ആദ്യത്തെ 168 വരികൾ.
বাংলা অনুবাদেঃ শাহনেওয়াজ চৌধুরী
সাবটাইটেল ভালো লাগলে এক কাপ চা খাওয়াতে পারেন। বিকাশ # ০১৮১৯৭২৬৪১১
সাবটাইটেল সম্পর্কে ফিডব্যাক জানালে উপকৃত হবো।
- ম্যাডাম, ধীরে-সুস্থে..... - কেনো ভুপেন্দর?
যদি পারতাম তাহলে তাকে এখানেই মেরে সোজা করে ফেলতাম।
কিন্তু সমস্যা হলো, সে তো কোন আইন ভঙ্গ করেনি।
তাই তার সাথে ধীরে-সুস্থে কথা বলতে হবে।
আর তাকে বুঝাতে হবে যে....
তার একটা ইন্টারভিও আমাদের সব কষ্ট ধূলোয় মিশিয়ে দেবে।
আমাদের তাকে ভালো করে বুঝাতে হবে।
যদি সে সত্যিই কোন পাপ করে তাহলে উপরওয়ালা তাকে শাস্তি দেবে।
তুমি নাকি টিভিতে ইন্টারভিউ দেবে?
তোমার সামনে পুরো জীবনটাই পড়ে আছে যেটা দীপিকার কাছে নেই।
আর কী চাও তুমি?
আর এই ইন্টারভিউ.....
কোর্ট তোমার বিরুদ্ধে ব্যাবহার করবে।
বোকামি করো না আকাশ।
হেলো সাইলেশ?
কেমন আছো?
বন্ধু, একটা উপকার করতে হবে।
আমার একজন প্রধান সাক্ষী আছে, উত্তরপ্রদেশে।
তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করতে হবে।
পারিবারিক হিস্ট্রি, কোন অপরাধ করেছে কি-না। সবকিছু.....
খাতা-কলম নাও। আমি তোমাকে বিস্তারিত বলছি।
হ্যাঁ, বিস্তারিত বলছি....
আচ্ছা, আমি মেসেজ করে পাঠাচ্ছি।
কীভাবে করো এসব?
এসব কুত্তাদের সাথে সারাদিন বকবক করে হাসিমুখে বাড়ি যাও কীভাবে?
ম্যাম, পরিসংখ্যানের দিকে নজর দিন।
রাত-দিন শুধু খারাপ লোকদের সাথেই আমাদের দেখা হয়।
তবে সমাজে ৯৯ ভাগ লোক ভালো।
শুধু তাদের সাথে আমাদের দেখা হয় না।
যতই সুন্দরভাবে কেসটা সমাধান করতে চাচ্ছি....
আর এসব লোকদের উপর আমাদের ভরসা করতে হয়।
এক এক করে সবাইকে ধরবো।
আমার মনে হয়, এই সনু সবার মধ্যে সবার ছোট।
বয়স কত হবে?
জানি না। তবে অন্যরা সবাই তাকে বাচ্চা, বাচ্চা বলে।
ভাবতেই অবাক লাগে....
এই ছোট ছোট ছেলে যাদের নাক টিপলে দুধ বের হয়,
তারা এই কাজ কীভাবে করে।
আপনার শিক্ষক হওয়ার দরকার ছিল?
সেটাই তো। আমি শিক্ষক হতেই চেয়েছিলাম।
সেজন্যেই আমার স্ত্রী আমাকে বিয়ে করেছিলো। বেচারি.....
আর তুমি? তুমি কেনো পুলিশে আসলে?
আমি এখানে এক বান্ধবীকে সঙ্গ দিতে এসেছিলাম। তার অনেক শখ ছিলো পুলিশে জয়েন করার।
তার সাথে সাথে একদিন আমিও শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেলাম।
স্কুলের পর এটা আমার প্রথম চাকরি।
দেখতে দেখতে বিশ বছর চলে গেলো।
আর তোমার বান্ধবীর কী হলো?
সে প্রথম পরীক্ষাতেই ফেল করছে।
কপাল ভালো তার.....
- তোমরা ওখানে গিয়ে দাঁড়াও। - জী স্যার।
সাবধানে থাকবে।
- তুমি তাকে চিনতে পারবে তো? - হ্যাঁ অবশ্যই।
- সে এখানে আসবে। - সত্যি?
- কয়টার দিকে আসবে? - সঠিক জানিনা। তবে ১০-২০ মিনিট লাগবে।
- স্যার, আপনি ঠিক আছেন? - হ্যাঁ, সব ঠিক আছে।
আমাদের চারটি টিম এখানে আছে, তারা বাসস্ট্যান্ডের চারিদিকে ছড়িয়ে গেছে।
তোমরা গাড়ির টায়ারের ওখানে গিয়ে দাঁড়াও।
- ওকে? - আর তাকে?
আসো।
- কে? - ঘুম থেকে উঠুন।
বাহাদুর ফোন দিয়ে বললো যে, আলোক ঘরে ফিরে আসছে।
আসছি।
শুকলা, উঠ। যেতে হবে।
স্যার....
- মনে হয় সে.... - চলো.....
গুরগাও, গুরগাও, গুরগাও.....
গুরগাও, গুরগাও....
- এটা সে? - হ্যাঁ এই.....
- কী করছেন? - একদম চুপ। আমরা দিল্লি পুলিশ।
আমার জিনিস নিচ্ছেন কেনো?
এদিকে আই.....
- এদিকে আই...গাড়িতে উঠ। - উঠ....
বসো, বসো, বসো.....
স্যার, কী হচ্ছে এসব?
আমি এস আই সুধীর কুমার।
উনি সাব ইন্সপেক্টর ভিমলা।
আর ইনি SHO সুভাষ গুপ্তা।
- তুর নাম কি সনু? - জী।
১৬ই ডিসেম্বর রবিবার রাতে কোথায় ছিলি?
- বাসে ঘুমিয়েছিলাম। - কেউ কি এটা কনফার্ম করতে পারবে?
কীভাবে বলি..আমি তো ঘুমিয়েছিলাম।
১৬ই ডিসেম্বর রাতে তুই একটা মেয়েকে বাসের মধ্যে ধর্ষণ করেছিলি।
সাউথ দিল্লিতে।
না ম্যাডাম। আমি কোন রেপ-টেপ করিনি।
- তুর আসল নাম কী? - আহমেদ মনসুরি।
- এই ফোন কোথায় পেলি? - বাসে।
ছবির লোকটা থেকেই তো এটা চুরি করেছিস। তাই না?
আর এই যে ভিক্টিমের এটিএম কার্ড।
এটা কোথায় পেলি?
এখন ঝেড়ে কাশো?
এখন সত্যটা বলে দে? তাতেই তুর ভালো।
আমরা ইতিমধ্যেই জয়, ভিকাস, অমর আর ব্রিজেশকে জেলে ঢুকাইছি।
আর তারা আমাদের সব বলে দিয়েছে।
এখন তুই বল সেই রাতে তুই কী কী করেছিস?
বল.....
বল.....
বলবি নাকি হাড্ডি ভাঙ্গবো?
স্যার বলছি, বলছি.....
থানায় চল....
এই ছেলে তুর বয়স কত?
উত্তর দে?
- জানি না। - আরে বল.....
- ১৭ বা ১৮. - ১৭-১৮?
ম্যাম, আমি সঠিক জানি না।
স্যার, সে এখনো নাবালক। ১৬ বছরের বেশি হবে না।
এতো নিশ্চিত কীভাবে হলে?
নিশ্চিতের ব্যাপার না স্যার। চেহারা দেখেন তার।
ভালো করে দাঁড়িও উঠেনি।
আমি তাকে নাবালকের লিস্টে নোট করছি।
পাগল হয়ে গেলে নাকি?
তার প্রতিপক্ষরা তখন সুযোগ পেয়ে যাবে।
তিন বছরের বেশি সাজা হবে না তার।
আর ওই শুয়োরের বাচ্চারা এটার ফায়দা নিয়ে জেল থেকে বেরিয়ে যাবে।
আর একজন নাবালককে জেলে যৌন নির্যাতনের জন্য আমি দায়ী হতে চাই না।
আমি একজন জুভেনাইল ওয়েলফেয়ার অফিসার, এবং এই ইস্যুতে আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করছি।
আমি তাকে নাবালকের লিস্টে বুক করছি।
ধন্যবাদ। আসো।
কী?
সত্যি বলছিস?
তুই সিউর? এটা সনু?
ভাইসব.... সনুকে পেয়ে গেছি আমরা।
এখনো একজন বাকি আছে।
- দারুণ। কিন্তু আমার সবাইকে চাই। - কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। স্যার।
স্যার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব আপনার সাথে কথা বলতে চান।
মা, আমি কাজে আছি। পরে কথা বলছি।
সরি বেটা। একটা কথা বল শুধু। টিভিটা বেচে দেবো?
টিভি কেনো?
ছেলে পক্ষকে গিফট দেওয়ার জন্য টাকার দরকার তাই।
- তাদের এত গিফট দেওয়ার কী দরকার? - দিতে হবে।
মা, তুমি এটা ভুল করছো।
- তুমি জানো যে এটা অবৈধ কাজ। তাই না? - হ্যাঁ জানি।
আচ্ছা বাদ দে। এটাই তো আমাদের রীতি তাই না।
মা পরে কথা বলবো। কিন্তু টিভি বিক্রি করো না।
শোন.....
ভাই ও বোনেরা আমরা চাইলে মুখ বন্ধ করে থাকতে পারতাম। চাইলে পিছিয়ে যেতে পারতাম।
কিন্তু, আমার কথা লিখে রাখুন....
আমরা যদি বসে থাকি, পিছু হটি...
এরকম ঘটনা আরো হবে।
স্যার জলদি আসুন।
মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করতে বলো।
সিপির অর্ডার....
মিছিলে লাঠিচার্জ শুরু করুন।
সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি... আপনাদের সবাইকে এই স্থান ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
যদি না যান, তাহলে আমরা লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হব।
- এবং জল কামান ব্যবহার করা হবে। - বন্ধুরা, ভয়ের কিছু নেই।
কেউ স্থান ত্যাগ করবেন না।
মাদারচোদ! ওটা মুখ্যমন্ত্রী ছেলে। ধর তাকে।
কী চায় তারা?
অনেক রেগে আছে। কিন্তু কী চায় তারা?
যেটা আপনারা দেখছেন, পুলিশ মিছিলের উপর লাঠিচার্জ করছে।
ম্যাডাম....
আমি এক সাক্ষীর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছি।
তার বাবা উত্তরপ্রদেশের একজন ক্রিমিনাল লয়ার।
আর তার বিরুদ্ধে বিশটি মামলা আছে।
তুমি আবার ভিক্টিমের ব্যাকগ্রাউন্ড কবে থেকে চেক করা শুরু করলে!
যখন থেকে আমরা এই হারামিদের পেছনে দৌড়ানো শুরু করলাম তখন থেকে।
- রাকেশ? - জী ম্যাডাম।
আমাদের সাফদারজাং হাসপাতালে যেতে হবে। দীপিকা বিবৃতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
পরে কল দেবো।
- ম্যাজিস্ট্রেটকে কল দেবো? - আমি দিচ্ছি....
- স্যার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব লাইনে আছেন। - ওকে।
আপনাদেরকে এই জায়গা ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। নয়তো আমরা গ্রেফতার করতে বাধ্য হবো।
মিছিল থেকে তার উপর হামলা করা হয়েছে। তবে পুলিশ বাঁচিয়েছে।
তাই?
- মুখ্যমন্ত্রীকে লাইন দিন প্লিজ। - ওকে।
No comments yet. Be the first to leave one.