Pushpa

Pushpa

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

Pushpa: The Rise - Part 1 [WEB-DL/HDRip] [02:55:35]
കമന്ററി എഴുതിയത് Arus_Ariyan
Pushpa: The Rise - Part 1_ BSub_[WEB-DL/HDRip]➡ Runtime- 02:55:35 -) 📥 Dawnload- Southfreak, Mlwbd, TeamBsmbd,

ടാഗുകൾ

other
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2022-01-09
ഡൗൺലോഡുകൾ: 312
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 196 വരികൾ.

অনুবাদেঃ

অনুবাদেঃ ➡ আরুশ আরিয়ান।

অনুবাদেঃ ➡ আরুশ আরিয়ান। ➡ হাবীব সিয়াম।

অনুবাদেঃ ➡ আরুশ আরিয়ান। ➡ হাবীব সিয়াম। ➡ শহিদুল ইসলাম নীরব।

গল্পের শুরুটা জাপানে।

যেখানে পৃথিবীতে সবার আগে সূর্য ওঠে।

এটা হলো জাপানের ধনী পরিবারের বিবাহ…

একটা সংস্কৃতি আছে যে, বরকে কনে কিছু উপহার দিবে।

কথাটা না জাপানিদের নিয়ে; না তাদের সংস্কৃতি নিয়ে।

বেহালাটা দেখছেন? কথা সেটা নিয়ে।

এর দাম আট লাখ…

কারণ হলো, এটা দুষ্প্রাপ্য একটা কাঠ দিয়ে তৈরি।

এখানে কোথাও খুঁজে পাবেন না।

কিন্তু এটা নিশ্চিত চীন থেকে সমুদ্রপথে চোরাচালান হয়ে আসে।

সাংহাই বন্দর, চীন।

কাঠগুলো এই জাহাজে করে এসেছে।

আর এই জাহাজ হাজারো মাইল পাড়ি দিয়ে চেন্নাই থেকে এসেছে।

এগুলো এসব ট্রাকের মাধ্যমে এনে জাহাজে লোড করা হয়েছিল।

সেই জায়গা যেখানে লাল চন্দনের খোঁজ পাওয়া যাবে...

শেষাচালাম জঙ্গল, রায়ালাসীমা।

আশ্চর্যকরভাবে, এই গাছ পৃথিবীর আর কোথাও জন্মে না।

সেজন্যই এর এত দাম।

এটা হলো মাটিতে জন্মানো সোনা, যার নাম লাল চন্দন।

এখান থেকে দূর-দূরান্তে এসব পাচার হচ্ছে।

সত্যি বলতে, এই গল্প লাল চন্দন নিয়ে নয়।

গল্পটা এক দিনমজুরকে নিয়ে যে পুরো পাচার সিন্ডিকেটের অংশ হয়ে যায়।

অবাক হচ্ছেন? হালকাভাবে নিবেন না।

আপনার আমার মত মানুষ সবখানে আছে, কিন্তু তার মত মানুষ লাল চন্দনের মতই দুষ্প্রাপ্য।

পুলিশের সামন দিয়েই পালিয়ে যাচ্ছিস… কে রে তুই?

নিচে নাম... নাম নিচে... নাম বলছি।

অনেকদিন পর দেখা। কী অবস্থা?

আশা করি ভালোই আছেন।

তা ঠিক আছে।

নিজেদের মাঝে ঝামেলা কীসের?

দশ হাজার করে দিব। ছেড়ে দিবেন?

দশ হাজার।

ঘুষ? তামিলনাড়ু পুলিশকে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করছিস?

স্যার, আমাদের দশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে চাচ্ছে, স্যার।

বিশ হাজার!

ত্রিশ হাজার!

চল্লিশ হাজার।

পঞ্চাশ হাজার!

পঞ্চাশ হাজার!

এক লাখ!

মানে জনপ্রতি এক লাখ...

বললাম, জনপ্রতি এক লাখ।

ভাইজান, তামিলিয়ান না কি?

নাম কী আপনার?

পুষ্পা!

নিখাঁদ তেলুগু।

সবার গল্প তার জন্ম দিয়ে শুরু হয়।

কিন্তু আমার গল্প, তার সাক্ষাৎ পাওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়।

চা খেতে গিয়ে গল্পে ডুবে যাবি না।

জলদি এসে পড়বি। অনেক কাজ আছে। ঠিক আছে?

কে ও? আপনার জামাই না কি.. এমনভাবে বসে আছে যেন সে-ই এখানকার মালিক।

আমি কেশব...এদিনই পুষ্পার সাথে আমার প্রথম দেখা।

পায়ের ওপর পা তুলে ওখানে ওটা কে বসে আছে রে?

এই...এসব কী?

মালিক বলার পরেও তুই পায়ের ওপর পা তুলে কীভাবে...?

আদব কায়দা শিখিসনি?

কী?

এই পা আমার আর এটা পা-ও আমারই.. আর আমি আমার পায়ের ওপরই পা রেখেছি।

আমার পা কি মালিকের গায়ে তুলে রেখেছি?

আমার কাছে উনি শ্রম চায়? না কি সম্মান?

এখানে কাজ করতে হলে তোকে অবশ্যই ভালো ব্যবহার করতে হবে।

যাচ্ছেতাই ব্যবহার করতে পারবি না।

তাই বুঝি?

আমার ব্যবহারের তো পরিবর্তন হবে না, মালিক পরিবর্তন করলে কেমন হয়?

আমার টাকা দিন।

চলে যাব।

যা করেছি তার জন্য এটুকুই যথেষ্ট।

এটা আপনার মালিককে দিয়ে বলুন বাজার থেকে আদব-কায়দা কিনতে।

ধরেন!

এই ব্যাটা হয় দুনিয়া কাঁপাবে নয় কুত্তার মতো মরবে।

এই... তুই কোথায় যাচ্ছিস?

আমিও মালিক বদলাচ্ছি।

- দেখতে চাই তার কী হবে। - কোথায় যাচ্ছিস?

এই পর্বতাম্মা? আর কতদিন এভাবে পালাবি?

গত গঙ্গামেলার সময় টাকা দিয়েছিলাম।

আসল তো দূর, তুই সুদটা পর্যন্ত দিসনি।

বলেছিলাম না পরের মাসে দিয়ে দিব?

প্রতিমাসে তুই পরের মাস পরের মাস বলিস। আর কতদিন তোর বাড়ি আসব?

বেহায়া... বজ্জাত সব।

রেড্ডাপ্পা, চিল্লাবি না। পুরো গ্রাম শুনছে।

চিল্লাচ্ছি যাতে পুরো গ্রাম শোনে। অন্তত তখন লজ্জায় টাকাটা দিবে।

সে তো বিধবা। এভাবে কেউ বলে?

বিধবা? তাতে কী?

মহিষের মত দামড়া একটা ছেলে তো আছে... তাই না?

সে কি মানুষ না? হাত-পা নেই তার?

না রেড্ডাপ্পা, আমার ছেলে মিলে কাজ শুরু করেছে।

প্রতিমাসে যা কামাবে তাই তোমাকে দিয়ে দিবে।

কী দিবে?

গ্রামের সবাই জানে তোর ছেলে অনেক আগে কাজ ছেড়ে দিয়েছে।

কীরে পুষ্পা? রেড্ডাপ্পা সত্যি বলছে?

মিলের কাজ ছেড়ে দিয়েছিস? কাজ ছাড়া আমরা বাঁচব কীভাবে?

তোকেই বলছি।

শোন পর্বতাম্মা। বাদে দে। কাল সকালে আসব।

আমি চাই তুই প্রতিটা পাই শোধ করবি,

না দিলে, এবার আর তোর বাড়ির সামনে চিল্লাবো না...

বাড়ির ছাদে উঠে চিল্লাবো।

খা... না ছেলে শোনে, না মহিষ।

আসল তিন হাজার আর সুদ তিন হাজার ছয়শো।

মোট ছয় হাজার ছয়শো।

হিসাব বরাবর, আসি।

তোর হিসাব বরাবর হয়েছে ভালো কথা। আমারটার কী হবে?

তোর হিসাব... কীসের হিসাব?

পুরো গ্রাম জানে তোর কাছ থেকে আমরা টাকা ধার করেছি।

এখন কি সবার জানা উচিত না যে, টাকা শোধ করেছি আমরা?

তাই বুঝি?

ও গুরুপ্পা, ভেঙ্কাটাদ্রি পুষ্পা ধার শোধ করেছে।

আচ্ছা এখন যাই আমি।

কাল রেশনের দোকানে অনেক লোক ছিল।

ওদেরকে কে বলবে?

কী বলছিস?

গুরুপ্পা, কাল যারা ছিল তাদের লিস্টটা দে তো।

একশো ছয়জন ছিল।

পাকালা রবি।

চালাপাথি।

মুনেম্মা!

এই... থাম!

ভেবেছিস সবাইকে জানাবো এখন?

পারবো না।

কোন্ডাল রায়ুডু।

শোনো কোন্ডাল রায়ুডু...পুষ্পা ধার শোধ করেছে।

- শোধ করেছে? - হ্যাঁ, সম্পূর্ণ ধার শোধ করেছে।

বাইনাপাল্লি শুভলক্ষী, বাট্যালা আলিভেলু...

পুষ্পা ধার শোধ করেছে।

পুষ্পা... ভেঙ্কাটা সুবাম্মাকেও জানা। সন্ধ্যায় দুবাই চলে যাচ্ছে।

- শ'য়ের কাজ… - হাজারের কাজ।

আমাকে যেতে হবে... সন্ধ্যায় টাকা দিয়ে দিব।

জলদি আসো... হাজার টাকার কাজ।

এই শ'য়ের কাজ, হাজারের কাজটা আবার কী?

এটা বৈধ, তাই একশো টাকা শুধু।

ওটা অবৈধ। বেশি রিস্ক বেশি টাকা…

হাজার টাকার কাজ…হাজার টাকার কাজ।

জলদি আসো... হাজার টাকার কাজ।

জলদি আসো... হাজার টাকার কাজ।

একশোো টাকার কাজ...একশোো টাকার কাজ।

এই...ওদিকে কেন যাচ্ছিস? ওদিকে গেলে সন্ধ্যায় না-ও ফিরতে পারি।

সন্ধ্যায় এমনিতেও কোনো কাজ থাকে না আমার। অতএব, আমি যাচ্ছি।

থামা...থামা...গাড়ি থামা।

গাড়িতে ওঠ...আয়।

আমি না ফিরলে আমার আব্বা আম্মাকে জানিয়ে দিস।

এই, জলদি নাম।

যাও... যাও...

এগোও!

যাও... যাও!

বৃষ্টির মায়রে বাপ! এগোতে থাক।

এই, জলদি আয়।

তাড়াতাড়ি... সন্ধ্যার পাহাড় পার হতে হবে।

- দাদা, প্রথমবার না কি? - হ্যাঁ দাদা।

নাম কী দাদা?

কাজ হয়ে গেলে টাকা দিবে না কি?

সবাই কোথায় যাচ্ছো?

এসবের জন্য এত ঘাম ঝরিয়েছি আর পুলিশের হাতে এমনি এমনি তুলে দিব?

একটা বুদ্ধি আছে। আসো বলছি।

টাস্কফোর্স ডিএসপি গোবিন্দাপ্পা।

লাল চন্দন চোরাকারবারীদের দুঃস্বপ্ন।

উনি দ্বায়িত্ব নেয়ার পর মজদুরেরা বুঝেছে টাকার চেয়ে জীবন জরুরী।

উনি ঘুমিয়ে পড়লেই শুধুমাত্র গাছ কেটে কাঠ চুরি করা সম্ভব।

এই... এখানে কী করছিস তোরা?

ভেড়াকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে এসেছি..ভেড়া।

ভেড়া কোথায় তাহলে?

জঙ্গলের ভিতর ঘাস খেতে গেছে...

কতগুলো ভেড়াকে ঘাস খাওয়াচ্ছিস তোরা?

কতগুলো ভেড়া আছে আমাদের?

আমার মনে হয় দুইশোো।

দুইশো'র মত আছে স্যার।

কুড়াল দিয়ে রাখালদের কী কাজ?

এরা ভেড়া চড়াতে এসেছে আর বাঘ এসে পড়লে, সেটাকে মারতে আমি এসেছি...

এই... ডিএসপি স্যারের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে?

ভদ্রতা শিখিসনি?

অবশ্যই। সম্মান আছে বলেই তো কাঠ লুকিয়ে রেখেছি।

নাহলে তো আপনাদের সামন দিয়ে নিয়ে যেতাম।

তাহলে কি আসলেই সম্মান হারাতেন?

এই কী দেখছিস?

বাঘ মুঠোয় এসে গেছে। ধরে ফেল।

ভাব দেখাবি না। কাঠ কোথায়?

কোথায়?

ভেবেছিলাম আপনি শুধু কাঠ ধরেন।

জানতাম না পথে যা আসে তাই ধরে বসেন।

শোনেন স্যার।

আপনার কাছে মাত্র ছয়টা বুলেট আছে।

আমার চারদিকে ষাটটা কুড়াল আছে।

আপনাদের ওপর ভারি হয়ে যাব আমরা।

স্যার, এদের চেহারা দেখুন একবার। লাফাঙ্গাদের মত তাকাচ্ছে।

এখন না। আবার পরে আসব আমরা।

সৎ বুদ্ধি দিচ্ছে উনি।

তার কথা মানলে, আমাদের দুজনেরই ভালো।

প্লীজ স্যার। চলুন স্যার।

এদের শক্তি শুধু জঙ্গলেই... কোথায় আর যাবে স্যার?

চলুন স্যার। বাইরে এলেই এদের ধরে ফেলব।

দেখে মনে হয় এরা ভেতরের সব ক্ষোভ আজ আমাদের ওপর ঝাড়বে।

এমনটা হলে আমরাই আমাদের সম্মান হারাবো।

সোমিরেড্ডি-২১ কেজি।

ঠিক আছে ভাই।

അഭിപ്രായങ്ങൾ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left