द रेलवे मेन - भोपाल की अनकही कहानी 1984
ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সাবটাইটেল পরিবেশনায়: :.:.: THE GHOST SQUAD :.:.:
দ্য রেলওয়ে মেন - ভোপালের অকথিত কাহিনী ১৯৮৪ সিজন - ১ এপিসোড - ২
ইমাদ, তারা তাকে মেরে ফেলেছে।
কার্বাইড।
তাকে মেরে ফেলেছে।
এটা কিভাবে হল, শাজিয়া ভাবী?
আমি জানি না।
বাড়ি ফিরলো যখন, তখন থেকেই অসুস্থতা বোধ করছিল।
খুব কাশি হচ্ছিল।
বলছিল, কারখানায় কিছু লিক হয়েছে...
এমআইসি?
কোনো ধারণা নেই, ইমাদ।
তার চোখ লাল এবং ফোলা ছিল। বেরিয়ে আসছিল!
যেন কেউ তাদের মধ্যে লঙ্কার গুঁড়ো লাগিয়ে দিয়েছে।
ভীষণ জ্বলছিল।
শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল তার।
কাশতে কাশতে রক্ত বমি করছিল।
যেন তার ফুসফুস বেরিয়ে আসবে।
এর মানে কি বুঝতে পারছেন?
ফুসফুসের বিবর্ণতা।
তিনি আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে চাকরি ছেড়ে দেবে।
আমার কথায় ছাড়ে নি।
আমার কথায়...
- "আর একটু টাকা জমে যাক।" -না, না, না।
ভাবী, ভাবী, এতে আপনার কোনো দোষ ছিল না।
টাকা…
এর জন্য একমাত্র কারখানা দায়ী।
কোম্পানি আপনাকে কি বলেছে?
চুপ থাকো।
চুপ থাকো।
চুপ থাকো।
ভাবী, এটা রাখো।
সালিমার জন্য রাখো।
তোমাদের উভয়ের জন্য।
স্যার, পচা বাদামের গন্ধ?
এটা বিষে ভরা। হাইড্রোজেন সায়ানাইড।
আমি নিজের দিব্যি করছি, ভাবী...
আমি হয়তো আনসারীকে ফিরিয়ে আনতে পারবো না, কিন্তু...
কার্বাইডকে তাকে ভুলে যেতে দেবো না।
স্যার, স্যার, আপনি সুপারিনটেনডেন্ট, তাই না?
আমাকে সাহায্য করুন।
আপনি যদি তাদের আমাকে সাহায্য করতে বলেন, তারা শুনবে।
আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারবো না, কাকা।
অন্তত সবাইকে জিজ্ঞাসা করুন। স্যুটকেসে আমার পাসপোর্ট আছে।
আমার মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট। যদি না পাই...
কাকা, আপনি আর কখনোই আপনার জিনিসপত্র পাবেন না।
নতুন সার্টিফিকেট তৈরি করান, যা আপনার জন্য ভাল হবে। নমস্কার।
ভাই,, আমার মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট। এটা...
কেউ আমার কথাই শুনছে না।
ওহ, বিনোদ-জী, আজ আপনাকে খুব খুশি লাগছে।
তাই হোক, অশোক-জী।
যদি কোনো যাত্রী না থাকতো,
তাহলে আমাদের কাজ একদম নিখুঁত হতো।
- পেড়া? - আমার স্ত্রী নাগপুর থেকে পাঠিয়েছে।
কিন্তু ওই মানুষটার কি হয়েছে?
একই পুরনো নাটক। শত শত লোক প্রতিদিন তাদের লাগেজ হারাচ্ছেন।
আমি কি তোমার চোদনা নানির মত দেখতে যে দুধের বোতল খুঁজতে যাব?
-বেনেডিক্ট। -স্যার।
সব ঠিক আছে?
হ্যাঁ, স্যার। একই রুটিন। শুধু ভোপাল-ই অফলাইন, স্যার।
স্যার-জি! বিনোদ-জি! বিনোদ-জি!
জেনারেল ম্যানেজার পরিদর্শনে আসছেন। আমি সবেমাত্র জানতে পেরেছি, স্যার।
আতঙ্কিত হচ্ছেন কেন? সমস্যা কি?
সমস্যা আছে। আমার বন্ধু বোম্বে থেকে ফোন করেছিল।
রথি পান্ডে সাহেব ইতিমধ্যেই বেরিয়ে পড়েছেন।
তিনি পরিদর্শনের জন্য ইটারসি পৌঁছেছেন।
সেই সাইকোটা এখনও রেলওয়েতে আছে?
দারুণ খবর দিয়েছো, জিতু। তোমার জন্য দুটো সিঙ্গারা। যাও।
ধন্যবাদ, স্যার।
আমি চাই, আজ রাতে সবকিছু সুষ্ঠুভাবে চলুক। আর মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
তিনি একজন জেনারেল ম্যানেজার, ঈশ্বর নন যে হঠাৎ করে আবির্ভূত হতে পারেন।
তার জিএম স্পেশাল নিশ্চয়ই কোথাও আছে।
আশেপাশের সব স্টেশন মাস্টারদের ফোন করে তিনি এখন কোথায়, তা খুঁজে বের করুন।
-চলো, তাড়াতাড়ি। -ঠিক আছে, স্যার।
ভোপাল অফলাইন। আমরা সেটা সম্পর্কে কি করবো?
তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না। হয়তো তারা লাইন মেরামতের কাজ করছে।
-ভোপাল যাওয়ার পরের ট্রেন কি? -গোরখপুর-বোম্বে এক্সপ্রেস।
কিন্তু কিছু ঘন্টা আছে, পৌঁছে যাবো, স্যার।
ততক্ষণে সংযোগ তো চলে আসবে, তাই না? দয়া করে অন্য কোথাও খোঁজো।
ওহ, হ্যালো, এখন আসুন। জেগে ওঠ। কাজ শুরু করে। চা লাগবে?
না, না, স্যার। আমি করছি। আমি করছি।
না, কেঁদো না। কেঁদো না, বেটা।
সালিমা, জানালা থেকে সরে যা।
বাতাসে আর্দ্রতা আছে। তোর শরীর খারাপ করবে।
আরে, ফিরে আয়। এখানে আয়।
সবসময় সে এমন বাঁদরামি করে। সব সময়।
এখন ঠিকভাবে বস।
খিদে পেয়েছে, বেটা?
খারাপ অভ্যাস। অপেক্ষা করো। দিদিকে জিজ্ঞাসা কর।
দিদি?
তার পেট খারাপ হয়েছে।
ঝাঁসিতে উল্টোপাল্টা কিছু খেয়ে শরীর খারাপ করেছে।
ওহ, ঠিক আছে।
ঠিক আছে, বেটা। এখানে এসো। ভালো করে বসো।
তুমি এটা চাও? হুম?
-দেখো, এটা নতুন কিছু নয়। -এটা তুমি কিভাবে বলতে পারো?
শোন, ভাইসাব।
আমার পাশের বাড়িতে একজন সর্দারের একটি মুদির দোকান ছিল।
তারা তা পুড়িয়ে দিয়েছে।
কেন? কি অপরাধ ছিল তার?
যে তিনি প্রতিবেশী বাচ্ছাদের হাতে লজেন্স তুলে দিতেন?
নাকি, তিনি গরীবদের ধারে মুদিখানার মাল দিতেন?
তার পরিবার এখন কোথায় আছে, একমাত্র আল্লাহই জানেন।
আর এই ভাইসাব বলছেন, এটা নতুন কিছু নয়।
কি বলছ ভাই? আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী। বুঝতে পারছো না?
কিছুদিনের জন্য মানুষের মনে রাগ থাকবেই।
-তাই না? -কয়েকটা দিন?
-অবশ্যই। -এক মাসের বেশি হয়ে গেল।
এখনও কাগজ এইসব খবরে ভর্তি।
তাহলে পড়া বন্ধ করুন। কে আপনাকে এসব পড়তে বলছে?
কেউ আপনাকে বাধ্য করছে না।
ঠিক বলেছেন। সংবাদপত্র বন্ধ করা যাক। তারপর আমাদের চোখ
ও কান বন্ধ করবো। ৩,০০০ সর্দার।
-৩ হাজার সর্দারকে হত্যা করা হয়েছে। -শুনুন।
বড় গাছ পড়লে, পৃথিবী একটু কেঁপে ওঠে। বুঝলেন?
-হ্যাঁ, হ্যাঁ। -হুম…
আপনি কি এখানেই পৃথিবী কাঁপিয়ে দিতে চান?
- গার্ড আসছে। - আস্তে কথা বলুন। শান্ত থাকুন।
নয়তো পরের স্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হবে। বুঝেছেন?
এটা পাবলিক ট্রেন। আপনার বাড়ির ড্রয়িংরুম নয়।
আমার কথা যদি শোনেন, রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন।
ব্লাড প্রেসার বাড়া ছাড়া কিছুই হবে না।
ঠিক আছে, শুতে যান। শুয়ে পড়ুন।
শুয়ে পড়ুন।
সারা রাত জেগে থাকবেন না। ঘুমাতে যান।
চুপচাপ শুয়ে পড়ুন।
- হয়ে গেছে চাচা? - হ্যাঁ, হয়ে গেছে।
- হ্যাঁ, সব চাবি এখানে আছে। - ঠিক আছে, আমি আসছি।
স্যার, মালগাড়ির কাজ হয়ে গেছে।
- নাইট গার্ডকে চাবি দিয়ে দিয়েছি। - হুম।
এখন, স্যার?
আর কি করতে হবে?
কাজ নয়। বিশ্রাম।
যখন যোগাযোগ মেরামতের কাজ হয়ে যাবে,
তখন স্টেশনের ওই পাশ থেকে তাদের নিয়ে আসতে হবে।
ততক্ষণ আরাম করে বস।
মারাত্মক ঠান্ডা। এত ঠান্ডায় আমার বিচি জমে গেছে।
হাসছিস কেন রে?
টর্চটা দে।
ধুর শালা।
জ্বালিয়ে দে।
এই তো, কাজ করছে।
- ফিরে আসছি। - হ্যাঁ, স্যার।
সব যাত্রীরা, মন দিয়ে শুনবেন
৮২ আপ গোরখপুর এক্সপ্রেস, নির্ধারিত সময়ে...
কামিল কোথায়? আমরা তিন ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছি।
এতক্ষণে আমরা সেখানে পৌঁছে বিশ্রাম নিতে পারতাম।
আদিল মিয়া, শান্ত হও। সময় হুহু করে কেটে যাবে।
এটা সময়ের অপচয়, বাবা। প্রতি বছর আমাকে এখানে টেনে নিয়ে যান।
ইজতেমার শিক্ষা একবার বুঝে গেলে
এবং ধৈর্য ধরতে শিখলে, আমরা এখানে আসা বন্ধ করবো।
ভৈরবী, ক্রিকেট দেখতে পছন্দ করিস?
এমনকি গাভাস্কারও মাঝে মাঝে কয়েক ওভার বল করেন।
কিন্তু আমাদের দলে সাঁতারুরাও সাঁতার জানে না।
"বাঁচাও! বাঁচাও! আমি শ্বাস নিতে পারছি না!"
যথেষ্ট! বাড়াবাড়ি কোরো না।
মেয়েরা, হতাশ হয়ো না।
মন খারাপ কোরো না। খেলাধুলায়, কিছু জিতবে, কিছু হারবে।
তোমরা সবাই ভালো করেছো।
দ্বিতীয় স্থান।
ভালো করেছো।
পা আগে কর।।
-ভাই। -হুম?
মা আমাদের জন্য যে লুলাবি গাইতেন, তার সুর কি ছিল?
মনে করিয়ে দে।
-তোর তো মনে... -না, নেই।
অন্য পা দে।
-সাহেব! -হ্যাঁ? আমি না, উনি।
-সাহেব! -কি হয়েছে, বিজয়া?
সাহেব!
বরের পক্ষ থেকে আরো কিছু অতিথি না বলেই চলে এসেছে।
হ্যাঁ, তো?
পর্যাপ্ত খাবার নেই, সাহেব।
রাঁধুনি আবার রান্না করার জন্য ৩৫০ টাকা চাইছে।
আমার কাছে টাকা নেই, স্যার।
ঠিক আছে। আমি দেখছি।
আমার কাছে যা ছিল, সব তাকে দিয়ে দিয়েছি।
- এটা রাখো। - শীঘ্রই এটা ফেরত দেব, স্যার।
এখানে ২৭০ টাকা আছে, বিজয়া।
বাকিটা কাল দেবো। ঠিক আছে?
সে রাঁধবে না, স্যার।
কিভাবে সে...
তোমার কাছে ৮০ টাকা হবে?
- কি, স্যার? - তোমার কি আশি টাকা আছে?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
স্যার, আমি রেলওয়েতে আমার ভাইদের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্থুত।
বোনেদের জন্যেও। এটা আমার দিওয়ালি বোনাস, আপনি রাখুন।
-আমি শীঘ্রই ফেরত দেবো, স্যার। -চিন্তা কোরো না, দ্রুত বাড়ি যাও।
আশীর্বাদ থাকলো, বেটা।
বাড়তি কুড়ি টাকা…
- ধন্যবাদ। দরজা বন্ধ করো, প্লিজ। - হ্যাঁ।
নিজের পায়ে কুড়াল মারলাম।
ভাইসাহেব! কি হয়েছে? ঠিক আছো তো?
কি হয়েছে ভাইসাহেব?
শর্মা-জি, কি হয়েছে?
ধুত্তোর।
এই দুর্গন্ধটা কিসের?
কি খারাপ অবস্থা।
আরে।
No comments yet. Be the first to leave one.