ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
উৎসর্গঃ কলেজের সকল ছেলে সহপাঠীদেরকে!!!
অ্যালান, বোম্ব স্কোয়াড, স্পেশাল সার্ভিস, ষ্টেট পুলিশ এবং এফবিআই।
লেফটেন্যান্ট জার্গেনসন, হিউ পালমার, দ্রুত সেন্ট জোনসে যাও...
এই ঘটনায় আমরা রাস্তায় কোনো ধরণের প্রতিবন্ধকতা চাই না।
ক্রেমার, সিটি ইঞ্জিনিয়ারদেরকে ডাকো। ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট বের করতে হবে। এটা গুরুত্বপূর্ণ।
বনউইট টেলার। ডিপার্টমেন্ট স্টোরকে কে বোমা মেরে উড়িয়ে দিবে?
দেশে কি খারাপ লোকের অভাব আছে?
কনি, সাক্ষীর লিস্ট তৈরি করা শুরু করো।
রিকি, তুমি এবং জো গিয়ে নিয়মানুসারে জায়গাটাকে বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে ফেলো।
আর মিডিয়ার লোকদেরকে ভেতরে আসতে দিবে না। বেনসন?
- ইন্সপেক্টর? ফোন এসেছে। - এখন না।
বেনসন, তুমি ট্র্যাফিক ব্যবস্থাটা দেখো। আমাদেরকে ৩টার মধ্যে ফিফথ এভিনিউকে খালি করতে হবে নয়তো পুরো জায়গাটায় ট্র্যাফিক জ্যাম লেগে যাবে।
- ওয়াল্টার! - হ্যাঁ?
আমার মনে হয় আপনার ফোনটা রিসিভ করাই উচিত হবে।
মেজর কেস ইউনিট। ইন্সপেক্টর কব বলছি।
মেলায় একজন কেক বিক্রেতার কাছে সাইমন গিয়ে সরল বাক্যে বলেছিল, "তোমার কেক আমাকে দাও...
নয়তো তোমার গর্দান আমি কেটে ফেলবো।"
বনউইট টেলারে বোমা হামলাটা শুধুমাত্র আপনাদের মনোযোগ আকৃষ্ট করার জন্য করেছি।
ম্যাকক্লেন নামের কোন ডিটেকটিভ ওখানে আছে?
- ওকে বরখাস্ত করা হয়েছে। - না, ওয়াল্টার, সে বরখাস্ত না। আজকে নয়।
- কে বলছ তুমি? - আমাকে সাইমন বলে ডাকুন।
- তুমি কী চাও? - আমি একটা খেলা খেলতে চাই।
- কোন ধরণের খেলা? - সাইমন বলছে।
লেফটেন্যান্ট ম্যাকক্লেনকে সাইমন যেটা করতে বলবে,
লেফটেন্যান্ট ম্যাকক্লেন সেটাই করবে।
- কথামতো কাজ না করলে শাস্তি ভোগ করতে হবে। - কী শাস্তি?
একেবারে জনসম্মুখ স্থানে আরেকটি বড় বোমা হামলা করা হবে।
লেফটেন্যান্ট ম্যাকক্লেনকে দিয়ে তুমি কী করাতে চাও?
সাইমন বলছে যে, লেফটেন্যান্ট ম্যাকক্লেনকে ১৩৮তম স্ট্রিট এবং আমস্টারডামের মোড়ে যেতে হবে।
- আমি যদি ভুল না করে থাকি, তবে সেটা হার্লেমে অবস্থিত। - কোয়ালস্কি! ল্যামবার্ট!
- তোমরা কি জানো ম্যাকক্লেনকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে? - আমার তো মনে হয় না আপনি ওকে গির্জায় খুঁজে পাবেন।
তাহলে ও কোন গর্তের ভিতরে আছে খুঁজে বের করো... আর টেনেহিঁচড়ে আমার কাছে আনো।
জন?
ধন্যবাদ।
আরও দাও। জলদি।
ও খোদা, জন। চেহারার একি হাল করেছ!
আমাদের ওই তালিকাটা কোথায় ফেলে আসলাম?
গত দুই রাতে রেড হুকে আমরা তিনটি হত্যাকাণ্ডের কেস পেয়েছি।
মাইনার এবং জেনেটিকে এই কেসের তদন্তের কাজে লাগিয়ে দাও। মেয়র এর অফিস থেকে আজকে যেকোনো সময় ফোন আসবে।
এরপর, স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের চত্বর থেকে ১৪টি আবর্জনার ট্রাক চুরি হয়ে গেছে।
১৪টি? খোদা। কেউ কি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি চালু করছে?
নাহ, জন এর বাড়িওয়ালীই তার নিজের অ্যাপার্টমেন্ট পরিষ্কার করছিল।
বীমা জালিয়াতি।
ট্রাকগুলো সম্ভবত ইতিমধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার বাইরে চলে গেছে।
ঠিকাদার চোরের সঙ্গে টাকা ভাগাভাগি করে নেয়। এমন ঘটনা কিছুকাল আগেও আমরা নিউজার্সিতে দেখতে পেয়েছিলাম।
এই তদন্তের কাজটা কেলি করতে পারবে কিনা দেখো।
- গতরাতে লটারির নম্বর কী ছিল? - ৪৬৬৭.
- এখনো তোমার ব্যাজের নম্বরে বাজি ধরো, রিক? - হ্যাঁ।
৬৯৯১ প্রতি সপ্তাহে।
৬৯৯১. সৌভাগ্যজনক নম্বর।
নিউইয়র্কের অর্ধেক পুলিশ তাদের ব্যাজ নম্বরে বাজি খেলে।
বাচ্চারা কেমন আছে, জন?
শুনেছি ভালো আছে।
হলির সঙ্গে কথা বলেছ?
- না, বলিনি। - কাছাকাছি পৌঁছে গেছি, ইন্সপেক্টর।
এখানে কি খুব গরম নাকি আমিই শুধু মৃত্যুর ভয় পাই?
পিস্তল ঠিকভাবে আটকানো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নাও।
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
হলির পরে তুমিই প্রথম মেয়ে যে আমাকে এই অবস্থায় দেখলো।
- শুনে খুশি হলাম। - হ্যাঁ।
সেও হয়েছিল।
তো, ব্যাকআপ কোথায় থাকবে?
তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আমরা ১২৮তম স্ট্রিটে ফিরে যাবো।
কি?
দশ ব্লক দূরে? তুমি আমার সাথে মজা করছ?
বাহ, অসাধারণ ব্যাপার। ওয়াল্টার, এসব কী হচ্ছে?
আমরা যদি ওর কথামতো কাজ না করি, তাহলে ও কোনো জনসম্মুখ স্থানকে বোমা মেরে উড়ে দেবে।
- আমিই কেন? সে আমার সাথে কী করতে চাচ্ছে? - আমি জানি না।
ও শুধু বলেছে এটা তোমাকেই করতে হবে।
নিজের প্রয়োজনটা আমাকে দিয়ে পূরণ করাচ্ছে।
- সত্যি বলতে, অনেকদিন হয়েছে তুমি... - হলির ব্যাপারে তোমার নাক না গলালেও চলবে।
এমনিতেই তুমি আর সাইমন মিলে আমার বারোটা বাজাতে চলেছ।
ঠিক আছে।
১৫ মিনিটের মধ্যে আমরা তোমাকে নিতে চলে আসবো।
আরাম করে এসো। হয়তো চার মিনিটের মধ্যেই মরে যাবো।
চলো যাওয়া যাক, বিলি।
হায়রে কপাল।
- হ্যালো, আংকেল। - এই দিকে দেখুন।
- নয়টা বেজে পার হয়ে গেছে। তোমরা স্কুলে যাওনি কেন? - টনি এটা আপনার কাছে বিক্রি করতে চায়।
টনি? এলাকার ওই ছিঁচকে চোর?
ও বলেছে ও এটা ডাস্টবিনে পেয়েছে।
এভাবে চুরি করতে থাকলে একদিন মানুষও ওকে ডাস্টবিনে খুঁজে পাবে।
ও এটা চুরি করেনি। বলেছে, এটা নাকি ওর চাচা ওকে দিয়েছে।
উম-হুম।
আমাকে ওই পত্রিকাটা দাও তো।
মানুষকে কখনো নিজের সরলতার সুযোগ নিতে দেবে না। তোমরা চুরির মাল নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছ।
যদি ধরা পড়ে যাও, তাহলে ঝামেলায় পড়ে যাবে, তখন তো ও এটা অস্বীকার করে পালিয়ে যাবে।
মানে, আমরা এটা টনির কাছে ফিরিয়ে দেবো এটাই আপনি চান?
না। ওকে আমি একটা শিক্ষা দিয়ে ওর কাছে ফিরিয়ে দেবো।
- এখন তোমরা কোথায় যাবে? - স্কুলে।
- কেন? - শিক্ষা গ্রহণ করতে।
- কেন? - যাতে আমরা কলেজে যেতে পারি।
- আর এটা গুরুত্বপূর্ণ কেন? - সম্মানি পেতে।
"সম্মান"। এখন, খারাপ মানুষ কারা?
- যারা ড্রাগস বিক্রি করে। - যাদের কাছে পিস্তল থাকে।
- এবং ভালো মানুষ কারা? - আমরা।
- কারা তোমাদের সাহায্য করবে? - কেউ না।
- তাহলে কারা তোমাদের সাহায্য করবে? - আমরাই নিজেদেরকে সাহায্য করবো।
- আমরা কাদের সাহায্য চাই না? - শ্বেতাঙ্গ মানুষদের।
ঠিক তাই।
এখন এখান থেকে যাও। স্কুলে যাও।
- আংকেল, একটু বাইরে এসে দেখুন। - কী?
- একজন শ্বেতাঙ্গ লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। - একজনকে দেখেছি।
সেই লোক না।
৯১১ এ ডায়াল করো। পুলিশকে এখানে দ্রুত আসতে বলো। বলবে কেউ এখানে মরতে চলেছে।
- তারপর তাড়াতাড়ি স্কুলে যাবে, কী বললাম বুঝতে পেরেছ? - আচ্ছা।
ঠিক আছে।
পিছনে সর, শালা।
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল।
আপনার দিনকাল ভালো যাচ্ছে, স্যার? আপনি কি ঠিক আছেন?
কথাটা ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না,
কিন্তু একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি হার্লেম এর রাস্তায় গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে লেখা আছে আমি "নিগ্রোদের ঘৃণা করি"।
এর মানে হয়তো আপনার মাথায় কোনো গুরুতর সমস্যা আছে নয়তো জাতিগত বিদ্বেষের কারণে এসব করছেন।
হেই। আমি তোমার সাথে কথা বলছি।
ওরা তোমাকে দেখতে পাওয়ার আগেই দশ সেকেন্ডের মধ্যে এখান থেকে পালাও।
যখন ওরা দেখতে পাবে, তখনই তোমাকে মেরে ফেলবে। বুঝতে পেরেছ?
নয়তো আজ তোমার বারোটা বেজে যাবে।
আমাকে এ ব্যাপারে বলতে দাও। এটা পুলিশের ব্যাপার। তোমার নিজের নিরাপত্তার জন্য...
তুমি ঠিকই বলেছ। তোমার নিজের নিরাপত্তার জন্য, পুলিশ এখানে না আসে পর্যন্ত আমার দোকানের মধ্যে লুকিয়ে পড়ো।
কী ব্যাপার...?
ধ্যাত্তেরি।
আমি একজন পুলিশ। আমি ডিউটিতে আছি। কেউ বনউইট টেলার বোমা মেরে উড়ে দিয়েছে। এ সংবাদ শুনেছ নিশ্চয়ই?
ওই হারামজাদাই আমাকে এসব করতে বলেছে, নাহলে আরো কোনো জায়গা বোমা মেরে উড়িয়ে দেবে।
ধুর, ধুর, ধুর।
- আমার কাছে পিস্তল আছে। - ওদের কাছে দশটা পিস্তল আছে।
দেখো, পাগলের অভিনয় শুরু করো। লুনি টিউন কার্টুনের মতো, বুঝতে পারলে? নয়তো জোকারের মতো।
- হেই, জিউস। এ তোমার বন্ধু? - দেখে কি মনে হয় এ আমার বন্ধু?
আমার মনে হয় এই লোক এখনি কোনো পাগলা গারদ থেকে পালিয়ে এসেছে, বুঝতে পারলে? অন্যসব পাগলের মতো।
আমি... আমার নিজের ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর।
আর আমার ঈশ্বর...
আমি লাইব্রেরিয়ানকে বলেছিলাম যে আমার মাথা খুব ব্যাথা করছে, কিন্তু সে আমার কথা বিশ্বাস করেনি। আমার সত্যিই মাথাব্যথা করছে।
- আমার মাথা ঠিকভাবে কাজ করছে না! - চুপ কর।
তুই খুব বড় একটা ভুল করেছিস।
প্ল্যাকার্ড কেটে ফেল।
ভাই ব্রাদাররা। এই ছোকরা এখানকার নিগ্রোদের ঘৃণা করে। এর জন্য এখন আমরা ওর কী করবো?
হেই, হেই, দাঁড়াও, দাঁড়াও...
ধ্যাত্তেরি।
- পিছনে সরো! পিছনে সরো। - তুমি কী করতে যাচ্ছ?
চুপচাপ পিছনে সরে যাও। এখনি!
চলো। উঠে পড়ো।
এখান থেকে চলে যাও।
- গাড়ি থামাও। গাড়ি থামাও। - আমাকে গুলি করো না।
উঠে পড়ো। চলো, উঠে পড়ো।
পিছনে সরো। আমি গুলি করতে চাই না, কিন্তু বাধ্য হলে গুলি করবো। তোমরা জানো আমি গুলি করে দেবো।
জলদি। গাড়ি চালাও।
- গাড়ি চালাও! যাও! যাও! - এখান থেকে জলদি চলো।
চলো। চলো।
থামবে না, থামবে না, গাড়ি চালাতে থাকো। সিগন্যাল অমান্য করে গাড়ি চালাও।
- আমার কাছে এতো টাকায় আছে। - টাকা সামনে থেকে সরা, বেকুব।
- ধ্যাত্তেরি। - শুধু সিগন্যাল অমান্য করে গাড়ি চালাও।
- ঠিক আছে, বস। - ধ্যাত্তেরি।
- ক্ষত কি গভীর? - আমি কীভাবে জানবো?
হাত দিয়ে চেপে ধরে থাকো।
ধ্যাত্তেরি।
জুস, ঠিক না? জন ম্যাকক্লেন। আমি তোমার কাছে ঋণী হয়ে গেলাম।
এসবের গুষ্টি কিলাই। ওরা আমার দোকান কী করছে তুমি জানো?
- মাথা ঠান্ডা করো। - তুমি কি আমার আপন কেউ? শ্বেতাঙ্গ মানুষের মতো কথা বলো।
দেখো, জুস, আমি দুঃখিত...
- আমাকে "জুস" বলে ডাকছ কেন? আমাকে দেখে কি পুয়ের্তো রিকান মানুষ লাগছে? - ওরা তো তোমাকে জুস বলে ডাকছিল।
সে "জুস" বলেনি, বলেছে, "হেই, জিউস"। আমার নাম জিউস।
- জিউস? - হ্যাঁ, জিউস।
ঠিক যেমনটা অ্যাপোলোর বাপ, মাউন্ট অলিম্পাস। আমার সাথে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করবে না নয়তো আমি তোমার হাত-পা ভেঙে দেবো বুঝলে?
জিউস! এই নামে তোমার কোন সমস্যা আছে?
না। এই নামে আমার কোনো সমস্যা নেই।
- ডাউনটাউন। পুলিশ প্লাজা। - ওহ, খুব ভালো।
ওই কলারের নতুন, পুরাতন সমস্ত রেকর্ড আমার চাই, আর ওর যদি কেউ কাছের লোক থাকে তাদেরও খুঁজে বের করো।
এটা মেগালোম্যানিয়া (সাইকোলজিক্যাল) বই।
এই বই অনুযায়ী এটা একটা মানসিক অবস্থা যা কল্পনাকে নিয়ন্ত্রণ করে অথবা অসীম ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রভাবসম্পন্ন ব্যক্তি হতে চায়।
সে ম্যাকক্লেন এর উপর, ওর কর্মের উপর, চিন্তার উপর, এমনকি ওর আবেগের উপরও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।
- মনে হয় তোমার কোনো অজ্ঞাত ভক্ত। - হয়তো সে আমাকে ফুল পাঠাবে।
- সবাই জানে তুমি সমকামী গোত্রের মানুষ। - এটা সেই ধরণের মানসিক আবেগ নয়। এই লোক ভয়ংকর।
- ক্ষতটা কেমন? - সেরে যাবে, চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু বিয়ার ঢাললে সারবে না।
বিয়ার সাধারণত পান করা হয়, জন।
- আমাকে কিছু অ্যাসপিরিন এনে দিবে? - আচ্ছা, ঠিক আছে। এটা এখানে ধরে রাখো।
- ইনি ফ্রেড শিলার, জন। ইনি একজন... - মানসিক ডাক্তার। হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি।
হ্যাঁ। যা বলছিলাম, আমরা প্যারানইড সিজোফ্রেনিক এবং মেগালোম্যানিয়াক্যাল ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি হয়েছি যে...
এসব কথাবার্তা বাদ দিন, আর বলুন যে সে আমার সঙ্গে এমনটা কী জন্য করছে।
আমি জানি না। আমি যা জানি তা হলো সে বিশেষভাবে তোমার সঙ্গে কিছু করতে চাচ্ছে।
এই ব্যক্তি তোমাকে পিষে মারতে চায় যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছ।
- সে তোমাকে আঙুলের ইশারায় নাচাতে চায়, তারপর.... - তারপর কি আমার বলাৎকার করবে?
আমি বলতে যাচ্ছিলাম "তোমাকে মেরে ফেলবে"।
মনের ভেতরে সে প্রচন্ড ভয়ানক ক্রোধ পুষে রেখেছে।
এবং এই ক্রোধের বশীভূত হয়ে যেকোনো কিছু করে ফেলতে পারে।
- কেউ হয়তো তাকে গ্রেফতার করেছিল যার কারণে রেগে আছে... - তার অপরাধের লম্বা তালিকা থাকতে পারে।
- চুপ কর, জো। - এইসব লোকেরা গোপনীয়তা পছন্দ করে না।
সে তোমাকে জানাতে চায় যে কাজটা আসলে কে করছে। সুতরাং এই সাইমন নামটা সম্ভবত কোনো ছদ্মনাম নয়।
সাইমন নামটা সম্ভবত আসল নাম বা কিছুটা পরিবর্তন করতে পারে।
সাইমন, রবার্ট, ই। চাঁদাবাজি ও দশ-পনেরোটা অপহরণ মামলায় জেলে গেছিলো। ভালো আচরণের জন্য সাত বছর জেলে ছিল।
- দুই মাস আগে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। - এটা চেক করে দেখো।
ধন্যবাদ, রিক।
সে একজন দেউলিয়া ব্যবসায়ী ছিল যে তার সঙ্গীর মেয়েকে অপহরণ করেছিল।
সে সর্বস্বান্ত ব্যক্তি, সাইকোপ্যাথ নয়। আমরা যাকে খুঁজছি সে ব্যক্তি খ্যাপাটে ব্যক্তি।
এতোটাই খ্যাপাটে যে বোমা সম্পর্কে অনেক জানে।
আমরা এটা একটা খেলার মাঠে খুঁজে পেয়েছি। পেশাদার লোক বটে। এটা খুবই মারাত্মক জিনিস। বুঝতেই পারছ... বুম।
- এটার সাথে তোমার এখন খেলবার দরকার আছে? - এটা অমিশ্রিত অবস্থায় আছে। আপনাদের কিছু হবে না।
- এটা ধারালো জিনিস। বাইনারি লিকুইড। - কী এটা?
আঠার মতো। দুইটা লিকুইড।
যেকোনো একটা নিন...
কিছুই পাবেন না। কিন্তু দুইটা মিশিয়ে দিলে...
No comments yet. Be the first to leave one.