ആദ്യത്തെ 180 വരികൾ.
::: অনুবাদক: আশিকুর রহমান :::
তারা কোথায় গেল?
রোদের জন্যে কিছুই দেখতে পারছি না।
বেশ, খানিকটা ঝুঁকে দেখ।
জলদি।
এইতো এখানে৳
মইসেস! মইসেস!
মইসেস, নড়িস না! নড়িস না!
ভাসন্ত অবস্থায় রোমিও ভাবছে,
যদি সে ওখানে মারা যেত, তাহলে ঘটনা কতটা অপমানজনক হতো।
এমন এক মেয়ের তীর বুকে নিয়ে মরছে
যে ছয়মাস আগেই তার মন ভেঙেছিল এবং যাকে সে নিজেই মারতে চেয়েছিল।
কিন্তু এখন রোমিও মরছে না।
ওহ, প্লিজ। ওহ, প্লিজ।
ওহ, ওহ, প্লিজ সাহায্য কর। না
গ্রেটা।
গ্রেটা, বাচ্চা বেরিয়ে আসছে। প্লিজ, সাহায্য কর।
গ্রেটা! গ্রেটা!
গ্রেটা!
গ্রেটা।
ওকে। তুমি ঠিক আছো।
তোমার কী গুলি লেগেছে?
সমস্যা নেই। গুলি বেরিয়ে গেছে, ওকে।
শুনেছ?
তারা ওদেরকে মেরে ফেলেছে।
বাচ্চাটা বের করতে তোমার সাহায্য লাগবে।
আমাকে চেপে ধর। চাপ দাপ, চাপ দাও।
জোরে, চাপ দাও, জোরে।
আমাদের মেরে দিস না আবার!
হচ্ছে না!
এখন কী করব?
ধারালো কিছু নিয়ে আস।
ওকে।
আমার বাচ্চা হতে চলেছে।
কিন্তু আমাকে দুনিয়া ছেড়ে যাওয়া লাগবে।
এমনটা বল না।
কিন্ত তাতে দুঃখ নেই।
কারণ সে অন্তত সুন্দর ভাবে বাঁচতে পারবে।
এবং আমি যাবার আগে তাকে অন্তত এক ঝলক দেখতে পারব।
হোক না সেটা দুই মিনিটের,
তারপরও দেখতে তো পাবো।
পেয়েছি।
তোমাকে আমার পেট কাটা লাগবে।
না।
কাটতেই হবে।
প্লিজ। কাটো।
ওকে।
ওকে।
ওকে, এই শুরু করছি।
আমি বাচ্চাকেও কেটে ফেলব।
- তোমারও ব্যাথা লাগবে। আমি পারব না। - হেই।
তার জন্য সব ব্যাথা সহ্য করতে পারব।
ওটা আমাকে দাও।
আমাকে দাও।
জলদি, জলদি, হাত আগায়ে দে।
মইসেস। মইসেসম
চলো এখান থেকে।
চলো।
জলদি।
তাকে বের কর।
জিনা এবং গ্রেটা।
জলদি।
এসব কী?
- জিনা। - তার প্রসব ব্যাথা শুরু হয়েছিল।
- জিনা। - আমি বাচ্চাটা বের করার চেষ্টা করেছি।
- কিন্তু পারিনি। -জিনা।
- শান্ত হও। - সে দূর্বল হয়ে পড়েছে।
- অচেতন হয়ে গেছে । জিনা, জিনা, সোনা। -জিনা।
-জিনা! -জিনা।
-জিনা। -জিনা।
জিনা।
তোমরা কী জিতেছ?
হ্যা?
এবার বাচ্চাটাকে বের কর।
প্লিজ।
জোর লাগিয়ে করবে। প্লিজ, তাকে বের কর।
পায়ে পড়ছি।
বন্ধুরূ, পানিতে ভরে যাচ্ছে। জলদি এখান থেকে বের হওয়া লাগবে।
- পেছনে একটা লাইফবোট আছে। খুলো গিয়ে। -ওকে।
তাকে বের কর।
নিশ্চিত তো?
["That Was Yesterday" by Leon Bridges playing]
শশশ, শশশ।
এটাকে খুলতে হবে। ছুরি দে।
আমার কাছে দাও।
শশশ।
আমার সোনা।
সোনা, প্লিজ।
আমার সোনা ছেলে।
আমরা,
এটা ভালোভাবে করতে পেরেছি।
জিনা?
জিনা।
-আমাদের ছেড়ে যেওনা, প্লিজ, জিনা। - জিনা।
লাইফবোট তৈরি হয়ে গেছে।
আমার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
- জলদি হাসপাতালে যাওয়া লাগবে। - তারা অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে।
ড. গুয়েরা?
হ্যা।
একটা দূর্ঘটনা ঘটেছে, আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে।
- আপনি এখনই আলমেরিয়া চলে আসেন। - কী অবস্থা সবার? হুমম?
দুইজন হারপুনের আঘাত পেয়েছে, এবং একজনের মুখ জ্বলে গেছে।
হারপুনের আঘাত কোথায় লেগেছে?
রোমিওর বুকের ঠিক উপরে। শরির ভেদ করে গেছে।
বিফকেকের পাকস্থলীতে লেগেছে কিন্তু গভীরে যায় নি।
কিন্তু প্রচুর রক্ত ঝরছে। ওটা কী বের করে ফেলব?
একদমই না।
এতে রক্তকোষ ভেঙে অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে।
যদি পাকস্থলীর রস বেরিয়ে যায় তাহলে জলদি মারা যাবে।
- তার অপারেশন করতে হবে। - ওকে।
রোমিও, হারপুন বুকের ঠিক কতটা উপরে বিঁধেছে?
রোমিও।
এটা...
কাঁধের ঠিক বাম পাশে।
- আমার নিপলের কয়েক ইঞ্চি উপরে। - ওখানে কোন অর্গান নেই।
তুমি হার্পুনটা বের করতে পার।
তারপর জীবাণুমুক্ত করে সেলাই করলেই হবে।
- ওকে। - এখানে সেলাই করব কীভাবে?
আমার কাছে একটা জিনিস আছে।
এবার পোড়া ব্যাক্তির সম্পর্কে বল।
- কী পরিমাণ পুড়েছে? - অনেক বেশি, ডাক্তার।
নিদিষ্ট করে বল।
- সবকিছু খুলে বল। - ঠিক আছে।
ওকে, ডাক্তার। একটা জলন্ত ফ্লেয়ার তার মুখ ঝলসিয়ে দিছে।
বারুদ তার চেহারায় আটকে গিয়েছিল।
এবং ১০-১৫ সেকেন্ড তার মুখ জ্বলেছিল।
তার চেহারা ফেকাসে এবং কালো হয়ে গেছে। এবং চোখ ঘোলাটে হয়ে গেছে।
ঘোলাটে হয়ে গেছে?
যেমনটা মাছকে ওভেন থেকে বের করলে হয়।
এগুলোকে তৃতীয় মাত্রার জ্বলা বলে।
এই ধরনের কেসে সার্জারি করা লাগে,
এবং চামড়া কলম এবং তুমি যা বলছ তাতে চেহারা ট্রান্সপ্লান্ট করা লাগতে পারে।
মইসেস, স্পিকার বন্ধ কর। তাকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছিস।
ডাক্তার টেনেরিফ থেকে পর্যন্ত আমি বাঁচব না।
ওকে, ডাক্তার।
আমি একাই হাসপাতালে যাচ্ছি।
তাদেরকে ডাইভিং এক্সিডেন্টের কথা বলব।
বিফকেক, আমার দিকে তাকা।
আমরা হাসপাতাল যেতে পারব না।
গ্যারিগোজের সাথে কথা বল।
সে একটা প্রাইভেট প্লেনের ব্যাবস্থা করে দিবে।
কয়েক ঘন্টার মধ্যে এখানে এসে পৌঁছাবে। ওকে?
সে দ্রুতই এখানে চলে আসবে।
শুহানের চেহারা ঢেকে দাও এবং এন্টিবায়োটিক ক্রিম লাগিয়ে দাও যাতে ইনফেকশন না হয়
সমস্যা নেই। সব ঠিক আছে।
ডারউইন।
তোমার কোনো ক্ষত হয় নি।
তুমি ফার্মেসি যাবে।
এটা খাও।
এটা কামড়ে ধর।
এক..
দুই..
চলো বাইরে যাই।
রক্তক্ষরণে যদি মরতেই হয়, তাহলে বাইরে গিয়ে মরব।
রোমিও।
এভাবে রক্ত ঝরলে, আমি বেশিক্ষণ টিকব না।
আমি একাই হাসপাতাল যাব।
ওসব বাদ দিয়ে চলো এই মুহুর্তটা উপভোগ করি।
সূর্যাস্ত।
আজকের জন্য কী রুম ভাড়া পেতে পারি?
তিনজনের জন্য?
চার জন।
ধুর, বাড়ি থেকে কল দিছে।
হাই, সোনা। এত রাতে কেন জেগে আছ?
আমি হোমওয়ার্ক করতে পারছি না, বাবা।
বড় বোনের থেকে সাহায্য নাও?
সে ঘুমিয়ে পড়েছে, আর লিন্ডা ভুলভাবে বুঝাচ্ছে।
বেশ, তাহলে, আমাকে বল, সোনা।
৩০ হাজারে কতগুলো ১০ আছে?
৩০ হাজারে কতগুলো ১০ আছে?
ক্যালকুলেটর বের কর।
একটু দাঁড়াও, সোনা। এক্ষুনি বলছি।
এক্ষুনি বলছি।
১০০ দিয়ে ১০ গুন করব?
হ্যা।
৩০০০।
৩০০০? না, এটা ভুল উত্তর। বাল।
- দাড়াও। - ১০০ দিয়ে ৩০ গুন করব? বেশি হচ্ছে।
- ওহ। - ওহ, ৩০০।
- হ্যা। - ৩০০ হবে। ৩০০।
No comments yet. Be the first to leave one.