ആദ്യത്തെ 196 വരികൾ.
সব কর্মীদের বলা হচ্ছে, বাদ পড়া খেলোয়ারদের সরানোর জন্য আদেশ দেয়া হচ্ছে।
আবারো বলছি।
সব স্টাফরা বাদ পড়া খেলোয়ারদের...
• • বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদক • • ফাহাদ আহমদ
SQUID GAME 3
EPISODE 3 IT'S NOT YOUR FAULT
এই।
আমার গলার হারটা দেখেছ?
যেটায় ওষুধ রাখা ছিল, ওই ক্রসটায়।
- না। - শিওর?
বললাম তো দেখিনি।
কোথায় হারালাম বলো তো?
শাউয়া...
এরেনায় একটায় জিনিস ফেলে এসেছি, ওইটা আমাকে আনতে হবে।
তাড়াতাড়ি খুঁজতে হবে।
এখন আর যেতে পারবে না।
একবার যেতে দে ভাই প্লিজ...
৫ টা মিনিট, প্লিজ?
ওইটা ছাড়া আমি চলতে পারবো না।
বগার ভাই আমার ওই জিনিসটা লাগবেই...
তাড়াতাড়ি করো, আমাদের সময় কম।
কিন্তু...
আমাকে সাহায্য করছো কেন?
যদি বাঁচতে চাও, যা বলছি সেটাই করো।
ওরে আমার বাবুটা...
ওর ক্ষুধা লেগেছে।
একবার চেষ্টা করে দেখো।
সবাইকে অভিনন্দন, তোমরা চতুর্থ রাউন্ড পার করেছ।
চতুর্থ রাউন্ডের ফলাফল দেওয়া হচ্ছে।
এই খেলায় ৩৫ জন বাদ পড়েছে।
এখন ২৫ জন খেলোয়াড় বেঁচে আছে।
এই মুহূর্তে মোট পুরস্কার ৪৩.১ বিলিয়ন ওন।
প্রতি জনের অংশে ১.৭২৪ বিলিয়ন ওন।
এখন তোমাদের ভোট দিতে হবে, খেলা চালাবে কিনা।
অফিসার, আমি ম্যানেজার ০০৪ বলছি।
বলুন।
আমরা অপারেশন রুমের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছি।
গিয়ে দেখে আসো।
মি. চোই
হ্যালো?
হোয়াং, যেমনটা ভাবছিলাম…
খোঁজ নিয়ে দেখেছি, ক্যাপ্টেন পার্কের ক্যারেক্টারে গণ্ডগোল আছে।
কেউই ওকে চেনে না।
বাজারে জেলেদের কাছেও জিজ্ঞেস করেছি,
ও কোথায় থাকে, পরিবার আছে কিনা,
বা কোন স্কুলে পড়েছে...
কিন্তু কেউই কিছু বলতে পারছে না।
ওর আইডি তে লেখা পার্ক ইয়ং-গিল,
কিন্তু কেউ ওই নামও চেনে না।
সবাই বলছে নামটা মিথ্যা হতে পারে।
তবে এটুকু বললেই হবে না যে ও ড্রোন অপারেটরকে মেরেছে।
জানি, কোথাও একটা ঘাপলা আছেই।
অন্য নৌকার ক্যাপ্টেন কো-কে মনে আছে?
পার্ক বলেছিল, ও নাকি মুজিন এলাকার লোক।
কিন্তু তাকেও কেউ চেনে না।
আমার এখানকার স্থানীয় বন্ধুও কখনো ওর নাম শোনেনি।
জ্বীনের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে ওরা।
বস,
দ্বীপটা দেখা যাচ্ছে।
আমি এখন রাখছি। পরে ফোন করব।
ঠিক আছে, আমি খোঁজ নিচ্ছি। তুমি ক্যাপ্টেন পার্কের ওপর নজর রাখো।
চলো।
ড্রোনটা একটু নিচে নামাও।
যার নাম্বার সবচেয়ে কম, সে আগে ভোট দেবে।
খেলোয়াড় ০৩৯, ভোট দাও।
যদি খেলা চালাতে চাও, তাহলে "O" বোতাম টিপো।
আর যদি থামাতে চাও, তাহলে "X" বোতাম টিপো।
খেলোয়াড় ০৮৪।
খেলোয়াড় ০৯৬।
খেলোয়াড় ১০০।
খেলোয়াড় ১২৪।
খেলোয়াড় ১২৫।
খেলোয়াড় ১৪৯।
খেলোয়াড় ১৬৩।
খেলোয়াড় ১৯২।
বাপজান।
আমরা এখানেই থেমে যাই?
এই বুইড়া মহিলার প্রতি একটু দয়া করো।
সবাইকে বলছি,
একটু বুঝার চেষ্টা করো।
টাকা যদি এখনো কম মনে হয়,
আমার পুরোটা আমি সবাইকে দিয়ে দেব।
তোমরা আমার সব টাকা নিতে পারো।
বুঝো,
আমি বুড়ো হয়ে গেছি।
এখানে মরলেও কিছু যায় আসে না।
কিন্তু ওই বাচ্চা আর তার মা… তাদের তো মরতে দেওয়া যায় না।
সবাই বুঝো, প্লিজ।
হাতজোড় করছি সবার কাছে।
খেলোয়াড় ১৯২, দয়া করে ভোট দাও।
বাপজান বুঝার চেষ্টা করো। জুন-হি আর বাচ্চাটাকে বাঁচাও।
এই বৃদ্বার প্রতি একটু দয়া করো। পায়ে পড়ছি...
মা আর বাচ্চাটাকে বের হতে দাও।
ওদের বের হতে দাও...
পরিচয় শনাক্ত করো।
মৃতদের পরিচয়?
নম্বর ০০৭।
নম্বর ০২৫।
ওই সৈন্যদের অনুসরণ করো।
ঘরেও ক্যামেরা আছে। সাবধান থাকো।
শেষ খেলোয়াড়ের পালা এসেছে।
খেলোয়াড় ৪৫৬, দয়া করে ভোট দাও।
খেলোয়াড় ৪৫৬ ভোট দেয়নি।
২৫ জন ভোটারের মধ্যে,
১৬ জন "O" , ৮ জন "X" , আর ১ জন ভোট দেয়নি।
তোমাদের ভোট অনুযায়ী, পরের খেলা কাল হবে।
আশা করি ভালো রাত কাটাবে।
শুভকামনা রইলো।
পরিস্থিতি কী?
০০৫, ০০৭ আর ০২৫ মারা গেছে।
কে করেছে এই কাজ?
বন্দুকযুদ্ধ হয়েছিল।
লাগছে ০১৬ করেছে।
০১৬?
অঙ্গ কাটা ডাক্তার?
হ্যাঁ, শুধু ওরই দেহ অপারেশন রুম থেকে নিখোঁজ।
সৈন্যদের রুমে অবস্থা জানাও।
০০৫, ০০৭, ০১১
আর ০২৫ এখনো ফেরেনি।
০১৬ কোথায়?
ঘরে ফিরে এসেছে।
এখন জোয়ার কম।
জলস্রোত বাড়ার আগেই চলে যাই।
ড্রোনটা ফেরত আনো।
জি, স্যার।
একটু থামো।
ড্রোনটা উপকূলে নিয়ে চলো।
কেন? কিছু দেখেছ?
মনে হচ্ছে আমি এখানে আগে এসেছি।
ক্যাপ্টেন পার্ক, উপকূলের দিকে যতটা পারো নাও।
চরে ধাক্কা খাওয়ার ঝুঁকি আছে।
যেভাবেই হোক, আমি কিছু দেখতে চাই।
খাও।
কষ্ট হচ্ছে জানি, তবু খেতে হবে।
মা বাঁচলেই তো বাচ্চা বাঁচবে।
পানি খাও, গলায় আটকে যাবে।
স্যরি।
সব আমার জন্য হয়েছে।
এসব ভাববে না কখনো।
এখন থেকে...
এই বাচ্চাটাই তোমার সব।
তুমি আর তোমার সন্তান ছাড়া আর কিছু ভাববে না।
ঠিক আছে?
লাইট নিভলে ০১৬ কে নিয়ে আসবে।
আর ০১১-কে খুঁজে বার করো। অবস্থান জানাও।
জি বস।
০১১ এখানে।
অপারেশন রুমের কাজটা তুমি করেছ?
কেন?
যারা মরছে শুধু তাদের অঙ্গ নিচ্ছি।
এজন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছো?
ঝুঁকি তো তুমিই নিচ্ছো।
কী চাও?
আগামীকাল আমাকে আর ০১৬ নম্বরকে বাইরের পাহারায় দিও।
ডাক্তারের কথা বলছো?
তোমরা চেনো একে অন্যকে?
আর একটা নৌকা দাও আমাদের।
এ জায়গা থেকে পালানো এত সহজ না।
ভালো করেই জানো।
শুনেছি ভিআইপিরা চলে এসেছে।
আমরা চুপচাপ উধাও হয়ে গেলেই ভালো হবে।
তাই না?
জুন-হো।
আমার সাথে এসো।
এখানেই আমাকে গুলি করেছিল।
শিওর তুকি?
হ্যাঁ, পুরোপুরি শিওর।
দ্বীপটা কাছেই কোথাও হবে।
ঠিক আছে।
এখন অন্ধকার হয়ে আসছে। চলো যাই।
আগামীকাল ভোরে খোঁজা শুরু করব।
এখনই আমরা দ্বীপটা খুঁজে পাবো।
- এলাকাটা ভালো করে দেখো। - জ্বী স্যার।
কি ভাবছো, সবকিছু তোমার দোষ?
জীবন কখনোই ন্যায়ের নিয়ম মেনে চলে না...
এটাই তার প্রকৃতি।
খারাপ মানুষ খারাপ কাজ করে,
দোষ দেয় অন্যদের। আর তারা সুখে জীবন কাটায়।
ভালো মানুষ ছোট ছোট বিষয়েই...
নিজেকে দোষ দেয়।
আমার ইয়ং-শিকও এমনই ছিল।
সে অনেক নরম মনের ছিল। হয়তো বেশি নরম।
বসের ব্যবসা ডুবলে নিজেকেই দোষ দিত।
জুয়া খেলায় প্রতারণার শিকার হলেও
নিজেকেই দোষ দিতো।
তার বন্ধু টাকা নিয়ে পালালেও
নিজেকেই দোষ দিতো।
সেই রাতে প্রচুর মদ খেয়েছিল।
একদিন ওর এমন অবস্থা দেখে আর সহ্য হলো না।
আমি রেগে গিয়ে গালাগালি করলাম।
'তোকে জন্ম দিয়ে ভুল করেছি।'
'গাড়ির নিচে পড়ে মরতে পারিস না? ঠাটা পড়েনা তোর উপর?'
'তুই মর কুত্তা, গাড়ির নিচে পরে মর।'
আর ওই রাতেই...
ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলো।
চিঠিতে লিখে গেলো, তার সব ব্যর্থতার জন্য 'স্যরি'।
No comments yet. Be the first to leave one.