ্ছা দেয়ালে লাগাতে পারো।
আচ্ছা!
- মেভ! - শুভ সকাল!
ওরে ওরে... শুভ সকাল!
ওরে খোদা!
আজকে আমরা কী করতে যাচ্ছি?
হুম? অও!
এডাম?
আমি জিন মিলবার্নের জন্য কিছু জিনিস নিতে যাচ্ছি।
এটা কী?
আসলে, আমি... আজ রাতে ম্যাডামকে নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো।
ভেবেছিলাম তুমি যেতে চাইবে না।
অবশ্যই আমি সেখানে যেতে চাই।
তোমার বন্ধু এরিক আসবে?
উম, না! আমাদের ঝগড়া হয়েছে।
ওহ!
শুনে খারাপ লাগলো!
ব্যাপারটা আমাকে বললে খুব ভাল লাগতো।
কাউকে কোথাও যেতে বললে তারা খুশি হয়। তাদের মনে হয় তুমি তাদের নিয়ে ভাবো।
পরেরবার বলবো তাহলে!
- জগিং-এ যাচ্ছি! - আচ্ছা!
- আম্মু, আম্মু! - হুম?
তুমি কী সবসময়ই বুঝতে পারতে যে তুমি লেসবিয়ান?
কেন?
না, এমনিতেই! আগে কখনো জিজ্ঞেস করা হয়নি! যদি তুমি বলতে না চাও থাক...
না, না, না, না! উম...
আমি এটা তখন বুঝতে পারি, যখন আমি তোমার মা হই।
ব্যাপারটা তাহলে ব্যক্তি সম্বন্ধীয়?
আমার মনে হয়, আমি ব্যাপারটা...
...অনেক লম্বা সময় ধরে এড়িয়ে গিয়েছিলাম।
অনেক লজ্জা লাগতো!
মানে, আমি জানতাম ব্যাপারটা আমার মধ্যে আছে, কিন্তু কখনও ভালোভাবে বুঝতে পারিনি।
বুঝতে পেরেছো?
হ্যাঁ!
হ্যাঁ, বুঝেছি মনে হয়!
তোমার লজ্জা লাগার জন্য দুঃখিত, মা!
তুমি কী আমাকে কিছু বলতে চেয়েছিলে?
আর যাই হোক, আমি তোমাকে এটা বলতাম না যে আমি গে।
- আচ্ছা... - তবে তোমাকে ধন্যবাদ!
আচ্ছা, তোমার সাথে জগিং-এ যেতে পারি?
- চলো! - যাবো?
যদি নিজের জুতা খুঁজে পাও আরকি!
- জলদি করো। - আচ্ছা!
ওহ! তুমি তৈরি হয়ে গেছো!
তোমাকে স্কুল পর্যন্ত এগিয়ে দেবো?
তোমরা কোন নাম ঠিক করেছো?
না!
আমরা একমত হতে পারছি না।
- ওলার নাম তুমি রেখেছিলে? - না!
তার মা রেখেছিল!
আমার মা যদি মারা যায় তাহলে সেটা হবে আমার দূর্ভাগ্য।
কিন্তু তোমার স্ত্রী যদি মারা যায়, সেটা তোমাকে সবসময় তাড়িয়ে বেড়াবে।
- জানিনা এটা কেন বললাম! - ব্যাপার না!
কারণ, তুমি ভয় পাচ্ছ!
আমারও ভয় হচ্ছে!
আমার আম্মুর যদি কিছু হয়ে যায়, আমি আমার বাবার সাথে থাকবো না।
ওটিস...
আমি জানি, আমি তোমার বাবা নই...
...কিন্তু আমি কোথাও চলে যাচ্ছি না!
- তুমি এখনও ট্রি-হাউজের কাজও শেষ করোনি। - হ্যাঁ!
এখন তো আরও সময় পাবো না...
...বাবু যে চলে এসেছে!
আমার পার্টনারের কোন খবর?
রক্তপাতের কারণ জানা গেছে...
...কিন্তু এখনও অস্ত্রোপচার চলছে।
ঠিক হয়ে যাবে!
- হ্যালো, এইমি! - হাই, মিসেস গ্রফ!
আচ্ছা, আপনাকে কী এই নামে ডাকবো? শুনলাম আপনার ডিভোর্স হতে যাচ্ছে।
ওহ! মৌরিন ডাকলেই চলবে।
আমার ডক্টর মিলবার্নের সাথে সাক্ষাৎ ছিল! কিন্তু ভেতরে কেউই নেই।
আসলে, তার ডেলিভারি হচ্ছে! আমি এসেছি তার জন্য কিছু জিনিস নিতে।
ওরে খোদা! মৌরিন জানু! কী দারুণ খবর!
কাজ থাকায় আম্মু আজকে ছাগলের দেখাশোনা করতে পারবে না।
- বাথরুম ব্যাবহার করতে পারি? - অবশ্যই!
খুব জোরে হিসু পেয়েছে! কেমন যেন লাগছে! মনে হচ্ছে আজকে সব ভাসিয়ে ফেলব!
ওহ!
জানো, আমার মনে হয়, আমি একবার একটা এলিয়েন দেখেছিলাম।
যখন আমি নার্সিং কলেজে ছিলাম তখন! সেদিন আমি পাব থেকে বাড়িতে ফিরছিলাম।
হঠাৎ করে আকাশে একটা খুব উজ্জ্বল সবুজ আলো দেখতে পাই।
ওটা আমার কাছাকাছি চলে আসছিলো আর ভয়ে আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছিল।
তারপর ওটা... হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়।
তুমি কী মাতাল ছিলে?
ওটা কী ছিল আমি একদমই জানি না!
হয়তো তোমার ওই জিনিসটা দেখতে যাওয়া উচিত, সোনা।
মানে, ওটা সত্যিও হতে পারে।
আমার মনে হয়, এবার এলিয়েনের ব্যাপারটা বাদ দিয়ে সময় হয়েছে।
কিন্তু তোমাকে ধন্যবাদ!
এই জিনিসগুলো বাইরে ফেলে দিতে পারবে?
আমার এসব আর লাগবে না।
- স্কুল শেষে দেখা হবে! - ঠিক আছে! বাই!
- বাই! - বাই!
- বাই! - বাই!
বা-বাই!
ওহ!
মিস?
- হ্যাঁ? - আমি উপদেশটা মেনে নিয়েছি।
ওই যে, সবার মধ্যেই কোন না কোন প্রতিভা রয়েছে।
হুম!
- আরে, আজ রাতেই? - হুম!
ঠিক আছে! ওখানে উপস্থিত থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
- হ্যালো! - হাই!
তাড়াতাড়ি ফিরে এসেছ দেখছি!
আমাকে ফোন করে বলা হয় যে, আমি ফিরে আসতে পারবো, তাই...
তো কী অবস্থা তোমার?
এরিক আরেকজনকে কিস করেছে!
শুনে নিশ্চয়ই খুশি হয়েছো!
আসলে, খুশি হইনি!
হ্যাঁ, খুব খারাপ লাগছে!
No comments yet. Be the first to leave one.